3 of 4

১১০. নক্ষত্রযোগঘটিত মাস-ব্ৰতাদি

১১০তম অধ্যায়

নক্ষত্রযোগঘটিত মাস-ব্ৰতাদি

যুধিষ্ঠির কহিলেন, “পিতামহ! বিজ্ঞান, রূপ, সৌভাগ্য ও প্রিয়তা কিরূপে লাভ হয় এবং অর্থ ও কামসম্পন্ন হইয়া কি প্রকারেই বা সুখভোগী হইতে পারা যায়, আপনি তাহা কীর্ত্তন করুন।”

ভীষ্ম কহিলেন, “ধৰ্ম্মরাজ! অগ্রহায়ণমাসে মূলানক্ষত্রের সহিত চন্দ্রের যোগ হইলে চান্দ্ৰব্ৰত অনুষ্ঠান করা কর্ত্তব্য। তৎকালে মূলানক্ষত্র চন্দ্রের চরণ, রোহিণী জঙ্ঘা, অশ্বিনী জঙ্ঘার ঊর্দ্ধভাগ, আষাঢ়া [পূর্ব্বাষাঢ়া ও উত্তরাষাঢ়া] নক্ষত্রয় ঊরুযুগল, ফাল্গুনী গুহ্য, কৃত্তিকা কটি, ভাদ্রপদ নাভি, রেবতী অক্ষিগোলক, ধনিষ্ঠা পৃষ্ঠ, অনুরাধা উদর, বিশাখানক্ষত্র বাহুযুগল, হস্তা হস্ত, পুনৰ্ব্বসু অঙ্গুলি, অশ্লেষা নখ, জ্যেষ্ঠা গ্রীবা, শ্রবণা কর্ণ, পুষ্যা মুখ, স্বাতী দন্ত ও ওষ্ঠ, শতভিষা হাস্য, মঘা নাসিকা, মৃগশিরা চক্ষু, চিত্রা ললাট, ভরণী মস্তক ও আদ্রা কেশনিচয়রূপে কল্পনা করিয়া তাঁহাকে পূজা করিবে। পূজা সমাপ্ত হইলে বেদপারগ ব্রাহ্মণকে ঘৃত প্রদান করা কর্ত্তব্য। যিনি এই চান্দ্রব্রত প্রতিপালন করেন, তিনি সুন্দর, জ্ঞানবান ও সৌভাগ্যশালী হয়েন এবং পূর্ণিমার চন্দ্রের ন্যায় তাঁহার অঙ্গপ্রত্যঙ্গ পরিপূর্ণ হইয়া থাকে।”

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *