গৌরবময় গৌড়-বঙ্গ (শশাঙ্ক-সিরাজউদ্দৌল্লা) – কেদারনাথ গুপ্ত
গৌরবময় গৌড়-বঙ্গ (শশাঙ্ক-সিরাজউদ্দৌল্লা) – কেদারনাথ গুপ্ত
প্রথম প্রকাশ – মালদহ বইমেলা ২০১৮
.
করঞ্জ থেকে আগত ভট্টাচার্য্য বংশের বংশধর—রামকেলি নিবাসী
সুলতানী যুগের কবি (১৪১৫ শকাব্দ)
স্বর্গত চতুর্ভূজ ভট্টাচার্য্য,
রামাভিটা (চণ্ডীপুর) থেকে আগত মহতীপুর (মহদীপুর) নিবাসী
শতাব্দী প্রাচীন লেখক (১২৯৮ বঙ্গাব্দ)
স্বর্গত ধনকৃষ্ণ অধিকারী,
ধোবরা (শিবগঞ্জ) থেকে আগত মহদীপুর নিবাসী
আধুনিক কালের লেখক (১৯৯৬ খ্রীস্টাব্দ)
স্বর্গত কৃষ্ণকমল সরকার
স্মরণে৷৷
.
গ্রন্থ প্রসঙ্গে
প্রথমে স্বীকার করি—ইতিহাসে আমার জ্ঞান অত্যন্ত সীমিত। রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও আইনের এক অতি সাধারণ ছাত্র হয়ে ইতিহাস চর্চার মত দুঃসাহসিক কাজে আমার আগ্রহ জন্মে একমাত্র ইতিহাসকে ভালবেসে। প্রাচীন গৌড়নগরের মহদীপুরে আমার জন্ম ও বড় হয়ে ওঠা। ভূমিপুত্র হিসাবে কৌতূহলী মন নিয়ে ইতিহাস-ছড়ানো গৌড়ের পথ-প্রকৃতিতে, সৌধে, মাজারে, মন্দিরে-মসজিদে বিচরণ করে কেটেছে আমার শৈশব-কৈশোরের দিনগুলি। পরিণত বয়সে আরও গভীর হয়েছে আমার কৌতূহল। সেই থেকেই ইতিহাসের জন্য আমার কলম ধরা। এই গুরুতর কাজে হাত দিয়ে আমি দুঃসাহসিকতার পরিচয় দিয়ে ফেলেছি এবং ইতিহাস বিষয়ক গ্রন্থ প্রণয়নে পদে পদে নিজের অযোগ্যতা উপলব্ধি করেছি। আমার এই ধৃষ্টতা এবং ত্রুটি-বিচ্যুতি সুধী সমাজ ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন, এই নিবেদন রাখি।
ভারতবর্ষের চলমান ইতিহাসে মৌর্য, শুঙ্গ ও কুষাণ যুগের পশ্চাতে গৌড় খ্রীস্টীয় চতুর্থ শতকের মধ্যভাগ থেকে ষষ্ঠ শতকের মধ্যভাগ পর্যন্ত গুপ্তসাম্রাজ্যের একটি প্রদেশ ছিল, তৎপরবর্ত্তীকালে গুপ্ত সাম্রাজ্য মৌখরী সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়। রাজা মহাসেন গুপ্ত মালবে রাজত্ব করলেও তাঁর আনুগত্য ছিল উত্তর ভারতের সার্বভৌম শক্তির অধিকারী কনৌজের অধিপতি ‘মহারাজাধিরাজ’ উপাধিধারী মৌখরী রাজাদের প্রতি। সপ্তম শতাব্দীর সূচনাপর্বে গৌড়ের স্বাধীন ও স্বতন্ত্র অস্তিত্বের সূচনা করেন গৌড়াধিপ শশাঙ্ক নরেন্দ্র গুপ্ত।
বর্তমান গ্রন্থের বিস্তার সপ্তম শতাব্দীর সূচনাকালে শশাঙ্কের রাজত্বকাল থেকে অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষ অর্দ্ধের প্রারম্ভ কালে নবাব সিরাজউদ্দৌল্লার রাজত্বকালে পলাশীর প্রান্তরে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হবার সময় কাল পর্যন্ত। এই সুদীর্ঘকাল গৌড়-বঙ্গে নানা উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে, নানা রাজবংশের শাসকগণের রাজত্বকাল, তাঁদের রাজ্যের রাজধানী ও তাঁদের সমসাময়িক নৃপতিগণের সংক্ষিপ্ত পরিচয় পর পর আলোচনা করার চেষ্টা করেছি এই গ্রন্থে।
ইতিহাস রচিত হয় প্রাপ্ত লিপি, মুদ্রা, গ্রন্থ, ভ্রমণ বৃত্তান্ত প্রভৃতি ঐতিহাসিক উপাদানের উপর নির্ভর করে। ইতিহাসে শেষ কথা বলে কিছু নেই। ইতিহাসের উপাদানের ভিত্তিতে আজ যা সিদ্ধান্ত করা হয়, নতুনভাবে অধিকতর নির্ভরযোগ্য তথ্য আবিষ্কার হলে পূর্ব-সিদ্ধান্ত পুনরায় বিবেচনার বিষয় হতে পারে। নতুনভাবে আবিষ্কৃত সেই সকল ঐতিহাসিক উপাদানের আলোকে পূর্ব সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হতেই পারে বা ইতোমধ্যে হয়েছে।
প্রামাণ্য তথ্য ও উপকরণের অপ্রতুলতা হেতু বিশেষ করে প্রাচীন ও মধ্য যুগের ইতিহাস উদ্ধার করা অত্যন্ত শ্রমসাধ্য। ইতিহাসের গবেষকগণ নিরন্তর প্রচেষ্টায় রচনা করেছেন সেই সময়ের ইতিহাস।
সেই সব প্রণম্য লেখকগণের প্রামাণ্য গ্রন্থাবলীর মধ্যে সামান্য কিছু গ্রন্থ পাঠ করার সৌভাগ্য আমার হয়েছে এবং এই সব গ্রন্থগুলি বিশেষ সহায়ক হয়েছে বর্তমান এই গ্রন্থ প্রণয়নে। ব্যক্তিগত সংগ্রহ ছাড়া বেশির ভাগ গ্রন্থ মহদীপুর টাউন লাইব্রেরী, পিয়াসবাড়ী গ্রন্থাগার, মালদহ জেলাগ্রন্থাগার এবং সুহৃদ ব্যক্তিবর্গের সংগ্রহের গ্রন্থ, যেগুলি সাময়িক ভাবে পাঠ করার সুযোগ পেয়ে উপকৃত হয়েছি। সহায়ক গ্রন্থগুলির উল্লেখ করেছি এই গ্রন্থে।
এই গ্রন্থ প্রণয়নে ব্যক্তিগতভাব অনুপ্রেরণা পেয়েছি আমার শিক্ষক স্বর্গত কৃষ্ণকমল সরকার (মহদীপুর), মহঃ আইনুল হোসেন (কদমতলা), নির্মল কুমার দাস (বহরমপুর), সন্তোষ কুমার চক্রবর্তী (মালদহ) ও দেবকুমার বসু (কলকাতা) মহাশয়দিগের নিকট থেকে।
মহদীপুরে গবেষণারত সারজা ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ডঃ মহম্মদ ইউসুফ সিদ্দিক মহাশয়ের নিকট থেকে লিপি বিষয়ে এবং মুদ্রা বিষয়ে মহঃ নুরুল ইসলাম (মুদ্রা সংগ্রাহক, ঢাকা), সোমেশ দাস (মালদহ) মহাশয়দিগের অনুপ্রেরণা ও সাহায্য পাথেয় হয়েছে আমার পথ চলার।
পাল যুগের বিষয়ে প্রফেসর ডঃ অরুণ কুমার নাগ (বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়), শ্রী গোপাল লাহা (মালদা) মহাশয়দিগের পরামর্শ আমাকে সমৃদ্ধ করেছে। বিগত ১৯৭৪ সাল নাগাদ মহদীপুরে উঃ বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসহ গবেষণারত বিভাগীয় প্রধান ডঃ হরিপদ ভারতী মহাশয়ের গবেষণামূলক কাজকর্ম দেখে আমি ভীষণ অনুপ্রেরণা পেয়েছিলাম। পরবর্তীকালে সেই প্রেরণা আমার কাজে লেগেছে। উর্দু ও ফারসী গ্রন্থ এবং মুদ্রা ও লিপির ফটোকপি পাঠ করে আমাকে সাহায্য করেছেন মহদীপুর, কমদতলার মসজিদের মৌলবীগণ।
আমার যে কোন লেখার বিষয়ে সব সময় যাঁদের সাহায্য ও প্রেরণা পেয়েছি তাঁরা হলেন স্বর্গত অমিত গুপ্ত (মালদা) ও ডঃ দিলীপ কুমার দত্ত (হুগলী)। আমার বিশেষ অন্তরঙ্গ বন্ধু ড. দত্ত প্রবল অসুস্থতার মধ্যেও বর্তমান গ্রন্থের যথাযথ প্র&ফ সংশোধনে যে একনিষ্ঠ পরিশ্রম ব্যয় করেছেন, সে জন্য তাঁর কাছে আমি অশেষভাবে ঋণী। গ্রন্থটি প্রকাশ করে প্রকাশক জয়জিৎ মুখোপাধ্যায় আমাকে কৃতজ্ঞতার পাশে আবদ্ধ করেছেন। পরিবারের সকলের এবং সুহৃদবর্গের প্রেরণা পেয়েছি প্রভূত। সকলের কাছে আমি ঋণী ও কৃতজ্ঞ।
কেদারনাথ গুপ্ত
.
বাংলা
১. অতীতের মালদহ—প্রবাল রায়, পরিবেশক-পুস্তক বিপণি, কলকাতা৷
২. ইতিহাসের আড়ালে—শান্তা শ্রীমানী৷ পত্রলেখা; ৯/৩ টেমার লেন, কলকাতা৷৷
৩. গৌড় ও পাণ্ডুয়া—কালীপদ লাহিড়ী৷ মালদহ৷৷
৪. গৌড় কাহিনী—শ্রী শৈলেন্দ্র কুমার ঘোষ৷-ডি.এম.লাইব্রেরী,কলকাতা৷৷
৫. গৌড় পাণ্ডুয়ার ধারাস্নানে মালদহ—সুধীর কুমার চক্রবর্তী৷ বিশ্বজ্ঞান-টেমার লেন, কলকাতা৷৷
৬. গৌড় পাণ্ডুয়ার কাহিনী ও কিংবদন্তী—শ্রীকৃষ্ণকমল সরকার৷ প্রকাশক—শ্রীপুলককৃষ্ণ সরকার-মহদীপুর৷ মালদহ৷৷
৭. গৌড় বঙ্গের ইতিহাস ও সংস্কৃতি (প্রথমভাগ)—ভাস্কর চট্টোপাধ্যায়৷ প্রগ্রেসিভ পাবলিশার্স, কলকাতা৷৷
৮. গৌড় রাজ মালা—রমাপ্রসাদ চন্দ-অতিরিক্ত সংযোজন রাজবিবরণ রামপ্রাণ গুপ্ত৷ দেজ পাবলিশিং৷৷
৯. গৌড়ের ইতিহাস—রজনীকান্ত চক্রবর্তী সম্পাদনা-ড. মলয়শঙ্কর ভট্টাচার্য৷-দে’জ পাবলিশিং৷৷ কলকাতা৷
১০. গৌড়ের ঐতিহাসিক ভূগোল (প্রাক মধ্যযুগ)—রূপশ্রী চট্টোপাধ্যায়৷ ফার্মা কে.এল.এম প্রাঃ লিঃ, কলকাতা৷৷
১১. গৌড়ের কথা—প্রদ্যোত ঘোষ৷ পরিবেশক-পুস্তক বিপণি—কলকাতা৷৷
১২. গৌড়ীয় বৈষ্ণব সম্প্রদায়—চৈতন্য অবদানে-হাবুপাল৷ বিশ্ববাণী প্রকাশনী, কলকাতা৷৷
১৩. চৈতন্যভাগবত—বৃন্দাবন দাস৷ রাজেন্দ্র লাইব্রেরী, কলকাতা৷৷
১৪. ছায়া তরণী—সুখেন্দু শেখর রায়৷ দীপ প্রকাশন, কলকাতা৷৷
১৫. নবাবি আমলের মুর্শিদাবাদ সুশীল চৌধূরী, আনন্দ পাবলিশার্স, কলকাতা৷
১৬. পশ্চিমবাংলার গড় কেল্লা দুর্গ—নিশিকান্ত চট্টোপাধ্যায়৷৷
১৭. বঙ্গদর্পণ (প্রথমখণ্ড)-বাংলা ও বাঙালীর সহস্রাব্দ সন্ধান—প্রধান সম্পাদক—পবিত্র সরকার, কলকাতা৷
১৮. বরেন্দ্র অঞ্চলের ইতিহাস (রাজশাহী বিভাগ; ইতিহাস ও ঐতিহ্য)৷ গীতিধারা, ৩৮/২ ক বাংলা বাজার, ঢাকা৷৷
১৯. বাংলার ইতিহাস(প্রাচীন যুগ থেকে ১২০৪ খ্রীঃ) ড.মো.শাহজাহান৷ তূর্য প্রকাশন, ঢাকা৷৷
২০. বাংলার ইতিহাস (মোগল আমল) আব্দুল করিম৷ জাতীয় গ্রন্থ প্রকাশন, ঢাকা৷৷
২১. বাংলার ইতিহাস (সুলতানী আমল) আব্দুল করিম৷ জাতীয় গ্রন্থ প্রকাশন, ঢাকা৷৷
২২. বাংলা ও বাঙালী—শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকার (প্রথম সংস্করণ-৫-ই মার্চ ১৯৮৮), প্রকাশক-ধ্যানাত্মানন্দ অবধূত, কলকাতা৷৷
২৩. বাংলা দেশের নদনদী ও পরিকল্পনা—কপিল ভট্টাচার্য৷ বিদ্যোদয় লাইব্রেরী প্রাঃ লিঃ (২য় সংস্করণ)৷৷
২৪. বাংলার নদী কথা—কল্যাণ রুদ্র৷ সাহিত্য সংসদ, কলকাতা৷৷
২৫. বিক্রমপুরের ইতিহাস—যোগেন্দ্রনাথ গুপ্ত৷৷
২৬. ভারতের ইতিহাস—অতুল চন্দ্র রায়, প্রণব কুমার চট্টোপাধ্যায়৷ মৌলিক লাইব্রেরী, কলকাতা৷৷
২৭. ভারতের নদী—দিলীপ কুমার বন্দোপাধ্যায়৷ প্রকাশক—অশোক কুমার বারিক, কলকাতা৷৷
২৮. মধ্য যুগের গৌড়—শ্রী শৈলেন্দ্র কুমার ঘোষ৷ ভারত জ্যোতি প্রকাশনী, কলকাতা৷৷
২৯. মধ্য যুগের ভারত—তেসলিম চৌধুরী৷৷
৩০. মধ্যযুগের ভারতের ইতিহাস—সুলতানী আমল (ত্রয়োদশ থেকে ষষ্ঠদশ শতাব্দী)-অনিরুদ্ধ রায়৷ ওরিয়েন্ট ব্লাকসোয়ান প্রা. লি. কলকাতা৷৷
৩১. মহাপ্রভু ও বৈষ্ণবতীর্থ—নিশিকান্ত চট্টোপাধ্যায়৷ ভাস্বতী-কলিকাতা৷৷
৩২. মালদহ জেলার পুরাকীর্তি—প্রদ্যোত ঘোষ৷ প্রত্নতত্ত্ব ও সংগ্রহশালয় অধিকার তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগ, পশ্চিমবঙ্গ
৩৩. মালদহের ইতিবৃত্ত—ডঃ কৃষ্ণবন্ধু গোস্বামী৷ মালদহ৷৷
৩৪. মালদহ জেলার ইতিহাস চর্চা—সুস্মিতা সোম৷ দীপালি পাবলিশার্স, মালদহ৷৷
৩৫. মারাঠা শক্তির অভ্যুদয় ও বাংলায় বর্গীর হাঙ্গামা—শান্তিপ্রসন্ন বন্দ্যোপাধ্যায়৷ সাহিত্যশ্রী, কলকাতা৷৷
৩৬. মুদ্রা ও শিলালিপির আলোকে বাংলার হাবশী সুলতান ও তৎকালীন সমাজ—মুর্তজা বশীর৷ অ্যাডর্ন পাবলিকেশন, ঢাকা৷৷
৩৭. মুসলিম মুদ্রা ও হস্তলিখন শিল্প—ড.এ.কে.এম.ইয়াকুব আলী৷ অনন্যা, ঢাকা৷৷
৩৮. মুর্শিদকুলি খাঁর আমলের বাংলা—(১৭০০-১৭২৭)-শ্যামাপ্রসাদ বসু৷ দে’জ পাবলিশিং কলকাতা৷৷
৩৯. মোগল সম্রাটের অন্দরমহল—বারিদ বরণ ঘোষ, নাথ পাবলিসিং, কলকাতা৷
৪০. রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায় রচনাবলী—সম্পাদনা-দিলীপ কুমার বিশ্বাস, অমিতাভ ভট্টাচার্য৷ পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুস্তক পর্ষদ৷৷
৪১. রাজশাহীর ইতিবৃত্ত—এবনে গোলাম সামাদ৷ প্রীতি প্রকাশনী৷৷
৪২. শ্রীল শ্রীযুক্ত সনাতন গোস্বামী ও শ্রীরূপ গোস্বামীর জীবন চরিত্র—শ্রীধনকৃষ্ণ অধিকারী (১২৯৮ বঙ্গাব্দ)৷ আর্ট ইউনিয়ন প্রেস, কলকাতা৷৷
৪৩. শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত—শ্রী কৃষ্ণদাস কবিরাজ৷ গীতা প্রেস, গোরক্ষপুর৷৷
৪৪. সপ্তগ্রাম-স্মৃতিপত্র—(ইতিহাস ও সংস্কৃতি অনুসন্ধান বিষয়ক মুখপত্র); ব্যাণ্ডেল, হুগলী৷ অক্টোবর-২০০৬৷
English
1. Awards of The Apparatus of Empire Ranks, offices and Titles to the Mughal Nobility (1574-1658) —M. Athar Ali-Oxford University Press, New Delhi.
2. Archaeological Survey of India (report of a tour in Bihar ang Bengal in 1879-80)-Cunniughum.
3. Bengal District Gazetteers-Malda.-G. E. Lambourn,-The Bengal Secretariat Book Depot, Calcutta-1918.
4. Calligraphy and Islamic Culture; reflections on some new epigraphical discoveries in Gour and Pandua, two early capitals of Muslim Bengal.-Mohammad Yusuf Siddiq, University of Sharjah.
5. Excavation at Dum Dum Mound-2001-2003.-Archaeological Survey of India.
6. Excavation at mound adjacent to Baisgazi Wall. Known as Palace area of ancient Gour, Dostrict Maldah, West Bengal-2002-2003.-Archaeological Survey of India.
7. Excavation at Rajpat Mound-1998-2000.
(Khalisa Gosanimari, Koch Bihar, W.B)-Archaeological Survey of India.
8. Final Report on the Survey and Settlement Operations in the District of Malda-1928-1935 by M.O.Carter M.C, I.C.S. Settlement Officer. Govt of Bengal.
9. Gaud and Hazart Pandua-Syed Mahmudul Hasan.-Islamic Foundation Bangladesh.
10. The History of Bengal. Volume-II, Muslim Period 1200-1757
Edited by Sir Jadunath Sarkar, Published by-The University of Dacca Ramna, Dacca.
11. Memoirs of Gour and Pandua by Khan Sahib M. Abid Ali Khan of Maldah.-Published by-The Department of Information & Cultural Affairs, Govt of West Bengal.
12. The Nobility under Akbar and Jahangir A study of Family Groups—Afzal Husain. Reader in History, Aligarh Muslim University. Published by Ajay Kumar Jain for Manohar Publishers & Distributors, New Delhi.
13. Numismatic Supplement, Volume-One Supplement : I-XVI
(Reprinted from the Journal of the Asiatic Society of Bengal)
– The Asiatic Society 1972.
অনুবাদ
1. the ain-I-akbari by Abu-I-Fdal-Allami,
English Translation by Blochmann.
The Asiatic Society
2. bengal nawab – Containing:
3. Naubahar-I-Murshid Quli Khani – Azad-al-Husaini,
4. Muzaffarnamah– Karan Ali
5. Ahwal-I-Mahabat Jang—Yousuf Ali
Translated into English
by
Jadu Nath Sarkar
—The Asiatic Society, Kolkata.
6. tabakat-I-nasiri– by Maulana, Minhaj-ud-Abu-Umar -I-Usman. (Vol.-I & II)
Major H.G. Original Persian Manuscripts
The Asiatic Soceity
৭. তাবাকাত-ই-নাসিরী—মীনহাজ-ই-সিরাজ
বাংলা অনুবাদ ও সম্পাদনা—আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া
(২০, ২১, ২২ তবকত)
—সোপান পাবলিশার, কলকাতা৷
৮. তারিখ-ই-ফিরিশতা—মহাম্মদ কাশিম ফিরিস্তা (ফারসীগ্রন্থ)
উর্দু অনুবাদ—আব্দুল হাই খাজা, এম. এ. (১৯৮৩)
সকতার মিল্লাত দেওবান্দ, ইউ. পি.-২৪৭৫৫৪
৯. তারিখ-ই-ফিরুজশাহী—জিয়াউদ্দীন বারাণী
বাংলা অনুবাদ—গোলাম সামদানী কোরায়শী
সম্পাদনা—ড. আতাউল করিম
—সোপান পাবলিশার, কলকাতা৷
১০. বাংলার ইতিহাস (রিয়াজ-উস-সালাতিন)—গোলাম হুসেন সলীম
অনুবাদ ও সম্পাদনা—শ্রী রামপ্রাণ গুপ্ত—সোপান পাবলিশার
১১. বাহারীস্থান-ই-গায়বী—মির্জানাথান
বাংলা অনুবাদ—খালেকদাদ চৌধূরী
সোপান পাবলিশার্স, কলকাতা৷
১২. ভারতের মুদ্রা—পরমেশ্বরী লাল গুপ্ত, বাংলা অনুবাদ—অরুণ বিশ্বাস
ন্যাশনাল বুক ট্রাস্ট, ইণ্ডিয়া
১৩. মধ্যযুগের ভারত—একটি সভ্যতার পাঠ-ইরফান হাবিব৷
অনুবাদ শৌভিক
১৪. হোসেন শাহী আমলে বাংলা ১৪৯৪-১৫৩৮ একটি সামাজিক রাজনৈতিক
পর্যেষণা—মমতাজুর রহমান তরফদার
অনুবাদ-মোকাদ্দেসুর রহমান
বাংলা একাডেমী, ঢাকা


Leave a Reply