হৃদয়ের পদ্মবনে – ১৮

১৮

ঘুম ভেঙে ঘর থেকে বেরিয়ে ঋজু দেখল ভারি মনোরম এক সকাল হয়েছে। আশেপাশের বাড়িতে কেউ একজন হারমোনিয়ামে গলা সাধছেন, এক নাম না জানা পাখির ডাক শোনা যাচ্ছে, সূর্যের আলো এসে চৌহদ্দিতে পড়ছে গাছের ফাঁক দিয়ে।

গুরুজি তাকে ঘর থেকেই ডাকলেন, ‘এদিকে এসো ঋজু।’

ঋজু ঘরে ঢুকতে গুরুজি বললেন, ‘চন্দন একটু আগেই বেরোল। তুমি ঘুমাচ্ছিলে দেখে আর ডাকেনি। ওরা সবাই শ্মশানেই গেছেন। তুমি এক কাজ করো, অসসি ঘাট থেকে নৌকো নিয়ে চলে যাও। মণিকর্ণিকায় নেমে যাবে।’

ঋজু বলল, ‘ঠিক আছে গুরুজি। আমি এর আগে কোনোদিন শ্মশানে যাইনি।’

‘যাও বেটা। জীবনে অনেক কিছুই প্রথম বার করা উচিত। সাবধানে যাও।’

ঋজু বাথরুম সেরে বেরোল।

সকালে অসসি ঘাটে বেশ ভিড় হয়। গঙ্গা আর অসসি নদীর মিলনস্থল বলা হয় এই ঘাটকে। গঙ্গারতি হয় ভোর পাঁচটায়। কিছুদিন হল সন্ধ্যারতিও শুরু হয়েছে। তুলসীদাস এখানেই ‘রামচরিতমানস’ লিখেছিলেন। অসসি ঘাটের কাছেই রয়েছে তুলসী ঘাট।

সে নৌকো ভাড়া না করে প্রথম দিনের মতো শেয়ার নৌকোয় উঠে পড়ল। একশো টাকা নেয়। একটু পরেই নৌকো চলতে শুরু করল।

ঋজু নামগুলো পড়তে শুরু করল, গঙ্গামহল ঘাট, রেওয়ান ঘাট, তুলসী ঘাট, জানকী ঘাট… এক ঝাঁক পাখিকে নৌকো থেকেই খাবার দেওয়া হচ্ছে। পাখিগুলো বিক্ষিপ্তভাবে উড়ে তাদের সঙ্গেই যাচ্ছে। গঙ্গার উপর কুয়াশার আচ্ছাদন থাকলেও তা খুব বেশি নয়। ঘাটগুলো দেখা যাচ্ছে। নৌকোযাত্রীরা সোল্লাসে যাচ্ছে, কেউ আবার মা গঙ্গাকে উদ্দেশ করে মন্ত্র পড়তে শুরু করেছে।

একটু পরেই কেদার ঘাট চোখে পড়ল। কেদার ঘাটের নামও সে ‘পথের পাঁচালী’-তেই পেয়েছিল না? মনে করার চেষ্টা করল। বাড়ি গিয়ে আবার পড়তে হবে। নৌকো আরও এগিয়ে চলল। একজন চিৎকার করে বলল, ‘ওই যে রাজা ঘাট, অমৃতরাও ঘাটও বলে একে।’

কয়েকজন যাত্রী কী বুঝল কে জানে, রাজা ঘাটের উদ্দেশে প্রণাম করা শুরু করল।

মণিকর্ণিকার কাছে এসে নৌকো যখন পৌঁছাল, ঋজুর চোখে পড়ল আঁখি সিঁড়ির উপর দাঁড়িয়ে আছে। এই সোয়েটারটা ও আগেও পরত। লাল-কালো রঙের। শীত পড়লেই বেরিয়ে আসত আলমারি থেকে। আঁখি শীতকাতুরে। ঠান্ডা পড়লে সোয়েটার পরে কাঁপতে কাঁপতে ছাদে গিয়ে বসে রোদ পোহাত।

দ্বিতীয় বিয়ের পর কি আঁখির অন্য সোয়েটার পরা উচিত ছিল? একই সোয়েটার পরে মেয়েটা তার বাড়িতেও থাকত, এই বাড়িতেও থাকবে?

সে একটা কাজ করতে পারে। ঝিমলির থেকে ওর শ্বশুরবাড়ির ঠিকানা নিয়ে বেনামে একটা সোয়েটার আঁখির কাছে পাঠাতে পারে। খুব কি বেখাপ্পা হয়ে যাবে ব্যাপারটা? ঠিক হবে না বোধ হয়। ঝিমলি বলছিল ওরা নাকি খুব রক্ষণশীল পরিবার।

ঋজু আর কাউকে দেখল না। এগিয়ে গিয়ে আঁখিকেই জিগ্যেস করল, ‘বাকিরা কোথায়?’

আঁখি বলল, ‘ওদিকটায় আছে। আমি ওসব দেখতে পারব না। তুমিও নিশ্চয়ই পারবে না?’

ঋজু ইতস্তত করে বলল, ‘একবার শেষ দেখা দেখে আসি।’

আঁখি ভ্রু কুঁচকাল, ‘কী ব্যাপার বলো তো? আমি জানি না, এরকম কিছু হচ্ছে নাকি? ঝিমলি কিন্তু অনেক ছোট।’

ঋজু স্তম্ভিত হয়ে গেল, আঁখি এই কথা বলতে পারে সে ধারণা করতে পারেনি। সে বলল, ‘এটা তুমি কী বললে? মাথায় এল কী করে? তুমি আমাকে চেনো না?’

আঁখি চুপ করে গেল। ঋজু কয়েক সেকেন্ড দাঁড়িয়ে শ্মশানের দিকে রওনা হল। অসংখ্য চুল্লি, আগুন দেখামাত্র তার বুক ধড়ফড় করা শুরু হল। চন্দনদা তাকে দেখে এগিয়ে এসে বলল, ‘এই, তোর আসতে হবে না। তুই ওই সিঁড়ির দিকে যা।’

ঋজু বলল, ‘গুরুজি যে বললেন দেখতে!’

‘গুলি মার গুরুজিকে। এখানে তুই থাকতে পারবি না। যা।’

ঋজু আর দাঁড়াল না। তাড়াতাড়ি পেছন ফিরে আঁখির সঙ্গে বেশ খানিকটা দূরত্ব রেখে সিঁড়িতে গিয়ে বসল।

একটা দেহকে লাঠি দিয়ে খোঁচানো হচ্ছিল। সেটা দেখে ঋজুর মাথা ঘুরছে।

‘চায়ে ভাইসাব?’

সেই পরিচিত চা-ওয়ালা এসে দাঁড়িয়েছে।

সে বলল, ‘দিজিয়ে।’

চা-ওয়ালা চা দিতে দিতে বলল, ‘আপনি ফিরবেন না? বেনারসেই থেকে যাবেন?’

ঋজু বলল, ‘কেন? আমি যে তোমার থেকে রোজ রোজ চা কিনছি, তোমার ভালো লাগছে না?’

চা-ওয়ালা বলল, ‘না না ভাইসাব, সেটা বলছি না। এত দিন তো কাউকে বেনারসে থাকতে দেখি না। আপনাকে রোজ দেখি তাই জিগ্যেস করলাম। এখানে কেউ ইউনিভার্সিটিতে থাকে, কেউ ঘুরতে আসে। আপনাকে দেখে মনে হচ্ছে আপনি ঘুরতেই এসেছেন।’

ঋজু বলল, ‘হ্যাঁ ঘুরতেই এসেছিলাম। ফেরার সময়ও হয়ে এল। তুমিও কি স্থানীয়?’

চা-ওয়ালা বলল, ‘না। আমার সাসারামে বাড়ি। সেই কবে চলে এসেছিলাম। এখন এখানেই থাকি। মাঝে মাঝে বাড়ি ফিরি। এখন অনেকে আসে এখানে। ফেব্রুয়ারি অবধি আমি বেনারসেই থাকব, তারপর হোলির দু’দিন আগে চলে আসি, প্রতিবছর একই রুটিন থাকে আমার।’

ঋজু বলল, ‘এখানে কোথায় থাকো?’

চা-ওয়ালা বলল, ‘অনেক ঘুপচি আছে। আমিও একটা দখল করে থেকে যাই। কত ধরমশালা আছে ভাইসাব। ভোলেবাবার দুনিয়ায় উনিই দেখে রাখছেন। আমরা তো কয়েক দিনের অতিথি। আপনারও নিশ্চয়ই বেনারসে এত দিন থাকার প্ল্যান ছিল না। উনিই ঠিক রেখে দিয়েছেন আপনাকে।’

ঋজু হাসল, ‘তাই হবে।’

চা-ওয়ালা চলে যেতে ঋজু উঠে একবার শ্মশানের দিকে দেখার চেষ্টা করল। আঁখি বলল, ‘ইম্প্রেশন তৈরি করার চেষ্টা করছ নাকি? আমার বাপের বাড়িতে আমাকেই ভিলেন বানিয়ে দিতে চাইছ?’

ঋজু বলল, ‘আট হাজার টাকা দিয়ে বুকিং করেছিলাম ওই ঘরটা। যেদিন মাসিরা এল, সেদিন বেনারসে এত রাশ, অন্য কোথাও ঘর পেলাম না। মাসিদের জিগ্যেস করে দেখতে পারো, ওরাও নিশ্চয়ই চেষ্টা করেছিলেন। কিছুই পাননি। তারপর যেগুলো ঘটল, সেখানে আমার কোনো হাত ছিল না। আর আমি কিছুই করিনি, চন্দনদারাই করেছে। তোমার জানা উচিত, আমি এগুলো সহ্য করতে পারি না।’

আঁখির চোখের তলায় এক রাতেই কালি পড়ে গেছে।

সে বলল, ‘একা একা ঘুরে বেড়াচ্ছ?’

ঋজু বলল, ‘হ্যাঁ। একাই ঘুরছি।’

‘ভালোই আছ।’

ঋজু বলল, ‘হ্যাঁ। খারাপ থাকব কেন?’

আঁখি চুপ করে গেল। ঋজু চা শেষ করে ভাঁড়টা ফেলে দিয়ে এসে আবার সিঁড়িতে বসল। ঝিমলি বিধ্বস্ত হয়ে এসে আঁখিকে ধরে কাঁদতে শুরু করল। ঝিমলিকে ধরে বসাল আঁখি। ঝিমলির দু’চোখ ভর্তি জল। আঁখিও নিঃশব্দে কাঁদছিল।

ঋজু উঠে চলে যাচ্ছিল, ঝিমলি বলল, ‘যেও না ঋজুদা। প্লিজ থাকো।’

আঁখি বলল, ‘কেন? ও কী করতে থাকবে?’

ঝিমলি বলল, ‘ঋজুদা থাকলে মনে হয় আমার নিজের দাদা এখানে আছে। ঋজুদা না থাকলে আমাদের কী হতো বল তো?’

আঁখি কিছুটা লজ্জা পেল ঝিমলির কথায়। সে অন্য কিছু সন্দেহ করছিল। সে বলল, ‘ও শ্মশানে ভয় পায়। হাসপাতালেও। তাই বললাম।’

ঝিমলি বলল, ‘শ্মশানে যেতে হবে না। এখানেই থাকুক।’

আঁখি হাল ছেড়ে দিল, ‘ঠিক আছে, থাকুক। প্রবীর এলে কিন্তু আমার সমস্যা হবে।’

ঋজু দূরে গিয়ে বসেছিল। ওদের কথা তার কানে যাচ্ছিল না।

ঝিমলি বলল, ‘আমি জানি তুই এখনও ঋজুদাকে ভালোবাসিস।’

আঁখি বলল, ‘এসব বলিস না ঝিমলি। এরকম কিছুই হয়নি। আমি এখন খুব ভালো আছি।’

ঝিমলি বলল, ‘ছাই ভালো আছিস। কেমন ভালো আছিস আমি জানি। এসব কথা বলিস না।’

আঁখি বলল, ‘তুই-ই বা এসব তুলছিস কেন? বলিস না। প্লিজ।’

ঝিমলি চোখ মুছে সোজা হয়ে বসল, ‘ঠিক আছে, বলব না। কিন্তু ঋজুদাকে কোথাও যেতে বলবি না।’

আঁখি বলল, ‘আমি আছি, সেটাই যথেষ্ট না?’

ঝিমলি বলল, ‘না। আমার তোদের দু’জনকেই লাগবে।’

আঁখি বলল, ‘এসব কী বলছিস বল তো? তুই একটু সামলা নিজেকে। এরকম বলিস না।’

ঝিমলি বলল, ‘আর কত সামলাব? অনেক সামলেছি।’

আঁখি ঝিমলির মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে দিতে বলল, ‘আচ্ছা, চুপ কর। সব ঠিক হয়ে যাবে।’

‘কিচ্ছু ঠিক হবে না।’

‘ঠিক আছে। কিচ্ছু ঠিক হবে না।’

দশাশ্বমেধ ঘাটের দিক থেকে একদল দর্শনার্থী এদিকের গেট থেকে মন্দিরের দিকে ঢুকছে। ঋজু সেটাই দেখছিল। একদল নিম্ন-মধ্যবিত্ত বাঙালি। কত বিশ্বাস নিয়ে এত দূরে তারা পুজো দিতে এসেছেন! সেদিন দশাশ্বমেধ ঘাটেই চেয়ারে বসে অপেক্ষা করতে করতে কানে এসেছিল এক মা তার ক্যান্সার আক্রান্ত ছেলেকে নিয়ে পুজো দিতে এসেছেন। মন্দিরের লাইনের কথাটাও মনে পড়ল, কত মানুষের কত মানত থাকে। অলডাস হাক্সলির ‘বেনারস’ ছিল তাদের মাধ্যমিকে। ইংরেজি স্যার পড়াতে পড়াতে বলেছিলেন, ‘এত কিছুর পরেও বলব, দেশভেদে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গির তফাত থাকতেই পারে। বড় তির্যক এই লেখা।’

স্যার যথেষ্ট আবেগবর্জিত মানুষ ছিলেন। এখানে বসে থেকে স্যারের সেই মন্তব্যটাই হঠাৎ মনে পড়ে গেল তার।

আঁখি গলা তুলে বলল, ‘চন্দনদাকে ফোন করে দ্যাখো কত দূর কী এগোল।’

ঋজু চন্দনদাকে ফোন করল। ফোন রিং হয়ে গেল। ঋজু বলল, ‘ব্যস্ত আছে। বসো আপাতত।’

আঁখি কিছু বলল না। শ্মশানের দিকে দেখতে পারছে না ঋজু। কত মানুষের এত দিনের জীবন কত সহজে ছাই হয়ে যাচ্ছে। যত বার আগুনটা দেখছে, মাথায় এই চিন্তাটাই আসছে বার বার। এত ঝগড়া, এত লড়াই, এত কাদা ছোড়াছুড়ি, সব কিছুকে তুচ্ছ করে অগ্নিশিখা আকাশ স্পর্শ করছে। এত দিন এখানে ঘুরেছে, চিতার আগুন দেখে মাথায় কিছুই আসেনি। শুধু দেখেছে সে। এখন এই চিতাগুলোর মধ্যে একটায় মেসোর চিতা আছে ভাবলে পার্থক্যটা বুঝতে পারছে ঋজু।

গুরুজি কেন তাকে সব দেখতে বলছিলেন? এই উপলব্ধিটা নেবার জন্যই কি?

সে দেখতে পারল না। দেখা সম্ভব নয়।

যে লোকটার সঙ্গে এই এলাকাতে চব্বিশ ঘণ্টা আগেই ঘুরেছে, কথা বলেছে, তাকে পুড়তে দেখতে হবে! ভদ্রলোকের শেষ ইচ্ছা কী ছিল? চম্পারণ মাটন খাওয়া?

অফিসের পিকনিকে আজকাল মাটন হয়ই না। সিনিয়ররা মাটন ছেড়ে দিয়েছেন। অনেকেই ছেড়েছে। সেও হয়তো এরপর ছেড়ে দেবে।

শ্মশানে কত চিতার কাঠ এনে সাজানো হয়েছে! আরও কত মানুষ চলে গেছেন, বছরের প্রথম দিনে তাদের পোড়ানো হবে। কী নির্মম সত্যি এই মৃত্যু!

না চাইতেও চোখ চলেই যাচ্ছিল।

একবার ওদিকটায় তাকাতেই মাসিকে দেখতে পেল সে। এক জায়গায় দাঁড়িয়ে চুল্লির দিকে তাকিয়ে আছেন।

সে আঁখির কাছে গিয়ে বলল, ‘মাসিকে ডেকে নাও। একা দাঁড়িয়ে আছেন।’

আঁখি উঠে দাঁড়াল, ‘ঠিক আছে, নিয়ে আসছি।’ তারপর মাসির দিকে এগোল।

আঁখি যেতেই ঝিমলি বলল, ‘সবাই মিলে এসেছে। দিদিকে একা পাঠানো যেত না? তা না, গুষ্টি নিয়ে চলে এসেছে। আজকে পোড়াবে, তারপর দল বেঁধে বেনারস ঘুরবে। যেন পিকনিক হচ্ছে।’

ঋজু দীর্ঘশ্বাস ছাড়ল। তার ঠাকুরদা যখন মারা যান, তখন সে সেভেনে পড়ে। বাবা-কাকারা ঠাকুরদাকে পুড়িয়ে আসার পর পিসির ছেলেমেয়েরা এল। একটু কান্নাকাটির পর কখনোই মনে হয়নি মৃত্যু দুঃখের হতে পারে। বরং বেশ আনন্দ হয়েছিল ওই দিনগুলোয়। ঠাকুরদা অনেক বছর বয়সে মারা গেছিলেন বলে হয়তো ব্যাপারটা দৃষ্টিকটু মনে হয়নি। কিন্তু কেউ অকালে চলে গেলে এই আনন্দটা লোকজন কীভাবে করে কে জানে!

সে ঝিমলিকে বলল, ‘আমার এবার চলে যাওয়াই ভালো ঝিমলি। আমি থাকলে তোমার দিদিই অপ্রস্তুত হবে ওর শ্বশুরবাড়ির লোকজনের কাছে, তাই না?’

ঝিমলি অবুঝের মতো বলল, ‘ওদের বলবে না কেউ তুমি কে, তাহলেই হবে।’

ঋজু বলল, ‘তা কি হয়? সবাই সব বুঝে যাবে।’

মাসিকে নিয়ে আঁখি বসাল। মাসির সিঁদুর মোছা হয়েছে। ঋজুর অস্বস্তি হচ্ছিল। হঠাৎ করে সিঁদুর মুছে গেলে দেখার অভ্যাসটাই পুরো পালটে যায়। এত দিন ধরে একভাবে দেখা, এখন আবার অন্যভাবে। ঝিমলি মা’কে জড়িয়ে কাঁদতে শুরু করল আবার। ঝিমলির কাঁধে হাত রেখে আঁখি বোঝানোর চেষ্টা করল। কোনো লাভ হল না…

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *