অপারেশন কোডেক্স : ডান্স অফ দ্য ডেভিল – রণদীপ নন্দী
অপারেশন কোডেক্স (ডান্স অব দ্য ডেভিল) – রণদীপ নন্দী
প্রথম প্রকাশ: ফেব্রুয়ারি ২০২১, বর্ধমান বইমেলা
প্রচ্ছদ ও অলংকরণ : অভিব্রত সরকার
উৎসর্গ
যুগ যুগ ধরে পরমা’দের নিরাপদ আশ্রয় হারিয়ে দুর্বিনীত বন্য ইভানি’দের চোখের মণিতে আশ্বাস খুঁজে আসা হাজার হাজার ইন্দ্র’দের।
.
কৃতজ্ঞতা স্বীকার
এইটা বড্ড মুশকিলের কাজ, বুঝলেন মশাই! বিশ্বাস করুন, যদি আমি এই বইয়ের কৃতজ্ঞতা স্বীকারের ঝাঁপি খুলে বসি, তাহলে আরামসে আরেকখানা জব্বর উপন্যাস নেমে যাবে। যে সব মানুষের প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ পিঠ চাপরানিতে আমার মতো অলসের ঢেঁকি মানুষের কলম, থুড়ি ল্যাপটপ থেকে এই উপন্যাসখানা বেরিয়েছে তাদের মধ্যে সর্বাগ্রে যার নামটা না করলেই নয় তিনি হলেন পৌলমী আদক। যাকে নিন্দুকেরা (আমি সহ) পৌলমী দেবী বলেই ডাকে। আমার লেখার অন্যতম একনিষ্ঠ পাঠক এবং সমালোচক। কখনো বাহবা দিয়ে, কখনো আবার কান মুলে তিনি লিখিয়ে নিয়েছেন অপারেশন কোডেক্স-এর এক একটা চ্যাপ্টার। এছাড়া আমার প্রিয়তম বন্ধ (পড়ুন শত্রু) শ্রী শ্রী সায়ক বিভীষিকা আমান (যাকে তিন মাস ধরে সকাল বিকেল খিস্তি দিতে হয়েছে আধপাতা ভূমিকা লিখিয়ে নেওয়ার জন্য), শ্রীমতি স্মিতা রানী (যিনি আমার আদরের বোন বলেই হয়তো ক্ষমা ঘেন্না করে বলেছেন আমার লেখা ‘খারাপ নয়’), এছাড়াও ইন্দ্র, অর্পণ, অনুভব (যারা কোনওদিনই আমার লেখা ভালো বলে স্বীকার না করে আমার ইগো চেপে চুপে মাটিতে পুঁতে রেখেছেন), পোকাশক অভিজিৎ (রোজ সকালে ফোন করে বই কদ্দুর এগোল বলে তাড়া মেরে পাশে থেকেছেন), স্নেহের বোন রুবি যার প্রকাশ্যে সুখ্যাতি করি পেছনে দুর্নাম (চুপি চুপি বলে রাখি, পাজির পাঝাড়া মেয়ে একটা), দুর্দান্ত প্রচ্ছদ এবং ইলাস্ট্রেশনের জাদুকর অভিব্রত কভারম্যান সরকার এবং এমন একজন যার নাম লর্ড ভোল্ডেমোর্ট এর মতোই প্রকাশ্যে উচ্চারণ করা বারণ।
আমার আরেক পরিবার, আমার সাধের ইউটিউব চ্যানেল ‘থ্রিলারল্যান্ড এর সমস্ত শ্রোতাদের অনেক শুভকামনা আমায় নিঃস্বার্থ ভালোবাসা উজাড় করে দেওয়ার জন্য। ধন্যবাদ দিয়ে তোমাদের ছোট করব না।
বি.দ্র.:- বাবার চোখ রাঙ্গানি আর মা’র খুন্তির বাড়ির আখ্যান আজ উহ্য থাক। পরিচিত মহলে প্রেস্টিজ এমনিতেই বড় একটা নেই কিনা….
.
ভূমিকা
এই বইয়ের ভূমিকা একরকম ঘেঁটি ধরেই লেখানো হচ্ছে আমাকে। সেই সঙ্গে দু এও বলে শাসানো হয়েছে যে লেখক ও উপন্যাস সম্পর্কে দু চারটে ভালো-মন্দ কথা যেন কায়দা করে গছিয়ে দিই আপনাকে। সুতরাং আমার কথায় বাড় না খেয়ে ট্যাকের জোর, ডিস্কাউন্ট, লেখকের সঙ্গে আপনার সম্পর্ক, সিওডি এভিলেভল কিনা, ও কয়েক পাতা উলটে পালটে দেখে নিয়ে তবে খরিদ করুন বইটা। নিন, আমার স্বর্গের টিকিট কনফার্ম, এবার আপনাকে একটু বাড় খাওয়ানো যাক….
এ বই আমি প্রথম যখন পড়ি, তখন থেকে এই ভূমিকা লেখার সময় অবধি প্রায় মাসচারেক কেটে গেছে, ফলে হয়েছে কি, উপন্যাসের অধিকাংশ ঘটনা আমি ভুলে মেরে দিয়েছি। কেবল কিছু ছেঁড়া ছেঁড়া দৃশ্য, শব্দ আর চরিত্র রয়ে গিয়েছে মাথার ভিতরে। কিন্তু তা দিয়ে তো আর ভূমিকা লেখা যায় না… ফলে বইটা আবার পড়া শুরু করতে যাব, এমন সময় থমকে গেলাম… তাজ্জব ব্যাপার! এমন তো আগে হয়নি। একটা থ্রিলার উপন্যাসের সমস্ত রহস্য উদ্ঘাটিত হয়ে যাবার পর, সব টুইস্ট, একশন সিকোয়েন্স করায়ত্ত হয়ে যাওয়ার পরেও দৃশ্য, শব্দ, চরিত্রগুলো এমন নিটোল হয়ে রয়ে গেল কেমন করে?
তবে কি এ বইটা থ্রিলার ছিল না?
ভেবে দেখলাম তাও নয়। প্রতি মুহূর্তে কী হবে কী হবে ভাব? চেক। আচমকা কাহিনির মোড় বদল? চেক। সিক্রেট সোসাইটি, ঐতিহাসিক ঘটনা, ইতিহাসের গর্ভে হারিয়ে যাওয়া মিথ, অ্যাডভেঞ্চার আর… না ওটা গল্পের ক্লাইমাক্সের জন্য তোলা থাক! হালকা অলৌকিকের আভাস, পাতায় পাতায় শিরদাঁড়া টানটান? নাঃ কোনও চেকই বাউন্স করেনি। তবে?
….এবং রণদীপ নন্দী। যার শব্দের ব্যবহার, দৃশ্যের বুনন, অনুভূতির ছোঁয়া ক্লাসিক উপন্যাসের সব ব্যাকরণকে স্পর্শ করে যায়… তিনি এই বইতে দেখিয়েছেন কী করে তীব্র উত্তেজক ইডিএমের সঙ্গে মোৎজার্টের সিম্ফোনি মিশিয়ে দেওয়া যায়, মারকাটারি চরিত্রদেরকে কী করে পাঠকের মনের মধ্যে গেঁথে দেওয়া যায়, থ্রিলার উপন্যাসের মোড়কেও কী করে আপনার চোখ ভিজিয়ে দেওয়া যায়।
সাতশো বছরের ব্যাবধানে দুটো সমান্তরাল সময়রেখা ধরে এগিয়েছে উপন্যাস। নার্ভের চাপ যদি একান্তই সামলাতে না পারেন তবে নাওয়া খাওয়া ও নেটফ্লিক্স দেখা ভুলে একদিনে পড়ে ফেলতেই পারেন বইটা, তবে আমি বলি কি, এ জিনিস একরাতে সাবড়ে দেওয়ার নয়। আমি চামচ দিয়ে বিরিয়ানি খাই যাতে হাত দিয়ে গোগ্রাসে গিলতে গিয়ে জিভের ক্ষেত্রফল স্পর্শ না করেই কোনও ব্যাটা পেটে চলে না যায়। এ বইটাও এক রাতে পড়ে এক সপ্তাহে ভুলে যাওয়ার জিনিস নয় মশাই… এ বই আপনার মনের বাড়িতে স্থায়ী ভাড়াটে হতে এসেছে…
আচ্ছা, ‘বাড়ি’ বলতে গিয়ে মনে পড়ল। বিভা পাবলিকেশন থেকে প্রকাশিত একটা দুর্দান্ত উপন্যাস আছে, পড়ে দেখতে পারেন। ওই বাড়ি-টাড়ি দিয়েই কিছু… হেঁহেঁ, বিচক্ষণ পাঠক নিশ্চয়ই বুঝছেন কোন্ বইয়ের কথা বলছি….
সায়ক আমান
কলকাতা
ফেব্রুয়ারি, ২০২১
.
ফ্ল্যাপের লেখা
নিজের স্ত্রী এবং কন্যার হত্যাকারীকে খুঁজে চলা ছাপোষা এক ইতিহাসের অধ্যাপক… সাতশো বছর আগে পৃথিবীর ইতিহাস পালটে দেওয়া এক ভয়ঙ্কর ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো একজন সাধারণ | রাজকর্মচারী… যুগ যুগ ধরে খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীদের রক্ষা করে আসা দুর্দম দুঃসাহসী নাইট টেম্পলার নামক এক গুপ্ত প্রতিষ্ঠান..এবং ইতিহাসের গর্ভে হারিয়ে যাওয়া পৃথিবীর সবচেয়ে রহস্যময় বইয়ের কয়েকটা পৃষ্ঠা। আর এই সবকিছু একে অপরের সঙ্গে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে রয়েছে এক অদৃশ্য সুতোর টানে। কোনও এক সর্বশক্তিমান অঙ্গুলিহেলনে ধীরে ধীরে খুলছে সেই সুতোর জট।
কোডেক্স গিগাস… শয়তানের বাইবেল. ৩০ বছরের জ্ঞান লিপিবদ্ধ হল এক রাতে! কীভাবে সম্ভব? কথিত আছে এ কাজ শয়তানের। কিন্তু… শুধুই কি অর্বান্তর মিথ… নাকি লুকিয়ে আছে কোনও বিজ্ঞান ? এমন বিজ্ঞান, যা বদলে দিতে পারে ব্রহ্মাণ্ডের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ!
ইন্দ্র কি খুঁজে পাবে তার পরিবারের হত্যাকারীকে? নাকি ধীরে ধীরে অজান্তে সে নিজেই জড়িয়ে পড়ছে কোনও এক বৃহত্তর ষড়যন্ত্রে ? জানতে চাইলে
পড়তে থাকুন রণদীপ নন্দীর লেখা মিথলজি আশ্রিত কল্পবিজ্ঞান থ্রিলার ‘অপারেশন কোডেক্স’।


যদি পারেন তাহলে প্রমিত গুপ্তের লেখা নিজের ‘হাতে সাজা দিলাম’ বইটি আপলোড করবেন pls
প্রমিত গুপ্তের লেখা নিজের হাতে সাজা দিলাম
দেবারতি মুখোপাধ্যায়ের ব্যালান্স শিট উপন্যাস টি সম্ভব হলে upload করার চেষ্টা korben pls
Please upload নিশিচর written by Ranadip Nandy
এই বই কি ডাউনলোড করে পড়া সম্ভব। তাহলে কিভাবে ?
অন্যন্যা পালের সুবর্ণভুমে পুষ্পকেতু বইটা আপলোড করবেন প্লিজ।
Would you please post “Crossfire” written by Ranadip Nandy?