রহস্যভেদী নীল – সৈকত মুখোপাধ্যায়
রহস্যভেদী নীল – সৈকত মুখোপাধ্যায়
প্রথম প্রকাশ – জানুয়ারি ২০২৩
প্রচ্ছদ – রঞ্জন দত্ত
অলংকরণ – প্রদীপ্ত মুখার্জি
.
সাহিত্যিক, সম্পাদক এবং
শিশু-কিশোর সাহিত্যের একনিষ্ঠ গবেষক
শ্রীঅশোককুমার মিত্রের করকমলে।
.
নীল মানে থ্রিল…
এবং আরও অনেক কিছু।
অ্যাডভেঞ্চার, কল্পবিজ্ঞান, এমনকী গোয়েন্দা-কাহিনির উপাদান মিশিয়েই তৈরি করেছিলাম নীল চ্যাটার্জীর একেকটি উপন্যাস; যে-ধরনের লেখাকে ইংরিজিতে বলা হয় ‘ক্রশ-জঁর’।
ওয়াইল্ড-লাইফ ফটোগ্রাফার নীল যখন একটার পর একটা দুর্গম অরণ্যের মধ্যে দিয়ে হেঁটে যায়, তখন তার চোখ দিয়েই আমরা দেখে নিই সেই-সব অরণ্যের উদ্ভিদ আর প্রাণীজগতকে। নীলের চোখের দৃষ্টি প্রকৃতিকে ভালোবাসার দৃষ্টি।
মরুভূমির তপ্ত বালুর ওপর দিয়ে চলার সময় সেখানকার একজাতের সাপ যে শরীরের মাত্র দুটি বিন্দু মাটিতে ঠেকিয়ে রাখে, আর এক-প্রজাতির পাখি যে বাচ্চাদের জন্যে বুকের পালক ভিজিয়ে জল নিয়ে যায়, এমন সব আশ্চর্য সংবাদ আমাদের দিতে-দিতেই রাস্তা চলে নীল। প্রকৃতি-পর্যবেক্ষণের নেশা ধরিয়ে দেয় আমাদের মনে। আর বারবার মনে করিয়ে দেয়, এই পৃথিবী যতটা মানুষের ততটাই পশুপাখি, কীট-পতঙ্গের। ওদের বাদ দিয়ে আমরা বাঁচব না।
নীল চ্যাটার্জী যায়নি কোথায়! হিমালয়ের তুষার-প্রান্তর থেকে শুরু করে থর মরুভূমির উত্তপ্ত বালিয়াড়ি, প্রবালদ্বীপের সবুজ নির্জনতা থেকে শুরু করে মাটির গভীরে উল্কাপাথরের গুহায় তার রোমাঞ্চকর বিচরণ।
অর্থাৎ পটভূমিকার বৈচিত্র্যও নীল চ্যাটার্জীর কাহিনির বাড়তি আকর্ষণ।
পরিশেষে আমার অন্যান্য সমস্ত লেখার ভূমিকায় বহুবার যে-কথা বলেছি সেই-কথারই পুনরাবৃত্তি করে বলি, একজন লেখকের প্রধান কাজ জমাটি গল্প বলা। আমার বিশ্বাস, প্লট এবং গতিময় ঘটনাবলি নিয়ে সেই গল্প বলার কাজ নীল চ্যাটার্জী ভালোভাবেই করেছে।
এবার নীল চ্যাটার্জীর মোট সাতটি কাহিনি এক-মলাটের মধ্যে এল। পত্রভারতীর কর্ণধার ত্রিদিবকুমার চট্টোপাধ্যায়ের বিশেষ উদ্যোগেই এত বড় কাজটা সম্ভব হল। ধন্যবাদ জানাই ত্রিদিবদা এবং পত্রভারতী পরিবারের অন্যান্য ভাই-বোনেদের।
সৈকত মুখোপাধ্যায়
৩০ নভেম্বর, ২০২২
বিধান নগর






বাহ!
হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত এর এডভেঞ্চার সমগ্র 3 নম্বর টা দেবেন?
How to open and read
Book Content অংশ দেখুন।
অসাধারণ প্রয়াস। প্রশংসনীয় উদ্যোগ। শুভকামনা রইল। “মহেঞ্জোদারোর হারিয়ে যাওয়া রিপোর্ট ” বইটি যদি দেন, উপকৃত হব।