১৭. মা ও মেয়ে
পৃথিবীর কোথাও না কোথাও
.
সকালে সূর্যটা সবে উঠেছে। পাখি গান গেয়ে চলেছে। কিন্তু মায়ের মনের ঝড়টা আর শান্ত হয় না।
পাহাড়ঘেরা গ্রামে ছেলেকে নিয়েই এখন থাকে মা। তার মেয়েটা সেই কবে কাঠমান্ডু চলে গিয়েছে। অনেক দিন মেয়েটার কোনও খবর পান না তিনি।
শেষ বার দেখা হয়েছিল প্রায় বছরখানেক আগে। দেখা করে বলেছিল, ভারতে ভাল একটা কাজ পেয়েছে। অনেক অর্থ উপার্জন করতে পারবে। কিছু দিনের জন্য মুম্বই গিয়ে থাকতে হবে। তাই হয়তো যোগাযোগ করা সম্ভব হবে না। আর এ বার যখন ফিরে আসবে, আর মাকে ছেড়ে যাবে না। থেকে যাবে এই গ্রামের বাড়িতেই।
সে তো কবেকার কথা। একটা বছরের উপরে হয়ে গিয়েছে। অপরাজিতার কাছ থেকে আর কোনও খবর পাননি মা। কী যে হল মেয়েটার! তাকে কি ভুলেই গেল? নাকি অন্য কোনও বিপদ হল? যতই হোক, অল্প বয়সি একটা মেয়ে তো। কত রকমের বিপদ আপদ হতে পারে।
মা ঘরে একা শুয়ে ভয়ে চোখের জল ফেলেন। আর মনে মনে একটা প্রার্থনাই করে যান। মেয়ে যদি তাকে ভুলে যায়, যাক। কোনও ক্ষতি নেই। কিন্তু কোনও বিপদ যেন মেয়েটার না হয়। হে ঈশ্বর, মেয়েটাকে রক্ষা কোরো!
দিন যায়, মায়ের চোখের জল শুকিয়ে আসে। কিন্তু অপেক্ষার পালা চলতেই থাকে। প্রহর গোনেন সেই মুহূর্তটার। যে-দিন তিনি দরজা খুলবেন আর দেখবেন, মেয়ে তার হাসিমুখে দাঁড়িয়ে আছে। তাকে দেখেই ছুটে এসে জড়িয়ে ধরে বলবে, “মা, আমি এসে গিয়েছি। আর তোমাকে ছেড়ে যাব না।”
সেই দিন কি কখনও আসবে? মা আশা ছাড়েন না। তিনি অপেক্ষা করে থাকবেন।
.
কলকাতার বিলাসবহুল সেই অ্যাপার্টমেন্টের বাহ্যিক জৌলুস একটুও কমেনি। কিন্তু ভিতরে ভিতরে শীতের ঝরা পাতা হয়ে গিয়েছে। কত দিন হয়ে গেল মেয়েটা হারিয়ে গিয়েছে? অজন্তার মা আর মনে রাখতে পারেন না। সেই সংখ্যাটা মনে রাখার মতো মনের জোর আর তার নেই।
তিনি এখনও নিজেকে দোষ দিয়ে চলেন। কেন, কেন মেয়ের আরও কাছে আসতে পারলেন না? কেন মেয়েকে আরও সময় দিতে পারলেন না? বুঝতে পারলেন না মেয়ের মনের কথা? তা হলে হয়তো এই দিনটা কোনও দিন আসত না। তিনি মেয়েকে সমাজের একটা রত্ন বানাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বুঝতে পারেননি, ভিতরে ভিতরে মেয়ে কতটা একাকিত্বে ভুগছে। কতটা রক্তাক্ত হচ্ছে।
বাবার কাঁধে মাথা রেখে মা মাঝেমধ্যেই ডুকরে ওঠেন, “মিতুলের এই অবস্থার জন্য আমিই দায়ী। কেন আমি বুঝতে পারিনি মেয়েটার মনের কথা?”
রুদ্রাণী সিংহের আপ্রাণ চেষ্টা সত্ত্বেও অজন্তা অন্তর্ধান কেসের বিশেষ কোনও ব্লু আর পাওয়া যায়নি। পাঞ্চালীর তরফেও কোনও খবর আসেনি।
অ্যান্টি হিউম্যান ট্র্যাফিকিং ইউনিট কোনও কেস হাতে নিলে, সেটা ইন্টারপোলকেও জানাতে পারে। সেটাও জানিয়েছে রুদ্রাণী। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। সীমান্ত বাহিনির কাছ থেকেও কোনও খবর আসেনি। এই রকম কোনও মেয়ের বিদেশে পাচার হয়ে যাওয়ার খবর তারা জানে না।
কয়েক দিন বাদে সিবিআইয়ের কাছ থেকে একটা খবর পেল রুদ্রাণী। ঠিক সরকারি চ্যানেলে নয়, একটু বেসরকারি ভাবে। সিবিআইয়ের এক তরুণ অফিসারের সঙ্গে আগে থেকে আলাপ ছিল রুদ্রাণীর। একটা কেসের সূত্রে। সূর্য রানে। এই ছেলেটাকে অজন্তার ছবি আর কৃষ্ণেন্দুর আঁকা রাজার ছবিটা পাঠিয়ে রেখেছিল রুদ্রাণী। ফোনটা করল সেই সূর্য।
“আমার মনে হল তোমাকে একটা কথা জানানো দরকার। অজন্তার কেসে কাজে লাগতে পারে।” ফোনটা পেয়ে একটু আশার আলো দেখতে পেল রুদ্রাণী।
“তাই নাকি? বলো, বলো। এই কেসে একটা ব্রেক থ্রু না পেলে বড় সমস্যা হয়ে যাবে।” খড়কুটো পেলেও আঁকড়ে ধরতে তৈরি রুদ্রাণী।
সূর্য প্রশ্ন করল, “তুমি স্কিন ট্র্যাফিকিংয়ের ব্যাপারে কিছু জানো কি?”
“ব্যাপারটা শুনেছি। মানুষের চামড়া ছাড়িয়ে বিদেশে পাচার করে দেওয়া হয়।”
“ঠিকই শুনেছ। তবে কত গভীরে এটা ছড়িয়ে গিয়েছে, তা হয়তো জানো না। এখনও সে ভাবে মিডিয়ায় প্রকাশ হয়নি ব্যাপারটা। তাই সাধারণ মানুষ ও খবর পায় না। কিন্তু এই ভয়ঙ্কর ব্যাধিটা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে।”
“অজন্তার সঙ্গে এই স্কিন ট্র্যাফিকিংয়ের কোনও সম্পর্ক আছে বলে সন্দেহ করছ?” রুদ্রাণী প্রশ্ন করল। পাঞ্চালীর কথাটা মনে পড়ে যাচ্ছিল তার।
উল্টো দিকের ছেলেটা বলল, “তোমাকে একটা কেসের কথা বলি। কয়েক দিন আগে গোরখপুরে একটা নেপালি মেয়ে খুন হয়ে যায়। উত্তরপ্রদেশের পুলিশ বিশেষ মাথা ঘামায়নি। আমরাও ঘামাতাম না। কিন্তু মেয়েটার পোস্ট মর্টেমে একটা বিশেষ কথা উল্লেখ করা ছিল। যে-কারণে আমাদের নজরে চলে আসে ব্যাপারটা।”
“কী লেখা ছিল রিপোর্টে?”
“মেয়েটার শরীরের বিভিন্ন জায়গা থেকে চামড়া তুলে নেওয়া হয়েছে বলে সন্দেহ করছে ডাক্তার। অন্তত মুখের কাছে তো বটেই। একটা ক্ষত খুব বেশি দিন আগের নয়।”
“স্কিন ট্র্যাফিকিং?”
“সে-রকমই সন্দেহ করা হচ্ছে। মেয়েটার কোনও পরিচয় পাওয়া যায়নি। এ ভাবেই নেপাল থেকে অনেক মেয়েকে ভারতে পাচার করা হয়। আরও একটা ব্যাপার আমাদের কানে এসেছে।
রুদ্রাণীর উৎকণ্ঠাটা বাড়ছিল।
“নেপালের অনেক মেয়েই এখন স্কিন ট্র্যাফিকিংয়ের সঙ্গে যুক্ত। কেউ ইচ্ছাকৃত ভাবে, অর্থের বিনিময়ে চামড়া বিক্রি করে। কারও শরীর থেকে জোর করে তুলে নেওয়া হয়। বিশেষ করে যে-সব মেয়ে যৌনপল্লিতে কাজ করে, তারাই এই চক্রের শিকার হয় বেশি।”
“এই মেয়েটাও কি সেই চক্রের শিকার বলে মনে করছ?”
“আমাদের কাছে সে-রকম খবরই আছে। এও জানতে পেরেছি, এই মেয়েটা নাকি ওদের হাত থেকে পালিয়েছিল। একটা দুর্ঘটনায় পড়েছিল প্রথমে। তার পরে রেসকিউ হোম থেকে পালায়।”
রুদ্রাণী একটু চুপ করে থাকল। তার পরে বলল, “তোমার কি মনে হচ্ছে, অজন্তাও এই চক্রের শিকার?”
“হলে অবাক হব না। সাধারণত অজন্তার মতো মেয়েদের টার্গেট করা হয় না, বিশেষ কারণ না থাকলে। আর অজন্তার ছবি দেখে মনে হয়েছে, ওর ত্বকটা খুবই আকর্ষণীয়।”
রুদ্রাণী ভাবছিল। তার পরে প্রশ্ন করল, “তুমি কী পরামর্শ দিচ্ছ?”
ফোনের ও প্রান্ত থেকে সূর্য জবাব দিল, “আমার মনে হয়, তোমার মুম্বই চলে আসা উচিত। কলকাতায় বসে কিছু করতে পারবে না। আমি এখন মুম্বইয়ে আছি। তোমাকে যতটা পারি সাহায্য করব।”
ফোনটা নামিয়ে রেখে রুদ্রাণী ভাবতে লাগল। তার পরে বুঝল, সূর্য ঠিকই বলেছে। তাকে মুম্বইয়েই যেতে হবে।
.
বিত্তে, বৈভবে, প্রাচুর্যে আর ক্ষমতায় লস অ্যাঞ্জেলেসের ওই প্রাসাদের বাসিন্দারা বাকি দুই পরিবারের চেয়ে কয়েক শো আলোকবর্ষ এগিয়ে। সেই পরিবারে কখনও দুশ্চিন্তার কালো মেঘ এসে থাবা বসাতে পারে না।
ফার্দিনান্দ গ্রোপিয়াস সেটা হতে দেন না। তাঁর পরিবারের গায়ে সামান্যতম আঁচ লাগলে তিনি প্রলয় ঘটিয়ে দেবেন।
সে দিন সকালে আবহাওয়াটা বেশ ভালই ছিল। ব্রেকফাস্ট টেবিলে বসে কফির কাপে চুমুক দিয়ে গ্রোপিয়াস একটা প্রজেক্ট রিপোর্ট হাতে নিয়ে দেখছিলেন। তাঁর ‘আর অ্যান্ড ডি’ টিমের পাঠানো।
ওই সময়ই স্ত্রী এসে চেয়ারটা টেনে বসলেন, “ক্যাট তোমার সঙ্গে কথা বলবে।”
রিপোর্টটা পাশে সরিয়ে রাখলেন গ্রোপিয়াস। “আরে, সেটা আবার তোমার আগে থেকে বলার কী আছে! কোথায় ক্যাট?”
১৭ বছরের ক্যাটরিনা তাদের একমাত্র সন্তান। অবশ্যই যথেষ্ট বেশি বয়সের সন্তান। সে কারণেই হয়তো গ্রোপিয়াসের চোখের মণি। তাই মেয়েকে নিয়ে একটু বেশিই স্পর্শকাতর বাবা। চেষ্টা করেন চোখে চোখে রাখতে।
বাবার গলা পেয়েই ব্রেকফাস্ট টেবিলে চলে এল ক্যাটরিনা।
“কী ব্যাপার ডার্লিং! কী এমন কথা বলবে, যেটা মাকে আগে ইন্ট্রো দিতে হল?” গ্রোপিয়াসের মুখে নির্মল হাসি। যে-হাসি তাঁর মুখে দেখা যায় বলে কোনও ধারণাই নেই বহির্বিশ্বের।
তাও ক্যাটরিনা সহজ হতে পারছিল না। বাবাকে সে যতটা ভালবাসে, ততটাই ভয় করে। তবু মুখে হাসি ফুটিয়ে বলল, “ড্যাড, একটা আব্দার আছে তোমার কাছে। না করতে পারবে না।”
“আরে ডিয়ার, বলো না। তোমার ইচ্ছেই তো আমার কাছে হুকুম।”
মায়ের দিকে আড়চোখে তাকিয়ে ক্যাট এ বার বলেই দিল কথাটা– “ড্যাড, আমরা ইউরোপ যাব একটু।”
“ইউরোপ?” গ্রোপিয়াস ঠিক বুঝতে পারলেন না মেয়ের কথা। তার পরে বললেন, “ঠিক আছে, সে তো যাওয়াই যায়। তুমি আর তোমার মা মিলে একটা প্রোগ্রাম বানিয়ে ফেল। তার পরে আমরা ইউরোপ উড়ে যাব। ভালই হবে, একটা ফ্যামিলি আউটিং হয়ে যাবে।”
ক্যাটরিনা তাড়াতাড়ি বলে উঠল, “না বাবা। আমি ফ্যামিলি আউটিংয়ের কথা বলছি না।”
“তা হলে?” গ্রোপিয়াস একটু অবাক হলেন।
“আমরা কয়েক জন বন্ধু মিলে ইউরোপ ট্রিপে যাব ঠিক করেছি। তোমার অনুমতি চাই। তুমি কিন্তু না করবে না।”
এ বার স্ত্রীর দিকে তাকিয়ে গ্রোপিয়াস বলে উঠলেন, “তুমিও যাচ্ছ না কি সঙ্গে?”
“না, না। শুনলে না, এটা ওদের বন্ধুদের গ্রুপের প্রোগ্রাম। সেখানে আমাদের যাওয়ার অনুমতি নেই।”
গ্রোপিয়াসের ভ্রুটা কুঁচকে উঠল। তার পরে মেয়ের দিকে ফিরে বললেন, “ডিয়ার, তুমি আমাদের সঙ্গে চলো। দারুণ হইচই করে আমরা ইউরোপ ঘুরব।”
“ড্যাড, সে তো যাবই। কিন্তু এ বার আমাকে একা যেতে অনুমতি দাও। আমার প্রায় ১৮ বছর বয়স হয়ে গেল। এখন একা না বেরোলে আর কবে বেরোব। তুমি না করতে পারবে না।”
এর পরে মিনিট দশেক বোঝানোর এবং বুঝতে না চাওয়ার পালা চলল। শেষ পর্যন্ত গ্রোপিয়াস স্ত্রীর দিকে ফিরে বললেন, “তুমি কিছু বলছ না কেন? ইউরোপ কী করে একা যাবে!”
মেয়ের কাঁধে হাত রেখে মা বলে উঠলেন, “এক বার যেতেই দাও। ও এখন বড় হচ্ছে। দুনিয়াটা বুঝতে শিখুক।”
গ্রোপিয়াসের সেখানেই ভয়। এই দুনিয়ার একটা অংশ যে কত ভয়ঙ্কর, সেটা তিনি ভালই জানেন। সেই তঅন্ধকার দুনিয়া থেকেই তো তিনি উঠে এসেছেন।
আরও কিছুটা সময় মেয়েকে বোঝানোর চেষ্টা করলেন প্রোপিয়াস। কিন্তু লাভ হল না। মাকে দলে পেয়ে যাওয়ায় ক্যাটের জোর তখন দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছে। শেষ পর্যন্ত হাল ছেড়ে দিয়ে গ্রোপিয়াস বললেন, “ঠিক আছে, তাই যাও। তার আগে তোমাদের ইউরোপ ভ্রমণের সূচিটা আমাকে দিয়ে দিয়ো। সেক্রেটারিকে বলে তোমাদের প্লেন আর হোটেল বুকিংগুলো সব করে দেব। ফোর সিজনের বুকিং করতে বলব। ওদের হোটেল চেনটা খারাপ না।”
বাবার কথা শুনে হাঁ করে তাকিয়ে রইল ক্যাটরিনা। তার পরে বলল, “ড্যাড, আমরা ওখানে বন্ধুরা বেড়াতে যাচ্ছি। ফোর সিজনে আমরা থাকব না। তুমি চিন্তা কোরো না। আমরা নিজেরাই সব ব্যবস্থা করে নেব।”
বলেই বাবা আর মায়ের গালে চুমু খেয়ে দৌড়ে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল ক্যাটরিনা গ্রোপিয়াস।
স্ত্রীর দিকে এক বার তাকালেন গ্রোপিয়াস। স্ত্রী হেসে কাঁধটা নাঁচালেন। গ্রোপিয়াস আর কী করবেন। আবার হাতে তুলে নিলেন রিপোর্টটা।
স্কিন প্রোডাক্ট আর কসমেটিক সার্জারি সম্পর্কিত রিপোর্ট। দারুণ একটা লাভজনক ব্যবসার ইঙ্গিত রয়েছে এই রিপোর্টে। গ্রোপিয়াস আবার ডুবে গেলেন নিজস্ব জগতে।
.
দু’দিন হয়ে গিয়েছে বাবার থেকে ছাড়পত্র পেয়ে গিয়েছে ক্যাটরিনা। বন্ধুরা মিলে শুরু করে দিয়েছে ইউরোপ ঘোরার তোরজোর। দ্রুতই বেরিয়ে পড়বে তারা স্বপ্নের সফরে। বন্ধুদের সঙ্গে বসে সেই ইউরোপ সফরের প্ল্যান করতেই সে দিন ব্যস্ত ছিল ক্যাটরিনা। তখন লস অ্যাঞ্জেলেসে বিকেল সাড়ে তিনটে।
.
মুম্বইয়ে ভোর হচ্ছে তখন। ঘড়িতে বাজে পাঁচটা। মুম্বই সেন্ট্রাল স্টেশনে এসে থামল একটা দূরপাল্লার ট্রেন। উত্তরপ্রদেশ হয়ে এসেছে মহারাষ্ট্রের এই শহরে। অসংরক্ষিত কামরা থেকে হুড়হুড় করে নামতে থাকল যাত্রীরা। সবার শেষে নামল চাদরমোড়া একটা শরীর। তার কোনও তাড়াহুড়ো নেই। স্বপ্নের পিছনে তাড়া করতে সে মুম্বই আসেনি। সে মুম্বই এসেছে মৃত্যুকে ছুঁতে।
চাদরে ভাল করে মাথাটা ঢেকে নিয়ে মুম্বই শহরে আবার পা রাখল সমীর।
(দ্বিতীয় পর্ব সমাপ্ত)
