3 of 4

১১৫. মাংসবিশেষ ভক্ষণের দোষতারতম্য

১১৫তম অধ্যায়

মাংসবিশেষ ভক্ষণের দোষতারতম্য

যুধিষ্ঠির কহিলেন, “পিতামহ! আপনি ইতিবারংবার অহিংসাকে পরমধর্ম্ম এবং শ্রাদ্ধকালে পিতৃলোকের উদ্দেশে বিবিধ মাংস প্রদান করা কর্ত্তব্য-কৰ্ম্ম বলিয়া কীৰ্ত্তন করিয়াছেন; কিন্তু হিংসা না করিলে মাংস লাভ হওয়া নিতান্ত অসম্ভব; সুতরাং শ্রাদ্ধে কিরূপে মাংস প্রদান করা যাইতে পারে? এক্ষণে এই পরস্পরবিরুদ্ধ ধর্ম্মে আমার অত্যন্ত সংশয় উপস্থিত হইতেছে; অতএব আপনি ঐ সংশয় ছেদন এবং মাংসভক্ষণ করিলে কি দোষ, ভক্ষণ না করিলে কি গুণ, আর ভক্ষণার্থ স্বয়ং পশুবিনাশ, অন্যকর্ত্তৃক নিহত পশুর মাংসভোজন, অন্যের ভোজনার্থ বিনাশ ও ক্রয় করিয়া মাংস ভক্ষণ করিলে কিরূপ ফললাভ হয়, তাহা শ্রবণ করিতে আমার একান্ত অভিলাষ হইতেছে; অতএব আপনি সবিস্তর কীৰ্ত্তন করুন।”

ভীষ্ম কহিলেন, “ধৰ্ম্মরাজ! মাংসভক্ষণ না করিলে যেরূপ ফললাভ হয়, তাহা সর্ব্বাগ্রে কীৰ্ত্তন করিতেছি, শ্রবণ কর। যে সমুদয় মহাত্মা রূপবান, অবিকলাঙ্গ, দীর্ঘায়ু, বলশালী ও স্মরণশক্তিসম্পন্ন হইতে বাসনা করেন, তাঁহাদিগের হিংসা পরিত্যাগ করা নিতান্ত আবশ্যক। মহর্ষিগণ কহিয়াছেন, যতব্রত হইয়া প্রতিমাসে অশ্বমেধযজ্ঞের অনুষ্ঠান করিলে যে ফল হয়, মধুমাংস পরিত্যাগ করিলে সেই ফললাভ হইয়া থাকে। সপ্তর্ষিমণ্ডল এবং বালখিল্য ও মরীচিপ মহর্ষিগণ মাংস পরিত্যাগের ভূরি ভূরি প্রশংসা করিয়া থাকেন। স্বায়ম্ভূব মনু কহিয়া গিয়াছেন যে, যে ব্যক্তি পশুহিংসা ও মাংসভোজনে পরাঙ্মুখ হয়, তাহাকে সৰ্ব্বভূতের মিত্র বলিয়া নির্দ্দেশ করা যাইতে পারে। যে ব্যক্তি মাংসভোজন না করে, সে সৰ্ব্বভূতের অধৃষ্য, সৰ্ব্বজন্তু-বিশ্বাসপাত্র ও সাধুদিগের সম্মানভাজন হয়।

‘তপোধনাগ্রগণ্য দেবর্ষি নারদ কহিয়াছেন, যে ব্যক্তি পরমাংসদ্বারা স্বীয় মাংস বর্দ্ধিত করিতে ইচ্ছা করে, তাহাকে নিশ্চয়ই প্রতিনিয়ত ক্লেশ ভোগ করিতে হয়। ভগবান্ বৃহস্পতি কহিয়াছেন, লোকে মাংসভোজনে বিরত হইলে অনায়াসে দাতা, যজ্ঞশীল ও তপস্বী হইতে পারে। যে ব্যক্তি শত বৎসর প্রতিমাসে অশ্বমেধযজ্ঞের অনুষ্ঠান করেন, মাংসভোজনপরাঙ্মুখ ব্যক্তি তাঁহার তুল্য বলিয়া পরিগণিত হয়। যে ব্যক্তি মধুপান ও মাংসভোজনে বিরত হয়, সে অনায়াসে যজ্ঞানুষ্ঠান, দান ও তপশ্চরণ করিতে পারে। মনুষ্য প্রথমে মাংসভোজন করিয়া, পরিশেষে উহা পরিত্যাগ করিলে যেরূপ ধর্ম্মলাভ করিতে পারে, বেদাধ্যয়ন ও সমুদয় যজ্ঞের অনুষ্ঠান করিলেও তাহার সেইরূপ ধর্ম্মলাভের সম্ভাবনা নাই। যাহার মাংসের আস্বাদগ্রহণ হইয়াছে, তাহার পক্ষে মাংস পরিত্যাগরূপ পবিত্র ব্রতের অনুষ্ঠান নিতান্ত দুষ্কর। যে মহাত্মা সংসার পরিত্যাগপূৰ্ব্বক সমুদয় প্রাণীকে অভয় প্রদান করেন, তাঁহাকে প্রাণদাতা বলিয়া নির্দ্দেশ করা যায়, সন্দেহ নাই। মনীষিগণ এই অহিংসারূপ পরমধৰ্ম্মেরই নিয়ত প্রশংসা করিয়া থাকেন।

“মনুষ্যমাত্রেরই আত্মপ্রাণের ন্যায় অন্যান্য প্রাণীর প্রাণকে প্রিয়বস্তু বলিয়া জ্ঞান করা কর্ত্তব্য। যখন সিদ্ধিলাভাকাঙ্ক্ষী জ্ঞানীদিগেরও মৃত্যুভয় বিদ্যমান রহিয়াছে, তখন মাংসোপজীবী দুরাত্মাগণকর্ত্তৃক নিপীড়িত অজ্ঞ জন্তুগণ যে মৃত্যু হইতে ভীত হইবে, তাহার বিচিত্র কি? মাংসভোজনপরিত্যাগ ধৰ্ম্ম, স্বর্গ ও সুখের মূলীভূত কারণ; অতএব অহিংসাকেই পরমধৰ্ম্ম, উৎকৃষ্ট তপস্যা ও সত্যস্বরূপ বলিয়া নির্দ্দেশ করা যাইতে পারে। প্রাণীবধ ভিন্ন তৃণ, কাষ্ঠ বা প্রস্তরখণ্ড হইতে মাংসলাভের সম্ভাবনা নাই, সেই নিমিত্ত মাংসভোজন নিতান্ত দূষণীয় হইয়াছে।

“স্বধা, স্বাহা ও অমৃতভোজী দেবগণ সৰ্ব্বদা সত্য ও সরলতা আশ্রয় করিয়া থাকেন। তাঁহারা কদাচ হিংসায় প্রবৃত্ত হয়েন না। যাহারা রসনাকে তৃপ্ত করিতে পারিলেই চরিতার্থ জ্ঞান করে, তাহাদিগকে রজোগুণের আধার রাক্ষস বলিয়া নির্দ্দেশ করা যায়। যে ব্যক্তি মাংসভোজনে পরাঙ্মুখ হয়েন, তাহাকে কোনকালেই দুর্গম অরণ্য, দুর্গ বা চত্বরে অথবা উদ্যতশস্ত্র ব্যক্তি বা সর্প প্রভৃতি হিংস্র জন্তুর নিকট ভীত হইতে হয় না। তিনি সর্ব্বদাই সৰ্ব্বভূতের শরণ্য, বিশ্বাসপাত্র ও শান্তিজনক হইয়া নিরুদ্বেগে কালহরণ করিতে সমর্থ হয়েন। যদি ইহলোকে কেহই মাংসভোজী না হয়, তাহা হইলে পশুহত্যা এককালে তিরোহিত হইতে পারে। ঘাতকেরা কেবল মাংসভোজীর নিমিত্তই জীবহত্যা করিয়া থাকে, যদি মাংসভোজন না থাকে, তাহা হইলে ঘাতকেরা কখনই হত্যারূপ পাপকার্য্যে নিরত হয় না।

“যাহারা হিংসাবৃত্তি আশ্রয় করে, তাহাদিগের আয়ুঃক্ষয় হয়; অতএব মাংসভোজন পরিত্যাগ করা হিতাকাঙ্ক্ষী মানবগণের অবশ্য কর্ত্তব্য। হিংস্ৰজন্তুসদৃশ উদ্বেগজনক মাংসাশিগণ পরলোকে কিছুতেই পরিত্রাণ লাভে সমর্থ হয় না। লোভ, বুদ্ধিমোহ বলবীর্য্যলাভ অথবা পাপাত্মাদিগের সংসর্গবশতঃ মনুষ্যদিগের পাপকার্য্যে প্রবৃত্তি জন্মে। যে ব্যক্তি পরমাংসদ্বারা স্বীয় মাংস পরিবর্দ্ধিত করিতে ইচ্ছা করে, তাহাকে সকল জন্মেই উদ্বিগ্নচিত্তে কালহরণ করিতে হয়। যতব্ৰত মহর্ষিগণ মাংস-পরিত্যাগকেই যশ, আয়ু ও স্বর্গলাভের প্রধান উপায় বলিয়া নির্দ্দেশ করিয়া থাকেন।

“পূর্ব্বে আমি মহর্ষি মার্কণ্ডেয়ের নিকট মাংসভোজনের যে সমুদয় দোষ শ্রবণ করিয়াছিলাম, এক্ষণে তাহা কীৰ্ত্তন করিতেছি, শ্রবণ কর। যে ব্যক্তি স্বয়ং মৃত বা অন্যকর্ত্তৃক নিপাতিত প্রাণীগণের মাংসভোজন করে, তাহাকে হত্যাকারী ব্যক্তির তুল্য ফলভোগ করিতে হয়। যে ব্যক্তি কোন জন্তুকে সংহার করিবার নিমিত্ত ক্রয় করে, যে ব্যক্তি উহাকে সংহার করে এবং যে ব্যক্তি উহার মাংসভোজন করে, তাহাদের তিনজনকেই হত্যাজনিত মহাপাপে লিপ্ত হইতে হয়। পণ্ডিতেরা এইরূপে তিন প্রকার হত্যা নিরূপণ করিয়া গিয়াছেন। যে ব্যক্তি স্বয়ং মাংসভোজনে বিরত হইয়াও অন্যকে তদ্বিষয়ে অনুজ্ঞা করে, তাহাকেও বধভাগী হইতে হয়, সন্দেহ নাই। ফলতঃ যিনি মাংসভোজনে পরাঙ্মুখ ও প্রাণীগণের প্রতি দয়াবান হয়েন, তিনি দীর্ঘায়ু, রোগবিহীন ও সৰ্ব্বভূতের অধৃষ্য হইয়া পরমসুখে কালহরণ করিতে পারেন।

“মাংসভক্ষণ না করিলে হিরণ্যদান, গোদান ও ভূমিদান অপেক্ষা অধিকতর ধর্ম্মলাভ হয়। যে জন বিধিবিবর্জ্জিত অপ্রোক্ষিত বৃথামাংস ভোজন-করে, তাহাকে নিশ্চয়ই নিরয়গামী হইতে হয়। যে জন ব্রাহ্মণের অনুমতি অনুসারে প্রোক্ষিত[যজ্ঞাদিতে উৎসর্গীকৃত]মাংস ভোজন করেন, তাহার অতি অল্পমাত্র দোষ জন্মে। পশুঘাতক অন্যের ভোজনার্থ পশুহিংসা করিলে তাহাকে যাদৃশ ঘোরতর পাপে লিপ্ত হইতে হয়, ভোক্তাকে তাদৃশ পাপভাগী হইতে হয় না। যে মাংসাশী দেবপূজা বা যজ্ঞাদির ব্যপদেশে পশুবিনাশ করে, তাহাকে নিশ্চয়ই নিরয়গামী হইতে হয়। প্রথমতঃ মাংসভোজনে নিরত থাকিয়া পরিণামে তাহা পরিত্যাগ করিলে বিপুল ধর্ম্মলাভ হইয়া থাকে। যাহারা হত্যা করিবার নিমিত্ত পশু আহরণ, পশুবিনাশে অনুমতি প্রদান, স্বয়ং বিনাশ, ক্রয়, পাক ও ভোজন করে, তাহারা সকলেই ঘাতকের তুল্য পাতকে লিপ্ত হয়।

“এক্ষণে অন্য এক ঋষিগণসমাদৃত বেদসম্মত পুরাণপ্রমাণ কীৰ্ত্তন করিতেছি, শ্রবণ কর। প্রবৃত্তিলক্ষণ ধৰ্ম্ম কেবল গৃহীদিগের পক্ষেই বিহিত হইয়াছে, কিন্তু মোক্ষার্থীদিগের পক্ষে কখনই উহা ধৰ্ম্ম বলিয়া নির্দ্দিষ্ট হইতে পারে না। মহাত্মা মনু কহিয়াছেন যে, যে মাংস মন্ত্রপূত ও প্রেক্ষিত করিয়া পিতৃযজ্ঞাদিতে প্রদান করা হয়, তাহাই পবিত্র ও ভক্ষ্য এবং তদ্ব্যতীত সমুদয় মাংসই বৃথামাংস ও অভক্ষ্য বলিয়া স্বভিহিত হইয়া থাকে। রাক্ষসের ন্যায় বৃথামাংস ভক্ষণ করিলে কখনই স্বর্গ বা যশোলাভ হয় না। অতএব অনুষ্ঠানবিহীন অপ্রোক্ষিত বৃথামাংস ভোজন করা কদাপি বিধেয় নহে। যে জন আপনার ইষ্টকামনা করে, মাংসভক্ষণে বিরত হওয়াই তাহার শ্রেয়ঃ।

“পূৰ্ব্বকালে যাজ্ঞিকগণ পুণ্যলোকলাভে অভিলাষী হইয়া ব্রীহিসমুদয়কে পশুরূপে কল্পিত করিয়া তদ্দ্বারা যজ্ঞকার্য্যের অনুষ্ঠান করিতেন। ঐ সময় একদা ঋষিগণ মাংসভক্ষণবিষয়ে সংশয়াবিষ্ট হইয়া চেদিরাজ বসুর নিকট গমনপূর্ব্বক মাংস অভ্যক্ষ কিনা, এই প্রশ্ন করিলে তিনি অভক্ষ্য মাংসকে ভক্ষ্য বলিয়া নির্দ্দেশ করিয়াছিলেন। সেই অপরাধের জন্য তাহাকে স্বর্গচ্যুত হইয়া ধরাতলে আগমন এবং ধরাতলে আগমনপূৰ্ব্বক পুনরায় মাংসকে ভক্ষ্য বলিয়া নির্দ্দেশ করিতে পাতালতলে প্রবেশ করিতে হয়। পূৰ্ব্বে মহর্ষি অগস্ত্য প্রজাদিগের হিতসাধনার্থ একেবারে আরণ্য পশুসমুদয় প্রোক্ষিত করিয়াছিলেন, এই নিমিত্ত অদ্যাপি দেবতা ও পিতৃগণের উদ্দেশ্যে আরণ্য পশুর মাংস প্রদান করিবার পূৰ্ব্বে উহা প্রোক্ষিত করিতে হয় না।

“মাংসভক্ষণ না করিলে সমুদয় সুখ উৎপন্ন হইয়া থাকে। আমার মতে যে ব্যক্তি পরিপূর্ণ একশত বৎসর ঘোরতর তপস্যার অনুষ্ঠান করে, মাংসভোজনপরাঙ্মুখ ব্যক্তি তাহার তুল্য ফললাভ করিয়া থাকে। কার্ত্তিকমাসের শুক্লপক্ষে মধু ও মাংস পরিত্যাগ করা অতি উৎকৃষ্ট ধৰ্ম্ম। যে ব্যক্তি বর্ষাকালীন চারি মাস মাংস পরিত্যাগ করে, তাহার দীর্ঘ আয়ু, কীর্ত্তি, বল ও যশোলাভ হইয়া থাকে। যে ব্যক্তি সমুদয় কার্ত্তিকমাস মাংসভোজন না করে, তাহার দুঃখের লেশমাত্রও থাকে না। যাহারা সমুদয় কার্ত্তিকমাস বা কার্ত্তিকমাসের এক পক্ষ মাংসভক্ষণে নিবৃত্ত ও হিংসায় বিরত হয়, তাহারা পরিণামে ব্রহ্মলোকে স্থানলাভ করে।

“পূৰ্ব্বে তত্ত্বদর্শী মহাত্মা নাভাগ, অম্বরীষ, গয়, আয়ু, অনরণ্য, দিলীপ, রঘু, পুরু, কার্ত্তবীর্য্য, অনুরুদ্ধ, নহুষ, যযাতি, নৃগ, বিশ্বকসেন, শশবিন্দু, যুবনাশ্ব, শিবি, মুচুকুন্দ, মান্ধাতা, হরিশ্চন্দ্র, শ্বনচিত্র, সোমক, বৃক, রেবত, রন্তিদেব, বসু, সৃঞ্জয়, কৃপ, ভরত, দুষ্মন্ত, করুষ, রাম, অলক, নল, বিরূপাশ্ব, নিমি, জনক, ঐল, পৃথু, বীরসেন, ইক্ষ্বাকু, শম্ভু, শ্বেত, সগর, অজ, ধুন্ধু, সুবাহু, হর্য্যশ্ব ও ক্ষুপ প্রভৃতি নরপতিগণের মধ্যে কেহ কেহ সমুদয় কার্ত্তিকমাস ও কেহ কেহ ঐ মাসের শুক্লপক্ষে মাংস পরিত্যাগ করিয়াছিলেন বলিয়া তাঁহাদিগের সকলেরই উৎকৃষ্ট গতি লাভ হইয়াছে। তাঁহারা সহস্র কামিনী ও গন্ধৰ্ব্বগণে পরিবেষ্টিত হইয়া পরমসুখে ব্রহ্মলোকে অবস্থান করিতেছেন।

“যে মহাত্মারা এই অতি উৎকৃষ্ট অহিংসধর্ম্মের অনুষ্ঠান করেন, তাঁহারা অনায়াসেই স্বর্গলোকে অবস্থান করিতে সমর্থ হয়েন। যে সকল মহাত্মা আজন্ম মধু, মাংস ও মদ্য পরিত্যাগ করেন, তাঁহারাই মুনি বলিয়া পরিগণিত হয়েন। যাঁহারা এই অহিংসধর্ম্মের অনুষ্ঠান, শ্রবণ, অধ্যয়ন বা অন্যের কর্ণগোচর করেন, তাঁহারা দুরাচার হইলেও তাঁহাদিগের সমুদয় পাপবিনাশ ও জ্ঞাতিমধ্যে প্রাধান্য লাভ হয়। এই অহিংসধর্ম্ম প্রভাবে বিপদগ্রস্ত ব্যক্তি বিপদ হইতে উদ্ধত, বদ্ধ ব্যক্তি বন্ধন হইতে মুক্ত, রোগী রোগশূন্য এবং দুঃখিত ব্যক্তির দুঃখ দূরীভূত হইয়া থাকে। যাহারা এই ধর্ম্মের আশ্রয় গ্রহণ করে, তাহাদিগকে কখনই তির্য্যগযোনি লাভ করিতে হয় না, প্রত্যুত তাহাদিগের বিপুল অর্থ ও কীৰ্ত্তিলাভ হয়।

“হে ধৰ্ম্মরাজ! এই আমি তোমার নিকট মহর্ষিকথিত মাংসভক্ষণ ও মাংসপরিত্যাগের ফল কীৰ্ত্তন করিলাম।”

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *