লোলুপ – সৈকত মুখোপাধ্যায়
ডার্ক ক্যানটাসি। অলৌকিক। ডিটেকটিভ। থ্রিলার
অরণ্যমন প্রকাশনী
.
বইটি সম্বন্ধে কিছু কথা
লোলুপের দুই মলাটের মধ্যে সাজিয়ে দিলাম চারটি পৃথক ধারার আঠেরোটি গল্প উপন্যাস— ডার্ক ফ্যানটাসি, অলৌকিক, ডিটেকটিভ এবং থ্রিলার। আশা করি এই বিষয়-বৈচিত্র্য আপনাদের পাঠের আনন্দ বাড়িয়ে তুলবে।
ঘরানা আলাদা হলেও প্রতিটি গল্প-উপন্যাসের মূল সুর একটিই— রোমাঞ্চ। কাহিনিগুলিকে রোমাঞ্চের সুরে বাঁধবার জন্যে বরাবরের মতো এবারেও দোতারার দুটি তারের ওপরে নির্ভর করেছি। কল্পনা এবং ভাষা। সফল হয়েছি কি না, সে তো আপনারাই বলবেন।
লেখাগুলি পড়বার সময় হয়তো আরো কিছু জিনিস আপনাদের চোখ এড়াবে না। যেমন, অন্তিমে কল্পনার উড়াল থাকলেও প্রতিটি কাহিনির শেকড় রয়েছে বাস্তবের মাটিতে। ‘বাবাই হরবোলা’ নামে ফ্যানটাসি-গল্পে বাবাই মৃত্যুর ডাককে নকল করতে পারত— এটা কল্পনা। কিন্তু বরের হাতে মার খেয়ে শিশু বাবাইকে কোলে নিয়ে তার মায়ের গৃহত্যাগ বাস্তব।
এই সূত্রেই হয়তো আপনারা এটাও খেয়াল করবেন যে, এই সংকলনের বেশিরভাগ গল্পের প্রোটাগনিস্টই নারী। সেটাই তো স্বাভাবিক। আমাদের সমাজে অত্যাচার, অবদমন, অপ্রেম ইত্যাদি সবই তো সহ্য করে মেয়েরা। আর সেই বেদনার অন্ধকার থেকেই তো জন্ম হয় জঁর ফিকশনের।
আর যদি এসব কিছুই না লক্ষ করেন তাহলেও কোনো ক্ষতি নেই। লোকশিক্ষা দেওয়ার মতো প্রতিভা আমার নেই; তা আমার উদ্দেশ্যও ছিল না কোনোদিন। যখন লিখতে বসি, তখন নিজেকে মনে করি একজন ‘এনটারটেইনার’। আপনি যদি এই বই পড়ে আনন্দ পান, এনটারটেইনড হন, তাহলেই একজন গল্পকার হিসেবে নিজেকে ধন্য মনে করব। ভেবে নেব আমার উদ্দেশ্য সফল হয়েছে।
বিনত,
সৈকত মুখোপাধ্যায়
বিধান নগর, কলকাতা।
১১ই পৌষ, ১৪৩১।
.
ফ্ল্যাপের লেখা
এক হরবোলা বালক, যে চরম সিদ্ধি খুঁজে পেয়েছিল মৃত্যুর ডাক নকল করার মধ্যে। শয্যাশায়ী নীরক্ত এক মহিলার জন্যে রক্তের ব্যবস্থা করতে এগিয়ে এসেছিল তার মৃত প্রেমিক। বন্ধ ঘরের মধ্যে এক ডাক্তারের মৃতদেহ দেখে পুলিশের মনে হয়েছিল তিনি নিজেই নিজের শরীরের বিষাক্ত বটুলিনাম ইঞ্জেক্ট করেছেন। কিন্তু গোয়েন্দা জয়দেব সরকার প্রমাণ করেছিলেন তা নয়। এটা খুন। মুঘল আমলের মহার্ঘ্য মদ লাল সিরাজীর বিশাল ভাণ্ডারকে কেন্দ্র করে এক রাতে আগুন জ্বলে উঠেছিল হিমাচলের দুর্গম বরফ-ঢাকা পাহাড়চূড়ায়।
ডার্ক ফ্যানটাসি, অলৌকিক, ডিটেকটিভ এবং থ্রিলারধর্মী আঠেরোটি গল্প-উপন্যাস জুড়ে এমন অজস্র চমক-দেওয়া ঘটনাবলি, টানটান উত্তেজনা আর কল্পনার অবাধ বিস্তার এবং তার সবটাই লেখকের অননুকরণীয় মায়াবী ভাষায়।
.
বর্তমান বাঙলা সাহিত্যের সবচেয়ে ভার্সেটাইল লেখক শ্রীসৈকত মুখোপাধ্যায়ের পরিচয় পাঠকদের কাছে নতুন করে দেওয়ার প্রয়োজন আছে বলে আমরা মনে করি না। মূল-ধারার গল্প, উপন্যাস, কবিতা এবং শিশু- কিশোর সাহিত্যের পাশাপাশি জঁর- ফিকশনের বিভিন্ন ধারায় তিনি সিদ্ধহস্ত। তবে তিনি যা-ই লিখুন, তার মধ্যে থেকে আলো ছড়ায় তাঁর ভাষা, তাঁর সাহিত্যবোধ। শ্রীমুখোপাধ্যায়ের মুদ্রিত গ্রন্থের সংখ্যা পঞ্চাশের কাছাকাছি। তাঁর গল্প-উপন্যাসের শ্রুতিরূপ নিয়মিত বিভিন্ন অগ্রণী এফএম চ্যানেল থেকে প্রচারিত হচ্ছে এবং লক্ষ লক্ষ শ্রোতার মন জয় করছে।
অরণ্যমন প্রকাশনী থেকে ইতোপূর্বে প্রকাশিত লেখকের অন্যান্য বইগুলি হল ‘মৃত্যুর নিপুণ শিল্প’, ‘নোনাবালি চোরাটান’, — তুলোফুড়কি’, ‘ একজন্ম লোভাতুর’, ‘সিমলতার নূপুর’, ‘তুমি চিরতৃষ্ণা রূপে’ এবং ‘মাস্টারস্ট্রোক’।
প্রচ্ছদ : সৌজন্য চক্রবর্তী





Thank you so much for uploading it
Abhik dutto r ডিভোর্স ইত্যাদি ২ বইটি দেবেন please
উল্লাস মল্লিকের কিছু নতুন বই দিন
Valo
আচ্ছা আপনারা কি ম্যাগাজিনও আপলোড করেন ? যদি করে থাকেন তাহলে বিভাষিকা নামের একটা বাংলা থ্রিলার ম্যাগাজিন বেরিয়েছিল 2025 এর পুজোয়। পারলে যদি সেটাও একটু আপলোড করেন তাহলে খুব ভালো হয়।
ধন্যবাদ।
দারুন সংকলন !!!