ময়না বলো কৃষ্ণ রাধে – অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
স্বয়ম্ভু সেনের তৃতীয় রহস্যকাহিনি
[পুজোর শহরে একের পর এক অদ্ভুত খুন। গার্হস্থ্য হিংসার শিকার যে মহিলারা, এই শহরে খুন হচ্ছে তাঁরা। খুনি তাদের অভিনয় ও মেকআপ শেখার টোপ দিচ্ছে। তারপর খুন করছে। এখানেও টুইস্ট আছে। যে মহিলারা মুখ বুজে সব সহ্য করছে, খুনি তাদেরকেই মারছে। লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগের স্বয়ম্ভু সেন ও শিবাঙ্গী বসু তদন্তে নামে। সঙ্গে রাজারাম ও কৌশিক। খুনি ভিকটিমদের সামনে আসছে। ফাঁসাচ্ছে। কিন্তু কেউ খুনিকে চিনতে পারছে না। সিসিটিভি ফুটেজ, সারকমস্ট্যানশিয়াল এভিডেন্স সব ফেইল। কোথাও ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেই। ফুটপ্রিন্টও নেই। ফোন করছে, মেসেজ করছে কিন্তু লোকেশন মিলছে না। স্বয়ম্ভুর চারপাশে ছলনার মুখোশ পরে গোল গোল করে ঘুরে বেড়াচ্ছে কতগুলো মানুষ, বাণীকণ্ঠ, মন্দাকিনী, দিব্যময়, অতনু, বিমল, আয়ুষ্মান, সোমনাথ, কমলিনী এমনই আরও— আরও কিছু মুখ। আর আছে একটা শালিক পাখি। যার দুনিয়ায় পাপ বলে কিছু নেই। মিথ্যে বলে কিছু নেই। সবটাই সত্যি। কিন্তু সত্যি বলে কি আদৌ কিছু আছে?
নিজের টিমকে নিয়ে হারিয়ে যাচ্ছে স্বয়ম্ভু। ফেরার পথ দেখাবে কে?]
.
ময়না বলো কৃষ্ণ রাধে – অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
গার্হস্থ্য হিংসার শিকার যাঁরা বোবা হলে মরবে তাঁরা!
Myna Bolo Krishna Radhe
By Avishek Chattopadhyay
প্রথম প্রকাশ – জানুয়ারি, ২০২৬
প্রচ্ছদঃ কৃষ্ণেন্দু মণ্ডল
.
যাদের খেলার পুতুল ভেঙে গেছে প্রলয় ঝড়েতে!
.
*বিশেষ কৃতজ্ঞতা*
ডক্টর পারমিতা গাঙ্গুলি (সাইকোলজিস্ট)
ডক্টর জয়দীপ গাঙ্গুলি (পালমোনোলজিস্ট)
উজ্জ্বল হালদার (পুলিশ)
.
ভূমিকা
বিজ্ঞান আশীর্বাদ এবং অভিশাপ।
মানুষের বুদ্ধিও একাধারে আশীর্বাদ ও অভিশাপ।
অপরাধ শনাক্ত করে অপরাধীকে ধরার পন্থা যত বাড়ছে, অপরাধীর অপরাধ করার পন্থাও তত পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। ইঁদুর-বিড়ালের এই ছোঁয়াছুঁয়ি খেলায় প্রাণ যেতে বসেছে সাধারণ মানুষের। এ কাহিনির প্রতিটা পদক্ষেপে বিজ্ঞানের সঙ্গে টক্কর দিয়েছে মানুষের শুভ ও অশুভ বুদ্ধি। আর নিয়তির মতো অমোঘ অস্ত্র হাতে দাঁড়িয়ে আছে সমাজ এবং মানুষের মন। বারবার মেরুদণ্ডে আঘাত হেনে ভেঙে দিচ্ছে ঘুরে দাঁড়াবার শক্তিকে। ‘আমিও পারি, আমিও পারব’ এই কথায় বিশ্বাস করছে না কেউ। সবাই ভাবছে, ‘যদি ফেঁসে যাই! মুখ খুললেই তো মরতে হবে।’
অতএব, মুখে আঙুল দিয়ে চুপ থাকো। কিন্তু সমাজে সবাই তো চুপ করে সহ্য করার জন্য জন্মায় না। তাঁরা বলে, তাঁরা করে। অন্তত করার চেষ্টা করে। শুধু, উলটো স্রোতে চলার নেশায় হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়ে তাঁরা! কখন যে তাঁদের মুখের কথায়, হাতের কাজে, মস্তিকের ভাঁজে টাটকা রক্তের নেশা ধরে যায় সেটা তাঁরা নিজেরাও জানে না।
অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
.
১৯৮৫ সালের ২২ জানুয়ারি কলকাতায় লেখকের জন্ম। ইতিহাসে স্নাতকোত্তর। লিখতে, সিনেমা দেখতে ও গান লিখতে ভীষণ ভালোবাসেন। সিনেমা বানানো তাঁর প্যাশন। তাঁর বানানো শর্ট ফিল্মের ঝুড়িতে এসেছে নানান পুরস্কার। এই বইটি লেখকের দ্বাদশতম বই।






শ্রীকান্ত মঞ্জিলের রহস্য by ভাস্বর চট্টোপাধ্যায়, এই বই টি পারলে আপলোড করুন pls।
thank u thank u than k u for this,,
erokm aro thriller golper boi plz deben,,,,
again thank u a lott
অসংখ্য ধন্যবাদ এই গল্পটি দেওয়ার জন্য।
Bani basur shakombhorir dwip uponyasti please upload korben
Splendid..
এই সিরিজ এর সব বই chai
Ei series er total 3 te boi ache… 3 tei ekhane ache