কেউ কেউ কথা রাখে – ২০

অধ্যায় ২০

হঠাৎ করেই রামজিয়ার সঙ্গে দেখা করার আরেকটি উপলক্ষ পেয়ে গেছিলাম ওর দেয়া গ্রাহাম গ্রিনের বইটা চোখে পড়ার পর। কষ্ট করে হলেও ইংরেজি বইটা পড়ে শেষ করেছিলাম আমি কিন্তু ফেরত দিতে ভুলে গেছিলাম।

তার সাথে দেখা করা, কথা বলা আর একটু সময় কাটানোর আশায় ওদের বাড়িতে গিয়ে দেখি প্রচুর লোকজনের আনাগোনা। এর আগে যে দু- বার গেছি, পুরো বাড়িটা সুনসান দেখেছি। ফলে একটু ভড়কে গেলাম। আমাকে দেখে দারোয়ান অবাক না হলেও বাড়ির ভেতরে থাকা কয়েকজন লোক নিশ্চই অবাক হয়েছিলো আমার পরনে পুলিশের ইউনিফর্ম দেখে। বাড়িতে পুলিশের উপস্থিতি কে-ই বা কামনা করে!

অযাচিত মেহমানের মতো মেইনগেটের ভেতরে দাঁড়িয়ে রইলাম আমি, রামজিয়াকে দেখতে পেলাম না। দারোয়ান যদিও বললো ভেতরে চলে যেতে কিন্তু আমার পা দুটো বিশাল বারান্দার সামনে গেঁথে রইলো।

“কাকে চাই?” উদ্বিগ্ন চোখে মাঝবয়সি এক লোক আমার দিকে এগিয়ে এলেন।

“জি, রামজিয়ার কাছে এসেছিলাম,” কোনোমতে বলতে পেরেছিলাম আমি।

উদ্বিগ্ন মুখটা আরো বেশি উদ্বিগ্ন হয়ে উঠলো আমার কথা শুনে। সেই সাথে যোগ হলো বিস্ময়। “কি দরকারে?!”

আমি বোকার মতো বইটা বাড়িয়ে দিলাম ভদ্রলোকের দিকে। “এই যে…এটা দিতে এসেছি।”

ভদ্রলোকের চেহারাটা দেখার মতো হয়েছিলো। পুলিশের এক অ্যাসিসটেন্ট সাব-ইন্সপেক্টর ইংরেজি নভেল ফেরত দিতে এসেছে তাদের বাড়ির একমাত্র মেয়ের কাছে! ব্যাপারটা হজম করতে যেন বেগ পাচ্ছিলেন ভদ্রলোক।

এমন সময় রামজিয়া এসে পড়লো সেখানে।

“আরে, আপনি?” স্মিত হেসে পরিচয় করিয়ে দিলো ভদ্রলোকের সাথে। সম্পর্কে তার কাকা হয়। আমি যে মিলির কেসটা নিয়ে তদন্ত করছি সেটা জানিয়ে দিলো।

“ও, আচ্ছা,” ভদ্রলোক আর কিছু না বলে বাড়ির ভেতরে চলে গেলেন কিন্তু তার চোখেমুখে বিস্ময় একটুও কমলো না।

“আপনি কি আমাকে ফোন করেছিলেন?”

রামজিয়ার এ কথায় মাথা দোলালাম। “না, মানে…এখান দিয়ে যাচ্ছিলাম, ভাবলাম বইটা দিয়ে যাই।”

‘ও,” বইটা হাতে নিয়ে হেসে বললো। তার মধ্যে লাজুক একটি অভিব্যক্তি দেখতে পাচ্ছিলাম তখন। “ইয়ে…মানে, আজ তো বাড়িতে একটা প্রোগ্রাম আছে… অনেক লোকজন।

“হ্যা, আমিও বুঝতে পারছিলাম এরকম কিছু হবে,” বললাম তাকে। “ভেতরে আসুন? এক কাপ চা?…”

আমি ভালো করেই জানতাম এটা নিতান্তই সৌজন্যতার খাতিরে বলা।

“না, না। তার কোনো দরকার নেই। আমার কাজ আছে। আর আপনার বাড়িতে আজ প্রোগ্রাম হচ্ছে…আরেকদিন এসে চা খেয়ে যাবো।”

নিঃশব্দে হাসলো সে। “তাহলে আরেকদিন আসবেন কিন্তু?”

“আচ্ছা,” কথাটা বলেই আমি তাদের বাড়ি থেকে বের হয়ে গেলাম। বাড়ির পরিবেশ দেখে কেমন একটা খটকা লাগছিলো। গেটের বাইরে দাঁড়িয়ে আবারো ফিরে তাকালাম। কারোর জন্মদিন?

কৌতুহল চেপে রাখতে না পেরে দারোয়ানকে জিজ্ঞেস করে বসলাম। “আপারে ছেলেপক্ষ দেখতে আসবো,” হাসিমুখে জানালো সে। “ছেলে বিলাত ফেরত… বিরাট বড় লোক।”

কথাটা শোনামাত্র আমার বুকের ভেতরটা মোচড় দিয়ে উঠলো। কেমন হাহাকার করে উঠলো বোঝাতে পারবো না। রামজিয়া শেহরিনের বিয়ে হয়ে গেলে আমার কী? আমার কেন এমন হচ্ছে? এ প্রশ্নের কোনো উত্তর খুঁজে পেলাম না। সচেতন আমি ঘুণাক্ষরেও রামজিয়া শেহরিনের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরির স্বপ্ন দেখি না। আমাদের দু-জনের মধ্যে এমন কিছু হয়নিও। আর দু- জনের যোজন যোজন দূরত্বের কথা আমার ভালো করেই জানা ছিলো। রামজিয়ার সহজ-স্বাভাবিক আচরণ হয়তো আমাকে লোভি করে তুলেছিলো। হয়তো আমার অবচেতন মন সমস্ত যুক্তিবুদ্ধির বাইরে গিয়ে ভাবতে শুরু করে দিয়েছিলো।

মাথা থেকে চিন্তাটা ঝেড়ে ফেলে একটা সিগারেট ধরিয়ে হনহন করে হাটতে শুরু করলাম আমি। একটা ঘোরের মধ্যে হাটতে হাটতে কখন যে নিজের বাড়ির কাছে পৌঁছে গেছিলাম টেরই পাইনি।

পরবর্তি দু-তিনদিন আমি মনমরা হয়ে ছিলাম। ব্যাপারটা হায়দারভায়ের চোখ এড়ায়নি। তিনি বেশ কয়েকবার জানতে চেয়েছিলেন এর কারণ কি, আমি প্রতিবারই এড়িয়ে গেছি, মিথ্যে বলেছি। বাবা-মা’র কথা খুব মনে পড়ছে-এরকম বিশ্বাসযোগ্য একটি মিথ্যে হায়দারভাইকে সন্তুষ্ট করতে পেরেছিলো। তিনি হয়তো ভেবেছেন, অকালে পিতা-মাতা হারানোর একটি ছেলে মাঝেমধ্যে বাবা-মায়ের কথা মনে করে মনমরা হয়ে থাকবে, এটা খুবই স্বাভাবিক।

পাঁচদিন পর বলা নেই কওয়া নেই হুট করে থানায় এসে হাজির হলো রামজিয়া। আমার কলিগদের ভুরু কপালে উঠে গেলো। বাঁকাচোখেও তাকালো কেউ কেউ। ভাগ্য ভালো, বেলবটম আর শার্ট পরে আসেনি, তখনকার বাঙালি মেয়েদের মতোই কামিজ আর চুড়িদার পরেছে।

“এই তো, এখান দিয়েই যাচ্ছিলাম, ভাবলাম আপনার বইটা ফেরত দিয়ে যাই। ঐদিন আসলে খেয়াল ছিলো না।”

আমি বোকার মতো হাসতে লাগলাম কেবল। তাকে যে বসতে দেবো সে খেয়াল নেই। বার বার আশেপাশে থাকা আমার কলিগদের দিকে চোখ চলে যাচ্ছিলো। তাদের সবার দৃষ্টি আটকে আছে রামজিয়া শেহরিনের দিকে।

“আমি কিন্তু কাল আপনাকে ফোন করেছিলাম,” সে জানালো, “কেউ একজন বললো আপনি বাইরে আছেন।

“ক্-কখন?” একটু তোতলালাম আমি।

“এই তো…বিকেল পাঁচটার দিকে?”

গতকাল বিকেল চারটার পর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আমি থানায়ই ছিলাম। সুতরাং বুঝতে অসুবিধা হলো না আমার ঈর্ষাকাতর কলিগদের কেউ এটা করেছে। বাঙালির ঈর্ষা—এর চেয়ে ভয়ানক অসুখ কমই আছে। শুধুমাত্র রিনিঝিনি একটি নারীকণ্ঠই তাদেরকে যেরকম ঈর্ষায় আক্রান্ত করেছে তাতে করে আজকে সামনাসামনি দেখার পর কী হবে কে জানে!

রামজিয়া তার প্রবল ব্যক্তিত্ব আর তারচেয়েও তীব্র সৌন্দর্য নিয়ে আমার সামনে দাঁড়িয়ে আছে। আর আমি এই থানার সামান্য একজন এএসআই, আড়ালে আবডালে লোকজন যাদেরকে ঠোলা বলে গালি দেয়।”

তো, আমার মনের একটা অংশ বলছিলো, সম্ভবত নিজের বিয়ের পাকা খবরটা দেবার জন্য থানায় চলে এসেছে, বই ফেরত দেবার ব্যাপারটা উসিলামাত্র। ঠিক যেমনটি আমি বই ফেরত দেবার ছলে তার সঙ্গে দেখা করতে গেছিলাম! মানুষ তো নিজেকে দিয়েই বিচার করে-তাই না?

সম্বিত ফিরে পেতেই দেখি স্টাইলিশ ভ্যানিটি ব্যাগের জিপার খুলছে সে। আমি তাকে তখনও বসতে বলিনি। মূর্তিমান এক বোকা হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলাম।

“এই নিন, আপনার বই।” বাঙালী জীবনে রমণী বাড়িয়ে দিলো আমার দিকে। কিন্তু আমার দৃষ্টি-আগ্রহ সত্যিকারের রমণীতে!

বইটা হাতে নিয়ে বুঝতে পারলাম অভদ্রের মতো তাকে বসতে না বলে আমিও দাঁড়িয়ে আছি। “বসুন,” বললাম তাকে।

“আমার মনে হয় আপনারা ভীষণ ব্যস্ত আছেন। তাছাড়া এখানে বসাটা ঠিক হবে না।”

“আশ্চর্য, এটা বলছেন কেন?” আমি মৃদু প্রতিবাদ করলাম।

“সত্যি বলতে, আমি এর আগে কখনও থানায় ঢুকিনি। এই প্রথম।” কথাটা বলে সে কী বোঝালো বুঝতে পারলাম না।

“আজ আসি…পরে কথা হবে।”

এ কথার জবাবে আমি শুধু মাপা হাসি দিতে পেরেছিলাম। যেন মৌনতাই সম্মতির লক্ষণ। দ্বিতীয়বার তাকে বসার জন্য আর অনুরোধ করিনি। যদিও এটা করাই আমার উচিত ছিলো। আসলে আমি চাইছিলাম সে তাড়াতাড়ি চলে যাক। তার বাড়ির ড্রইংরুমে বসে আড্ডা দেয়া, কিংবা নিউ মার্কেটের কফিশপে বসে কফি খেতে বেশ লাগে কিন্তু থানার ভেতরে ঈর্ষাকাতর কলিগদের মাঝে তাকে নিয়ে প্রচণ্ড অস্বস্তি বোধ করছিলাম।

“‘আত্মঘাতী বাঙালী’ পড়েছেন?” বোকার মতোই বলে ফেললাম আমি। “ওটাও নীরদচন্দ্র চৌধুরির বই।”

“এই বইটার সিকুয়েল নাকি?” আমার হাতে থাকা বাঙালী জীবনে রমণী’র দিকে ইঙ্গিত করলো সে।

“ঠিক তা নয়, তবে এরকম তিনটি সাবজেক্ট নিয়ে তার তিনটি বই আছে।”

“আরেকটা কি?”

“আত্মঘাতী রবীন্দ্রনাথ।”

“ওয়াও,” শব্দটা সে এমনভাবে উচ্চারণ করলো যেন রবীন্দ্রনাথ সত্যি সত্যি আত্মঘাতী হলেও সে-খবর আজ দীর্ঘদিন পর নতুন করে আবিষ্কৃত হয়েছে! কিংবা রবীন্দ্রনাথের আত্মঘাতি হওয়াটা খুবই মজার কোন ঘটনা!

আমি বুঝতে পারলাম, থানার মধ্যে বই নিয়ে কথা বলাটা ঠিক হয়নি।

“আপনার কাছে আছে?” আগ্রহভরে জানতে চাইলো সে।

মাথা নেড়ে সায় দিলাম।

“তাহলে আমাকে ওটা দিয়েন…পড়বো।”

“আচ্ছা,” মুচকি হেসে বললাম তাকে। তারপর ভদ্রতার খাতিরে থানার মেইন গেট পর্যন্ত পৌঁছে দেবার জন্য বের হয়ে গেলাম। কথা দিলাম দুয়েকদিনের মধ্যেই তাকে ‘আত্মঘাতী’ দিয়ে আসবো। তার বাসার সামনে দিয়ে প্রায়ই আমাকে যেতে হয়, সুতরাং যাবার পথে বইটা দিয়ে যাওয়া আমার জন্য কোনো সমস্যাই হবে না-এমন মিথ্যে অজুহাত দাঁড় করিয়ে আরেকবার তার সান্নিধ্য পাবার সুযোগটা পাকাপোক্ত করে ফেললাম।

“কি মিয়া, একেবারে থানায় চলে এসেছিলো নাকি?”

রামিজয়া চলে যাবার একটু পর হায়দারভাই থানায় এসেই আমার টেবিলের উপর ঝুঁকে চোখেমুখে যতোটা সম্ভব ইঙ্গিতপূর্ণ অভিব্যক্তি হেনে বললেন।

“আপনিও দেখি ওদের মতোই করছেন,” বললাম আমি।

“ওদের আর কী দোষ বলো, চোখের সামনে এরকম একজনকে দেখলে ঘাড় ঘুরিয়ে তো দেখবেই।”

“আমার তো মনে হচ্ছে একেকজন ঈর্ষায় মরে যাচ্ছে।” কথাটা না বলে পারলাম না। অবাক হয়ে আবিষ্কার করলাম, এই ব্যাপারটা, মানে, কলিগদের ঈর্ষার বিষয়টি আমি খুব উপভোগ করছি। ঈর্ষা খারাপ হতে পারে কিন্তু ঈর্ষার শিকার হওয়াটা নেহায়েত মন্দ নয়। সম্ভবত, কখনও কখনও সবচাইতে উপভোগ্য জিনিস!

“জানেন, ও আমাকে ফোন করেছিলো কাল বিকেলে…কেউ একজন ফোন ধরে বলে দিয়েছে আমি থানায় নেই। অথচ কাল সারাটা বিকেল আমি এখানে!” অনুযোগের সুরে বললাম।

ঠোঁট উল্টে মাথা নেড়ে সায় দিলেন হায়দারভাই। “খুব খারাপ! ভীষণ অন্যায়।”

তার কথার ভঙ্গি আমাকে হতাশ করলো। “আপনি তো দেখি মজা নিচ্ছেন।”

“ব্রাদার, রমণী তো জীবনে ঢুকেই পড়েছে, এখন এসব বই পড়ে কী লাভ!”

আমি সঙ্গে সঙ্গে বুঝতে পারলাম আমার হাতে ‘বাঙালী জীবনে রমণী’ প্রকটভাবেই উন্মুক্ত। বইটা টেবিলের ড্রয়ারে রেখে দিলাম।

“আশ্চর্য, আপনি এসব কী বলেন!” আমি হায়দারভায়ের ঠাট্টায় যারপরনাই বিব্রত।

“নীরদবাবু একখান বই লিখেছে বটে! বই পড়লেই জীবনে রমণীর আগমণ ঘটে যায়।”

আমি মাথা দুলিয়ে গেলাম, কিছু বললাম না।

“ভাই, আমাকে এমন একটা বই দাও না, যেটা পড়লে তোমার ভাবির সাথে আর ঝগড়াঝাটি হবে না। আমার প্রেমে মশগুল হয়ে যাবে সে।”

আমি বাঁকাহাসি দিয়ে বললাম, “এরজন্যে কষ্ট করে শতশত পৃষ্ঠার বই পড়ার দরকার কি? আমার দুটো উপদেশ শোনেন, কাজ হয়ে যাবে।

আমার দিকে সপ্রশ্ন দৃষ্টিতে তাকালেন তিনি।

“প্রথম উপদেশ, মদ খাওয়া ছেড়ে দেন।”

হাত নেড়ে বাতিল করে দিলেন হায়দারভাই।

“দ্বিতীয় উপদেশ, মাথাটা একটু ঠাণ্ডা রাখেন। সেক্ষত্রে নিদ্রাকুসুম তেল ব্যবহার করতে পারেন। দরকার হলে আমি কয়েক বোতল সাপ্লাই দেবো।” হা-হা-হা করে হেসে উঠলেন সিনিয়র সাব-ইন্সপেক্টর। “প্রেমে পড়ে দেখি কথাও শিখে গেছো!”

“আশ্চর্য!” প্রতিবাদ করে উঠলাম আমি। “মাথা-টাথা কি খারাপ হয়ে গেছে নাকি? ঐ মেয়ের সাথে আমার টুকটাক কথাবার্তা হয়…দুয়েকটা বই বিনিময় হয়েছে…এই যা।” একটু থেমে আবার বললাম, “আমার মতো সামান্য ঠোলার সাথে ঐ মেয়ে…” মাথা দোলালাম আমি, “আমি তো দু- বোতল মদ খেয়েও এমন আজগুবি চিন্তা করতে পারবো না। আপনার মাথায় এসব ঢোকে কী করে?”

মুচকি হাসলেন হায়দারভাই। “ব্রাদার, যুক্তিতত্ত্ব দিয়ে কোনো কালেই প্রেম হয়নি, হবেও না। আমি যেটা বলতে চাইছি সেটা শোনো। ঐ মেয়ের কথা আমি জোর দিয়ে বলতে পারবো না। তবে আমি আমার ছোট্ট ভাইটার কথা বলতে পারি। সে প্রেমে পড়েছে। ঐ আপ-টু-ডেট ছুকরির প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে সে। ভেতরে ভেতরে…গোপনে গোপনে!”

“ধুর!” বলেই আমি উঠে চলে গেলাম।

“কই যাও?” পেছন থেকে আমাকে ডাকলেন তিনি।

“বাথরুমে,” ঘাড় ঘুরিয়ে কথাটা বলেই থানার নোংরা বাথরুমের দিকে

পা বাড়ালাম। আসলে পালালাম।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *