2 of 3

058.001

যে নারী তার স্বামীর বিষয়ে আপনার সাথে বাদানুবাদ করছে এবং অভিযোগ পেশ করছে আল্লাহর দরবারে, আল্লাহ তার কথা শুনেছেন। আল্লাহ আপনাদের উভয়ের কথাবার্তা শুনেন। নিশ্চয় আল্লাহ সবকিছু শুনেন, সবকিছু দেখেন।
Indeed Allâh has heard the statement of her (Khaulah bint Tha’labah) that disputes with you (O Muhammad SAW) concerning her husband (Aus bin As­Sâmit), and complains to Allâh. And Allâh hears the argument between you both. Verily, Allâh is All-Hearer, All-Seer.

قَدْ سَمِعَ اللَّهُ قَوْلَ الَّتِي تُجَادِلُكَ فِي زَوْجِهَا وَتَشْتَكِي إِلَى اللَّهِ وَاللَّهُ يَسْمَعُ تَحَاوُرَكُمَا إِنَّ اللَّهَ سَمِيعٌ بَصِيرٌ
Qad samiAAa Allahu qawla allatee tujadiluka fee zawjiha watashtakee ila Allahi waAllahu yasmaAAu tahawurakuma inna Allaha sameeAAun baseerun

YUSUFALI: Allah has indeed heard (and accepted) the statement of the woman who pleads with thee concerning her husband and carries her complaint (in prayer) to Allah: and Allah (always) hears the arguments between both sides among you: for Allah hears and sees (all things).
PICKTHAL: Allah hath heard the saying of her that disputeth with thee (Muhammad) concerning her husband, and complaineth unto Allah. And Allah heareth your colloquy. Lo! Allah is Hearer, Knower.
SHAKIR: Allah indeed knows the plea of her who pleads with you about her husband and complains to Allah, and Allah knows the contentions of both of you; surely Allah is Hearing, Seeing.
KHALIFA: GOD has heard the woman who debated with you about her husband, and complained to GOD. GOD heard everything the two of you discussed. GOD is Hearer, Seer.

১। আল্লাহ্‌ অবশ্যই শুনেছেন সেই নারীর বক্তব্য [ এবং গ্রহণ করেছেন ], যে তার স্বামীর সম্বন্ধে তোমার নিকট আবেদন করেছিলো ৫৩৩০ এবং [ প্রার্থনার মাধ্যমে ] তার অভিযোগ আল্লাহ্‌র নিকট পেশ করেছিলো। আল্লাহ্‌ তোমাদের উভয় পক্ষের যুক্তি তর্ক [ সব সময়ে ] শুনছিলেন ৫৩৩১, নিশ্চয়ই আল্লাহ্‌ [ সব ] শোনেন ও [ সব ] দেখেন।

৫৩৩০। এই আয়াতটি অবতীর্ণ হওয়ার পটভূমি হচ্ছে তালাবার কন্যা খাওলার ঘটনা। তিনি ছিলেন সামীতের পুত্র আউসের স্ত্রী। যদিও আউস ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন, তবুও তিনি তার স্ত্রীকে মোশরেক আরবদের প্রথামত, ‘জিহারের ‘ মাধ্যমে ত্যাগ করেন। ‘জিহারের’ সজ্ঞা হচ্ছে স্বামী স্ত্রীকে সম্বোধন করে বলবে, ” তুমি আমার নিকট আমার মায়ের পৃষ্ঠদেশের ন্যায়।” প্যাগান আরবদের প্রথা অনুযায়ী এর দ্বারা স্বামী তার স্ত্রীর ভরণ পোষণ এবং স্বামীর সর্ব দায়িত্ব থেকে মুক্ত হয়ে যায় কিন্তু স্ত্রীর তার স্বামীর ঘর ত্যাগ করে অনত্র গমন বা অন্য ব্যক্তিকে বিবাহের অধিকার থাকে না। ‘জিহার’ এর এরূপ চুক্তি মহিলাদের জন্য শুধু অবমাননাকরই ছিলো না, তা ছিলো তাদের জন্য দুঃখ-দুর্দ্দশার কারণ। খাওলার জন্য জিহারের শর্ত গুলি ছিলো অতীব দুর্দ্দশার কারণ। প্রথমতঃ খাওলা তাঁর স্বামীকে অত্যন্ত ভালোবাসতেন উপরন্তু তাঁর ছিলো ছোট ছোট সন্তান যাদের ভরণ-পোষণের কোনও সঙ্গতিই তার ছিলো না। জিহারের শর্ত অনুযায়ী সন্তানদের ভরণ-পোষণের দায়িত্ব আর পিতার থাকবে না। কি অমানবিক ও অমানুষিক শর্ত ও প্রথা। এরই প্রেক্ষাপটে খাওলা আল্লাহ্‌ নিকট প্রার্থনা করেন এবং রাসুলের (সা) নিকট আবেদন জানান। তাঁর প্রার্থনা আল্লাহ্‌ কবুল করেন এবং মিথ্যা শব্দ সমষ্টির উপরে প্রতিষ্ঠিত এই জঘন্য প্রথার বিলুপ্তি ঘটান। দেখুন সূরা [ ৩৩ : ৪ ] আয়াতের টিকা নং ৩৬৭০।

৫৩৩১। আল্লাহ্‌র অন্যতম উপাধি, তিনি ন্যায় বিচারক। মানুষের অধিকারকে, মিথ্যা প্রথা, বা সংস্কার বা মিথ্যা ভণিতা দ্বারা খর্ব করার মত অন্যায়কে আল্লাহ্‌ প্রশ্রয় দান করেন না। এমন কি যে দুর্বল তার ফরিয়াদও আল্লাহ্‌ শোনেন।