2 of 3

070.004

ফেরেশতাগণ এবং রূহ আল্লাহ তা’আলার দিকে উর্ধ্বগামী হয় এমন একদিনে, যার পরিমাণ পঞ্চাশ হাজার বছর।
The angels and the Rûh [Jibrael (Gabriel)] ascend to Him in a Day the measure whereof is fifty thousand years,

تَعْرُجُ الْمَلَائِكَةُ وَالرُّوحُ إِلَيْهِ فِي يَوْمٍ كَانَ مِقْدَارُهُ خَمْسِينَ أَلْفَ سَنَةٍ
TaAAruju almala-ikatu waalrroohu ilayhi fee yawmin kana miqdaruhu khamseena alfa sanatin

YUSUFALI: The angels and the spirit ascend unto him in a Day the measure whereof is (as) fifty thousand years:
PICKTHAL: (Whereby) the angels and the Spirit ascend unto Him in a Day whereof the span is fifty thousand years.
SHAKIR: To Him ascend the angels and the Spirit in a day the measure of which is fifty thousand years.
KHALIFA: The angels, with their reports, climb to Him in a day that equals fifty thousand years.

৪। ফেরেশতাগণ ও রুহু ৫৬৭৭ আল্লাহ্‌র দিকে আরোহণ করে এমন দিনে যার পরিমাণ পৃথিবীর পঞ্চাশ হাজার বছরের সমান। ৫৬৭৮

৫৬৭৭। “Ruh” – বা আত্মা। দেখুন সূরা [ ৭৮ : ৩৮ ] আয়াত যেখানে বলা হয়েছে “রূহু” ও ফিরিশতাগণ “। আবার সূরা [ ৯৭ : ৪ ] আয়াতে বলা হয়েছে, ” ফিরিশতাগণ ও রূহু “। সূরা [ ১৬ : ২ ] আয়াতে বর্ণিত রূহু শব্দটির অনুবাদ করা হয়েছে ‘ওহী’ শব্দটি দ্বারা। কোন কোন তফসীরকারের মত্যে রূহু শব্দটি দ্বারা জিব্রাঈল ফিরিশতাকে বুঝানো হয়। রূহুকে বিভিন্ন ভাবে এভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। কিন্তু মওলানা ইউসুফ আলী সাহেবের মতে রূহু শব্দটির অর্থ আরও ব্যপক হওয়া প্রয়োজন, তা হলে যে কোন বর্ণনা প্রসঙ্গে তা ব্যবহৃত হতে পারে। মানুষকে আল্লাহ্‌ রূহু দ্বারা সমৃদ্ধ করেছেন। রূহু হচ্ছে পরমাত্মার অংশ যা আল্লাহ্‌ ফুৎকারের সাহায্যে মানুষের ভিতরে আত্মারূপে প্রবেশ ঘটিয়েছেন। দেখুন সূরা [ ১৫ : ২৯ ] আয়াত। এভাবেই আধ্যাত্মিক জগতে আল্লাহ্‌ আমাদের সুউচ্চ মর্যদা দান করেছেন এবং তাঁর সান্নিধ্যের আলোকের যোগ্য করেছেন।

৫৬৭৮। ফিরিশতা ও রূহু আল্লাহ্‌র সান্নিধ্য লাভের যোগ্যতা অর্জন করে থাকে বহু বছরের সাধনায়। এই মহিমান্বিত ও গৌরবান্বিত যোগ্যতা অর্জন, আধ্যাত্মিক জগতের সর্বোচ্চ যোগ্যতা ব্যতীত সম্ভব নয়। এই যোগ্যতা অর্জনের জন্য বহু সময়ের প্রয়োজন ; পৃথিবীর মাপকাঠিতে তা হয়তো পঞ্চাশ হাজার বছরের সমান। কিন্তু আধ্যাত্মিক জগতের জন্য তা হবে এক মূহুর্ত বা একদিন। এ ভাবেই সময়ের আপেক্ষিক ধারণাকে প্রকাশ করা হয়েছে যার ব্যাখ্যা একমাত্র বিজ্ঞানই দিতে পারে। দেখুন সূরা [ ৩২ : ৪ – ৫ ] ও টিকা ৩৬৩২ এবং ৩৬৩৪।