নিশি – প্রভাত দে সরকার
Nishi by Provat Dey Sarkar
প্রথম প্রকাশ : মে ২০১৯
প্রচ্ছদ ও অলংকরণ : সপ্তদীপ দে সরকার
প্রুফ সংশোধন : তুষার মাজি
.
আমার দীর্ঘদিনের সহযোদ্ধা
সীমাকে
.
ভূমিকা
লেখালেখির শুরুটা সেই ১৯৮০ সাল থেকে। তবে শুরুটা হয়নি পদ্য লেখা দিয়ে, বরং তা শুরু হয়েছিল নিজের বানানো বাংলা ক্রশওয়ার্ড পাজলের সূত্র হিসেবে টু-লাইনার লিখে।
এভাবেই একদিন আমার এক মাস্টারমশাইয়ের দৌলতে পেলাম তাঁর সংগ্রহের বই পড়ার অধিকার। তবে শর্ত দিলেন যে মাসে একবার তাঁর বইয়ের আলমারি সাফসুতরো করতে হবে। আমি এককথায় রাজি। শুধু বাংলা সাহিত্যই নয়, দেশি-বিদেশি নানান ভাষার অনুবাদ সাহিত্যও পড়ে সমৃদ্ধ করতে লাগলাম নিজেকে। এভাবেই নানান ধরণের বই পড়তে পড়তে হঠাৎই একদিন হাতে পেলাম নরেন দেবের বাংলায় অনুবাদ করা ‘মেঘদূত’। প্রতিটা পাতায় একটা করে শ্লোকের অসাধারণ সহজ অথচ কাব্যিক অনুবাদ আর সেই সঙ্গে দুদার্ন্ত সব অলংকরণ। পড়তে পড়তে স্রেফ মজে গেলাম। এখন বইটা তো আর নিজের কাছে রাখা যাবে না; তাই একটা বাঁধানো খাতায় টুকে নিলাম পুরো বইটাই। তবে এই ঘটনাটাই আমার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিল।
তখন আমি যাকে বলে কাঠবেকার। টিউশনি করে বেড়াই আর সেটা করতে গিয়ে দেখলাম যে মাইকেল মধুসূদনের ‘মেঘনাদ বধ’ কাব্যের যে অংশটুকু স্কুলের সিলেবাসে ছিল, তা বুঝতে ছাত্র-ছাত্রীদের খুবই অসুবিধে হচ্ছে। তারই ফলশ্রুতিতে আমি শ্রদ্ধেয় নরেন দেবের অনুকরণে সহজ মিত্রাক্ষর ছন্দে লিখে ফেললাম ‘মেধনাদ বধ’। হ্যাঁ পুরো কাব্যটাই। দেখলাম সেই সরলীকৃত ছন্দোবদ্ধ লেখা সহজেই গ্রহণ করতে পারছে সকলে।
ইতিমধ্যে ১৯৮০-তে রিলিজ করেছে সত্যজিৎ রায়ের ‘হীরক রাজার দেশে’। সেই সিনেমার ছন্দোবদ্ধ সংলাপ শুনে তাজ্জব সবাই। কিন্তু আমি ততোটা অবাক হইনি। তাই একদিন পাওয়ার-কাটের খপ্পরে পড়ে চায়ের দোকানের আড্ডা ছেড়ে ঘন্টাদুয়েকের চেষ্টায় লিখে ফেললাম একটা একাঙ্ক ছড়া-নাটক ‘ছায়া’। তবে তখন মাথা ছিল কাঁচা আর সেই কাঁচা মাথা নির্গত নাটক মনে মনেই নিবেদন করলাম বাংলা সিনেমার সেই দীর্ঘকায় পরম পুরুষকে যাঁর সৃষ্টি আমাকে উদ্বুদ্ধ করেছিল।
এরপর ১৯৮২-তে জোটে চাকরি। তখন অফিসের কাজ আর সাংসারিক দায়িত্ব পালনের মধ্যে থেকেই সময় বের করে লিখে ফেললাম জটিল ধাঁধাঁ ভাঙার এক গোয়েন্দা উপন্যাস আর আরও কতকিছু। তবে সবকিছুই জমা হতে লাগলো একটা সুটকেসে।
তবে ২০১৫ সালের ২৫ এপ্রিলে ফেসবুকে আমার ছেলে সপ্তদীপ দে সরকার খুলল একটা পেজ। নাম Akashbari (আকাশবাড়ি)। আবার শুরু হল কলম ধরা। বেরিয়ে আসতে লাগলো একের পর এক ননসেন্স ছড়া, গল্প আর অণুগল্প।
এরপর ৩৪ বছর পরে চাকরি জীবনের শেষে আমার ছেলে শিল্পী সপ্তদীপের তাড়নায় লিখতে শুরু করলাম এই পিরিয়ড থ্রিলার ‘নিশি’ যার সময়কালের ব্যাপ্তি ১৮৫৫ থেকে ১৯৬৫।
এখানে ‘নিশি’ কোনো ব্যক্তিবিশেষের নাম নয়। এটা একটা ঘরাণা, যারা সমাজের অন্ধকার দিকগুলোকে সরিয়ে দিতে চায়।
তবে ১ বছর ৩ মাস ধরে যে এই কাহিনিটা লিখতে পারলাম তার জন্যে আমি বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ সহযোদ্ধা সীমা দে সরকার আর সপ্তদীপ দে সরকারের কাছে।
সেইসঙ্গে সঞ্জয় দে, স্টুডিয়ো Iframes media solutions আর টিম বুক ফাৰ্ম-এর সোনাল দাস, বিশ্বদেব গঙ্গোপাধ্যায়কে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাতেই হয়; কারণ এঁরা সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে না দিলে ‘নিশি’ দিনের আলোর মুখ দেখতে পেত না।
পরিশেষে পাঠককূলের উদ্দেশ্যে বলি যে— এই বই পড়ে আপনাদের মূল্যবান মতামত আমার ফেসবুকের অথর পেজ Provat Dey Sarkar-এ জানান; কিংবা আমার মেইল আইডিতে লিখুন। আপনাদের সৃষ্টিমূলক সমালোচনা পেলে একদিকে আমি যেমন কৃতজ্ঞ থাকব, তেমনি অন্যদিকে পরবর্তী সময়ে আমার কলম আরও উন্নীত হবে।
প্রভাত দে সরকার


Please upload ক্ষত written by সৌমিত্রি শংকর ঘোষ
Please upload নিপাত নিয়তির পূর্নতায় written by অরূপ রতন সমাজদার
অদম্য 4 Upload Korben Please.
ত্রিজিত কর এর কোনো গল্প দিন না pls। অনেকদিন থেকে বলছি
Can you please upload “Moyna bolo krishna radhe” by Abhishesk Chatterjee
উপন্যাসটিতে ১৮৮৪ মার্চ ও ১৯৪৪ এপ্রিল এই পরিচ্ছেদ দুটি নেই। তার জায়গায় ঠিক তার আগের পরিচ্ছেদ দুটি অর্থাৎ আবার ১৯৪৩ ও ১৯৪৩ সেপ্টেম্বর এই পরিচ্ছেদ দুটি কপি হয়ে গেছে। অর্থাৎ আবার ১৯৪৩ ও ১৯৪৩ সেপ্টেম্বর এই পরিচ্ছেদ দুটি পর পর দুই বার রয়েছে ১৮৮৪মার্চ ও ১৯৪৪ এপ্রিল এর পরিবর্তে। এটা একটু ঠিক করে দিলে ভালো হয় যদি সম্ভব হয়।
ঠিক করে দেয়া হয়েছে। ধন্যবাদ।
উপন্যাসটিতে ১৮৮৪মার্চ ও ১৯৪৪ এপ্রিল এই পরিচ্ছেদ দুটি নেই। তার জায়গায় আবার ১৯৪৩ এবং ১৯৪৩ সেপ্টেম্বর এই পরিচ্ছেদ দুটি কপি রয়েছে। অর্থাৎ আবার ১৯৪৩ এবং ১৯৪৩ সেপ্টেম্বর এই পরিচ্ছেদ দুটি পর পর দুই বার রয়েছে যথাক্রমে ১৮৮৪ মার্চ ও ১৯৪৪ এপ্রিল এই দুটির পরিবর্তে। এটা যদি সংশোধন করা সম্ভব হয় তবে খুব ভালো হয়।
Pls Sayantani Putatunder erano jay na 2 & 3 ta upload korun and indranil sanyal er medical thriller ta pls
Good
নষ্ট মেয়ের উপাখ্যান
ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা
চক্রভেদি চৌবে সাহেব