সবুজ সরণি – ১০

।।দশ।।

২০ মে দুপুর তিনটে থেকে ২০ মে রাত পৌনে এগারোটা

.

পটনা শহরটা খুব ঘিঞ্জি। তার মধ্যে মিঠাপুর বাসস্ট্যান্ড আরও ঘিঞ্জি। পাশাপাশি দৌড়চ্ছে টিনের ডাব্বার মতো ভাঙাচোরা বাস আর অত্যাধুনিক এসি বাস। ট্রাফিক সিগনাল উপেক্ষা করে রিকশা আর অটো, ম্যাজিক ট্যাক্সি আর টেম্পো, ট্রাক আর লরি একে অপরকে টপকানোর খেলায় মেতেছে। এবং এরা কেউ অ্যাম্বুল্যান্সের হুটারকে পাত্তা দিচ্ছে না। মিঠাপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে পটনা-অওরঙ্গাবাদ রোড হয়ে একত্রিশ নম্বর জাতীয় সড়কে আসতে অনেকটা সময় লাগল প্রান্তরের। ন্যাশনাল হাইওয়েতে পড়েও শাস্তি নেই। ঘণ্টায় ষাট কিলোমিটারের উপরে স্পিড তোলা যাচ্ছে না। যখন-তখন রাস্তায় এসে পড়ছে গরু-ছাগল-মানুষের পাল। ঠান্ডা মাথায় গাড়ি চালাচ্ছে প্রান্তর।

প্রান্তরের পাশের আসনটি ফাঁকা। রিমুল শুয়ে আছে পিছনে, পার্টিশনের ওপারে। প্রান্তর তাকে দেখতে পাচ্ছে না। রিমুলের পাশে দু’টি চেয়ার আছে। স্বপন আর সরল সেখানে বসে আছেন। সরল যে প্রান্তরের পাশে বসেননি, এই জন্যে সে কৃতজ্ঞ। উনি বসলে প্রান্তরের মানসিক চাপ বাড়ত।

চুপচাপ গাড়ি চালাচ্ছিল প্রান্তর। ইন্টারকমের পিক পিক শুনে ঘোর কাটল। একত্রিশ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে পটনা থেকে বখতিয়ারপুর পর্যন্ত এসে ডানদিকে বাঁক নিয়ে সে ধরেছে কুড়ি নম্বর জাতীয় সড়ক। পেরিয়ে এসেছে বিহার শরিফ আর পাওয়াপুরি। সামনেই নওয়াদা। সেখানে কুড়ি নম্বর আর আট নম্বর জাতীয় সড়ক কাটাকুটি খেলেছে। এখন ছ’টা বাজতে যায়। এই সময় স্বপনের ফোন কেন? রিমুলের শরীর ঠিক আছে তো? গাড়ি চালাতে চালাতে ড্যাশবোর্ডের দিকে তাকাল প্রান্তর। স্টিয়ারিংয়ের পাশে রাখা ইন্টারকমের রিসিভার তুলে বলল, “হ্যালো?”

স্বপন বললেন, “মিস্টার সেন চা খাওয়ার জন্য দাঁড়াতে বলছেন। “ প্রাস্তার বলল, “ আমরা হাইওয়েতে লং ড্রাইভ এনজয় করতে আসিনি যে নিজেদের ইচ্ছে মতো দাঁড়াব আর চা খাব। আমাদের সঙ্গে পেশেন্ট আছে।”

স্বপন নিচু গলায় বললেন, “ওঁর বয়স হয়েছে। একবার বাথরুম যাবেন।”

প্রান্তর কথা না বাড়িয়ে কুড়ি আর আট নম্বর জাতীয় সড়কের কাটাকুটিতে অবস্থিত গণপতি সুইটসের পাশের পেট্রোল পাম্পে অ্যাম্বুল্যান্স ঢোকাল। সরল বাথরুমে যাচ্ছেন আর স্বপন চা কিনছেন। এই সময় অ্যাম্বুল্যান্সের ট্যাঙ্কি ফুল করে নিল প্রান্তর পিছনের দরজা খুলে টুক করে অ্যাম্বুল্যান্সের ভিতরে উকি মেরে দেখল।

গাড়ির মধ্যে অপার্থিব নীল রঙের আলো। নীলচে আলোর মধ্যে মুখে অক্সিজেনের মাস্ক লাগিয়ে শুয়ে থাকা রিমুলকে দেখে মনে হচ্ছে জলকন্যা। সদ্য সমুদ্র থেকে উঠে বেলাভূমিতে বসে পাখনা আর ল্যাগকে বিশ্রাম দিচ্ছে। ডাঙার মানুষ দেখতে পেলেই জলে ঝাঁপ দেবে।

জলকন্যা প্রান্তরকে দেখে মুখ টিপে হাসল। বলল, “আমিই বাবাকে বললাম বাথরুমে যেতে। বাবা না নামলে তোর সঙ্গে দেখা হত না।”

রিমুলের হাতগুলো নীলচে, সরু আর পাতলা। মনে হচ্ছে পোর্সেলিনের তৈরি। সেই হাত স্পর্শ করে প্রান্তর বলল, “বাকি রাস্তায় এই রকম আর করিস না। এখন এইসব ছোটখাটো দেরি গায়ে লাগছে না। রাস্তায় একবার জ্যামে ফেঁসে গেলে কপাল চাপড়ানো ছাড়া উপায় থাকবে না।”

রিমুল প্রান্তরের দিকে তাকিয়ে মৃদু হেসে বলল, “তুই যা। বাবা এবার চলে আসবে।”

অ্যাম্বুল্যান্সের পিছনের দরজা বন্ধ করে চালকের আসনে বসল প্রান্তর। স্বপন জানলার পাশে এসে এক ভাঁড় চা এগিয়ে দিয়ে বললেন, “কথা হয়ে গেল।” তাঁর চোখে ঝিলমিল করছে হাসি।

প্রান্তর লজ্জা পেয়ে গিয়েছে। গাল দিয়ে ভাপ বেরচ্ছে, কান গরম হয়ে গিয়েছে। নিজের অনুভূতি লুকিয়ে, ভাঁড় হাতে নিয়ে বলল, “এর পরে কিন্তু একেবারে রাতের খাওয়ার জন্যে দাঁড়াব। তার আগে কোথাও না।

“ঠিক আছে! তুমি যা বলবে!” খালি ভাঁড় ফেলে দিয়ে আর একবার প্রান্তরের দিকে তাকিয়ে হাসলেন স্বপন। পিছনের দরজা খুলে গাড়িতে উঠে গেলেন। প্রাপ্তর ইঞ্জিনে স্টার্ট দিল।

নওয়াদা থেকে কুড়ি নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে সাঁ সাঁ করে দৌড়চ্ছে অ্যাম্বুল্যান্স। রাস্তায় গাড়ি সেরকম নেই। প্রান্তর তাও একশো কিলোমিটার প্রতি ঘন্টার চেয়ে জোরে গাড়ি চালাচ্ছে না। চারদিক অন্ধকার। হেডলাইটের আলোয় দেখা যাচ্ছে সামনে পড়ে রয়েছে রিমুলের চুলের ফিতের মতো রাস্তা। কালো, অন্তহীন। প্রান্তর যাচ্ছে…

*

বালিগঞ্জ স্টেশনের পাশের সাইকেল স্ট্যান্ডে রাখা রয়েছে গোলাপি আর কালো সাইকেল। সাইকেল স্ট্যান্ডটি চালান যে মাঝবয়সি ভদ্রলোক তিনি দুই সাইকেলের মালিকদের এক পলক দেখেই ভুরু কুঁচকেছেন। দামড়া ছেলেটার সঙ্গে পরির মতো সুন্দরী মেয়েটির ছুটি তাঁর পছন্দ নয়। কিন্তু এখন ঘোর কলি। এই সব পাপ সহ্য করতে হয়। হাবেভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন যে ব্যাপারটা ভাল চোখে দেখছেন না।

ওভারব্রিজের সিঁড়িতে খবরের কাগজ পেতে বসে রিমুল খিলখিল করে হাসছে, “লোকটার মুখ-চোখ দেখেছিস? মনে হয় আমাদের ভস্ম করে দেবে!”

“আমাদের নয়। শুধু আমাকে,” প্রান্তরও হাসছে।

“জানি। ওই জন্যেই তো আমিই লোকটার সঙ্গে কথা বললাম, “ কণ্ঠস্বরে হালকা ন্যাকামি এনে রিমুল বলে, “কাকু-উ-উ। সাইকেলটা রাখছি কিন্তু আমরা ঘন্টাখানেক বসব, হ্যাঁ।”

“তুই যখন কথা বললি তখন লোকটা তোর দিকে দিকে না তাকিয়ে আমায় কটমট করে দেখে।

“জানি রে! জালিম দুনিয়ায় এই রকমই হয়।”

“শোন না,” প্রাপ্তর উত্তেজিত, “রঘুবীর কিছু একটা আন্দাজ করেছে। গ্রুপ স্টাডির সময়ে আমাকে বাঁকা বাঁকা কথা বলল।

“কী বলল!” পাশঝোলা থেকে টিফিন কেরিয়ার বের করে প্রান্তরকে লুচি আর আলুর দম খাইয়ে দিচ্ছে রিমুল।

“তুই কি আদৌ লেখাপড়া করছিস? মনে তো হয় না। দেখিস বাবা! পবিত্রস্যারের নাম ডোবাস না,” রঘুবীরের বলার ধরন নকল করছে প্রান্তর। “রঘুবীর আর স্বপনটা কী পড়তে পারে রে বাবা।” উত্তেজিত রিমুল, ‘পবিত্রস্যারের মক টেস্টে একশোয় একশো পায়। ওরা মানুষ না রোবট?”

“আমি এখনও পর্যন্ত চল্লিশের বেশি পাইনি,” হতাশ প্রান্তর। “আর আমি পঞ্চাশের বেশি পাইনি। মক টেস্টে নাইন্টি পার্সেন্টের বেশি না পেলে মেডিক্যাল এন্ট্রান্স ক্র্যাক করা যাবে না।”

“লেখাপড়ার কথা বাদ দে তো,” বিরক্ত হয়ে বলত প্রান্তর। এদিক-ওদিক তাকিয়ে রিমুল বলল, “ওভারব্রিজের সিঁড়ির এই যে জায়গাটায় আমরা বসে আছি, নাম দিলাম ছায়াতলা।

“ছায়াতলা? সে আবার কী রকম নাম। ধর্মতলা, কদমতলা, বাদামতলা, ঝাউতলা, নিমতলা… অনেক রকম ‘তলা’ শুনেছি। ছায়াতলা মানে কী?’

“সিঁড়ির উপরে যে শেড রয়েছে, তার ছায়ায় আমরা বসেছি। বসেছি তো? না বসিনি।” প্রান্তরকে বোঝানোর চেষ্টা করছে রিমূল, “সেই জন্যেই এই জায়গাটার নাম ছায়াতলা।

“তা হলে কি শকুনের তলাকে শকুন্তলা বলা হবে।” নিরীহ প্রশ্ন প্রান্তরের।

রিমুল তার মাথায় চাঁটি মেরে বলল, “পারভার্ট! পারভার্ট! পারভার্ট! তুই এত অসভ্য কেন? তোর নাম আজ থেকে প্রান্তর তলাপাত্র দিলাম।”

প্রান্তর হ্যা হ্যা করে হাসছে। বলছে, “আয়রন সাইড রোডের নাম মল্লিকারন, বালিগঞ্জ স্টেশনের সিঁড়ির নাম ছায়াতলা, বাড়ির নাম আইসক্রিম, বয়ফ্রেন্ডের নাম প্রান্তর তলাপাত্র। তোকে অবিলম্বে কলকাতা কর্পোরেশনের নামকরণ কমিটির চেয়ারম্যান করে দেওয়া উচিত।’

এই রকম কোনও কমিটি আছে না কি?” চোখ বড়-বড় করে জানতে চাইছে বিমুল।

“আছে বলে মনে হয়। না থাকলে আমি এই মুহূর্তে কমিটিটা তৈরি করলাম,” লুচি-আলুর দম খাওয়া শেষ করে বলল প্রান্তর। ওভারব্রিজ থেকে স্টেশনে নেমে জলের কলে টিফিন কৌটো ধুয়ে আনল। বসল রিমুলের পাশে।

তারপর থেকে রোজই দেখা হত ছায়াতলায়। দু’জনে চুপটি করে বসে থাকত। খুব কম কথা হত। দু’জনে তাকিয়ে দেখত আকাশে আজ অনেক বেশি তারা। কখনও পুর্ণিমার চাঁদ দেখা যেত। কখনও পঞ্চমীর। শীতকাল এলে দু’জনে দু’জনের দিকে আর একটু কাছিয়ে বসত। বর্ষাকালে এক ছাতার নীচে জবুথবু হয়ে বসে থাকত। গরমকালে এদিক-ওদিক তাকিয়ে, কেউ নেই দেখে, অ্যালুমিনিয়াম পেন্ট দিয়ে রং করা ওভারব্রিজের রেলিংয়ে ডট পেনের নিব দিয়ে আঁচড়ে আঁচড়ে লিখে রাখত, আর পি’। না, পুরো নাম লেখার সাহস ওরা দেখায়নি। রিমুলের চেনা কেউ বালিগঞ্জ স্টেশন দিয়ে যাতায়াত না করলেও প্রান্তরের প্রতিবেশীরা নিয়মিত এই ওভারব্রিজ ব্যবহার করে।

ওরা কেন ওভারব্রিজের সিঁড়িতে বসে থাকত। আজ, এত বছর পরে সে সব কথা মনে পড়ে না প্রাপ্তরের। অথবা পড়ে। সে মনে রাখতে চায় না। তার স্মৃতিতে জাগরাক হয়ে আছে মসজিদ থেকে ভেসে আসা আজানের সুরেলা ধ্বনি, যা শুনলেই মন পবিত্র হয়ে উঠতে চায়। কালীপুজোর সময়ে আকাশে অনেক ফানুস উড়ত, দুর্গাপুজোর ভাসানের সময়ে বেজে উঠত ঢাকের শব্দ। হেমন্তকালে হিম পড়ত আর বাড়ির ছাদে দেখা যেত আকাশপ্রদীপ। ছাতিম ফুলের গন্ধে থকথক করে কাশত রিল। এই শহরের ছাতিম গাছদের এড়িয়ে চলত ওরা। যেমন এড়িয়ে চলত নিজেদের অভিভাবক আর বন্ধুদের। ক্রমশ নিজেদের তৈরি করা পলকা একটা কোকুনের মধ্যে ঢুকে যাচ্ছিল দু’জনে। সেই কোকুনের মধ্যে শারীরিক ভাবে উপস্থিত থাকত রোজ ঘণ্টাখানেকের জন্যে কিন্তু মানসিক ভাবে প্রতিটি দিনের প্রতিটি মুহূর্ত, অনেক বছর বাদে যার ইংরেজি নাম হবে টুয়েন্টি ফোর ইন্ট সেভেন’।

ওদের সেই নিরাপদ আশ্রয়ের গায়ে বৈদ্যরাজ ডিকে লোধের পোস্টার মারা হত, কেসি পাল সাদা রং দিয়ে লিখে যেতেন ‘সূর্য পৃথিবীর চারদিকে ঘোরে’, কাকেরা মিটিং বসাত, চোরকাঁটার ঝোপ বড় হত, কাগজফুলের গাছ লতিয়ে উঠত, বাচ্চারা ডাংগুলি আর বুড়িবসন্ত খেলত, শৈশব পিছন থেকে দৌড়ে এসে পিঠে কিল মেরে বলত ‘ধাপ্পা’।

কাল্পনিক নিরাপত্তা বলয়ে বসে ওরা বুঝতে চাইত এই সম্পর্কের ভবিষ্যৎ কী! ওরা আলাদা-আলাদা ভাবে বুঝতে পারছিল যে এই সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নেই। সামাজিক ভাবে দু’জনে দু’জনার থেকে সহস্র যোজন দূরে থাকে। প্রেম নামের অলৌকিক টান দিয়ে তা অতিক্রম করা যাবে না। বয়স আর একটু বেশি হলেই ওরা এই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসত। কিন্তু কাঁচা বয়সে অ্যাডভেঞ্চার করতে ভাল লাগে। ওরা তাই লেগে রইল। গালে গাল ঠেকিয়ে ছায়াতলায় বসে থাকত ওরা। গোলাপি আর কালো সাইকেল হ্যান্ডেলে হ্যান্ডেল ছুঁয়ে অপেক্ষা করত স্ট্যান্ডে। স্ট্যান্ডের মালিক রিমুল আর প্রান্তরের দিকে আর রাগত দৃষ্টিতে তাকাতেন না। নরম গলায় বলতেন, “লেখাপড়া করছ? নাকি শুধু এইসব!”

রিমুল গলার আওয়াজে খুকি খুকি ভাব এনে বলত, “সন্ধেবেলা এইসব করি। বাকি সময়টা লেখাপড়া।

ততদিনে স্ট্যান্ডের মালিক জেনে গিয়েছেন এদের ধরনধারণ। তিনি বিড়ি ধরিয়ে বলতেন, “বাকি সময়টা জুড়ে লেখাপড়া? ঘুমোও না?”

সেদিন সাইকেল স্ট্যান্ড থেকে বেরিয়ে রিমুল বলল, “আজ থেকে আমি ওঁর নাম দিলাম ‘ডাবল ক্যারি।”

“এই রকম নামের কারণ?” জিজ্ঞেস করল প্রাপ্তর। সে জেনে গিয়েছে অদ্ভুত এবং যুক্তিহীন কোনও একটা কারণ বেরবে।

“উনি সাইকেল স্ট্যান্ড চালানোর পাশাপাশি গার্জেনগিরি ফলান। একটা ক্যারিয়ারের পিছনে আর একটা ক্যারিয়ার ক্যারি করছেন। তাই।”

প্রান্তর আবারও হা হা করে হাসছে।

বারহি চলে এসেছে। এইখানে বাঁ দিকে ঘুরে উনিশ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরল প্রান্তর। আড়চোখে দেখে নিল, রাত পৌনে এগারোটা বাজে। এখনও পর্যন্ত যাত্রা নির্বিঘ্ন হয়েছে। রাতের খাবারের জন্যে এবার দাঁড়ানো উচিত সরলকে ধাবায় ঢুকিয়ে দিয়ে রিমুলের সঙ্গে একবার দেখা করে নিতে হবে।

গাড়ির গতি আস্তে করে দিয়ে সে দেখতে লাগল কোথায় দাঁড়ানো যায়। অবশেষে গোবিন্দপুর খালসা ধাবাটি পছন্দ হল। রাস্তার ধারে, দুটো টাকের মাঝখানে অ্যাম্বুল্যান্স দাঁড় করাল সে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *