1 of 2

ফলতা থেকে পলাশি – ১৫

১৫

পূর্ণিয়া ফতেজঙ্গ করে মুর্শিদাবাদে ফিরে চলেছেন সিরাজদ্দৌলা। সেনাছাউনি পড়েছে রাজমহলে। আপাতত দিনকয়েক এখানে আয়েস করবেন নবাব। তারপরে রাজধানীতে ফিরবেন। পাহাড়, নদী, সবুজে ঘেরা রাজমহল সিরাজের খুব প্রিয় জায়গা। এখানেই তাঁর পয়দায়িস। ১৭৩৩ সালে পাটনার ডেপুটি সুবাদারের ইজফা পেয়ে সপরিবারে আলিবর্দি যখন কাজে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন, তখন পথে আলিবর্দির ছোট মেয়ে আমিনা বেগমের গর্ভে সিরাজের জন্ম হয় এই রাজমহলে।

ভোরের আলো ফুটেছে খানিকক্ষণ আগে। রাজমহলের কুয়াশামাখা নীলচে সবুজ পাহাড়ের মাথার উপর থেকে উঁকি দিচ্ছে টকটকে লাল সূর্য। ঘুমে আচ্ছন্ন নবাবের সেনাছাউনি জেগে উঠছে ধীরে ধীরে। আবদারখানা, ফরাসখানা, রসুইখানার গোলামবাঁদিরা লেগে পড়েছে তাদের নিত্যদিনের কাজে। গঙ্গা থেকে জল তুলে এনে বড় বড় জালাগুলো ভর্তি করার জন্য ভিস্তিদের মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে গিয়েছে।

উটের কাতারের পরিচর্যায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছে সারবান। পোড়ামাটির মস্ত জালার ভিতরে মুখ ঢুকিয়ে ছোলা চিবোচ্ছে ঘোড়াগুলো। সহিসরা বুরুশ চালাচ্ছে তাদের গায়ে।

হাতিশাল থেকে ভেসে আসছে মেঠ-ভৈ-মাহুতদের কলরব। প্রতিদিনই ভোর রাতে ঘুম থেকে উঠতে হয় তাদের। হাতির দেখভালও বড় পরেশানির কাজ। কাঠের আগুনের আঁচে বড় বড় পিতলের হাঁড়িতে ফুটছে চাল। তদারক করছে মেঠ ও ভৈ-এর দল। শোনা যাচ্ছে হাতির পায়ের শিকল ও গলঘণ্টার ঠুংঠাং আওয়াজ।

নবাবের রিসালায় হাতি, ঘোড়া, উটের খুব কদর। জঙ্গ ফতে করতে তোপ, সোরা, বারুদ যেমন লাগে তেমনই লাগে হাতি, ঘোড়া, উট। সব সময় এদের মজুত রাখতে হয়। এসব জানোয়ার মাহেঙ্গা চিজ। চট করে পাওয়াও যায় না, আবার এদের বাগে এনে ফৌজের কাজে লাগানোর পিছনে মেহনত বিস্তর। নবাবের রিসালায় একজন পাইকের চেয়ে একটা জানোয়ারের কিমত অনেক বেশি।

সেনাছাউনির নহবতখানা থেকে সানাইয়ের সুর ছড়িয়ে পড়ছে বাতাসে। টোড়ি রাগের মিঠে আওয়াজে খুশির আমেজ। সানাইয়ের সুরে ঘুম ভাঙল নবাবের। কাঠের দেওয়ালওয়ালা দশ খুঁটির তাঁবুর ভিতরে নরম মখমলের বিছানায় চোখ মেললেন সিরাজদ্দৌলা। তাঁর বাহুবন্ধনে পরম নিশ্চিন্তে অঘোরে ঘুমোচ্ছে লুৎফুন্নেসা। ধেবড়ে গিয়েছে চোখের কাজল, কপালের বিন্দি। ফিকে হয়েছে ঠোঁটের লালি। কাঁচুলির বাঁধন আলগা। এসবই গতকাল রাতে সিরাজের ভালোবাসার চিহ্ন।

আগেনগারের আগুন নিভু নিভু। তাঁবুর ভিতরটা এখনও গরম হয়ে আছে। বাইরে কড়া ঠান্ডা। জানলায় ঝোলানো চিলমনের ফাঁক দিয়ে শীতের সকালের একফালি নরম রোদ এসে পড়েছে লুৎফার মুখে। সিরাজ একদৃষ্টে চেয়ে থাকেন। চোখের পলক পড়ে না। এই মুখ তো সেই কবে থেকেই দেখছেন সিরাজ। কখনও পুরোনো মনে হয় না। ঠিক যেন এক খণ্ড বেহস্ত।

লুৎফার কপালে আলতো করে চুম্বন করে বিছানা থেকে নেমে এলেন নবাব। ভারী পর্দা সরিয়ে তাঁবুর অন্দরমহলের বাইরে এসে রুপোর দড়িতে আলতো করে টান দিলেন। শ্বেতপাথরের পাত্রে কবোষ্ণ গোলাপজল নিয়ে ছুটে এল দুজন বাঁদি। সিরাজ হাতমুখ ধুয়ে তাঁবুর বাইরে আসমানের নীচে এসে দাঁড়ালেন।

সূর্যের আলোয় মুক্তোর দানার মতো চকচক করছে ঘাসের উপর জমে থাকা শিশিরবিন্দু। আকাশের দিকে মুখ তুলে জমিনবোস করলেন সিরাজদ্দৌলা। ফের একবার সুকরিয়া জানালেন সর্ব শক্তিমান আল্লাকে। মসনদের উপরে যে কালো ছায়া পড়েছিল আল্লার মেহেরবানিতে তা দূর হয়েছে পুরোপুরি।

 রাজনীতির শতরঞ্চ খেলায় পরপর তিনটি মোক্ষম চালে সিরাজ নিষ্কন্টক করেছেন মসনদের উপর তাঁর অধিকারকে। নবাব সিরাজদ্দৌলা জরুর জানেন, মুর্শিদাবাদের ওমরাহ, দেশি বেনিয়ান ও বাংলার জমিদার—এই তিন গোষ্ঠীর কেউই তাঁকে নবাব হিসেবে চায়নি। কারণ সিরাজ স্বাধীনচেতা, দুর্বিনীত, উদ্ধত। তাঁকে কলের পুতুলের মতো চালনা করা সম্ভব নয়।

আলিবর্দি যখন ঘোষণা করেছিলেন তাঁর পরে মসনদে বসবেন সিরাজদ্দৌলা, তখন ওমরাহ, বণিক, জমিদারদের অনেকেই আড়ালে মুচকি হেসেছিলেন। এদের বিশ্বাস ছিল নবাব আলিবর্দি খাঁর এন্তেকালের পর মসনদের দখল নেবেন ঘসেটি বেগমের খসম, আলিবর্দির বড়ে দামাদ নওয়াজেস মহম্মদ। তাঁর দলটা জবরদস্ত।

ওমরাহদের চোখে নওয়াজেস ছিলেন বহুত আচ্ছা এক ইনসান। সকলকে মান-ইজ্জত দিতে জানেন। আসমানের মতো বিরাট তাঁর দিল। সকলকে এক লহমায় আপন করে নিতে পারেন।

আলিবর্দি তাঁর বড়ে দামাদকে ঢাকার ডেপুটি সুবাদারের কুরসিতে বসিয়েছিলেন। কিন্তু ঢাকায় কখনও যাননি নওয়াজেস মহম্মদ। তাঁর হয়ে ঢাকার শাসনকার্য চালাতেন হোসেন কুলি খাঁ। তাঁর মৃত্যুর পর এই কাজের দায়িত্ব পান রাজবল্লভ।

নওয়াজেস মোতিঝিলের প্রাসাদে দিনরাত শরাব আর খুবসুরত জেনানাদের নিয়ে বুঁদ হয়ে থাকেন। এমন লোক নবাব হলে অনেকেরই সুবিধা। আমির, ওমরাহ, জমিদার, বেনিয়ানরা ভেবেছিল নওয়াজেস মসনদে বসলে তাঁকে তাঁবে রেখে তারা যে যার নিজের হিসসা বুঝে নেবে। কিন্তু তাদের এ আশা পূরণ হল না।

আলিবর্দি খাঁ বেঁচে থাকতেই নওয়াজেসের এন্তেকাল হল। এর কিছুদিন পর ১৭৫৬ সালের ৯ এপ্রিল আলিবর্দি মাটি নিলেন। মসনদে বসলেন সিরাজ। ওমরাহ, বেনিয়ান, জমিদারেরা তখনও আশায় ছিল, মসনদে সিরাজের মেয়াদ খুব বেশি দিনের জন্য নয়। আলিবর্দির বড় মেয়ে, সিরাজের মাসি ঘসেটি বেগম মসনদের দখল নেবেন। ঘসেটি বেগমের সহায় দেওয়ান রাজবল্লভ। মগজদার, ধূর্ত লোক। এঁর সঙ্গে মগজের খেলায় এঁটে উঠতে পারবেন না সিরাজদ্দৌলা। ইংরেজদেরও এমন ধারণা হয়েছিল।

কিন্তু সব হিসেব উলটে দিয়ে মসনদে বসেই প্রখর বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে ঘসেটি বেগমের মোতিঝিল প্রাসাদের দখল নিলেন নবাব সিরাজদ্দৌলা। একটুও রক্তপাত হল না। ঘসেটি বেগম ও রাজবল্লভ গৃহবন্দি হলেন। মোতিঝিলের দিক থেকে সিরাজের আর বিপদের সম্ভাবনা রইল না।

শাহ সুজার আমলে নির্মিত ফারহাবাগে নবাবের তাঁবু পড়েছে। রাজমহলের তাজ, শাহ সুজার শখের এই সুখকানন এখন এক ধ্বংসস্তূপ। নবাবের তাঁবু পড়বে বলে কিছুদিন আগে সাফসুতরো করা হয়েছে জঙ্গল।

ফারহাবাগের এক বিবর্ণ চবুতারার নীচে দাঁড়িয়ে সিরাজ ভাবতে থাকেন এই তো সেই রাজমহল, মাত্র শ-সাল আগে কত জোশ, রং, রোশনি ছিল এই নগরের। বাংলায় মোগলশাহির তাগদের উৎস ছিল এই নগর। এখনই ভগ্নস্তূপে পরিণত হয়েছে শাহ সুজার শখের প্রাসাদ। ফারহাবাগের এই চবুতরা, জীর্ণ হয়ে আসা ফোয়ারার স্তম্ভ, সিংহীদালান কী সীমাহীন অবহেলায় দাঁড়িয়ে থেকে সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়ার প্রহর গুনছে। ইতিহাস এত নির্মম কেন?

আজকের মুর্শিদাবাদের ঠাঁটঠমক দেখে ভিনদেশি বণিকেরা হাঁ হয়ে যায়। বাংলার রাজধানীর চেকনাই দেখে চোখ ঝলসে যায় তাঁদের। চেহেলসেতুনের দাপট, হিরাঝিল প্রাসাদের এত রং, এত জেল্লা, মোতিঝিল, রোশনিবাগ, খোশবাগের এত জৌলুশ এসবও কি একদিন খোদার ইচ্ছায় রাজমহলের মতো বেরং হয়ে যাবে?

এসব ভেবে সিরাজের মনটা হঠাৎ কেমন অস্থির হয়ে ওঠে। দূরের দিকে দৃষ্টি নিক্ষেপ করতেই সিরাজ দেখলেন গঙ্গার চরে এক ঝাঁক সফেদ পরিযায়ী পাখি ঠিক যেন একগোছা সাদা ফুলের মতো এলোমেলোভাবে ছড়িয়ে আছে। হঠাৎ ঝাঁক বেঁধে উড়ে তারা নজরের বাইরে চলে গেল। সিরাজের মনে হল নদীর চরের সব রোশনি নিভে গেল এক লহমায়।

একটা গোলমালের শব্দ শুনে ঘুরে তাকালেন সিরাজদ্দৌলা।

চিৎকার করছে লোকটা। বয়স তিরিশের কোঠায়। লোকটার উপর সমানে কোড়া চালাচ্ছে দুজন সেপাই। লোকটার হাতদুটো পিছমোড়া করে বাঁধা। কোমরে দড়ি। লোকটাকে জন্তুর মতো টেনেহিঁচড়ে নিয়ে আসছে কয়েকজন। এদের সঙ্গে রয়েছে মিরজাফরের পুত্র মিরন।

দূর থেকে দেখে সিরাজদ্দৌলা বুঝতে পারলেন, বন্দি লোকটিকে তাঁর কাছে নিয়ে আসতে চাইছে মিরন। পথ আটকে দাঁড়িয়েছে নবাবের দেহরক্ষীরা। হাত পা নেড়ে উত্তেজিত হয়ে তাদের কিছু বোঝাতে চাইছে মিরন। নবাবের নির্দেশে পথ ছেড়ে দিল রক্ষীরা।

সামনে এলে বন্দি লোকটাকে চিনতে পারলেন সিরাজদ্দৌলা। সৈয়দ গোলাম হোসেন। আরবি ও ফারসি ভাষায় সুপণ্ডিত। শওকত জঙ্গের বাবা সৈয়দ আহমেদ খানের উজির ছিলেন। এ কাজে তাঁকে বহাল করেছিলেন স্বয়ং আলিবর্দি খাঁ। পরে শওকত জঙ্গের উজিরের পদে নিযুক্ত হন গোলাম হোসেন। সদ্য জিতে ওঠা পূর্ণিয়ার যুদ্ধে ইনি ছিলেন শওকতের প্রধান পরামর্শদাতা।

মিরন সামনে এসে নবাবকে তসলিম জানিয়ে বলল, ‘জাঁহাপনা সলামত।’

‘কী হয়েছে?’ প্রশ্ন করেন সিরাজ।

মিরন জবাবে বলে, ‘শয়তানের বাচ্চাটাকে জিন্দা ধরেছি হুজুর। নাও নিয়ে পালাচ্ছিল। আমার সেপাইরা পাকড়াও করেছে।’

গোলাম হোসেনের পোশাক জীর্ণ। হাত-পা কোড়ার আঘাতে ক্ষতবিক্ষত। ঠোঁটের কোণ দিয়ে গড়াচ্ছে রক্ত। হাঁটু মুড়ে সিরাজের সামনে বসে হাত জোড় করে গোলাম হোসেন বললেন, ‘আমার জান বাঁচান মালিক।’

কোড়া চালাতে উদ্যত হচ্ছিল একজন সিপাই। সিরাজ ধমকের সুরে বললেন, ‘ব্যস করো।’ নবাবের মেজাজ দেখে থমকে গেল সিপাই।

সিরাজ জিগ্যেস করলেন, ‘এঁর কসুর কী মিরন?’

‘এর নামটা কি ইয়াদ আছে জাঁহাপনা?

‘ইয়াদ আছে। সৈয়দ গোলাম হোসেন। পড়িলিখি বুজুর্গ আদমি।’

‘ইয়ে তো সহি বাত। লেকিন এর জিন্দা থাকার হক নেই।’

‘কিঁউ?’

‘জঙ্গবাজির ময়দানে শওকতকে মদত দিয়েছে। আপনার সঙ্গে দুশমনি করেছে।’

কিছুক্ষণ মাটির দিকে চুপ করে চেয়ে থাকেন সিরাজ। নবাবের মেজাজটা জরিপ করতে থাকে মিরন। ভয়ে কাঁপতে থাকেন গোলাম হোসেন। সিরাজদ্দৌলা মুখ তুলে বললেন, ‘ছোড় দো।’

মিরন বিস্মিত হয়। ‘মতলব?’

‘খালাস। জিন্দা।’

‘হুজুর মেহেরবান।’ বলে কেঁদে ওঠেন গোলাম হোসেন।

মিরন বলে, ‘লেকিন মালিক—’

হাত তুলে মিরনকে থামিয়ে দিয়ে গোলাম হোসেনের উদ্দেশে প্রশ্ন করেন সিরাজ, ‘পালিয়ে কোথায় যাচ্ছিলেন?’

‘বারাণসী যাব ভেবেছিলাম। কীর্তিনাশা নদীর ওপারে। হুজুরের রাজ্যের বাইরে।’

সিরাজ বললেন, ‘মঞ্জুর।’

মিরনের মুখের আলো নিভে গেল এক নিমেষে। নির্মম অত্যাচার করে বন্দিকে হত্যা করতে পৈশাচিক আনন্দ হয় মিরনের। এ তার কাছে এক রকমের রগড়। তামাশা। মওতের আগে যন্ত্রণায় ক্ষতবিক্ষত মানুষের বেঁচে থাকার অন্তিম আকুতি শুনলে মিরনের রক্তে তুফান ওঠে। মৃত্যুভয়ে সাদা হয়ে যাওয়া মুখ, ঠিকরে বেরিয়ে আসতে চাওয়া দুই চোখ দেখলে খুব ফুর্তি হয় তার। হেসে সে গড়িয়ে পড়ে।

আজ নবাবের কাছ থেকে গোলাম হোসেনকে হত্যা করার ইজাজত নিতে এসেছিল মিরন। কাজটা হাসিল হলে আমোদ হতো মিরনের। দোষ পড়ত সিরাজের ঘাড়ে। মিরনই কথাটা ছড়িয়ে দিত চারিদিকে। আলিবর্দির একদা স্নেহভাজন পড়িলিখি বুজুর্গ আদমি গোলাম হোসেনের মৃত্যু নিয়ে অনেক হইচই হতো। মিরন বলত, আমি কেবল নবাবের হুকুম তামিল করেছি। মেরা কসুর কেয়া? কেউ বলত সিরাজদ্দৌলা পশুর চেয়েও ভয়ানক, নৃশংস। ফের আঁতকে উঠত তামাম ওমরাহ, জমিদার, বেনিয়ানের দল। যেমন তারা ভয়ে আঁতকে উঠেছিল ফৈজি ও হোসেনকুলির মওতের পর।

সিরাজ নিজেও জানেন ফৈজি ও হোসেনকুলির হত্যা কালি ঢেলে দিয়েছে তাঁর চরিত্রের উপর। এই দুটি হত্যার বীভৎসতা দেখে অনেকেই শিউরে উঠেছিল। এ নিয়ে আজ অবশ্য সিরাজের অনুতাপের শেষ নেই। অকারণে আর রক্ত ঝরাতে চান না সিরাজদ্দৌলা।

গোলাম হোসেনকে মুক্ত করে দিয়ে নবাব নিজের তাঁবুর দিকে এগিয়ে গেলেন।

দূরে চলে যাওয়া সিরাজের শরীরটার দিকে চেয়ে ফের একবার কুর্নিশ জানালেন গোলাম হোসেন। সকালের তামাশাটা ভেস্তে যাওয়ায় হতাশ হয়ে দীর্ঘশ্বাস ফেলল মিরন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *