ক্যালকাতায় নবকুমার – ১৯

উনিশ

আশেপাশের বাড়ির মহিলাদের সেবায় মায়ের জ্ঞান ফিরে এল। খবরটা পৌঁছে গিয়েছিল বাজারেও। বাবা তখনই ডাক্তারবাবুকে রিকশায় বসিয়ে নিয়ে এল বাড়িতে। জ্ঞান ফিরে আসার পর, মা বিছানায় বসে বারংবার বলছিল—’একটু মাথা ঘুরে গিয়েছিল, আমার আর কিছু হয়নি।’ প্রতিবেশিনীরা তাকে কথা বলতে নিষেধ করছিলেন। ডাক্তারবাবু ঘরে ঢুকে বললেন, ‘আপনারা সরে যান, আমাকে দেখতে দিন।’

পরীক্ষা করে ডাক্তারবাবু বললেন, ‘প্রেশার খুব কমে গিয়েছে। এখনই ওঁকে নুন-চিনির জল খাওয়ান। আজ একেবারেই বিছানা থেকে উনি উঠবেন না। ভালো করে পরীক্ষা না করে ওষুধ দেওয়া ঠিক হবে না। তবে আমি কয়েকটা ওষুধ দিচ্ছি, ওগুলো চার ঘণ্টা অন্তর খাবার খাইয়ে ওঁকে খাওয়াবেন। আর আগামিকাল অবশ্যই সদর হাসপাতালে নিয়ে যাবেন পরীক্ষা করাতে।’

ডাক্তারবাবু ওষুধের নাম কাগজে লিখে নবকুমারের বাবাকে দিয়ে যখন বাইরে যাচ্ছেন, তখন নবকুমার ওঁর পাশে চলে এল—’ভয়ের কিছু নেই তো?’

‘আপাতত নেই।’ তাকালেন ডাক্তারবাবু—’তুমি নবকুমার, না?’

‘আজ্ঞে হ্যাঁ।’

‘ও। শুনেছি, তুমি এখন সিনেমায় নায়ক।’ ডাক্তারবাবু হাসলেন—’ওঁকে কলকাতায় নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করাও। হাজার হোক, মা তো!’

‘নিয়ে যাব বলেই ঠিক করেছি। আপনাকে কত দিতে হবে?’ পকেটে হাত দিল নবকুমার।

‘ওটা তোমার বাবা রিকশায় ওঠার আগেই দিয়ে দিয়েছেন।’

সমস্যা বেড়ে গেল। নবকুমার ভেবে পাচ্ছিল না তার কী করা উচিত। এই অবস্থায় কী করে সে কলকাতায় ফিরে যাবে? কে, কী বলবে, তা দূরের কথা, নিজেকে কী কৈফিয়ত দেবে?

প্রতিবেশিনীরা চলে গেলেন। যাওয়ার আগে আশ্বাস দিলেন, তাঁরাই আজকে যা রান্না হবে, তা পাঠিয়ে দেবেন। মাকে যেন রান্নাঘরে যেতে না দেওয়া হয়। বিছানায় মা বসেছিল ঠোঁট কামড়ে। অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিল বলে এখনও লজ্জায় ভালো করে তাকাতে পারছিল না। বাবা জিজ্ঞাসা করল—’কাল রাত্রে কিছু খাওনি?’

মাথা নাড়ল মা, যার অর্থ খেয়েছিল।

বাবা বলল, ‘আমি ওষুধ নিয়ে আসছি। তুমি কিছু খেয়ে ওষুধ খাবে। আজ একদম কোনও কাজ করবে না।’

মা নিজের গলায় বলল, ‘কাজ করবে না বললে কি হয়!’

‘মানে?’ বাবা একটু বিরক্ত।

‘খোকাকে একটু পরে কলকাতায় ফিরে যেতে হবে, ওর খাবার তো তুমি করবে না, আমাকেই করে দিতে হবে।’ মা হাসার চেষ্টা করল।

‘সে কী!’ বাবা তাকাল নবকুমারের দিকে—’তুই আজই ফিরে যাবি, একথা কাল বলিসনি তো! এরকম আসার কী দরকার ছিল!’

‘আমি কয়েকদিনের ছুটি নিয়ে এসেছিলাম। ভেবেছিলাম কাল বা পরশু মাকে চিকিৎসার জন্য কলকাতায় নিয়ে যাব। কিন্তু আজ সকালে কলকাতা থেকে জরুরি ফোন এসেছে। আমি যাদের সঙ্গে কাজ করছি, তাদের একটা অনুষ্ঠানে আমাকে থাকতে বলছে। ওটা নাকি খুব জরুরি।’ নবকুমার নীচুস্বরে বলল।

‘ও। আচ্ছা, তোর মায়ের যদি জ্ঞান আর না ফিরত, তা হলেও যেতে হত?’ বাবা যে তাকে আক্রমণ করছে, তা বুঝতে অসুবিধে হল না নবকুমারের।

‘ফোনে জানার পরে আমি মাকে চলে যাওয়ার কথা বলেছি। কিন্তু মা যে অজ্ঞান হয়ে যাবে, তা কল্পনাও করিনি। তাই এখন আর কলকাতায় যাওয়ার কোনও চিন্তা আমার মাথায় নেই।’ নবকুমার বলল।

‘যাক, এটুকু ভাবতে পেরেছিস শুনে ভালো লাগল।’ বাবা বলল, ‘আমি ওষুধ কিনে নিয়ে আসছি।’

বাবা বেরিয়ে গেলে নবকুমার মায়ের পাশে এসে বসল। কিছুক্ষণ পরে মা বলল, ‘আমি এখন ভালো আছি।’

‘তুমি কি প্রায়ই জ্ঞান হারাও?’ নবকুমার জিজ্ঞাসা করল।

‘না, না। কখনও এরকম হয়নি।’

‘তা হলে আজ হল কেন?’

‘কী জানি। হয়তো পেট খালি ছিল, তাই।’

‘খাওনি কেন?’

‘কী আশ্চর্য। এত প্রশ্ন কেন? কাল উপোস ছিল, তাই।’ মা হাসল—’শোন, আমি ঠিক থাকব। তুই তোর কাজকে অবহেলা করিস না।’

নবকুমার কথা বলল না।

মা আবার বলল, ‘আমি ভাতে-ভাত করে দিচ্ছি, তুই তাই খেয়ে কলকাতায় যা। যখন ছুটি পাবি, তখন আসবি।’

‘যে অনুষ্ঠান ওখানে হবে, তা আমি না গেলে বন্ধ হবে না। তুমি এসব নিয়ে ভেবো না। তোমাকে আজ রান্নাঘরে ঢুকতে হবে না।’

নবকুমার চলে এল নিজের ঘরে! সে সিদ্ধান্ত নিল আজ কলকাতায় ফিরবে না। কেউ ফোন করলে স্পষ্ট বলে দেবে, মাকে এই অবস্থায় রেখে তার পক্ষে যাওয়া সম্ভব নয়।

ওষুধ কিনে বাড়ি ফিরে বাবা তার নাম ধরে ডাকল। নবকুমার বেরিয়ে আসতেই বাবা বলল, ‘দই এনেছি, চিঁড়ে-দই-কলা খাবি?’

মাথা নেড়ে ‘হ্যাঁ’ বলল নবকুমার।

‘তুই এই ভাঁড় থেকে দুটো রসগোল্লা তোর মাকে খাইয়ে দে। তারপর আমি এসে ওষুধ খেতে দেব।’ বাবা মিষ্টির ভাঁড় হাতে ধরিয়ে দিয়ে রান্নাঘরের দিকে চলে গেল।

মিষ্টি দেখে মা তীব্র প্রতিবাদ করল। ওটা দেখেই নাকি তার গা গুলিয়ে উঠছে। কিছুতেই মিষ্টি খেতে পারবে না। মায়ের মুখের অভিব্যক্তি দেখে নবকুমারের মনে হল, জেদ করা ঠিক হবে না। সে হেসে বলল, ‘ঠিক আছে। তোমাকে মিষ্টি খেতে হবে না।’

রান্নাঘরে গিয়ে নবকুমার দেখল চিঁড়ে ভিজিয়ে দেওয়া হয়েছে। সে বলল, ‘মা মিষ্টি খেতে চাইছে না। তুমি একটা বাটিতে দই-চিঁড়ে দাও। মাকে খাইয়ে দেব।’

খাইয়ে দিতে হল না। বেশ খানিকটা মা নিজেই খেয়ে বলল, ‘আর পারছি না। তুই তো সকাল থেকে না খেয়ে আছিস। খেয়ে নে।’

বাবার পাশে বসে চিঁড়ে-দই খেয়ে নিল নবকুমার। মাকে ওষুধ খাইয়ে দিল বাবা। তারপর বলল, ‘খোকা, তুই স্নান করে নে।’

‘কেন?’

‘ট্রেন ধরতে হলে দেরি করা যাবে না।’

‘ট্রেন ধরব মানে?’

‘আমি ভেবে দেখলাম, তোর কলকাতায় ফিরে যাওয়া উচিত। খুব জরুরি না হলে সকাল সকাল তোকে ওরা ফোন করত না। আর এখন তো তোর মাকে ভালোই দেখাচ্ছে। ওষুধও তো খেল। তুই থাকলে তো কোনও চিকিৎসা করাতে পারবি না। বরং উলটো সমস্যা হবে।’ বাবা বলল।

‘সমস্যা!’ নবকুমার বাবার মতের পরিবর্তনে অবাক হচ্ছিল।

‘হ্যাঁ। বাজারে গিয়ে শুনলাম এখানকার ছেলেছোকরারা আজই তোকে নিয়ে অনুষ্ঠান করতে চাইছে। তোকে নাকি সংবর্ধনা জানাবে। তোর মায়ের শরীর খারাপ হয়েছে শুনলেও ওদের থামানো যাবে বলে মনে হয় না। এর চেয়ে তোর এখানে না-থাকাই ভালো। তুই চলে যা।’

‘কিন্তু…!’

‘না, কোনও কিন্তু নয়। আচ্ছা, তুই যেখানে থাকিস সেখানে তোর মায়ের থাকলে অসুবিধে হবে না তো?’ বাবা জিজ্ঞাসা করল।

‘একদম না। দুটো শোয়ার ঘর, খাওয়ার ঘর, রান্নাঘর…।’

‘ঠিক আছে। তোর মা ভালো থাকলে কাল সকালে ওকে নিয়ে আমি কলকাতায় যাব। ট্রেনে ওঠার সময়, সময়টা জানিয়ে দেব, তুই স্টেশনে আসবি। আমি কলকাতার পথঘাট ভালো চিনি না। তুই আজই ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলে রাখবি। আমি যা বলছি, তা তুই বুঝতে পারছিস তো?’

‘হ্যাঁ। খুব ভালো হবে এটা।’ খুশি হল নবকুমার।

‘তা হলে আর দেরি করিস না। যাওয়ার জন্য তৈরি হ।’

টেনে ভিড় ছিল। কিন্তু দুজন তরুণ নবকুমারকে জায়গা ছেড়ে দিল। নবকুমার আপত্তি করছিল, কিন্তু ওরা শুনল না। বলল, ‘আপনি আমাদের এলাকার গর্ব। আপনার ইন্টারভিউ পড়েছি। আপনার আগে আমাদের এলাকার কেউ সিনেমার নায়ক হয়নি। বসুন স্যার।’

এটাও খুব অস্বস্তিকর। সমস্ত কামরার যাত্রীদের চোখ এখন তার দিকে। কানে ভেসে আসছিল নানারকম মন্তব্য। নবকুমার জানলার পাশের সিটে বসে চোখ বন্ধ করল। সিনেমার নায়কদের কি সাধারণ মানুষ অন্য গ্রহের জীব বলে মনে করে? প্রাণকৃষ্ণদা বলেন, ‘গ্লামার যদি বাড়াতে চাও, তা হলে পাবলিক থেকে দূরে থেকো।’

কিন্তু সে তো এখনও মুক্তি পাওয়া কোনও ছবির নায়ক হিসেবে পরিচিত নয়। নিশ্চয়ই নতুন নায়ক হিসেবে তার ছবি কোনও কোনও কাগজে ছাপা হয়েছে। সেইজন্য এইরকম পরিস্থিতি তৈরি হলে প্রতিষ্ঠিত নায়কদের কী অবস্থা হয়, তা কল্পনা করতে পারছিল না নবকুমার।

চোখ বন্ধ করে বসে থাকায় কে, কী বলছে বা দেখছে, তা নিয়ে আর ভাবছিল না সে। আজ বাবার অন্য চেহারা দেখল সে। বাবা যে মাকে নিয়ে কাল কলকাতায় আসবে, তা ভাবনার বাইরে। যদিও মা আপত্তি করেছে। বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় কোনওরকম নিমরাজি করাতে পেরেছে, কিন্তু নবকুমারের মনে হয়েছে, মা বলতে হয় বলে বলেছে, এলে অখুশি হবে না।

‘হোটেল হিন্দুস্থান’-এ ঢোকার মুখে বড়বাবুর সঙ্গে দেখা হয়ে গেল। মন্দাক্রান্তা-র কিনে দেওয়া পোশাক পরে এসেছিল নবকুমার। দার্জিলিং-এ যা পরে আরাম হয়, তা কলকাতায় গায়ে রাখা মুশকিল। কিন্তু বড়বাবু হাসিমুখে বললেন, ‘বাহ, তোমাকে তো বেশ স্মার্ট দেখাচ্ছে। কবে কিনলে এই পোশাক?’

সত্যি কথা বলতে গিয়েও থমকে গেল নবকুমার।

‘আর কিনলেই যখন, তখন সামার স্যুট কিনতে পারতে। এটা তো বেশ কস্টলি। তাড়াতাড়ি এসিতে ঢুকে যাও, নইলে ঘামের ফোয়ারা ছুটবে। এসো।’

গীতিময় বলেছিলেন ভালো পোশাক পরে আসতে। দার্জিলিং-এর আউটডোরে যাওয়ার আগে মল-এর দোকান থেকে মন্দাক্রান্তা প্রায় জোর করে যা কিনে দিয়েছিলেন, তা-ই পরে এসেছে সে। এ ছাড়া তার কোনও ভালো পোশাক নেই। আজ সে ভেবেছে হাতে টাকা পেলেই কয়েকজোড়া ব্র্যান্ডেড শার্ট-প্যান্ট কিনে নেবে।

লিফটে চেপে ওপরে ওঠার সময় বড়বাবু জিজ্ঞাসা করলেন—’তুমি গ্রামে গিয়েছিলে। কী খবর ওখানকার?’

‘ভালো।’

‘একটু পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হতে হবে তোমাকে। তখন কয়েকটা কথা তোমাকে মনে রাখতে হবে। তুমি যে কখনও সোনাগাছিতে ছিলে, মানে থাকতে বাধ্য হয়েছিলে, তা ভুলেও বলবে না। কেউ যদি সোনাগাছির প্রসঙ্গ তোলে, তা হলে এমনভাবে হাসবে যে মনে হবে বানানো গল্প শুনছ। দ্বিতীয়ত, তোমার জন্য মন্দাক্রান্তা আমাকে অনুরোধ করেছিল নায়ক চরিত্রে নিতে, একথা বলার দরকার নেই। তুমি আমার যাত্রাদলে প্রম্পটারের চাকরি করতে, যেটা সত্যি, তখনই তোমাকে পছন্দ করেছিলাম। মনে থাকবে?’

‘হ্যাঁ।’

‘তুমি গ্র্যাজুয়েট। ইতিহাসে অনার্স করেছ। ঠিক আছে?’

‘আমি তো ইতিহাসে…!’

‘আঃ, তুমি কী পড়েছ, তা বলার দরকার নেই, তুমি ইতিহাসে অনার্স করেছ, এটাই বলবে।’

লিফটের দরজা খুলে যেতে হাসি হাসি মুখে বাইরে পরা রাখল বড়বাবু।

রাত সওয়া আটটায় সাংবাদিক সম্মেলন হয়ে গেল। তার আগে সিডির উদ্বোধন হয়েছে। গীতিময় প্রযোজকের পক্ষ থেকে সবাইকে ককটেলে আমন্ত্রণ জানালেন। তখন অনেকের মুখে হাসি ফুটল।

নবকুমারকে সাংবাদিক সম্মেলনে বেশি প্রশ্নের জবাব দিতে হয়নি। গীতিময় বেশির ভাগটা সামলে দিয়েছিলেন। কথা বলেছে ঊর্মিলা। নতুন নায়কের সঙ্গে কাজ করতে তাঁর কোনও অসুবিধে হয়নি। বড়বাবুর পাশে বসেছিলেন মন্দাক্রান্তা। দুজনেই ছিলেন চুপচাপ।

নবকুমার দেখছিল অনেকেই মদ্যপান করছেন। একজন সাংবাদিক মহিলা এগিয়ে এলেন তার সামনে—’আপনি নেবেন না?’

‘কী?’

‘ও মাই গড। আপনি ড্রিঙ্ক করেন না?’ মহিলা হাসলেন।

‘না।’

‘কেন?’

‘অভ্যেস নেই।’

‘আপনি একটা ওয়াইন নিতে পারেন।’

‘আমার ইচ্ছে নেই।’

‘আচ্ছা নবকুমার, বিদিশাকে এখানে দেখছি না কেন?’

‘আমি বলতে পারব না।’

‘কেন? শুনেছি দার্জিলিং-এর আউটডোরে আপনারা ঘনিষ্ঠ হয়েছিলেন।’

‘না তো! কোথায় শুনলেন?’

‘ফিল্ম লাইনের কোনও কথা চাপা থাকে না। আপনি নিশ্চয়ই কাউকে ভালোবাসেন! তিনি ফিল্মের, না ফিল্মের বাইরের?’

‘আমার এখনও সেই সুযোগ আসেনি।’

‘সত্যি?’

‘হ্যাঁ।’

‘আপনার মোবাইল নাম্বারটা পেতে পারি?’

ঠিক তখনই একজন সহকারী পরিচালক এসে বলল, ‘দাদা, আপনাকে গীতিময়দা ডাকছেন। খুব জরুরি।’

মাথা নেড়ে নবকুমার গীতিময়ের কাছে চলে এল। গীতিময় বললেন, ‘কী জিজ্ঞাসা করছিল তৃণা? খুব ভয়ংকর মেয়ে।’

‘উলটোপালটা কথা।’

‘সেটা বুঝেই তোমাকে ডেকেছি। মন্দাক্রান্তা বললেন, তুমি ইচ্ছে করলে বাড়ি ফিরে যেতে পারো। তুমি ওর সঙ্গে নীচে নেমে যাও। গাড়ি পৌঁছে দেবে।’ সহকারী পরিচালককে ইশারা করলেন গীতিময়।

নবকুমার মুখ ফিরিয়ে মন্দাক্রান্তা-র দিকে তাকাল। চোখাচোখি হতেই মন্দাক্রান্তা চোখ সরিয়ে নিলেন। নবকুমার লিফটের দিকে এগোল।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *