(৩) জাস্ট এনজয় দ্য শো

(৩) জাস্ট এনজয় দ্য শো

ফেব্রুয়ারি, ২০২০। কলকাতা:

লকআপের এককোণে দুই হাঁটু জড়ো করে তার মাঝে থুতনি গুঁজে বসে ছিল ইন্দ্র। বাইরে খুব সম্ভবত এখন দুপুর গড়িয়ে বিকেল নামছে। শেষ তিন দিন সময়ের হিসেব রাখা সে প্রায় ছেড়েই দিয়েছে। বন্ধ কুঠুরিতে ফ্যাকাশে আলো-আঁধারি খেলা করে বেড়ায় মর্জিমাফিক। মাথার ওপর দেওয়ালে ছোট্ট একটা ঘুলঘুলি, তা দিয়ে আলোর একটা দুর্বল সরু রেখা চুঁইয়ে ঢুকে দাগ কেটে যায় উলটোদিকের দেওয়ালে। সেই আলোর দাগের ওঠানামা দেখেই সময় আন্দাজ করা যায় কিছুটা। এই যেমন এখন আলোর বিন্দু ফিকে হয়ে এসেছে, আস্তে আস্তে ইন্দ্রর মাথা ছাড়িয়ে দেওয়াল বেয়ে উপরে উঠছে, এর অর্থ দুপুর গড়িয়েছে। ইন্দ্রর দু-চোখ ঘুমে জড়িয়ে আসছে, চোখের পাতা ভারী হয়ে আসছে ক্রমশ। কিন্তু তন্দ্রার সমুদ্রে ভাসিয়ে দেওয়া থেকে সে প্রাণপণে ঠেকিয়ে রেখেছে নিজের চেতনাকে। ইন্দ্র জানে, ঘুমিয়ে পড়লেই আবার সেই দুঃস্বপ্নগুলো ছিঁড়ে খাবে ওকে। ছেলেবেলায় একটা গল্প পড়েছিল, হল্যান্ড দেশে হান্স নামের একটা ছোট্ট ছেলে সারারাত নিজের হাত মুঠো করে তাদের শহরের বাঁধে হওয়া একটা ছিদ্রে ঢুকিয়ে রেখেছিল। যদি ছিদ্র বড় হয়ে যায়, প্রবল জলোচ্ছ্বাসে ভেসে যাবে সারা শহর। তছনছ হয়ে যাবে সবকিছু নিজেকে যেন ঠিক সেই পরিস্থিতিতে খুঁজে পাচ্ছে ইন্দ্র। একরাশ ক্লান্তির কাছে আত্মসমর্পণ করলেই ক্ষুধার্ত শ্বাপদের মতো তাড়া করবে সেই ভয়ংকর স্বপ্ন। তাই নিজের চেতনাকে আঁকড়ে ধরে চুপ করে বসে ছিল ইন্দ্র। মাথার মধ্যে অজস্র চিন্তার জট। মাঝে মাঝে ভারী বুটের আওয়াজ পেলেই সচকিত হয়ে উঠছে, দুই হাঁটুর খাঁজ থেকে মুখ তুলে তাকাচ্ছে, চোখের মণিতে আতঙ্কের ছাপ। আবার বোধহয় তারা এল, আবার বোধহয় শুরু হল সেই অকথ্য অত্যাচার। নাহ্! আস্তে আস্তে বুটের আওয়াজ মিলিয়ে যাচ্ছে দূরে। স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে আবার চিন্তার জট ছাড়াতে বসছে একমনে।

“স্যালুট!” চমকে উঠে মাথা তুলে তাকায় ইন্দ্র। হাজারো চিন্তায় বুঁদ হয়ে সামান্য অন্যমনস্ক হয়ে গিয়েছিল সে। ইতিমধ্যে একজনকে ধরে এনে লকআপে ভরা হয়েছে। লোকটার দিকে একঝলক তাকিয়ে এই দুঃখের মুহূর্তেও হাসি পেয়ে গেল ইন্দ্রর। শীর্ণ দীর্ঘকায় চেহারা, একমাথা অবিন্যস্ত চুল যত্নের অভাবে বাদামি রং ধরেছে। খোঁচা খোঁচা দাড়ি। চোখ দুটো কোটরে ঢোকা। চোখের নীচে গালের হাড় অস্বাভাবিকরকম উঁচু, যেন গালের খসখসে ফ্যাকাশে চামড়া ঠেলে বেরোতে চাইছে। চোখের মণিতে একটা অদ্ভুত চাঞ্চল্য। লম্বা গলায় বেখাপ্পারকম উঁচু হয়ে-থাকা কণ্ঠমণি অকারণে তিরতির করে কাঁপছে। ইন্দ্রর দিকে তাকিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে একটা হাত তুলে কপালের সামনে ধরেছে স্যালুটের ভঙ্গিমায়। হাতের আঙুলগুলো হাড়সর্বস্ব। পেশির অনুপস্থিতিতে হাড়ের উপর চামড়ার পাতলা পরত ছাড়া কিছুমাত্র নেই। পরনে জীর্ণ শতচ্ছিন্ন একটা স্যান্ডো গেঞ্জি। বিবর্ণ একটা লুঙ্গি। একসময় সবুজ ছিল, এখন ঠিক কী রঙে এসে দাঁড়িয়েছে, বলা মুশকিল। নেশার ঘোরে টলছে, এক জায়গায় স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকার ভারসাম্যটুকু পাচ্ছে না। ইন্দ্র বুঝল রাস্তায় মাল খেয়ে পড়ে ছিল, পুলিশ তুলে এনে ফাটকে পুরেছে। একজন কনস্টেবল হাতের লাঠি দিয়ে লোহার গরাদে ঠকঠক আওয়াজ করে উঁচু গলায় বলল, “অ্যাই শালা শুয়োরের বাচ্চা! চুপ করে না বসলে উদোম ক্যালাব বলে দিলাম।”

হুংকারে মোটেও কাজ দিল না। লোকটা খিকখিক করে হাসতে হাসতে এগিয়ে গেল গরাদের দিকে। তারপর গরাদের ফাঁক দিয়ে মুখ গলিয়ে ভেংচি কেটে ছড়া কাটতে লাগল – “অ্যাই পুলিশ, ঘুস খাবি? বাবার বিয়ে দেখতে যাবি?”

ইন্দ্র হেসে ফেলল। কনস্টেবলটা অগ্নিশর্মা হয়ে সামনের টেবিলের ড্রয়ার থেকে লকআপের চাবি নিয়ে দরজা খুলে ঢুকে লোকটাকে বেধড়ক পেটাতে লাগল। লোকটা নির্বিকারভাবে হি হি করে হাসতে লাগল। কিছুক্ষণ পর কনস্টেবলটা হাল ছেড়ে দিয়ে হাঁপাতে হাঁপাতে বেরিয়ে গেল। লোকটা সামান্য খোঁড়াতে খোঁড়াতে এসে ইন্দ্রর পাশে বসল। একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে জড়ানো গলায় জিজ্ঞেস করল, “বিড়ি হবে নাকি ভায়া?” ইন্দ্ৰ ঋণাত্মক ভঙ্গিতে মাথা নাড়ায়।

হঠাৎ লোকটা ভীষণ গম্ভীর স্বাভাবিক স্বরে, কতকটা স্বগতোক্তির স্বরে বলে ওঠে, “এখন বাইরে নিশ্চয়ই সূর্য ডুবছে। পশ্চিমের আকাশে লাল আবির ঢেলে দিয়েছে কেউ। সারাদিন সবাইকে আলো বিকিরণের শেষে ক্লান্ত সূর্য নিজের তেজ হারিয়ে ম্লান। এখন তারও ঘরে ফেরার তাড়া। পাখিরাও কিচিরমিচির করে ঘরে ফিরছে মাথার উপর আকাশ কালো করে। দিনের শেষে যার ফেরার মতো ঘর নেই, তার মতো দুর্ভাগা দুনিয়ায় বড় কম আছে। এই সময়টায় জাত-যাযাবর মানুষেরও কোথাও দু-দণ্ড বসতে ইচ্ছে করে, শ্রান্ত সূর্যের চোখে চোখ রাখতে ইচ্ছে করে। আহা! এখন একটা বিড়ি থাকলে বড় ভালো হত। যাক গে, সেসব ছাড়ুন, কাজের কথায় আসি। আমার এমপ্লয়ার আপনার সঙ্গে একটা ডিল করতে আগ্রহী। আমরা আপনাকে এখান থেকে বের করে নিয়ে যাব, আপনার পরিবারের খুনিকে খুঁজে বের করতে সাহায্য করব। বদলে আপনাকে আমাদের একটা কাজ করে দিতে হবে। রাজি?”

ইন্দ্র হতভম্বের মতো তাকিয়ে রইল লোকটার মুখের দিকে। কিন্তু লোকটা সম্পূর্ণ নির্বিকার। মাথার উপরের ছোট্ট ঘুলঘুলি দিয়ে ঢোকা আলোর রেখার দিকে তাকিয়ে একদৃষ্টে। সে আলোর রেখার ঔজ্জ্বল্যও দিনের শেষের মিঠে রোদের মতোই ম্লান।

“কে আপনি?”

“আমি সামান্য দূত। আমার নামধাম এখানে সম্পূর্ণ গুরুত্বহীন। আমায় আপনি… মিস্টার পাই বলে ডাকতে পারেন। যা-ই হোক, জানি, আপনার মনে হাজারটা প্রশ্ন ভিড় করে আসছে। আমি আপনার প্রশ্নের উত্তর দেব। কিন্তু শুধু ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-তে। ক্লিয়ার?”

“তাহলে আপনার এমপ্লয়ার কে? সে আমায় এখান থেকে কেন বের করবে? বদলে সে কী চায় আমার থেকে?”

খিকখিক করে হাসতে লাগলেন লোকটা ওরফে মিস্টার পাই, “উঁহুঁ! ধুর মশাই! হচ্ছে না! ভুল প্রশ্ন করে যাচ্ছেন তখন থেকে। বললাম না, এমন প্রশ্ন করুন, যার উত্তর হ্যাঁ বা না-তে হয়! আচ্ছা, আমি প্রশ্ন করছি, আপনি উত্তর দিন। এখান থেকে বেরোতে চান? আপনার পরিবারের হত্যাকারীর শাস্তি চান? হ্যাঁ কি না?”

ইন্দ্ৰ সদর্থক ভঙ্গিতে মাথা নাড়ায়।

“ব্যাস। এইটেই হল আসল প্রশ্ন। কী, কেন, কীভাবে — এসব ছেড়ে এতে ফোকাস করুন।” মিস্টার পাই কতকটা তাচ্ছিল্যের সঙ্গে কাঁধ ঝাঁকিয়ে পকেট থেকে একটা বেল্ট-ছেঁড়া ঘড়ি বের করে টাইম দেখে ঘড়িটা ফের পকেটে ঢোকাতে ঢোকাতে বললেন, “এখনও সাত মিনিট চল্লিশ সেকেন্ড। পৃথিবীতে সব থেকে কষ্টসাধ্য কাজ কী জানেন? অপেক্ষা।”

বেশ কিছুক্ষণ দু-জনে চুপচাপ বসে রইল। মিস্টার পাই মাথা নীচু করে ঝিমোচ্ছেন। থুতনি ঠেকে আছে বুকে। ইন্দ্ৰ অবশ্য সজাগ। মাথায় হাজারো চিন্তা। লোকটাকে মোটেই ভরসা হচ্ছে না। কিন্তু মাতাল হওয়ার অভিনয় করে লকআপে যখন এসে ঢুকেছেন, উদ্দেশ্য তো কিছু আছেই। তা ছাড়া একবার ইন্দ্রর নাম ধরেও ডেকেছেন। তার নাম জানার কথা এঁর নয়। ভীষণ সন্দেহ হচ্ছে, একটা বড় কোনও চক্রান্তের জালে জড়িয়ে পড়ছে না তো? আবার একবার তার উদ্দেশ্য জিজ্ঞেস করায় লোকটা ঝুঁকে-পড়া মুখ তুলে ঘুম-জড়ানো গলায় বললেন, “আমি কিছু জানি না, বাপু। আমি সামান্য দূত। দূত অবাধ্য। ইয়ে, না মানে অবধ্য।”

ইন্দ্র বুঝল, এর পেট থেকে কথা বেরোবে না। কিছুক্ষণ পর পকেট থেকে সেই ঘড়িটা বের করে শিরদাঁড়া সোজা করে বসলেন। তারপর কাউন্টডাউন করতে লাগলেন, “চার… তিন… দুই… এক…”

হঠাৎ ওপরের ঘুলঘুলি দিয়ে দুটো প্যাকেট ঝুপ ঝুপ করে এসে পড়ল ওদের সামনে। মিস্টার পাই বিদ্যুৎগতিতে একটা প্যাকেট খুলে একটা মাস্ক বের করে পরে নিয়ে অন্য প্যাকেটটা এগিয়ে দিলেন ইন্দ্রর দিকে। ইন্দ্ৰ মাস্কটা হাতে নিয়ে ইতস্তত করছিল। পাই চাপা গলায় বললেন, “ট্রাস্ট মি ব্রাদার। ম্যাজিক হতে চলেছে। জাস্ট এনজয় দ্য শো।” ইন্দ্রর মাস্কটা পরতে পরতেই হঠাৎ এক লহমায় সব ক-টা দরজা-জানালা একসঙ্গে বন্ধ হয়ে গেল। কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই একটা অচেনা ঝাঁজালো গন্ধে ঘরটা ভরে উঠছে। কয়েক সেকেন্ড পরেই উলটোদিকের টেবিলের ও প্রান্তে চেয়ারে-বসা কনস্টেবলটা খুকখুক করে কাশতে শুরু করল। তারপর একে একে সবাই কাশতে শুরু করল। একজন ছুটে গেল দরজার কাছে। দরজা বাইরে থেকে বন্ধ। উন্মাদের মতো নিষ্ফল আঘাত করতে লাগল দরজায়। আরেকজন ল্যান্ডলাইনের রিসিভার তুলে কানে ধরেই হতাশাব্যঞ্জক চিৎকার করে ছুড়ে ফেলে দিল। ইন্দ্ৰ বুঝল, টেলিফোনের কানেকশনও কেটে দেওয়া হয়েছে।

আস্তে আস্তে সবাই গলা চেপে ধরে মাটিতে বসে পড়ল হাঁটু মুড়ে। কাশতে কাশতে মুখ থেকে বেরিয়ে আসছে তাজা রক্ত। এতক্ষণ মিস্টার পাই দেওয়ালে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে অস্ফুটে গুনগুন করছিলেন। এইবার এগিয়ে এসে গরাদের সামনে দাঁড়িয়ে দু-বার হাততালি দিয়ে বলতে শুরু করলেন, “ছোটবেলায় আমি বেজায় দুষ্টু ছিলাম। পড়াশোনা করতে চাইতাম না, সারাদিন মাঠেঘাটে খেলে খেলে বেড়াতাম। তখন বাবা আমায় একটা কথা বলতেন। টাইম ইজ মানি। আপনারাও নিশ্চয়ই শুনেছেন কথাটা আগেই, আমি শুধু আরেকবার মনে করিয়ে দিচ্ছি। অবশ্য এখানে টাইম ইজ লাইফ।” সামান্য থেমে পকেট থেকে ঘড়িটা বের করে একবার চোখ বুলিয়ে নিয়ে ফের শুরু করলেন, “আপনাদের হাতে আর ঠিক সাত মিনিট সময় আছে। যে গ্যাসটায় এই ঘরটা ভরে উঠেছে, সেটার বিজ্ঞানসম্মত নাম হল হাইড্রোজেন সালফাইড। সেই যে ছোটবেলায় পড়েছিলেন মনে আছে? কোন্ গ্যাসের পচা ডিমের মতো গন্ধ? সেইটে। তবে যেটা পড়েননি, সেটা হল সঠিক মাত্রায় ব্যবহৃত হলে এটা একটা এক্সেলেন্ট মারণাস্ত্র। এর দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার পর তিনটে ফেজ আছে। প্রথমে নিশ্বাস নিতে অসুবিধে হবে, দমবন্ধ হয়ে আসবে। তারপর শ্বাসনালি দিয়ে রক্ত উঠে আসতে থাকবে। আর সবশেষে এটা আমাদের নার্ভাস সিস্টেমকে আক্রমণ করবে। আস্তে আস্তে আমাদের রিফ্লেক্স কমে আসবে। অ্যান্ড ট্রাস্ট মি, ইউ ডোন্ট ওয়ান্ট দ্যাট। যা-ই হোক, কাজের কথায় আসি। দরজা-জানালা সব বাইরে থেকে বন্ধ। টেলিফোন ডেড। মোবাইলেরও টাওয়ার আশা করি নেই। এখন আপনারা যদি দয়া করে আমাদের এই তালাটা খুলে দেন, তাহলে আমি বড়ই বাধিত হব। আর আমার সহকর্মীরা জানালা-দরজাও খুলে দেবে। এইবার বাকিটা আপনাদের সিদ্ধান্ত।”

দুটো অফিসার উদ্ভ্রান্তের মতো ছুটে গেল কোণের সেই টেবিলটার দিকে, যার ড্রয়ারে লকআপের চাবি রয়েছে। স্খলিত হাতে চাবি খুলে দিয়ে কাশতে কাশতে সেখানেই বসে পড়ল। মিস্টার পাই তার দিকে তাকিয়ে মিষ্টি করে ধন্যবাদ জানিয়ে এগিয়ে গিয়ে মূল দরজায় ধীরে ধীরে তিনবার টোকা মারলেন। দরজা খুলে গেল। মিস্টার পাই বেরোতে গিয়েও ঘুরে দাঁড়ালেন। অফিসার-ইন-চার্জের দিকে তাকিয়ে বললেন, “দেখুন, এখানে যা ঘটে গেল, তার জন্য আপনাদের অনেক অসুবিধা ভোগ করতে হল। সেই কারণে আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী। একটা বিষয়ে এই ভদ্রলোকের সাহায্য আমার বিশেষ প্রয়োজন। তাই আপনাদের এতটা কষ্ট দিতে বাধ্য হলাম। আশা করছি, ক্ষমা করবেন।” কথা শেষ করে ধীরপায়ে ঘর থেকে বেরিয়ে এলেন। ভিতরে তখনও কেউই সুস্থ হয়নি। ইন্দ্রও তাঁকে অনুসরণ করে বেরিয়ে এল। পিছনে শব্দ শুনে বুঝল, আবার একসঙ্গে সব জানালা খুলে গেল। থানা থেকে বেরিয়েই রাস্তার ধারে একটা সাদা স্করপিও দাঁড়িয়ে ছিল। মিস্টার পাই এগিয়ে এসে তার পিছনের দরজা খুলে পাশে দাঁড়ানো ইন্দ্রর দিকে চোখের ইশারা করলেন গাড়িতে ওঠার জন্য। ইন্দ্র উঠলে তিনিও উঠে পাশে বসলেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *