প্রথম পর্ব : প্রবন্ধ
দ্বিতীয় পর্ব : শিতালং-গীতি সংগ্রহ

শিতালং শাহ চর্চার রূপরেখা : নন্দলাল শর্মা

শিতালং শাহ চর্চার রূপরেখা – নন্দলাল শর্মা

বাংলাদেশ গানের দেশ, মরমী সাধকদের দেশ। এদেশে অগণিত মরমী সাধক জন্মগ্রহণ করেছেন। জীবন ও জগৎ সম্পর্কে তাঁদের উপলব্ধি বিচিত্র ও বহুমুখী। তাঁদের চিন্তাচেতনার প্রতিফলন ঘটেছে তাঁদের মরমী গানে। তাঁদের গান কেবল মরমী দর্শন চেতনাকেই সমৃদ্ধ করে নি, মরমী সংগীতের ধারাকেও করেছে সঞ্জীবিত।

বাংলা লোক সংগীতে আমাদের লোকায়ত জীবনের বহুযুগের অর্জিত ধ্যানধারণা প্রতিফলিত হয়েছে। মরমী সাধকগণ স্থান কাল পাত্রের ঊর্দ্ধলোকে গভীর চিন্তায় মগ্ন হয়ে পরিবেশকে অতিক্রম করে সর্বকালের সর্বদেশের মানুষকে ভালবেসেছেন এবং স্রষ্টার মহাশক্তি অন্তরে উপলব্ধি করে তাঁর কাছে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করেছেন। সম্প্রদায় চিন্তা ও রাজনীতি চিন্তার ঊর্দ্ধে মহৎ জীবনচর্চা ছিল তাঁদের মূল লক্ষ্য। তাঁদের গানের বাণী ও সুর লোকায়ত জনজীবনকে যুগযুগ ধরে আনন্দের বন্যায় প্লাবিত করে তুলেছে।

শিতালং শাহ (১২০৭–১২৯৬ বঙ্গাব্দ) আমাদের মরমী সাহিত্যের এক উজ্জ্বল জ্যোতিষ্ক। তাঁর “গানগুলির মধ্যে ইসলামি ভাবধারার একটা প্রবল স্রোত পরিলক্ষিত হয়। তাঁহার হৃদয়ের আকুলতা গানগুলির মধ্যে সুন্দরভাবে ধরা পড়িয়াছে। একটি আশ্চর্যের ব্যাপার এই যে গোড়া মাদ্রাসা শিক্ষিত সাধু ব্যক্তি বৈষ্ণবের প্রাণ রাধাকৃষ্ণ কাহিনী অবলম্বন করিয়া অজস্র গান রচনা করিয়াছেন। হিন্দু মুসলমানের সম্মিলিত সাধনার ইহা একটা প্রকৃষ্ট উদাহরণ বলা যাইতে পারে। রাধাকৃষ্ণ প্রতীক মাত্র—আল্লাহ রসুল তাঁহার প্রকৃত কাম্য।” (মুহম্মদ মনসুর উদ্দিন, হারামণি ৭ম খণ্ড, ২য় সংস্করণ, বাংলা একাডেমী ১৯৭৮, পৃ. ২৭) সিলেটি নাগরি লিপিতে শিতালং শাহ এর গান সংকলিত হয়েছে। ‘মুশকিল তরান’, ‘কিয়ামত নামা’ ও ‘রাগবাউল’ নামে তিনি তিনটি পাণ্ডুলিপি তৈরি করেছিলেন বলে চৌধুরী গোলাম আকবর সাহিত্যভূষণ তাঁর ‘সিলেটি নাগরী পরিক্রমা’ (১৯৭৮) গ্রন্থে জানিয়েছেন। তাঁর গান মুখে মুখে গীত ও প্রচারিত হয়েছে। শিতালং শাহ্ তাঁর গান ছাপার হরফে প্রকাশ করতে নিষেধ করেছিলেন বলে জানা যায়। তাই তাঁর গান দীর্ঘকাল মুদ্রিত হয়ে প্রকাশিত হয়নি।

শিতালং শাহ-এর গানের আদি সংগ্রাহক মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন সাহিত্যরত্ন (১৮৯২-১৯৬৫) এবং পণ্ডিত মুহাম্মদ আবদুল বারী (১৯০১-১৯৬৯)। মুহাম্মদ আবদুল বারী সাময়িকপত্রে শিতালং শাহ সম্পর্কে আলোচনার সূত্রপাত করেন। ১৩৩৫ বঙ্গাব্দের ‘শিক্ষাসেবক’ (শিলচর থেকে প্রকাশিত) পত্রিকায় বৈশাখ সংখ্যায় তাঁর প্রবন্ধ ‘শ্রীহট কাছাড়ের মোশেম পল্লীসাহিত্য’ প্রকাশিত হয়। এতে তিনি শিতালং শাহ্-এর কয়েকটি গানের উল্লেখ করেন। ১৩৪২ বঙ্গাব্দের শ্রাবণ সংখ্যা মাসিক ‘মোহাম্মদী’তে তিনি শিতালং শাহ সম্পর্কে একটি প্রবন্ধ প্রকাশ করেন। ‘শিক্ষাসেবক’ পত্রিকায় ‘বিজনকুসুম’ শীর্ষক ধারাবাহিক প্রবন্ধে তিনি শিতালং শাহ-এর গান প্রকাশ করেন। চতুর্থ বর্ষ দ্বিতীয় সংখ্যায় (কার্তিক ১৩৩৫) চারটি এবং তৃতীয় সংখ্যায় (মাঘ ১৩৩৫) একটি গান প্রকাশিত হয়।

আবদুল গফ্ফার দত্ত চৌধুরী (১৯১১-১৯৬৬) এবং গুরুসদয় দত্ত (১৮৮২-১৯৪১) শিতালং শাহের গান সংগ্রহ করেছিলেন। আবদুল গফ্ফার দত্ত চৌধুরীর সংগৃহীত একটি পাণ্ডুলিপিতে শিতালং শাহ-এর পাঁচটি গান পাওয়া গেছে। গুরুসদয় দত্ত সিলেটের গান সংগ্রহ করে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে জমা দিয়েছিলেন। ১৯৬৬ সালে গুরুসদয় দত্ত এবং ড. নির্মলেন্দু ভৌমিক সম্পাদিত ‘শ্রীহট্টের লোক সঙ্গীত’ গ্রন্থটি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশ করেছে। এতে শিতালং শাহ-এর নয়টি গান সঙ্কলিত হয়েছে।

মরমী কবি সৈয়দ জহুরুল হোসেনের পুত্র সৈয়দ মোরতাজা আলী শিতালং শাহের গানের প্রথম সংকলন প্রকাশ করেন। ১৯৪৭ সালে তিনি প্রকাশ করেন ‘শিতালঙ্গি রাগ’ প্ৰথম খণ্ড। এতে কয়েকটি গান সংকলিত হয়।

অধ্যাপক যতীন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য (১৯০৫-১৯৯০)-এর ‘বাঙ্গালার বৈষ্ণব ভাবাপন্ন মুসলমান কবি’ গ্রন্থটি ১৯৪৯ সালে শ্রীহট্ট সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশিত হয়। এতে শিতালং শাহের একটি গান সংকলিত হয়। গ্রন্থটির দ্বিতীয় সংস্করণ ১৯৬২ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশ করে। যতীন্দ্রমোহন ভট্টাচার্যের ‘বাঙ্গালার বৈষ্ণব ভাবাপন্ন মুসলমান কবির পদমঞ্জুষা’ গ্রন্থটি ১৯৮৪ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশ করেছে। এতে সংকলিত হয়েছে শিতালং শাহের ৫৮ টি গান।

অধ্যাপক মুহম্মদ মনসুর উদ্দিন (১৯০৪-১৯৮৭)–এর ‘শিতালং শাহের গান’ প্রবন্ধটি ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয় মাসিক ‘দিলরুবা’ পত্রিকায়। পৌষ ১৩৬৯, শ্রাবণ-কার্তিক ১৩৭০ এবং পৌষ-মাঘ ১৩৭০ এই তিন সংখ্যায় প্রবন্ধটি প্রকাশিত হয়। মুহম্মদ মনসুর উদ্দিন সংকলিত ও সম্পাদিত ‘হারামণি’ সপ্তম খণ্ডে (দ্বিতীয় সংস্করণ বাংলা একাডেমী ১৯৭৮) শিতালং শা–এর ১৩৮টি গান সংকলিত হয়েছে।

মোঃ সিরাজদ্দীন কাশিমপুরী-এর ‘শিতালং শাহের গান’ প্রবন্ধটি মাসিক মাহেন ও পত্রিকায় প্রকাশিত হয় ১৩৬৫ বঙ্গাব্দের আষাঢ় সংখ্যায়।

১৯৬৭ সালের ৬ই মে ঢাকা বেতারকেন্দ্র থেকে সপ্তাহ কাল ব্যাপী এক লোককৃষ্টি সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এ উপলক্ষে বেতারে প্রচারিত হয় বাইশটি কথিকা কথিকাগুলো ১৯৬৮ সালের জুন মাসে ‘পূর্ব পাকিস্তানের লোককৃষ্টি’ গ্রন্থে প্রকাশিত হয়। মতিন উদ্দীন আহমদ (১৯০০–১৯৮০) এর ‘মরমী কবি ফকির শিতালং শাহ’ প্রবন্ধটি বেতারে প্রচারিত এবং উক্ত গ্রন্থে (পৃ. ২৪-২৮) সংকলিত হয়। ‘সাধক কবি শিতালং শাহ’ নামে তাঁর একটি দীর্ঘ প্রবন্ধ ১৩৮৬ বঙ্গাব্দের বৈশাখ সংখ্যা সিলট একাডেমী পত্রিকায় (সম্পাদক মুহম্মদ আসাদ্দর আলী) প্রকাশিত হয়।

চৌধুরী গোলাম আকবর সাহিত্যভূষণ (১৯২১-১৯৮৮)-এর ‘সুফি সাধক মোঃ ছলিম উরপে শিতালং শাহ’ প্রবন্ধটি মাসিক আল ইসলাহ (বৈশাখ-ভাদ্র ১৩৭১) পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। প্রবন্ধটি পরে লেখকের ‘জালালাবাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য’ (১৯৯৮) গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে। চৌধুরী গোলাম আকবর শিতালং শাহ-এর গানের শ্রেষ্ঠ সংগ্রাহক। তাঁর সংগৃহীত শিতালং শাহের একত্রিশটি গান বাংলা একাডেমী প্রকাশিত ‘লোক সাহিত্য সংকলন’ প্রথম খণ্ডে (১৯৬৩) প্রকাশিত হয়েছে। ‘লোক সাহিত্য সংকলন’ ৪০শ খণ্ডে। (খোন্দকার রিয়াজুল হক সম্পাদিত, ১৯৮৫) তাঁর সংগৃহীত শিতালং শাহের আটটি গান প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর সংগৃহীত ১৭০টি গানের একটি পাণ্ডুলিপি তাঁর জ্যেষ্ঠপুত্র জালালাবাদ লোকসাহিত্য পরিষদের সম্পাদক চৌধুরী হারুন আকবরের কাছে সংরক্ষিত আছে।

অধ্যাপক সুধীর চন্দ্র পাল (১৯১৫-১৯৮৫)-এর সাধক কবি শিতালং শাহ (রাধারমণ ও হাছন রাজা) মাসিক জালালাবাদ পত্রিকায় প্রকাশিত হয় ১৩৭২ বঙ্গাব্দের পৌষ (২য় বর্ষ ১২শ সংখ্যা) মাসে।

মুহম্মদ নূরুল হক (১৯০৭-১৯৮৭) ‘সিলহেটের পল্লী কবিগণ’ শীর্ষক প্রবন্ধটি তৎ সম্পাদিত মাসিক আল-ইসলাহ পত্রিকায় ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশিত হয়। এতে তিনি শিতালং শাহ সম্পর্কে আলোচনা করেন ১৩৬৯ বঙ্গাব্দের বৈশাখ-আশ্বিন (৩১শ বর্ষ ১ম-৬ষ্ঠ সংখ্যা) সংখ্যায়।

জাহান আরা বেগমের ‘বাংলাদেশের মরমী সাহিত্য’ (বাংলা একাডমী ১৯৭৬) গ্রন্থে শিতালং শাহ সম্পর্কে আলোচনা আছে (পৃ. ৫৬-৫৯)।

ফজলুর রহমান (১৯২৩-২০০১)-এর ‘সিলেটের মাটি ও সিলেটের মানুষ’ (১৯৯১) এবং ‘সিলেটের একশত একজন’ (১৯৯৪) গ্রন্থে শিতালং শাহ-এর জীবনী প্রকাশিত হয়েছে। লেখকের ‘সিলেটের মরমী সঙ্গীত’ (১৯৯৩) গ্রন্থে শিতালং শাহের সংক্ষিপ্ত পরিচিতিসহ বিশটি গান সংকলিত হয়েছে।

মুহম্মদ আসাদ্দর আলীর ‘(১৯২৯-২০০৫) ‘সিলেটের মরমী সাহিত্যের অব্যাহত ধারা’ (১৯৮২) গ্রন্থে শিতালং শাহ-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতিসহ একটি গান সংকলিত হয়েছে।

ড. এস.এম. গোলাম কাদির (জন্ম ১৯৩৩)-এর ‘সিলেটি নাগরি লিপি, ভাষা ও সাহিত্য শীর্ষক অভিসন্দর্ভ (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৮৫)-তে শিতালং শাহ সম্পর্কে মূল্যবান আলোচনা স্থান পেয়েছে। অভিসন্দর্ভটি ১৯৯৯ সালে বাংলা একাডেমী থেকে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়েছে।

মোহাম্মদ আবদুর রহিম জকি (জন্ম ১৯৪১) ১৯৭৭ সালে সুনামগঞ্জ সরকারি জুবিলি উচ্চ বিদ্যালয় বার্ষিকী ‘সুরমা তরঙ্গ’-এ শিতালং শাহ-এর জীবনী আলোচনা করেন। তাঁর সংগৃহীত ও সংকলিত ‘সূফি সাধক শিতালং শাহ’ গ্রন্থটি ১৯৯১ সালে প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থে শিতালং শাহ-এর ৮৯টি গান সংকলিত হয়েছে।

দেওয়ান নূরুল আনোয়ার হোসেন চৌধুরী (জন্ম ১৯৩৯)-এর ‘জালালাবাদের কথা’ (১ম সংস্করণ বাংলা একাডেমী ১৯৮৩; পরিবর্ধিত ২য় সংস্করণ বাংলা একাডেমী ১৯৯৭) গ্রন্থে শিতালং শাহ-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি সহ আটটি গান সংকলিত হয়েছে।

আবদুল মতিন চৌধুরী (১৯৩৫-১৯৯৯)-এর ‘লোক সাহিত্যে সিলেট’ (১ম খণ্ড ১৯৮৬) গ্রন্থে শিতালং শাহ-এর নয়টি গান সংকলিত হয়েছে।

সৈয়দ মোস্তফা কামাল (জন্ম ১৯৪৩)-এর ‘ঐতিহ্যের সোনালী অধ্যায় সিলেটের লোক সাহিত্য প্রসঙ্গে’ (১৯৮৮) গ্রন্থের নবম অধ্যায়ে (সিলেটের মরমী-ঐতিহ্য : আধ্যাত্মিক উত্তরাধিকার) শিতালং শাহ্-এর একটি গান সংকলিত হয়েছে। তাঁর ‘সুরময় ভুবনে ছয় মরমী কবি’ (১৯৯৬) গ্রন্থের ‘সুফি সাধক শিতালং’ প্রবন্ধে শিতালং শাহ-এর জীবন কথাসহ কয়েকটি গান সংকলিত হয়েছে। শিতালংশাহ এর গানের তাত্ত্বিক, আধ্যাত্মিক; কাব্য ও ভাষাতাত্ত্বিক মূল্য আলোচিত হয়েছে লেখকের ‘সূফীসাধক শিতালংশাহ’ (১৯৯৭) গ্রন্থে।

বরাক উপত্যকা বঙ্গসাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্মেলন স্মরণিকা (১৩৯৮) তে প্রকাশিত হয়েছে ড. কামালুদ্দিন আহমেদ-এর প্রবন্ধ ‘বরাকের সংস্কৃতি চেতনায় শিতালং শাহ’।

মহবুবুল বারীর (জন্ম ১৯৪৮) ‘মরমী সাধক শিতালং শাহ’ প্রবন্ধটি প্রকাশিত হয়েছে কেন্দ্রীয় ঈদ-এ-মিলাদুন্নবী উদযাপন কমিটি শিলচর-এর মুখপত্র ‘দীপ শিখা’ (বিশ্বনবী সংখ্যা ১৯৮৭) তে

শামসুল করিম কয়েস (জন্ম ১৯৫০)-এর ‘বাংলা সাহিত্যে সিলেট’ (২য় খণ্ড ১৯৮৯) গ্রন্থে শিতালং শাহ সম্পর্কে দীর্ঘ আলোচনা স্থান পেয়েছে।

ড. অমৃত লাল বালার গবেষণা প্রবন্ধ ‘শিতালং শাহের গান’ প্রফেসর মযহারুল ইসলাম সম্পাদিত ‘ফোকলোর’ (২য় বর্ষ ২য় সংখ্যা জুলাই-ডিসেম্বর ১৯৯১)-এ প্রকাশিত হয়েছে।

ড. মোঃ আবদুল মুসাব্বির ভূঁঞা এর অভিসন্দর্ভ ‘Jalalabadi Nagri : A unique Script & Literature of Sylheti Bangla’ (বদরপুর, আসাম, আগস্ট ২০০০) গ্রন্থে শিতালং শাহ সম্পর্কে আলোচনা আছে।

আবদুল হামিদ মানিক-এর ‘শাহ সুফি শিতালং আমার অনুভবে’ প্রবন্ধটি দৈনিক জালালাবাদ’-এ প্রকাশিত হয়েছে ২০০০ সালের ১৩ই আগস্ট।

হারুন আকবরের ‘মরমী সাহিত্যের প্রাণ পুরুষ-সুফি সাধক শিতালং” প্রকাশিত হয়েছে— মাসিক ভিলেজ ডাইজেস্ট পত্রিকায় ২০০০ সালের অক্টোবর-নভেম্বর মাসে।

শিতাংল শাহ-এর দ্বি-শততম জন্মবার্ষিকী অতিবাহিত হওয়ার পর তাঁর গানের আলোচনাক্ষেত্র ক্রমেই সম্প্রসারিত হচ্ছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *