1 of 3

033.001

হে নবী! আল্লাহকে ভয় করুন এবং কাফের ও কপট বিশ্বাসীদের কথা মানবেন না। নিশ্চয় আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।
O Prophet (Muhammad SAW)! Keep your duty to Allâh, and obey not the disbelievers and the hypocrites (i.e., do not follow their advices). Verily! Allâh is Ever All­Knower, All­Wise.

يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ اتَّقِ اللَّهَ وَلَا تُطِعِ الْكَافِرِينَ وَالْمُنَافِقِينَ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلِيمًا حَكِيمًا
Ya ayyuha alnnabiyyu ittaqi Allaha wala tutiAAi alkafireena waalmunafiqeena inna Allaha kana AAaleeman hakeeman

YUSUFALI: O Prophet! Fear Allah, and hearken not to the Unbelievers and the Hypocrites: verily Allah is full of Knowledge and Wisdom.
PICKTHAL: O Prophet! Keep thy duty to Allah and obey not the disbelievers and the hypocrites. Lo! Allah is Knower, Wise.
SHAKIR: O Prophet! be careful of (your duty to) Allah and do not comply with (the wishes of) the unbelievers and the hypocrites; surely Allah is Knowing, Wise;
KHALIFA: O you prophet, you shall reverence GOD and do not obey the disbelievers and the hypocrites. GOD is Omniscient, Most Wise.

০১। হে নবী! আল্লাহ্‌কে ভয় কর এবং অবিশ্বাসী ও মোনাফেকদের কথা শুনো না ৩৬৬৬। আল্লাহ্‌ অবশ্যই জ্ঞান ও প্রজ্ঞায় পরিপূর্ণ।

৩৬৬৬। ইসলামের ইতিহাসে হিজরী পঞ্চম বর্ষ ছিলো অত্যন্ত বিপদ-সংঙ্কুল। সে সময়টা ছিলো ইসলামের প্রথম যুগ। তখনও ইসলামের অবস্থান দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় নাই। এরই পটভূমিতে এই সূরা অধ্যয়ন করতে হবে। ভূমিকাতে ব্যাখ্যা করা হয়েছে যে, দুষ্কর্মে সহযোগীদের মৈত্রী মদিনা অবরোধ করে এবং বিফল হয়। এই মৈত্রীতে ছিলো মক্কার অবিশ্বাসী পৌত্তলিকরা, মধ্য আরবের মরুভূমির আরবেরা, বিশ্বাসঘাতকতার জন্য মদিনা থেকে পূর্বে বহিষ্কৃত ইহুদীরা ,মদিনাতে অবস্থানকারী অবশিষ্ট ইহুদীরা, এবং আব্‌দুল্লা -ইবন- উবাই এর তত্বাবধানে মদিনার মোনাফেকরা যাদের কথা পূর্বের [ ৯ : ৪৩ – ১১০ ] সূরাতে উল্লেখ করা হয়েছে। এই বিভিন্ন গোষ্ঠির একত্রে মিলিত হওয়ার প্রধান সুত্র ছিলো ইসলামের প্রতি তীব্র ঘৃণা। এখানে তিনটি বিষয় উল্লেখযোগ্য :

১) ইহুদীরা ইসলাম গ্রহণের শেষ সুযোগ নষ্ট করে ফেলে। তাদের মধ্যে যারা ভালো লোক ছিলো তারা পূর্বেই ইসলাম গ্রহণ করে। কারণ তারা মূল্যায়ন করতে সক্ষম হয়েছিলো যে, ইসলামে আল্লাহ্‌র প্রত্যাদেশকে পুণরুজ্জীবিত করা হয়েছে।

২) হযরত আয়েশার বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা থেমে যাওয়ার পরে [ ২৪ : ১১ – ২৬ ] ,এই সূরাতে রসুলের [সা ] স্ত্রীদের বিশেষ মর্যদা দান করা হয়। তাদের বিশ্বাসীদের মাতারূপে পরিগণিত করা হয়।

৩) হযরত জয়নাবের কাহিনীর উপরে ভিত্তি করে যৌন জীবনের পবিত্রতাকে নূতন আঙ্গিকে উপস্থাপন করা হয়। হযরত জয়নাবের উপাধি ছিলো গরীবের মাতা।

এই বিষয়গুলি পরবর্তীতে আলোচনা করা হবে।