প্রথম পর্ব
দ্বিতীয় পৰ্ব
তৃতীয় পৰ্ব
চতুর্থ পৰ্ব
1 of 2

১৭. আবির্ভাব

১৭. আবির্ভাব

পিঠাপুর, উত্তরপ্রদেশ, ২০২৩-এর শুরুর দিকে

“পুরনো শাড়ির বদলে বাসন, পুরনো জামার বদলে ভাল বাসন নিয়ে যান, মাইজিরা।”

একটা বাড়ির সামনে এসে মাথা থেকে বাসনের বড় ঝুড়িটা সামনে নামিয়ে রেখে হাঁক পাড়ল মেয়েটা। তার পরে জীর্ণ শাড়ির আঁচল দিয়ে মুখটা মুছে নিল এক বার।

উত্তরপ্রদেশের প্রতাপগড় জেলার পাত্তি তহসিলের এই গ্রামটা বেশ প্রত্যন্ত এলাকায়। বাস ধরতেও পাঁচ কিলোমিটার মতো হাঁটতে হয়। সাধারণত এই গ্রামে বাসনওয়ালিরা খুব একটা আসে না। তবে একেবারে যে-আসে না, তা নয়। এরা দল বেঁধে আসে। এক-একটা গ্রামে ঘুরে এই ভাবে বিনিময় প্রথায় জিনিস লেনদেন করে। কারণ, গ্রামবাসীদের হাতে এমন কিছু অর্থ থাকে না, যা দিয়ে নতুন বাসন কিনবে তারা।

বেশির ভাগ বাড়িই ছোট, টিনের দরমা দেওয়া। ছাদগুলোও বেশির ভাগ টিনের তৈরি। তবে যে-বাড়িটার সামনে এসে দাঁড়িয়েছে মেয়েটা, সেই বাড়িটা বাকিগুলোর চেয়ে একটু আলাদা। দোতলা বাড়ি। সিমেন্টের তৈরি। দেখে বোঝা যায়, এই বাড়ির মালিকের হাতে কাঁচা পয়সা আছে।

গরমটা বেশ ভালই পড়েছে। বেলা প্রায় এগারোটা হবে। রোদটাও চড়া। মেয়েটা রীতিমতো ঘামছে। আবার শাড়ির আঁচলটা দিয়ে গলা-মুখ মুছে নিল মেয়েটা। এমন সময় সামনের দরজাটা খুলে একটা লোক বেরিয়ে এল।

লোকটাকে দেখলে কারও বিশেষ ভক্তিশ্রদ্ধা হবে না। মাথার চুলগুলো ছোট করে ছাঁটা, কপালে একটা কাটা দাগ। বেশ মুশকো মতো চেহারা। এই গরমে একটা লুঙ্গি আর গেঞ্জি পরে আছে।

লোকটা কোনও কথা না বলে সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মেয়েটার দিকে এক বার তাকাল। মেয়েটা দেখতে খারাপ নয়। গায়ের রং একটু শ্যামলা হলে কী হবে, নাক বেশ টিকোলো। চোখ দু’টো বড়, বড়। কাজল পরে আছে। লোকটার চোখ এ বার মেয়েটার মুখের থেকে নীচের দিকে নামতে লাগল।

জীর্ণ শাড়ির আড়ালে মেয়েটার যৌবন ফুটে উঠছে। পাতলা একটা ব্লাউজের মাঝখান দিয়ে বুকের খাঁজের আঁচটা ধরা পড়ছে। বক্ষযুগলকেও ঠিকমতো ধরে রাখতে পারছে না পুরনো ব্লাউজটা। লোকটা এক বার ঠোঁট চেটে নিল।

মেয়েটা আর এক বার শাড়িটা দিয়ে গলা-মুখ মুছে নিয়ে বলল, “ভাল বাসন আছে বাবুজি। মাইজিকে যদি ডেকে দেন, তা হলে দেখাতে পারি।”

লোকটা এ বার হাসল, “ভাল মাল আছে বুঝি?” মেয়েটা কী বুঝল কে জানে। সে-ও অল্প হেসে বলল, “হ্যাঁ, বাবুজি।” তার পরে বলল, “খুব তেষ্টা পেয়েছে। একটু জল খাওয়াতে পারেন, বাবুজি?” লোকটা একটু ভাবল। তার পরে জবাব দিল, “আচ্ছা, তুই ঝুড়িটা নিয়ে ঘরে আয়। এই রোদে বাইরে বসে থাকিস না।”

মেয়েটা দ্বিধা না-করে ঝুড়িটা তুলে কোমরের ভাঁজে রাখল। তার পরে লোকটার পিছন পিছন বাড়ির ভিতরে ঢুকে এল। লোকটা এক বার এগিয়ে গিয়ে খোলা দরজা দিয়ে বাইরেটা দেখে নিল। তার পরে দরজাটা বন্ধ করে দিল। তার শরীর তখন গরম হতে শুরু করেছে। বিচারবুদ্ধি হারিয়ে যাচ্ছে। জান্তব একটা অনুভূতি ক্রমে গ্রাস করে নিচ্ছে লোকটাকে।

মেয়েটাও ঝুড়িটা নামিয়ে রেখে বাড়ির ভিতরটা ভাল করে দেখছিল। এক তলায় গোটা দুই ঘর। দরজা আটকানো। একটা সিঁড়ি দোতলায় উঠে গিয়েছে। লোকটা এ বার মেয়েটার কাছ ঘেঁষে এসে জিজ্ঞেস করল, “ঠান্ডা জল খাবি?”

“হ্যাঁ, বাবুজি। পেলে তো খুবই ভাল হয়।”

“ঠিক আছে। ঝুড়িটা এখানে রেখে দোতলায় উঠে আয়।”

লোকটার পিছু পিছু মেয়েটা উঠে এল দোতলায়।

দোতলাতেও বেশ কয়েকটা ঘর। তার মধ্যে একটা ঘরের দরজা বাইরে থেকে তালাবন্ধ। কিন্তু মেয়েটার মনে হল, ঘরের মধ্যে কেউ আছে। চাপা গলার শব্দ শোনা যাচ্ছে। অন্য দু’টো ঘরের দরজা খোলা। একটা দরজা ঠেলে লোকটা ভিতরে ঢুকে গেল, “আয়, এই ঘরে জল ঠান্ডা রাখার যন্ত্রটা আছে।” মেয়েটা এ বারেও চলে এল লোকটার পিছন পিছন।

ঘরে অবশ্য জল ঠান্ডা রাখার কোনও যন্ত্র দেখা গেল না। একটা খাটিয়া পাতা। আর একটা আলনা। লোকটা এ বার ঘুরে দাঁড়াল। লোলুপ চোখ দিয়ে যেন এক বার চেটে নিল সামনে দাঁড়ানো শরীরটাকে। তার পরে এগিয়ে এসে মেয়েটার দু’কাঁধে থাবার মতো দু’টো হাত রাখল। পরের মুহূর্তেই কুঁকড়ে গেল যন্ত্রণায়।

শাড়ি পরা থাকলেও মেয়েটার কোনও সমস্যা হয়নি। তার একটা হাঁটু সজোরে উঠে আঘাত করল লোকটার দু’পায়ের মাঝখানে। সেই আঘাত সামলে উঠতে না উঠতেই মেয়েটার হাতের চেটোটা এসে লাগল লোকটার নাকের উপায়। এ বারের যন্ত্রণাটা আরও মারাত্মক। লোকটার মনে হল, নাকটা বুঝি ভেঙে গিয়েছে। নাক থেকে হাতটা সরিয়ে চোখের সামনে আনতেই দেখতে পেল, রক্তে ভিজে গিয়েছে চেটো। যন্ত্রণায় চোখে অন্ধকার দেখছে, এই অবস্থাতেও লোকটা একটা জান্তব গর্জন করে মেয়েটার দিকে এগোতে গেল। কিন্তু এক পা এগিয়েই থেমে যেতে হল তাকে।

মেয়েটার ডান হাতে ধরা পিস্তলের নলটা তাক করে আছে তার মাথা ধরাবর। এ বার মেয়েটা বাঁ-হাতটা মুখের কাছে নিয়ে এল। পর মুহূর্তে একটা বাঁশির তীক্ষ্ণ আওয়াজ পিঠাপুর গ্রামের নিস্তরঙ্গ পরিবেশকে চৌচির করে দিল।

পরের আওয়াজটা এল একতলা থেকে। দরজা ভাঙার আওয়াজ। দুমিনিটের মধ্যে উর্দিধারী, রাইফেল হাতে বেশ কয়েকটা মানুষ উপরে চলে এল। সঙ্গে উত্তরপ্রদেশ বালিয়ার অ্যান্টি হিউম্যান ট্র্যাফিকিং ইউনিটের দুই অফিসার এবং, একটি এনজিও-র প্রতিনিধি।

মেয়েটা তত ক্ষণে বাঁশিটা নামিয়ে রেখে এক জন অফিসারের দিকে তাকিয়ে বলল, “এই লোকটাকে অ্যারেস্ট করুন। বাড়িতে এই মুহূর্তে গ্যাংয়ের আর কেউ নেই। আর ওই ঘরের তালাটা ভাঙুন। মনে হচ্ছে, ওখানেই আটকে রাখা হয়েছে।”

দু’জন কনস্টেবলের তৎপরতায় খুব বেশি সময় লাগল না তালা ভাঙতে। দরজা খুলে যেতেই দেখা গেল ওদের। বছর পঁচিশের একটি মেয়ে, আর তার কোলে বছর দু’য়েকের একটি বাচ্চা। মেয়েটি থরথর করে কাঁপছে।

ওয়েস্ট বেঙ্গল পুলিশের ক্যানিং পুলিশ স্টেশনের ইনস্পেকটর রুদ্রাণী সিংহ এ বারে ঢুকে এল ঘরে। মেয়েটার পাশে বসে তার মাথায় হাত রেখে বলল, “আমার নাম রুদ্রাণী। আমি এসে গিয়েছি, তোমার আর চিন্তার কিছু নেই।”

মেয়েটা তখন অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে আছে সামনে বসা নারী মূর্তিটার দিকে। বয়স কত হবে, বড় জোর পঁচিশ। তার মতোই বয়স। পরনে অতি ময়লা একটা শাড়ি। কিন্তু মেয়েটা বুঝতে পারছিল, তার সামনে যে-বসে আছে, তার পোশাক জীর্ণ হলেও মানুষটা মোটেই সাধারণ নয়। একে তো হাতে ধরা ওই অস্ত্রটা। তার উপরে কথা বলার ধরন। এই রকম গলা শুনলেই ভরসা পাওয়া যায়। মেয়েটা এ বার কেঁদে ফেলল। পরিত্রাণের কান্না, বেঁচে যাওয়ার কান্না।

.

মাসখানেক আগে ক্যানিং থানায় কেসটা এসেছিল। রুবিনা সর্দার বলে একটি মেয়েকে পাওয়া যাচ্ছে না। মেয়েটি বিবাহিত, একটি দু’বছরের বাচ্চা আছে। দিনমজুরের কাজ করে সংসার চালায়। বাচ্চাকে নিয়ে একদিন বেরিয়ে আর ফিরে আসেনি। রুবিনার স্বামী এসে পুলিশে রিপোর্ট করে যায়।

আইসি রুদ্রাণী সিংহ কেসটা নিয়েই বুঝেছিল, মেয়েটিকে পাচার করে দেওয়া হয়েছে। দিন তিনেক বাদে মেয়েটার স্বামী থানায় ডায়েরি করেছে। ধরেই নেওয়া যায়,এর মধ্যে মেয়েটিকে অনেক দূরে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এ সব ক্ষেত্রে স্বামীরাও জড়িয়ে থাকে বা অন্য কেউ ফুসলিয়ে নিয়ে যায়। শুধু কিশোরী-যুবতীদের উপরে নয়, পাচারকারীদের নজর থাকে বাড়ির বৌদের উপরেও। রুবিনার স্বামীর উপরে নানা ভাবে চাপ দিয়ে কথা বার করা যায়নি। রুদ্রাণীর মনে হচ্ছিল, লোকটা নিরাপরাধ।

এই সব ক্ষেত্রে পুলিশকে তখন অপেক্ষা করতে হয় কোনও ভাবে একটা ব্রেকের জন্য। সাধারণত, মেয়েগুলোকে যেখানে আটকে রাখা হয়, খবরটা ফাঁস হয় সেই সব জায়গা থেকেই। মানুষ পাচার রুখতে যে-সব স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন লড়াই করছে, তাদেরও অনেক ইনফর্মার ছড়ানো থাকে নানা জায়গায়। তাদের মারফতও পুলিশের কাছে খবর আসে।

এই মেয়েটির ক্ষেত্রে খবরটা জানা যায় ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিয়ো থেকে। যেখানে দেখা যায়, একটি মেয়েকে ধর্ষণ করছে দু’জন লোক। ভিডিয়োটি চোখে পড়ে যায় মেয়েটির স্বামীর। সেখান থেকে খবর চলে আসে রুদ্রাণীর কাছে। এর পরে সাইবার সেল মারফত ওই বিশেষ আই পি অ্যাড্রেসটা চিহ্নিত করে পুলিশ। পাওয়া যায় মোবাইলের সন্ধান। চিহ্নিত করা হয় উত্তরপ্রদেশের পিঠাপুর গ্রামটিকে।

তত ক্ষণে এক এনজিওর কাছে খবর এসেছে, ওই গ্রামে একটি মেয়েকে দেখা গিয়েছে ছোট একটা বাচ্চা সমেত। দেখে মনে হয়েছে, মেয়েটিকে জোর করে আটকে রাখা হয়েছে এবং, তাকে দিয়ে পতিতাবৃত্তি করিয়ে টাকা কামানো হচ্ছে।

উপরওয়ালার নির্দেশ পেয়ে এর পরে রুদ্রাণী আর তার দুই সঙ্গী রওনা দেয় উত্তরপ্রদেশে। সেখানে বালিয়ার অ্যান্টি ট্র্যাফিকিং ইউনিটের সঙ্গে যৌথ ভাবে এই অপারেশনটা করে ওয়েস্ট বেঙ্গল পুলিশ। সঙ্গে অবশ্য ছিল ওই বিশেষ এনজিও-র প্রতিনিধিও। ইনফর্মারের মাধ্যমে দিন দুয়েক বাড়িটার উপরে নজর রাখা হয়। যখন নিশ্চিত হওয়া যায়, মেয়েটা ওই বাড়িতেই আছে, অপারেশনে নেমে পড়ে রুদ্রাণী।

.

দিন পনেরো পরের কথা। বারুইপুর পুলিশ পিডি-র পুলিশ সুপারিন্টেডেন্টের ঘরে ডাক পড়ল রুদ্রাণীর। তাকে চেয়ারে বসতে ইঙ্গিত করে পুলিশকর্তা বললেন, “ক্যানিংয়ের ওই মেয়েটার ক্ষেত্রে তুমি খুব ভাল কাজ করেছ। শুধু ওই মেয়েটার কেসটাতেও নয়, তোমার রেকর্ড ধারাবাহিক ভাবে বেশ ভাল।”

“থ্যাঙ্ক ইউ স্যার,” রুদ্রাণী অপেক্ষা করে রইল পরের কথাগুলো শোনার জন্য।

“তুমি তো জানো, বিভিন্ন জেলায় অ্যান্টি হিউম্যান ট্র্যাফিকিং ইউনিট তৈরি হচ্ছে।” রুদ্রাণীর ভালই জানা ছিল ব্যাপারটা।

পশ্চিমবঙ্গ সিআইডি-র যে-বিভিন্ন স্পেশালাইজড ইউনিটগুলো আছে, তার মধ্যে একটা হল অ্যান্টি হিউম্যান ট্র্যাফিকিং ইউনিট। ২০০৬ সালে কেন্দ্ৰীয় সরকার এবং ইউনাইটেড নেশনস অফিস অন ড্রাগস অ্যান্ড ক্রাইমসের যৌথ উদ্যোগে একটি প্রকল্প চালু করা হয় ভারতে। সেই প্রকল্পের লক্ষ্য ছিল দেশের পাঁচটি রাজ্যের সমস্ত জেলায় অ্যান্টি হিউম্যান ট্র্যাফিকিং ইউনিট চালু করা। এই পাঁচটি রাজ্য হল, মহারাষ্ট্র, পশ্চিমবঙ্গ, গোয়া, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং বিহার। এই পাঁচটি রাজ্যকে চিহ্নিত করার বিশেষ একটা কারণ ছিল। দেশের এই পাঁচটি রাজ্যকে বলা হত, মানুষ পাচারের ঘাঁটি। এই পাঁচটি রাজ্যের কোনওটা থেকে মানুষ তুলে নিয়ে যাওয়া হয়, কোনও কোনও রাজ্যের মধ্য দিয়ে পাচার করা হয় এবং শেষমেশ কোনও একটা রাজ্যে পৌঁছে দেওয়া হয়। যে-কারণে এই পাঁচটি রাজ্যের উপরে বিশেষ নজর ছিল সরকারের।

এর পরে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে আরও একটি নির্দেশ দেয় ক্যালকাটা হাইকোর্ট। রাজ্যের প্রতিটা জেলায় অ্যান্টি হিউম্যান ট্র্যাফিকিং ইউনিট চালু করতে হবে। যাদের কাছে সমস্ত হিউম্যান ট্র্যাফিকিংয়ের কেসগুলো আসবে। আর সম্ভব হলে এই সব ইউনিটের নেতৃত্বে থাকবে কোনও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মহিলা পুলিশ অফিসার। এই সব ইউনিটের দায়িত্বে থাকেন ইন্সপেক্টর পদাধিকারী অফিসাররা। রুদ্রাণীর এ সবই জানা ছিল। সে শুধু অপেক্ষা করে ছিল পরবর্তী নির্দেশের জন্য।

এসপি এ বার সেই নির্দেশটা দিলেন, “তুমি সিআইডির স্পেশাল অ্যান্টি হিউম্যান ট্র্যাফিকিং ইউনিটে জয়েন করবে। ওখানেই তোমার নতুন পরীক্ষা।”

রুদ্রাণী একটু দ্বিধায় পড়ে গেল। সে ভেবেছিল, তাকে হয়তো কোনও জেলা ইউনিটের দায়িত্ব দেওয়া হবে। তার ব্যক্তিগত মত হল, শহরের থেকে এই জেলাস্তরে কাজ করাটা বেশি প্রয়োজন। পাচারটা এই সব জায়গা থেকেই বেশি হয়। সে কাজও ঠিকঠাক করছিল। কিন্তু …।

তবে রুদ্রাণী আর কথা বাড়াল না। চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়ে একটা স্যালুট করে উপরওয়ালার অনুমতি নিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে এল।

তা হলে এ বার সিআইডি অফিস। বিশেষ বিশেষ কেস দেখতে হবে তাকে। ঠিক আছে, তাই হবে। নতুন চ্যালেঞ্জের জন্য নিজেকে মনে মনে তৈরি করে জিপে গিয়ে উঠল রুদ্রাণী সিংহ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *