পলাতক লাশ
গাড়িটা নিয়ে সবে হালদার বিলের পাশের রাস্তাটায় উঠেছি। দেখি একটা বড়োসড়ো জটলা। থানার বড়োবাবু গণেশ মণ্ডল, আমাদের মণ্ডলসাহেব, জটলার মধ্যে থেকে বেরিয়ে এসে হাত দেখিয়ে আমাকে দাঁড়াতে বললেন।
দাঁড়ালাম। কিছুটা ভয়ে দাঁড়ালাম, কিছুটা ভক্তিতে। আমাদের মতন ছোটোখাটো লোক পুলিশকে ভয় পাবে না তো পাবে কে? এই যে ধামালি-গুমাখালি রুটে ট্রেকার চালাচ্ছি, তার কোনও লাইসেন্স আছে নাকি আমার? নেই। যে-কোনও রুটে প্যাসেঞ্জার গাড়ি চালাতে গেলে চোদ্দোরকমের লাইসেন্স লাগে। তার মধ্যে তেরোটাই আমার নেই। আছে শুধু ড্রাইভিং লাইসেন্স আর মাথার ওপরে বড়োবাবু গণেশ মণ্ডলের আশীর্বাদের হাত। তার জোরেই দিন গেলে গাড়ির খরচা মিটিয়ে পাঁচ- ছ’শো টাকা নিয়ে বাড়ি ফিরি। মাথার ওপর থেকে ওই হাত যেদিন সরে যাবে, তার পরের দিন ট্রেকারগুলা বাদল মাইতিও সাবাড়।
তবে বড়োবাবু লোকটা ভালো। এলাকার গরিব লোকেদের ওপর মায়া আছে। ওঁর আমলে থানার অত্যাচার বলতে গেলে কিছুই নেই। সেইজন্যই ভয়ের পাশাপাশি ভক্তির কথাটা বলেছিলাম।
যা-ই হোক, গাড়িটা দাঁড় করাতেই বড়োবাবু জোরে পা চালিয়ে আমার জানালার পাশে এসে দাঁড়ালেন। আমি হন্তদন্ত হয়ে নামতে যাচ্ছিলাম। উনিই বারণ করলেন। বললেন, ‘থাক, থাক। কাজে বেরিয়েছিস, এখন দেরি করাব না। ওখানে বসেই শুনে নে, যা বলছি।’
জিজ্ঞেস করলাম, ‘কী হয়েছে, স্যার? ভিড় কীসের?’
‘তোদের এই হারামজাদার দেশে আর কী হবে বাদল? এরকম ক্রিমিনাল-ইনফেস্টেড এরিয়া আর দুটো দেখিনি। খুন হয়েছে, খুন।
‘খুন! কে খুন হল, স্যার? কীভাবে?’
‘তোদেরই বয়সি একটা ছেলে। এখনও আইডেন্টিফাই করতে পারিনি। গলায় ফাঁস দিয়ে মেরে হালদারবিলে ভাসিয়ে দিয়েছে।’
‘কে মারল, স্যার?’
‘কী মুশকিল! সেটা জানতে পারলে এখানে দাঁড়িয়ে থাকতাম নাকি? এখনও বডিটার মুখটাও ভালো করে দেখতে পাইনি। পকেট-টকেট হাতড়ালে হয়তো কোনও ক্লু পাওয়া যাবে। কিন্তু পকেটের নাগাল পাব কেমন করে? শালা হাওয়ার ধাক্কায় ক্রমশ মাঝবিলে চলে যাচ্ছে। অত গভীর জলে আমার লোকেরা নামতে পারবে না। জেলেদের খবর দিয়েছি। কিন্তু এরকম ওয়েদারে তারাও তাড়ি খেয়ে ঝিমোচ্ছে। বলে পাঠিয়েছে নেশা না নামলে জাল ফেলতে পারবে না। দেখি কখন আসে।’
ওয়েদারের কথায় আকাশের দিকে তাকালাম। আমাদের সমুদ্র-ঘেঁষা দেশ। ঝড়বৃষ্টি এখানে নতুন কিছু নয়। আজকেও এই দুপুরবেলাতেই আকাশ কালো করে বস্তা বস্তা বারুদরঙা মেঘ পাঁই পাঁই করে দক্ষিণ দিক থেকে ছুটে আসছে। তার সঙ্গে ভিজে হাওয়ার ঝাপটা। বোঝাই যাচ্ছে, বেলা গড়ালেই একটা সাইক্লোন আছড়ে পড়বে।
বড়োবাবু বললেন, ‘শোন, বাদল, তোকে যে জন্য দাঁড় করালাম…’
‘বলুন, স্যার।’
‘যে খুন করেছে সে যদি এদিকের লোক হয় তা হলে তো মিটেই গেল। ঠিক তুলে নেব। কিন্তু যদি বাইরের লোক হয় তা হলে পালাবার চেষ্টা করবে। লাশটা যারাই ফেলে গিয়ে থাক তাদের নিজেদের গাড়ি নেই। তা হলে টায়ারের দাগ পেতাম। কী বলছি বুঝতে পারছিস?’
‘পারছি, স্যার। পালাবার জন্য আমার এই ভাঙা টমটমই ভরসা।’ বড়োবাবু মুচকি হাসলেন। ‘এইজন্যই তোকে এত লাইক করি, বাদল। যা-ই হোক, ধামালি থেকে গুমাখালির সমস্ত নেড়িকুত্তাগুলোকে অবধি তুই চিনিস। কোনও অচেনা লোক আজ তোর গাড়িতে উঠলে, একটু বাদেই স্পার্ক প্লাগ, কারবুরেটর যা হোক একটা প্রবলেম বলে গাড়ি দাঁড় করিয়ে দিবি। তারপর আমাকে মোবাইলে ধরবি। বেশি রিস্ক নিস না কিন্তু। যে একটা খুন করেছে, সে দুটোও করতে পারে।’
একটু একটু ইচ্ছে করছিল, একবার গাড়ি থেকে নেমে লাশটা দেখে আসতে। কিন্তু তারপরেই ভাবলাম, দিনের প্রথম ট্রিপ ধরছি। এখন ওসব অশুভ জিনিস না দেখাই ভালো। বড়োবাবুকে স্যালুট দিয়ে ধামালির দিকে গাড়ি চালিয়ে দিলাম।
***
সন্ধে অবধি চারটে ট্রিপ মারলাম। তার মানে চার নং ছত্রিশ। আর ধরো ভাঙা রুটের প্যাসেঞ্জার নিয়ে পঞ্চাশ। পঞ্চাশ জন প্যাসেঞ্জার। তার মধ্যে অচেনা লোক পেলাম মাত্র চারজন। একজনের কথাবার্তায় বুঝলাম সরকারি অফিসার। ধুলসায়র বি. ডি. ও. অফিসে ইনস্পেকশনের কাজে যাচ্ছেন। একজন পঞ্চডাঙার রসিক বর্মনের দূর সম্পর্কের আত্মীয়। রসিকবাবুর কুষ্ঠি-ঠিকুজি সব গড়গড় করে বলে, আমাকে বলল ঠিক জায়গায় নামিয়ে দিতে। তাকেও সন্দেহ করা যায় না। আর বাকি দুটো নতুন বর-বউ। ক্ষেত্রপালের মন্দিরে পুজো দিতে গেল।
সন্ধে সাতটা নাগাদ গুমাখালিতে ফিরলাম। এখান থেকে হালদারবিল দু’কিলোমিটার আর হালদারবিল থেকে আরও দু’কিলোমিটার দূরে চুয়াপাড়ায় আমার বাড়ি। থানাও ওই চুয়াপাড়াতেই। একবার মনে হল, বাড়ি ফিরে যাই। যাওয়ার পথে মণ্ডলসাহেবকে জিজ্ঞেস করে যাই, খুন হওয়া ছেলেটার সম্বন্ধে আর নতুন কী জানা গেল। কিন্তু তারপরেই আকাশের দিকে চোখ পড়ল। বৃষ্টি এখনও নামেনি, কিন্তু যখন-তখন নামবে। মনে হল রাস্তাতেই কোথাও গা ঢাকা দিয়ে বসে আছে এক খুনি। এইবার সে বেরোবে। কারণ, এখন রাস্তায় লোকচলাচল কমে গেছে। অন্ধকার নেমে এসেছে ঘন হয়ে। এখন সে খুঁজবে একটা গাড়ি।
বিড়িটায় শেষ টান দিয়ে ছুড়ে দিলাম আকন্দের ঝোপের মধ্যে তারপর মধুদার চায়ের দোকানে চা বিড়ির দাম মিটিয়ে গাড়িতে স্টার্ট দিলাম।
গাড়ির মুখ ঘোরালাম না দেখে মধুদা অবাক হয়ে বলল, ‘সে কী রে, বাদল! বাড়ি ফিরবি না? এই ওয়েদারে আজকে আর প্যাসেঞ্জার পাবি?’
‘পাব, মধুদা। আমার মন বলছে পাব। শাঁসালো প্যাসেঞ্জার।’ খুব আস্তে আস্তে, রাস্তার দু’ধারে চোখ রেখে, গাড়ি চালিয়ে নিয়ে চললাম ধামালির দিকে।
***
বেশি দূর যেতে হল না। ক্যানালের ধারে, যেখানে বনদপ্তর থেকে সোনাঝুরির বাগান বানিয়েছে, সেখানেই ছেলেটা দাঁড়িয়ে ছিল। গাড়ির হেডলাইটের আলো যেটুকু তার শরীরে পড়েছিল তাতে মনে হল রোগা- পাতলা চেহারা। বয়স আমাদেরই মতন হবে, মানে চব্বিশ-পঁচিশ। সে হাত দেখায়নি। তবু গাড়িটা ওর সামনে নিয়ে দাঁড় করালাম। ঘাড় বাড়িয়ে বললাম, ‘চলে আসুন।’
চলে এল সে। না এসে বোধহয় উপায়ও ছিল না, কারণ এখান থেকে সবচেয়ে কাছের রেলস্টেশন কিম্বা হাইওয়ে, দুটোই ওই ধামালির কাছাকাছি। পালাতে হলে ওকে ধামালি যেতেই হবে।
আমি হাত বাড়িয়ে পিছনের দরজাটা খুলে দিতেই ও হাঁচড়ে-পাঁচড়ে ভেতরে ঢুকে সিটের ওপর এলিয়ে পড়ল। ওই উঠবার সময়েই আমার মনে ছেলেটার পরিচয় নিয়ে যেটুকু সংশয় ছিল তা কেটে গেল। কারণ, পরিষ্কার দেখতে পেলাম ওর প্যান্ট-শার্ট সব ভিজে স্যাঁতস্যাঁত করছে। তার মানে অন্য ছেলেটাকে খুন করে যখন হালদারবিলে ফেলতে যাচ্ছিল, তখন নিজেও পড়ে গিয়েছিল। জলে নামব, জল ছেটাব, আর জলকে ছোঁব না- তা কি সবসময় হয় বাবা! ধর্মের কল বাতাসে নড়ে।
নাইনটি পার্সেন্ট শিওর হয়েও ভাবলাম, আর দু’-একটা ক্লু পাওয়া গেলে ভালো হত। তার জন্য ছেলেটার সঙ্গে কথাবার্তা চালানো দরকার। তবে সাবধানে। উলটে ও-ই যেন না ক্লু পেয়ে যায়। তা হলে আমাকে আর বাঁচতে হবে না।
কাজেই সাবধানেই কথা শুরু করলাম। একজন ড্রাইভার সবচেয়ে স্বাভাবিকভাবে যে প্রশ্নটা করতে পারে, সেটাই করলাম। ঘাড় না ফিরিয়েই জিজ্ঞেস করলাম, ‘কোথায় যাবেন?’
ছেলেটার গলার আওয়াজটা শুনে গা-টা কেমন যেন শিরশির করে উঠল। খুনিদের গলা এরকমই হয় নাকি? কেমন যেন ফ্যাঁসফেসে, ভাঙা ভাঙা। মনে হয় না মানুষের গলার আওয়াজ। এরকম আওয়াজ বের হয় পুরোনো গ্রামাফোন থেকে। সেইরকম গলাতেই লোকটা উত্তর দিল, ‘খুব শীত করছে। প্রাণ চাইছে আগুন। আগুনের তাপ পোহাতে ইচ্ছে করছে।’
ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেলুম। এ কি পাগলা খুনি? স্টোনম্যানের মতন? মাথার পিছনটা শিরশির করে উঠল। মনে হল একটা লোহার রড বোধহয় এই মুহূর্তে তীব্রবেগে আমার খুলি ফাটিয়ে দেওয়ার জন্য নেমে আসছে। কিম্বা একটা দড়ির ফাঁস— আমার গলাটাকে এক্ষুনি পেঁচিয়ে ধরবে।
যেমন ধরেছিল হালদারবিলে ভাসতে থাকা ওই ছেলেটার গলা।
এ-ও বুঝলাম, ভয়টা যদি প্রকাশ করি তা হলে আমার মরার চান্স দু’গুণ হয়ে যাবে। কারণ, তখন খুনিটা বুঝে যাবে আমি ওকে চিনে ফেলেছি। তাই যথাসম্ভব শান্ত গলায় বললাম, ‘শীতের আর দোষ কী বলুন? যেরকম হাওয়া ছেড়েছে। জানালার কাচটা তুলে দিন না।’
‘নাহ্, থাক। কেমন যেন দমবন্ধ লাগছে। এত জামাকাপড়, এত সেলাই, এত গিঁট। এত গ্রন্থি! মনে হচ্ছে শুধু কোমরে একটা কাপড় জড়িয়ে শুয়ে থাকি। জানালা বন্ধ করলে আরও কষ্ট হবে।’
এই বলছে আগুন চাই, এই বলছে জামা কাপড় খুলে ফেলব— এ তো শালা বদ্ধ পাগল!
আমি বললাম, ‘কোথায় যাবেন সেটা কিন্তু বললেন না এখনও।’
ছেলেটা ফ্যাসফেসে গলায় সুর করে বলল, ‘যাব অনেক দূরে…. বেণীমাধবপুরে।’
মনে মনে উল্লসিত হয়ে উঠলাম। বাইরের লোক। নির্ঘাৎ বাইরের লোক। এ খুনি না হয়ে যায়ই না। মুখে বললাম, ‘বেণীমাধবপুর! সে আবার কোথায়? এ রাস্তায় বেণীমাধবপুর বলে কোনও জায়গা তো নেই। বীরভানপুর আছে। শ্মশান। মেন রোড ছেড়ে দু’কিলোমিটার যেতে হবে।’
‘আহা হা হা। তা-ই চলো, ভাই, তাই চলো। বীরভানপুর চলো। ওখানেই আগুন পাব। আর অগুরু।’
অগুরু? আমার মাথা ঝিমঝিম করছিল। ছেলেটার কথার কোনও তাল পাচ্ছিলাম না। বললাম, ‘অগুরু দিয়ে কী হবে?’
‘পচা গন্ধ পাচ্ছ না? অগুরু ছাড়া এ গন্ধ যাবে না। চলো চলো। বীরভানপুর চলো।’
শ্মশানের কাছাকাছি এসে গাড়িটা দাঁড় করিয়ে দিলাম। বললাম, ‘আর যাবে না। রাস্তা খারাপ আছে। আপনি কি ফিরবেন? তা হলে দাঁড়াব। না হলে ভাড়াটা মিটিয়ে দিয়ে চলে যান।’
লোকটা হাঁচড়ে-পাঁচড়ে গাড়ি থেকে নেমে পড়ল। তারপর বলল, ‘ফিরব, ফিরব। আমাকে অনামিকার কাছে ফিরে যেতে হবে। অনামিকা আমার জন্য অপেক্ষা করে আছে। আমি এক শিশি অগুরু কিনে নিয়েই ফিরে আসছি। তুমি দাঁড়াও।’
লোকটা টালমাটাল পায়ে কাঁচা রাস্তা ধরে শ্মশানের দিকে হাঁটা দিল। ওদিকে নদী। এখান থেকেই দেখা যাচ্ছে ঘন অন্ধকারের মধ্যে তিনটে চিতার আগুন লকলক করে জ্বলছে।
হাতে সময় বেশি নেই। লোকটা চোখের আড়ালে যাওয়া মাত্র আমি মোবাইল বার করে মণ্ডলসাহেবের নম্বর লাগালাম। বললাম, ‘স্যার, স্যার, পেয়ে গেছি!’
‘কী পেয়েছিস?’
‘মার্ডারার, স্যার। মার্ডারার! বীরভানপুর শ্মশানের সামনে দাঁড়িয়ে আছি। ফোর্স পাঠান। লোকটা এখুনি ফিরবে।’
‘কী ফালতু বকছিস, বাদল! মার্ডারারকে তো সেই কখন তুলে এনেছি। গুমাখালির ছেলে, তাপস। অনামিকা বলে একটা মেয়ের প্রেমে দু’জনেই ফেঁসেছিল। মানে তাপস আর ওর বন্ধু, অরিত্র। আজ দুপুরে অরিত্রর গলায় প্যাঁচ মেরে… অরিত্রর বডিই বিলের জলে ভাসছিল।’
আমার মাথায় কিছু ঢুকছিল না। তা হলে আমার প্যাসেঞ্জারটা কে? খুনি নয়? এমনিই একটা পেঁচো পাগল? মাতাল?
মোবাইলে আবার মণ্ডলসাহেবের গলা ভেসে এল, ‘কিন্তু প্রবলেম হয়েছে অন্য জায়গায়।’
‘কী প্রবলেম, স্যার?’ মিয়োনো গলায় জিজ্ঞেস করলাম।
‘লাশটা খুঁজে পাচ্ছি না। এখনও হালদারবিলের ধারে দাঁড়িয়ে আছি। ডায়নামো, সার্চলাইট— সব আনিয়েছি। জল তোলপাড় করে ফেলছি। কিন্তু লাশটা যে কোথায় গেল খুঁজে পাচ্ছি না।
আমার আর কিছু শুনতে ইচ্ছে করছিল না, তাই মণ্ডলসাহেবের কলটা ডিসকানেক্ট করে দিয়ে থম হয়ে নিজের সিটে বসে রইলাম। হঠাৎই অগুরুর ঝাঁঝালো গন্ধে আমার হুঁশ ফিরে এল। দেখলাম প্রায় উলঙ্গ একটা মূর্তি টলতে টলতে আমার গাড়ির দিকে ফিরে আসছে। তার কোমরে এখন শুধু একটা সাদা কাপড় জড়ানো। মাথাটা ঘাড়ের ওপর সোজাভাবে বসানো নেই। কেমন এক অদ্ভুত অ্যাঙ্গেলে বুকের একপাশে লটপট করছে।
বুঝলাম, অরিত্রর গ্রন্থিমোচন হয়ে গেছে। অরিত্র অগুরু মেখেছে।
ও কি এখন আমার কাছে মুখাগ্নির আগুন চাইতে আসছে?

ভাই, দারুণ লিলহেছ্রন। আমি অবশ্য গল্পের মাঝলহান থেকেই অনুমান করেছি। তবু আপনার লেখনীর গতিময়তায় গল্পটা দারুণ উঠেছে।
খুব ভালো ছিল গল্প টা