অধ্যায় ৮
থানায় বসে কোনো পুলিশ বই পড়ছে এটা বোধহয় এ দেশে সবচেয়ে বিরলতম একটি ঘটনা। বর্তমানের খবর আমি জানি না, তবে ঐ সময়ে এটা যে বিরল থেকেও বিরলতম ছিলো সেটা ভালো করেই টের পেতাম।
অবসরে আমার একমাত্র সঙ্গি ছিলো বই। আর কোনো বই একটানা না পড়ে শেষ করতাম না। যে বই একটানা পড়তে পারতাম না সে বই কখনও শেষ করা হয়ে উঠতো না। রাতে হয়তো নিজের ঘরে ফিরে গিয়ে একটা বই নিয়ে বসলাম, সেটা সারারাত পড়ার পরও শেষ করতে না পারলে অবধারিতভাবেই পরদিন সকালে শেষ করে ফেলতাম। কিন্তু পুলিশের চাকরি করতাম, সকাল সকাল থানায় না গিয়ে উপায় ছিলো না, তাই সঙ্গে করে অসমাপ্ত বইটা নিয়ে চলে যেতাম থানায়। সকালের দিকে একটু সময় পাওয়া গেলে নিজের টেবিলে বসেই পড়তে শুরু করে দিতাম। এ নিয়ে কলিগদের টিটকারি শুনতে শুনতে অভ্যস্ত হয়ে গেছিলাম ততোদিনে। তাদের টিপ্পনি গায়ে না মেখেই দিব্যি নিজের চেয়ারে বসে বই পড়তে পারতাম আমি। দু- কান কাটা লোকের মতো গ্রামের মাঝখান দিয়ে হেটে যাওয়ার মতোন।
একমাত্র হাায়দারভাই ছাড়া থানার সবাই আমার এই বই পড়া নিয়ে হাসাহাসি করতো, টিপ্পনি কাটতো। কেউ কেউ এমনও বলতো, আমি ভাব দেখানোর জন্য এসব করি!
যাই হোক, এরকম একটা বই রাতে শেষ করতে না পেরে সকালে থানায় নিয়ে এসে পড়ার চেষ্টা করছিলাম একদিন, কিন্তু বইটার বিশাল কলেবর আর থানার ব্যস্ততার কারণে সকালের দিকেও শেষ করতে পারলাম না। বিকেলের পর একটু ফুরসত পেয়ে বইটা আবার খুলে বসলাম নিজের চেয়ারে। মাত্র শেষ হবে, তার আগেই টের পেলাম কেউ আমার টেবিলের সামনে এসে দাঁড়িয়েছে। বই থেকে চোখ সরাতেই দেখি মিনহাজ। ভদ্রতার খাতিরে আমার পড়ায় বিঘ্ন সৃষ্টি না করে চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছে।
তাকে এ সময় থানায় দেখে আমি মোটেও অবাক হইনি। স্ত্রী হারানোর শোক কিছুটা কাটিয়ে ওঠার পর থেকেই সপ্তাহে দুয়েকদিন ব্যাঙ্ক থেকে বাসায় ফেরার পথে মিনহাজ থানায় চলে আসতো কেসের হালহকিকত জানার জন্য। তাকে সন্তুষ্ট করার মতো কোনো খবর তখনও আমাদের কাছে ছিলো না। পারভেজ নামের লোকটার সাথে ফোনে কথা বলে ইমতিয়াজ সম্পর্কে খুব বেশি তথ্য জানতে পারিনি। ইমতিয়াজের বন্ধুবান্ধব কারা-সে- সম্পর্কে তেমন কিছু জানে না ভদ্রলোক। সরকার দলের সদ্যগঠিত যুব সংগঠনের একজন সদস্য সে-এর বেশি কোন তথ্য জানা যায়নি।
আমি মিনহাজকে এক কাপ চা দিয়ে আপ্যায়ন করে একটা আশার বাণী শুনিয়ে দিলাম-তদন্ত ভালোমতোই এগোচ্ছে, খুব জলদি আসামি ধরে ফেলবো।
“আর কতোদিন লাগবে, ভাই?” চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে জিজ্ঞেস করেছিলো মিনহাজ। আমি কিছু বলতে যাবো তার আগেই সে বলে উঠলো, “দয়া করে আমাকে কোনো সান্ত্বনার বাণী দেবেন না। সত্যি করে বলুন, কেসের আসল অবস্থা কি।”
বুঝতে পারলাম আমার সান্ত্বনার বাণীতে কাজ হয়নি। মিনহাজ ভেতরে ভেতরে অধৈর্য হতে শুরু করে দিয়েছে। এজন্যে তাকে অবশ্য দোষও দেয়া যায় না। মিলির হত্যা-ধর্ষণের একমাত্র সন্দেহভাজন ইমতিয়াজকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ঢাকা শহর তখন আজকের মতো বড় না-হলেও, মানুষজন অনেক কম থাকা সত্ত্বেও কাজটা আমাদের জন্য খুব কঠিন ছিলো। সদ্য স্বাধীন দেশ, পুলিশে লোকবল খুবই কম, তারচেয়েও কম লজিস্টিক সাপোর্ট। মান্ধাতা আমলের থ্রি-নট-থ্রি রাইফেল আর ওয়েম্বলি-স্কট পিস্তলই ভরসা। ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেবার মতো ব্যবস্থা ছিলো না। আজকের দিনের মতো রক্ত কিংবা সালিভা থেকে ডিএনএ টেস্ট করে অপরাধি সনাক্ত করার কথা তখন কল্পনাও করতে পারতাম না। হাতেগোণা কিছু মানুষের কাছে অ্যানালগ ল্যান্ডফোন ছিলো, তা-ও প্রায় সময় বিকল হয়ে থাকতো। আর অপরাধিদের তালিকা বলতে পুলিশের কাছে যা ছিলো সেটা হাস্যকরভাবেই অপ্রতুল। একমাত্র ভরসা ইনফর্মার আর তদন্তকারির নিজস্ব মেধা, অভিজ্ঞতা।
“ইমতিয়াজের বাড়িতে গিয়ে ওকে পাইনি, কোথাও গা ঢাকা দিয়ে আছে। আমরা চেষ্টা করছি, আপনি চিন্তা করবেন না।”
“চিন্তা করবো না?” অবাক হয়ে বললো মিনহাজ। “আশ্চর্য! ও যদি ঢাকার বাইরে চলে যায়, তখন?”
“যেখানেই যাক, ওকে আমরা ধরবোই। ঢাকার বাইরে আর কতোদিন থাকবে?”
“তাহলে কি ওই বদমাশটা কবে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াতে শুরু করবে সেই অপেক্ষায় বসে থাকবেন আপনারা?”
মিনহাজের হতাশা বুঝতে একটুও কষ্ট হবার কথা নয়। “বসে থাকার তো প্রশ্নই ওঠে না,” আমি আশ্বস্ত করার জন্য বললাম। সত্যি বলতে, আমরা তখন বসেই ছিলাম, অপেক্ষায় ছিলাম কবে কোথায় ইমতিয়াজের টিকিটা দেখা যায়। “বিভিন্নভাবে খোঁজ নিচ্ছি-”
“ও যদি ঢাকার বাইরে চলে গিয়ে থাকে? ঢাকায় আর না আসে, তখন কি করবেন?” আমার কথার মাঝখানে বাধা দিয়ে বললো মিনহাজ।
হেসে ফেললাম আমি। “কী যে বলেন, পালিয়ে কতোদিন থাকবে?”
“ধরুন, ও আর ঢাকায় এলো না, তখন?” নাছোরবান্দার মতো বললো মিনহাজ।
“আশ্চর্য, আসবে না কেন?” আমিও পাল্টা বললাম তাকে।
“ধরেন, ও বছরখানেক ঢাকার বাইরে থাকলো তখন কি করবেন? কেসটা কি এভাবেই পড়ে থাকবে?”
আমি কী বলবো বুঝতে পারছিলাম না। বানিয়ে বানিয়ে সান্ত্বনা দেয়ায় খুবই অপটু ছিলাম আর মিথ্যে প্রবোধ দিতেও কেমন জঘন্য লাগতো নিজের কাছে। তাই কয়েক মুহূর্ত চুপ থেকে যখন ভাবছিলাম কী বলবো তখনই আমাকে রক্ষা করলেন এসএম হায়দার।
“আরে, মিনহাজসাহেব যে,” প্রসন্নভাবে হেসে মিলির বিক্ষুব্ধ স্বামির পিঠে হাত রেখে বললেন তিনি। “কখন এসেছেন?”
“এই তো…একটু আগে,” মিনহাজ আমতা আমতা করে বললো।
“শুনুন, মার্ডার কেস তদন্ত করা খুবই ধৈর্যের কাজ, অধৈর্য হলে চলে না।” বললেন হায়দারভাই। “খুনি যতোই চেষ্টা করুক না কেন, আমরা ওকে ধরবোই। আপনি এ ব্যাপারে নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন। ও যদি ঢাকার বাইরে গিয়েও থাকে সেখানেও আমরা রেইড দেবো। পালিয়ে গিয়ে বাঁচতে পারবে না। এটা মনে রাখবেন।”
মিনহাজ আর কিছু বললো না। হায়দারভায়ের সামনে একটু অস্বস্তি বোধ করে সে।
মিনহাজ চলে যাবার পর হায়দারভাই তিক্তমুখে আমার সামনে একটা চেয়ার টেনে বসে পড়লেন। “এই ইমতিয়াজ খুবই ধুরন্ধর। সে ভাবছে এভাবে গা ঢাকা দিয়ে থাকলে বেঁচে যাবে।” একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে আবার বললেন, “কিন্তু আমি ওকে ধরবোই, তুমি দেখে নিও।”
হায়দারভাই এটা মুখে না বললেও আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করতাম তিনি এটা করবেনই।
“দুয়েকদিন পর পর নিশ্চয় বাড়িতে আসতো,” বললেন হায়দারভাই। “আমরা ওর বাড়িতে যাবার পর পরই এসেছিলো, তখন শুনেছে পুলিশ ওকে খুঁজছে। আফটার অল, চোরের মন হলো ক্ষিরাই ক্ষেত, বুঝলে? বুঝে গেছে হারামজাদা, তারপরই গা ঢাকা দিয়েছে
হায়দারভায়ের আরেক প্রবচন-ক্ষিরাই ক্ষেত! চোরের মন পুলিশ পুলিশ না বলে তিনি সব সময় এটা বলেন। ঠিক যেমন বলেন, ঠ্যালার নাম কাশেমবাবা।
“আচ্ছা, ক্ষিরাই ক্ষেত ব্যাপারটা না-হয় বুঝলাম, কিন্তু কাশেমবাবাটা কে,ভাই?”
আমার মুখের দিকে তাকিয়ে রইলেন তিনি। “তোমার কি ধারণা কাশেম নামে সত্যি কেউ আছে?”
“নেই?”
“হা-হা-হা!” হেসে ফেললেন এসএম হায়দার।
“আমার তো মনে হয় কাশেম নামের একজন ছিলো, লোকটা সবাইকে খুব ফাপড় দিয়ে বেড়াতো। খুব জাহাবাজ টাইপের।”
“ঠিকই ধরেছো,” হাসতে হাসতে বললেন হায়দারভাই। “একদিন কাশেমের সাথে তোমার পরিচয় করিয়ে দেবো।”
“কাশেম এখনও বেঁচে আছে?” বিস্মিত না হয়ে পারলাম না।
“আলবৎ বেঁচে আছে!”
***
সম্বিত ফিরে পেয়ে দেখি আমি ঘরে একা, রামজিয়া নেই। ও কখন ঘর থেকে বের হয়ে গেলো টেরই পাইনি। কয়েক মিনিট পর ফিরে এলো।
“তুমি কখন ঘর থেকে চলে গেলে?”
কপালে ভুরু তুলে হেসে ফেললো রামজিয়া। “মানে?”
“তুমি যে ঘর থেকে চলে গেছো আমি টেরই পাইনি।” অকপটে বলে ফেললাম।
“মাই গড, বলো কি!” বিস্মিত হলো সে। “একটু আগে না আমি তোমাকে বললাম একটা ফোন এসেছে…আসছি।”
“তাই?” সত্যি বলতে এটা আমার একদমই মনে পড়ছে না। আমি পুরনো স্মৃতিতে বিভোর হয়ে ছিলাম।
“তুমি দেখছি বেশ ভুলোমনা হয়ে গেছো,” আমার সামনে বসতে বসতে বললো।
আমি আলতো করে দীর্ঘশ্বাস ফেলে ঘরের চারপাশে তাকালাম। বাড়িটা এতো সুনসান যে ভুতুরে বলে মনে হচ্ছে। “কে কে থাকে এখানে?” প্রসঙ্গ পাল্টে জানতে চাইলাম।
“কেউ না,” ছোট্ট করেই বললো।
“কাজের লোকজন?”
মাথা নেড়ে সায় দিলো। “দারোয়ান, বুয়া আর কাজের এক ছেলে।”
“ভয় লাগে না?”
মুখ টিপে হাসলো রামজিয়া। “স্টেট্সে আমি বলতে গেলে একাই থাকতাম। লাস্ট ফোর অর ফাইভ ইয়ার্স অলমোস্ট একাই ছিলাম।”
“কেন, তোমার মেয়ে?”
“ও তো ওন্টারিও’র ইউনিভার্সিটিতে পড়তো তখন।”
“ও.” আমি আর কথা খুঁজে পেলাম না।
“তুমি কি আমার এই একা থাকা নিয়ে চিন্তিত?”
“না মানে…”
এবার মুখ টিপে হেসে ফেললো। “ডোন্ট ওরি, আমি একদম ঠিক আছি।”
আমি কিছু বললাম না। একটু লজ্জা গ্রাস করলো আমাকে।
“চারমাস ধরে তো এভাবেই আছি, তাই না?”
“আসলে দেশের অবস্থা ভালো না। খুনখারাবি, চুরি-ডাকাতি প্রচুর হচ্ছে।
“কখন দেশের অবস্থা ভালো ছিলো বলতে পারো?” হুট করে সিরিয়াস হয়ে উঠলো রামজিয়া।
এ প্রশ্নের উত্তর খুব সহজ। এ দেশের সবার কাছেই উত্তরটা জানা। মলিন হাসি দিলাম আমি।
“সব দেশেই ক্রাইম হয় কিন্তু সভ্যদেশের কোনো সরকার, রাষ্ট্র ক্রাইমকে প্রশ্রয় দেয় না। কালচার অব ইমপিউনিটি যেন এ দেশে জেঁকে বসেছে একদম শুরু থেকে।”
আমি কোনো কথা না বলে দীর্ঘশ্বাস ফেললাম। এটাই আমার জবাব, এটাই আমার আক্ষেপ।
“আমরা ক্রিমিনালদের ছাড় দেই, আমাদের গভমেন্ট দেয়, রাষ্ট্র নিজেই দেয়। উই আর অ্যা হেলুভা কান্ট্রি!”
“এখন তোমাকেও দিতে হবে,” হেসে হেসেই বলে ফেললাম কথাটা। “আফটার অল তুমি একজন ল-ইয়ার।”
“একজন ল-ইয়ার কখনও ক্রিমিনালদের প্রশ্রয় দেয় না। এটা একটা পপুলার মিস কনসেপশন।”
“কিন্তু তোমরা তো ক্রিমিনালদের হয়ে ফাইট করো, করো না?”
“আমরা আমাদের ক্লায়েন্টদের হয়ে ফাইট করি, সেটাই আমাদের পেশা। ক্লায়েন্ট ক্রিমিনাল কি-না সেটা যদি আমরা বিচার করি তাহলে আমরাই জাজ হয়ে যাবো। বাট, জাজ করা আমাদের কাজ নয়। ওটা করেন রেসপেক্টেড জাজেসরা। ওনারাই দেখেন কে দোষি আর কে নির্দোষ।”
মোহনীয় রামজিয়া আমার চোখের সামনে মুহূর্তেই একজন আইনজীবি হয়ে উঠলো। মোহনীয় এক আইনজীবি!
“সমস্যাটা কোথায় জানো?”
“কোথায়?”
“মিডিয়া কিংবা পাবলিক পারসেপশান বিচারের আগেই একজনকে ক্রিমিনাল হিসেবে স্ট্যাবলিশ করে দেয়। কেউ ভাবতে চায় না, মানতে চায় না, তাদের চোখে যে ক্রিমিনাল সে আদতে ক্রিমিনাল না-ও হতে পারে। হয়তো অন্য কেউ কাজটা করেছে, হয়তো অন্য কোনো ঘটনা আছে। এমনও হতে পারে আসামি নিজেই ভিক্টিম।”
আমি স্থিরচোখে চেয়ে রইলাম তার দিকে।
“কিন্তু এটা বেশিরভাগ সাধারণ মানুষ বুঝতে চায় না। সন্দেহভাজনের পক্ষে কোনো আইনজীবি দাঁড়ালেই তারা মনে করে উকিল টাকা খেয়ে অপরাধির পক্ষ নিচ্ছে।”
“এই সমস্যাটা মনে হয় পৃথিবীর সবখানেই আছে।”
আমার কথায় সায় দিয়ে বললো সে, “হুম, তা আছে। তবে আমাদের এ দেশে এটা অনেক বেশি পপুলার। মানুষজন দেখে অপরাধির ঠিকমতো বিচার হয় না, তাই তারা ধরে নেয় সবাই টাকা খেয়ে অপরাধির পক্ষে কাজ করে। এখানকার পাবলিক পারসেপশনটা এমনই
এবার আমি মাথা নেড়ে সায় দিলাম।
“কিন্তু তারা বুঝতেই চায় না সন্দেহভাজনের পক্ষে কেউ না দাঁড়ালে পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়ার উপায় কী? পাবলিক পারসেপশনই যদি চুড়ান্ত কথা হয় তাহলে কোনো জাজের দরকার পড়ে না।”
তার এসব কথার সাথে দ্বিমত পোষণ করার কোনো কারণই নেই। “ঠিক। প্রমাণ হবার আগ পর্যন্ত কেউই অফরাধি নয়…শুধুই সন্দেহভাজন।”
মাথা নেড়ে সায় দিলো সে। “বাই দ্য ওয়ে, একটা পর্যায়ে তো তোমরা মিনহাজকেও সন্দেহ করেছিলে, তাই না?”
আমি রামজিয়ার দিকে চেয়ে রইলাম কিছুক্ষণ। ব্যাপারটা আমার জন্যে বেশ পীড়াদায়ক ছিলো। “হুম।”
“এটা কি মিনহাজ বুঝতে পেরেছিলো?”
কাঁধ তুললাম আমি। “কে জানে। হয়তো বুঝতে পেরেছিলো…হয়তো পারেনি।”
