1 of 3

040.018

আপনি তাদেরকে আসন্ন দিন সম্পর্কে সতর্ক করুন, যখন প্রাণ কন্ঠাগত হবে, দম বন্ধ হওয়ার উপক্রম হবে। পাপিষ্ঠদের জন্যে কোন বন্ধু নেই এবং সুপারিশকারীও নেই; যার সুপারিশ গ্রাহ্য হবে।
Warn them of the Day that is (ever) drawing near, when the hearts will (come) right up to the throats to choke (them); No intimate friend nor intercessor will the wrong-doers have, who could be listened to.

وَأَنذِرْهُمْ يَوْمَ الْآزِفَةِ إِذِ الْقُلُوبُ لَدَى الْحَنَاجِرِ كَاظِمِينَ مَا لِلظَّالِمِينَ مِنْ حَمِيمٍ وَلَا شَفِيعٍ يُطَاعُ
Waanthirhum yawma al-azifati ithi alquloobu lada alhanajiri kathimeena ma lilththalimeena min hameemin wala shafeeAAin yutaAAu

YUSUFALI: Warn them of the Day that is (ever) drawing near, when the hearts will (come) right up to the throats to choke (them); No intimate friend nor intercessor will the wrong-doers have, who could be listened to.
PICKTHAL: Warn them (O Muhammad) of the Day of the approaching (doom), when the hearts will be choking the throats, (when) there will be no friend for the wrong-doers, nor any intercessor who will be heard.
SHAKIR: And warn them of the day that draws near, when hearts shall rise up to the throats, grieving inwardly; the unjust shall not have any compassionate friend nor any intercessor who should be obeyed.
KHALIFA: Warn them about the imminent day, when the hearts will be terrified, and many will be remorseful. The transgressors will have no friend nor an intercessor to be obeyed.

১৮। সেদিন সম্বন্ধে সর্তক কর , যেদিন [ ক্রমাগত ] নিকটবর্তী হচ্ছে, যেদিন হৃদয় কণ্ঠাগত হয়ে তাদের শ্বাসরোধ করবে ৪৩৮১। পাপীদের এমন কোন অন্তরঙ্গ বন্ধু বা সুপারিশকারী থাকবে না যার কথা গ্রাহ্য করা হবে ৪৩৮২।

৪৩৮১। “যেদিন হৃদয় কন্ঠাগত হয়ে তাদের শ্বাসরোধ করবে ” – এই বাক্যটি একটি বাগ্‌ধারার ন্যায়, যার সাহায্যে বুঝানো হয় যে, ভয়ে উৎকণ্ঠায় তাদের সমস্ত সত্ত্বা ও জীবন আতঙ্কিত হয়ে পড়বে। তবে বাক্যটি বিশদ ব্যাখ্যার দাবী রাখে। [ প্রাণ ] বা হৃদয় হচ্ছে আমাদের সকল আবেগ , অনুভূতির উৎস ও ভালোবাসার উৎসস্থল। যেমন শঙ্কা, ভীতি, হতাশা , দুঃখবোধ ,ইত্যাদি অনুভূতিও আমাদের হৃদয়কে বা প্রাণ আপ্লুত করে আমাদের কণ্ঠকে রোধ করে দেয়। এখানে কণ্ঠ হচ্ছে মনের ভাব বা ভাষাকে প্রকাশ করার মাধ্যম। সেদিন পাপীদের কণ্ঠ রোধ হয়ে যাবে, তারা কোনও কিছু প্রকাশে অক্ষম হবে। আবার কণ্ঠ শুধু যে স্বরযন্ত্রকেই ধারণ করে তাই নয়, কণ্ঠ খাদ্য নালীকেও ধারণ করে। খাদ্য , খাদ্যনালীর মাধ্যমে পরিপাকযন্ত্রে যায় ও শরীরকে সুস্থ ও সবল রাখে। কণ্ঠ রোধ হয়ে যাওয়ার অর্থ হচ্ছে শরীরের পুষ্টি সাধনে বাধা দান করে সমস্ত শরীরকে নিশ্চল করে দেয়া যার ফলে শরীরের সুস্থ কর্মকান্ড অচল হয়ে শরীর হয়ে পড়ে রোগ ও যন্ত্রনার আকর। সেইরূপ পৃথিবীর পাপ কাজ সেদিন তাদের আকণ্ঠ ঘিরে ধরবে , ফলে দুঃখ দুর্দ্দশাতে তাদের প্রাণ কণ্ঠাগত হবে।

৪৩৮২। এই আয়াতটির মাধ্যমে ব্যক্তিগত দায় দায়িত্বের কথা পুণরায় ঘোষণা করা হয়েছে। তাদের জন্য সেদিন কোনও সুপারিশকারী থাকবে না।