৭২. যোগেনের এমএলএগিরি : মন্ত্রীর সঙ্গে
সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে যোগেন এক চিঠিতে জানল যে ঐ এলাকার সাব-ইনস্পেক্টর পাশ করে দিলেও ইনস্পেক্টর আগৈলঝরা স্কুলের মডেল স্কুল হওয়ার প্রথম ধাপেই বাগড়া দিয়েছে। ক্লাশ ফোর পর্যন্ত খোলারও অনুমতি দেয়নি। এরকম একটা বাধা যে আসবে সেটা যোগেনের হিশেবে ছিল না। আর, অকুস্থলে না-থাকলে বোঝা যায় না—কার সঙ্গে কার কী সম্পর্কের জন্য কী ঘটছে। আগৈলঝরায় একটা হাই, উঁচু স্কুলকে নামিয়ে দেয়া হয়েছিল। আসলে তো উঠেই গিয়েছিল স্কুলটা। তার কারণও ছিল। এখন যদি লোকজন উদ্যোগ আয়োজন করে—তাতে কার ক্ষতি হতে পারে। যোগেন ব্যাপারটা বোঝার জন্য মনে-মনে হাসে–কোটা কঠিনতর জাতীয় কর্তব্য—জমিদারি ব্যবস্থার উচ্ছেদ না ভেগাই হালদার স্কুলের অনুমোদন? শিক্ষাবিভাগ তো হকশাহেবের নিজের দপ্তর। গিয়ে বললেই তো তৎক্ষণাৎ মঞ্জুর হয়ে যাবে, ভাল করে জানতেও চাইবেন না—ভেগাই হালদার স্কুলটা হাই স্কুল হইলে ক্ষতি হইব কেডার? ফলে কাজটা হবে না। ঢাকা ডিভিশনের স্কুল-ইনস্পেক্টর খান বাহাদুর আবদুল হাকিম। হকশাহেবের বিখ্যাত লেফটেনান্ট। তাঁর সঙ্গে হকশাহেবের এই বন্ধুত্বে হকশাহেবেরও স্বার্থ আছে, বরং খানবাহাদুরের হয়ত ততটা স্বার্থ নেই। মুসলিম লিগের সদর দুর্গ হচ্ছে ঢাকা। নবাব স্বয়ং, তার বার-না-বাইশ এমএলএ, গোটা কয়েক মন্ত্রী ফজলুল হক যাতে সরকার চালাতে না পারে আর সম্পূর্ণ একটি মুসলিম লিগের সরকার যাতে হয়, তার জন্য ঘুঁটি চালাচালি করেই যাচ্ছে। সেই ঘুঁটি চালাচালির মূল বন্দর হল ঢাকা। তারা চায়, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব হকশাহেবের সরকার ফেলে দিয়ে খাজা নাজিমুদ্দিনের সরকার করতে। খাজা তো আইনসভায় চলাফেরা করে প্রধানমন্ত্রীর চালে। মাসখানেক আগে লাটশাহেব, হকশাহেব আর খাজা একসঙ্গে ঢাকা গিয়েছিল—কনভোকেশন ছিল, আরো কিছু ছিল। আসল ব্যাপারটা ছিল অ্যানডারসনশাহেবের আসন্ন বিদায় উপলক্ষে সংবর্ধনা। সেখানে বেশ ঝামেলা পেকেছিল। হকশাহেব যে তাঁর শত্রুদের জায়গায় এসেছেন সেটা তাঁকে বেশ স্পষ্ট বুঝিয়ে দেয়া হচ্ছিল। পুলিশ-প্যারাডে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্যালুট নিলেন, গভর্নর ছিলেন প্রধান অতিথি আর হকশাহেবকে বানানো হয়েছিল প্রধান দর্শক। হকশাহেব যাতে প্যারেডে না যান, তেমন উশকানোর লোকও কিছু কম ছিল না। কিন্তু হকশাহেব সেসব পরামর্শ শোনেননি। কনভোকেশন বয়কট করেছিল হিন্দু ছাত্ররা। তাদের বক্তব্য ছিল—যে-মন্ত্রিসভা রাজবন্দীদের মুক্তি দেয় না, তাকে আবার মানপত্র কীসের? হিন্দু ছাত্রছাত্রীরাই ছিল বয়কটে কিন্তু বয়কটটার আসল নেতা ছিল বিপ্লবীরা, তাদের অনেকেই কমিউনিস্ট। খাজা-র লোকরাই নাকী তাদের এই বয়কটের বুদ্ধি দিয়েছিল। কনভোকেশনে প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রী হকশাহেব উপস্থিত, সুতরাং তাঁকেই এ-প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। মন্ত্রিসভার সকলেই এ-প্রশ্নটা এড়াতে চায়—বাংলার হিন্দু ভদ্রলোকরা এই প্রশ্নটাকেই প্রধান করে তুলেছেন। যা-হোক, হকশাহেব লাটশাহেবের সামনেই, যারা দেশের স্বাধীনতার জন্য ফাঁসি গিয়েছেন, দ্বীপান্তরে আছেন, জেল খাটছেন—তাঁদের সবাইকে অভিনন্দন জানান তাঁদের আত্মত্যাগের জন্য। সঙ্গে এ-কথাও বলেন, সবকিছুরই তো কতকগুলি ধাপ আছে। বন্দীমুক্তিরও তাই। ১৮০০ বন্দীর মধ্যে তেরশ বন্দীকে ছাড়া হয়েছে। আন্দামান থেকে এক ক্ষেপ বন্দীকে নিয়ে আসা হয়েছে। প্রত্যেক বন্দীর ‘কেস’ আলাদা করে বিচার হচ্ছে। তারপর হকশাহেব ছাত্রদের রাজনীতি করার বিরুদ্ধে এমন কিছু কটু ও কঠিন কথা বলেন—যা এমন কী মুসলমানদেরও কারো কারো ভালো লাগেনি আর যে-হিন্দুরা হকশাহেবের ভরসা তারাও ভেবে নিল হকশাহেবেরই ইচ্ছা না ছেলেদের ছাড়ানো।
এই অবস্থায় হকশাহেব সত্যি-সত্যি চেষ্টা করলেও আগৈলঝরা স্কুলের অনুমোদন দেয়াতে পারবেন না। কারণ, খান বাহাদুর আবদুল হাকিমের কোনো কারণ আছে। সে-কারণটা নিশ্চয়ই রাজনীতি নিয়েই, হকশাহবের স্বার্থে। আবার, নিশ্চয়ই খানবাহাদুর নিজেও কারণটার সঙ্গে জড়িত।
কলকাতায় বসে কি আর আন্দাজ করা যায় খাঁনবাহাদুরের নিজের কারণটা কী? আগৈলঝরাতে বসে বা গৌরনদীতে ঘুরে বুঝে ফেলতে হয় ও তার প্রতিকার করতে হয়। হকশাহেব বা খাঁনবাহাদুর যাঁরই নিজের কারণে আগৈলঝরা বাদ গেছে, তাঁদের সেই কারণটা খুঁজে বুঝে তার নিষ্পত্তি না করলে খাঁনবাহাদুর তাঁর অধীনস্থ সাব-ইনস্পেক্টরের রিপোর্ট ডিপিআই শাহেবকে পাঠাবেন না।
সমস্যাটা এরকম সাজিয়ে নেয়ার পর যোগেনের খারাপ লাগে না। মুরুব্বি-ধরা খেলায় সে অনিচ্ছুক তো নয়ই, বরং উলটো। নমশূদ্র কোনো ছেলের পক্ষে বা ছেলের বাবার পক্ষে মুরুব্বি ছাড়া চলে? চাষও চলে না, বাসও চলে না, পড়াশুনোও চলে না, এমন কী ইষ্টনাম জপাও চলে না। যোগেনের কি পড়াশুনো হত আশবাবুস্যার না থাকলে?
কিন্তু আগৈলঝরার মুরুব্বি কি কলকাতায় মেলে?
নানা নাম যোগেনের মনে এল কিন্তু কোনো একটা নামে সে ভরসা পাচ্ছিল না। হয় তাদের সমাজের কাউকে মনে পড়ে কিন্তু তারা সরকারের কাজের অলিগলি কি চেনে। তারা সামাজিক ব্যাপারেই সারা জীবন কাটিয়েছে। ইয়োরোপিয়ান কোনো মেম্বারের সঙ্গে তো তার আলাপই নেই। মুকুন্দবিহারী নিজেই তো মন্ত্রী, আগৈলঝরাও চেনে, যোগেনকেও জানে। পারলেও করবে না। যোগেন নেতা হোক, এটা উনি চান না। পিআর ঠাকুর ছাড়া অন্য কোনো নামে সে ঠেকল না। ঠাকুরের ঠাকুরদাদা মারা গেছে— তাকে আর আইনসভায় পাবে কবে? ঠাকুর কি অফিসারদের সঙ্গে চেনাশুনো করে নিতে পেরেছে?
আইনসভার লবিতে একদিন শরৎ বোসকে দেখে যোগেন উঠে গটগট করে তার কাছে গিয়ে বলল, ‘আমাদের ওখানকার একটা স্কুলের রেকগনিশন এডডু আটকাইয়া গিছে—’
‘আপনারই এলাকার স্কুল? আপনারই এলাকার?’
‘হ্যাঁ। যদিও সেটা বড় কথা নয়।’
‘সেটাই তো সবচেয়ে বড় কথা। আপনার এলাকার স্কুল। আপনি রিকমেন্ড করছেন। এর চাইতে বড় কথা কী।’
‘আমাদের তো গ্রাম। সেখানে আমার এমন ক্ষমতা দেখানো মানায় না। গুরুজনদেরও ভাল লাইগবে না। বন্ধুরাও পছন্দ কইরবে না।’
‘আপনাকে ভোট দিয়ে পাঠাল ক্ষমতা দেখাতে আর ক্ষমতা দেখালে গুরুজনরা রাগ করবেন? এই সবই তো আমাদের ব্যাকওয়ার্ড করে রেখেছে। আপনি জিরো আওয়ারে কথাটা তুলুন তো, আমি ফুল সাপোর্ট দেব। তুলুন। এগুলো সব লোক্যাল অফিসারদের শয়তানি। আরে, আপনি হকশাহেবকে বলুন-না। এডুকেশনও ওর, বরিশালও ওর।’
‘আমি আপ্নাকে ঠিক কনভে কইরতে পারছি না। মানে, লাস্ট জুলাইয়ের রিসেসে আমিই লোকজন জড়ো কইর্যা লোক্যাল স্কুলডার উন্নতির চেষ্টা নেই। স্কুলডা হাইস্কুলই ছিল। কয়েকবছর আগে ইউনিভার্সিটি হাইস্কুলের অ্যাফিলিয়েশন কাইট্যা সিক্স কইর্যা দেয়। সব ঠিকঠাক হইয়া গেল, টাকা উঠল, জমিও পাওয়া গেল, সাব-ইনস্পেক্টরের রিপোর্টও ভাল, কিন্তু ডিভিশন্যাল ইনস্পেক্টর সেডা আর ডিপিআইকে পাঠায় না।’
‘ডিভিশন্যাল ইনস্পেক্টর হিন্দু না মুসলমান?’
‘খাঁনবাহাদুর আবদুল হাকিম।’
‘আর সাব-ইনস্পেক্টর?’
‘ডাক্তার জ্যোতিষচন্দ্র সেন।’
‘কীসের ডাক্তার?’
‘সেটা আমি ঠিক জানি না-হয়ত হোমিওপ্যাথি।’
‘মিস্টার মণ্ডল, ঝামেলাটা তো শিকড়ে। খানবাহাদুর ইনস্পেক্টর কি বদ্যি সাব-ইনস্পেক্টরের সুপারিশ পাঠাতে পারে ডিপিআইকে?’
‘তাই? আমরা তো উলটা হিশাব দেহি যে শিডিউল কোটা কাস্ট হিন্দু অফিসাররা মানতেছেন না। আমি আরো কিছু খবর পাওয়ার পর অ্যাসেম্বলিতে তুলব।’
‘পালটাপালটি না-হলে আর খাঁনবাহাদুরের কমিউন্যালিজম আসবে কোত্থেকে! আপনি একটা কাজ করুন। আমি শ্যামাপ্রসাদকে ফোনে বলে রাখব। আপনি আমার কাছে জেনে নেবেন। আর নলিনীদা, নলিনী সরকার, ওঁর সঙ্গে একটা দিন ঠিক করে নিয়ে রাইটার্সে গিয়ে সবটা জানান। যদি বলেন, আমি নলিনীদাকেও ফোন করে আপনার জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট চাইতে পারি। তাতে কি সুবিধে হবে আপনার?’
‘না, না, অ্যাপয়েন্টমেন্ট চালে উনি দিবেন না কেন। কিন্তু ইউনিভার্সিটিতে তো আমি পারসোনা নন গ্রাটা। রেফারেন্স না থাকলে ভাইস-চ্যান্সেলার আমার সঙ্গে দেখা করবেন ক্যান?’
‘সেটাই তো কথা। তবে আপনি নিজেকে যতটা অপরিচিত ভাবছেন, ততটা কিন্তু সত্য নয়। আর সেটা হয়েছে কোনো রেফারেন্সের জোরে না, আপনার যোগ্যতার জোরে।’
যোগেন আর দেরি করেনি। সেদিনই নলিনী সরকার ঢুকে তার চেয়ারে বসা মাত্র, যোগেন তার পেছনে গিয়ে দাঁড়ায়, ‘মিস্টার সরকার, আমাকে একটা অ্যাপয়েন্টমেন্ট দিতে হবে। রাইটার্সে।’
নলিনী সরকার সেই ভুরু-পাকানো অসন্তুষ্ট চোখেই বলেন, ‘যেদিন ইচ্ছে আসুন। এখানে বলা যায় না? রাইটার্স পর্যন্ত যেতে হবে?’
যোগেন ঠিক বুঝে উঠতে পারে না, কোথায় তার কথা বলার সুবিধে। কিন্তু নলিনী সরকার বুঝে নেন, ‘কালই আসুন-না। আফটার দেড়টা। ফার্স্ট আওয়ারে অফিসারদের ভিড় থাকে। কালই।’
পরদিন সকালে যোগেন ভাবে, নলিনীবাবুর সঙ্গে কাজ আর কতক্ষণ, যাচ্ছেই যখন রাইটার্সে হোম বা ল্যান্ড-রেভিনিউ সেক্রেটারির সঙ্গেও দেখা করে আসবে। বেঙ্গল টেনান্সি অ্যাক্ট বুঝতে তার কিছু তথ্য দরকার। সেগুলি তো রেভিনিউ সেক্রেটারির কাছেই পাওয়া উচিত। কিন্তু তার ওকালতি বুদ্ধিতে সে আন্দাজ করল— টেন্যান্সি অ্যাক্টের সংশোধন যে-কারণে জরুরি হয়ে উঠেছে সেই কারণগুলি রেভিনিউ সেক্রেটারির কাছে পাওয়া যাবে না, বরং হোম তার প্রশ্নগুলির উদ্দেশ্য, ইচ্ছে করলে, ধরতে পারবে বেশি। বা, হয়ত কোথাওই পাওয়া যাবে না।
ফোন ধরল হোমের পিএ। যোগেন নিজের পরিচয় দিল, ‘বাখরগঞ্জের জেনারেল সিটের এমএলএ’, সেদিনই বেলা দুটো নাগাদ হোম সেক্রেটারির সঙ্গে দেখা করতে চায়। ‘এক মিনিট স্যার,’ বলে একটু পরেই জানাল, হ্যাঁ, আসুন স্যার, ঐ দুটোতে।’
রাইটার্সে এর আগে কখনো আসেনি যোগেন। ফলে পৌঁছে দেখে দেড়টা বাজতে তখনো মিনিট বিশেক বাকি। এক পুলিশ অফিসারই অপেক্ষার ঘর দেখিয়ে দিল। ঠিক সময়ে এসে বলল, ‘স্যার, অনারেল মিনিস্টার অব ফাইন্যান্সের সঙ্গে আপনার দেড়টায় দেখা করার কথা, স্যার, আসুন।’ যোগেন দাঁড়ালে সেই অফিসারই তাকে ছোট একটা লিফটের সামনে নিয়ে গিয়ে দরজা খুলে, লিফটম্যানকে কিছু বলল। এর আগে যোগেন কখনো লিফটে চাপেনি, কিন্তু লিফ্ট দেখেছে। সে একটু নার্ভাস হয়ে ভাবে—নলিনীবাবু কোন্ তলায় তাও তো জেনে নেয়নি। আর, থামতে না-বললে লিফ্ট তো উঠতেই থাকবে। সে একটা আঙুল তুলে বলে, ‘মিনিস্টার অব ফাইন্যাস—।’
লিফটম্যান লিফ্ট থামিয়ে, ‘আ গয়া জি’ বলে দুটো দরজা খুলে, নিজে আগে বেরিয়ে, যোগেনকেও আসতে আমন্ত্রণ করে। লিফট থেকে বেরিয়ে বাঁয়ে একটা বাঁক নিতেই লিফ্টম্যান, তারই মত একজনের হাতে যোগেনকে সঙ্গে দিয়ে, ‘এফএম, এফএম’ বলে একটা স্যালুট দিয়ে দৌড়ে, লিফটেই বোধহয়, ফিরে গেল।
নলিনীবাবু বললেন, ‘কোনো অসুবিধে হয়নি তো!’
‘অসুবিধে হওয়ার তো কোনো ব্যবস্থাই রাখেননি।’ আগৈলঝরা স্কুলের ঘটনাটা শুনে ভুরু কুঁচকে নিজের মনে কিছু বললেন।
তারপর বললেন, ‘আচ্ছা, যোগেনবাবু, বাঘ বেশি মানুষ মারে না মশা বেশি মানুষ মারে।’ যোগেন চুপ করে থেকে জিজ্ঞাসা করে, ‘আপনি ডকুমেন্টস কিছু দেখবেন!’
‘কীসের? ঐ স্কুলের? আপনার কথা কি যথেষ্ট নয়? আমি ভেবেছি আপনার কোনো পার্সোন্যাল ম্যাটার। আমার কাছে কেউ এমন পাবলিক ম্যাটার নিয়ে আসে না। বোধহয় ডিপার্টমেন্টে যায়। আপনাকে বলা থাকল—যে-কোনো দরকারে আপনি সোজা আমার কাছে চলে আসবেন। স্কুলের ব্যাপারটি নিয়ে ভাববেন না—অ্যাসেম্বলিতে আপনাকে জানিয়ে দেব। রাইটার্সে কি আর-কোনো কাজ আছে?’ হোম-সেক্রেটারির সঙ্গে দেখা করার কথা শুনে কাউকে ডেকে যোগেনকে পৌঁছে দিতে বললেন।
