ম্যাও – অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
প্রথম প্রকাশ ডিসেম্বর, ২০২৩
প্রচ্ছদ কৃষ্ণেন্দু মন্ডল
.
যাঁরা জীবন পণ করেছেন অপরাধ নিশ্চিহ্ন করে অপরাধীদের উপযুক্ত শাস্তি দেবার ও তাদের সঠিক পথ প্রদর্শনের..
.
অরুণা, দিয়া, সুস্মিতা, মৃত্তিকা…. এই ফোর মাস্কেটিয়ার্সের সঙ্গে দুজন ফাউ ছিল প্রিয়াংশু আর তমাল। সময়ের চোরাপথে জীবনের জটিল সমীকরণে এরানিজেদের হারিয়ে ফেলেছিল।
পরিণাম ভয়ানক বীভৎস মৃত্যু!
আর সেই যমদূতের সংকেত বয়ে আনত একটি বিড়ালের ডাক,ম্যাও। কিন্তু কেন? কেসটা নিজেই হাতে নিল লালবাজারের তরুণ গোয়েন্দা স্বয়ম্ভু সেন। সঙ্গে যোগ্য সহকারী শিবাঙ্গী বসু। গোয়েন্দাকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে তাঁরই সামনে খুন হয়ে যাচ্ছে একের পর এক । এমনকি খুনের ভিডিয়োও পাঠিয়ে জানিয়ে দিচ্ছে ঠিক কীভাবে খুন করা হয়েছে। কিন্তু বিড়ালের ডাকের সঙ্গে এই নরহত্যার সম্পর্ক কী? এই কেসের সমাধান করতে না পারলে স্বয়ম্ভুকে বেছে নিতে হবে স্বেচ্ছাসাজা, যাবজ্জীবন অথবা ফাঁসি। স্বয়ম্ভু কীভাবে রহস্যের ঝুলি থেকে আসল বিড়ালটাকে খুঁজে বের করবে? কীভাবেই বা বন্ধ হবে শহরজুড়ে রক্তের হোলিখেলা?
রহস্যের আগে…
সাল ২০২০। সম্ভবত মে মাস। নেশার ঘোরে মুঠোফোনের ওপর আঙুল বোলাতে বোলাতে একটা ভিডিয়ো এল। থমকে গেল আঙুলগুলো। চোখের ওপর নাচতে লাগল কতগুলো প্রাণীপিশাচ। মাতালের মতো খলখলে প্রাণঘাতী হাসি তাদের। কান মাথা গরম হয়ে উঠছে। তবু ভিডিওটাকে চোখের সামনে থেকে সরাতে পারছি না। পৈশাচিক কর্মকাণ্ড আমায় যেন সর্বনাশের নাগপাশে বেঁধে ফেলেছে নিমেষের মধ্যে। এমনিতেই সর্বনাশের একটা অমোঘ আকর্ষণ থাকে। আর ঠিক কতটা নামলে নরকের দ্বার খুলে যাবে সেই উদগ্র বাসনাতেই প্রস্তরমূর্তি হয়ে বসে রইলাম। পিশাচগুলোর পিপাসা মিটল। আমি তখন কাঁপছি। রাতে ঘুম হল না। এমনও হয়?
– কী হয়েছিল সেদিন? কী দেখেছিলাম আমি? নাহ! সেটা বললে এই কাহিনি রহস্য বেরিয়ে আসবে অনায়াসেই। নিজের হাতে সেই সর্বনাশ করি কী করে? ভেবেছিলাম এই নরক দর্শনের কথা মনেই রাখব না। কিন্তু বুক লুক পাবলিশিং – এর অন্যতম কর্ণধার প্রীতম যখন আমায় উপন্যাস লেখার কথা বলল তখনই কেন যে সেদিন ঘটে যাওয়া ভয়ানক দৃশ্যটা চোখের সামনে ভেসে উঠল জানি না। আমি জীবনে কখনও গোয়েন্দা উপন্যাস লিখিনি। অথচ মনের মধ্যে সাধ ছিল ষোলো আনা। ঠিক করলাম, একবার চেষ্টা করেই দেখি। ওই সত্য ঘটনাকে হাতিয়ার করেই কোমর বেঁধে নেমে পড়লাম। বাংলা সাহিত্যে শয়ে শয়ে গোয়েন্দার মতোই জন্ম নিল আমার মানস গোয়েন্দা স্বয়ম্ভু সেন ও তার সহকারী শিবাঙ্গী বসু। গোয়েন্দাদের দলে ভিড় বাড়ল আবারও। তা হোক। সমাজে অপরাধও তো কম হচ্ছে না। যদিও জানি না আমার এই কাহিনি আদৌ সাহিত্য পদবাচ্য হল কিনা! বা আদৌ স্বয়স্তু প্রকৃত গোয়েন্দা হয়ে উঠতে পারল কিনা। বিচার পাঠকদের হাতে। তাঁরা যা রায় দেবেন সেটাই মাথা পেতে নেব।
এই উপন্যাস আমি লিখলেও বেশ কিছু মানুষের অবদান ছাড়া এই লেখা সম্পূর্ণ করা কোনওভাবেই সম্ভব হত না। প্রথমজন হলেন ডাক্তার ও সুলেখক সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। প্রতি মুহূর্তে তাঁকে যে পরিমাণ জ্বালিয়েছি তাতে অন্য কেউ হলে আমার সঙ্গে সম্পর্কই ছিন্ন করে দিত। দ্বিতীয়জন হল আমার পুলিশবন্ধু উজ্জ্বল। ওর সাহায্য এই কাহিনিতে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। তৃতীয় ও চতুর্থজন অনুজপ্রতিম দুই লেখক সায়ন পড়িয়া ও অভিষেক দত্ত। এঁদের কাছে আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা জানাই বুক লুক পাবলিশিং পরিবার ও প্রকাশকদ্বয় রোহন সাহা ও প্রীতম দাসকে। খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে এত নিখুঁতভাবে ভাবতে ও কাজ করতে খুব কম মানুষকেই দেখেছি। প্রচ্ছদশিল্পী কৃষ্ণেন্দু মণ্ডল ও বইয়ের পাতায় যে চমৎকার অঙ্কন গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্যগুলোকে ফুটিয়ে তুলেছে, তার জন্য শিল্পী স্মৃতীশ মণ্ডলের কথা আলাদা করে বলাই বাহুল্য। অসাধারণ কাজ হয়েছে।
এবার যদি পাঠককুল সমগ্র বইটিকে সাদরে গ্রহণ করেন তাহলেই সকলের কাজ সার্থক হবে।
.
লেখক পরিচিতি
জন্ম ১৯৮৫ সালের ২২ জানুয়ারি, কলকাতায় । ইতিহাসে স্নাতক হবার পর একটি প্রকাশনা সংস্থায় কর্মজীবন শুরু। পাশাপাশি বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায়, সংবাদপত্রে ভ্রমণসংক্রান্ত ও গল্প লেখা। সিনেমা দেখার নেশা থেকেই সিনেমা তৈরির স্বপ্ন দেখা। ইতোমধ্যেই বানিয়ে ফেলেছেন তিনটি স্বল্পদৈর্ঘ্যর ছবি যা জিতে নিয়েছে দেশ-বিদেশের পুরস্কার। বিভিন্ন সিরিয়াল, সিনেমায় গীতরচনাও করেন। এখনও পর্যন্ত তাঁর প্রকাশিত বই তেরো নম্বর ফ্লোর, একটি মৃত্যুর গান, মৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি, আতঙ্কের অষ্টপ্রহর ও হৃদয় গহন। ‘ম্যাও’ উপন্যাসটি লেখকের ষষ্ঠ উপন্যাস ও প্রথম গোয়েন্দাকাহিনি।






Please upload “ কালরাত্রি ” written by Sayantani patatunda
Thank you for uploading “ ম্যাও ”
Plz এই writer এর কথাকলি কোথায়? বইটা upload করুণ
Uploade এর জন্য ধন্যবাদ।
I am reading in class7 in Bangla desh
Please upload রহস্যে ঘেরা হিমালয় ও রহস্যে ঘেরা তিব্বত by অনিরুদ্ধ সরকার
অভিষেকবাবুর ১৩ নম্বর ফ্লোর ও মৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি বইদুটি পেলে দেবার অনুরোধ রইল..
দয়া করে এই লেখকের “কথাকলি কোথায়” বই টা আপলোড করুন।
১.Detective Tarinicharan- (4.2*)(4)
আতঙ্ক সমগ্র (25) Kaushik Mazumdar
২. Aparthiba (4.1*)-
Avigyan Ganguly। (17)
৩.মেলানকোলির রাত-2(4*),
Kaushik Samanta(12)
Prof. Som-(4.1*)Kaushik Samanta(7)
৪.প্রেত jakkha-3.5* Avik sarkar(4)
৫.Trilika- ujjal Ghosh (4*)(13)
৬.ফিরে এলো গোয়েন্দাপীঠ-4
সুপ্রতিম সরকার (4.1*)
৭.১৯৮২-(5*) Aninda Sengupta(sci fi)
৮.Father Ghanshyam samagra-(2.5*)
Adrish Bardhan-(36)
৯ কিরীটি রায়(24) নীহাররঞ্জন -(3.7*)
১০দধিচি-(4.2*)/বিশোহরি (4.1*)/দেও (4.2*)
Tamaghna Naskar
১১.চুপিচুপি আসছে-(4*)
Sayantani Putotunda
১২.মজন্তালী সরকার (4.2*) Rohan Roy
১৩.শেষ মৃত পাখি-Sakyajit Bhattacharya
(4.3*)
১৪. বৃশ্চিক -piya sarkar (4.1*)
১৫. বৃশ্চিক সিরিজ-১-৮-(4.1*)Riju ganguly
১৬. মগজ দখল-(4.1*)
Kajal Bhattacharya
১৭. Ray Bradbury-Golpo sankalan/মঙ্গল গ্রহের ডায়ারি-kalpobiswa-(26)
১৮. শান্তি দাদু ১
১৯. শান্তি দাদু ২(4*)(10)-Nikhad bangali
২০.নতুন বিশ রহস্য-A.c.Doyel-
Sisir Chakraborty-(3.6*)(20)
কিছু ভালো rating পাওয়া বই রইলো, পারলে upload করবেন,সবাই পড়তে পারবে,ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ। যদি খুঁজে পাই, তাহলে আমরা চেষ্টা করব দেয়ার।
অভিক দত্ত এর operation blue wings বইটি please upload করুন
Please ময়না বলে কৃষ্ণ রাধে বইটি upload করুন