1 of 2

বিদ্বান বনাম বিদুষী – ৫০

।। পঞ্চাশ।।

লালবাজার থেকে বেরোতেই নমিতার কাছে ভাইস চ্যান্সেলরের ফোন এল ‘নমিতা, তুমি মানালি যাওনি শুনছি?’

‘না জয়ন্তদা, একটা খুব দরকারি পার্সোনাল কাজে আটকে গেছি। আপনাকে পরে একদিন সব বলব। কাল আপনি আমায় একটু সময় দিতে পারবেন প্লিজ? একটা খুব ক্রিটিকাল কাজ আছে।’

ভিসির মেজাজ খুব ভালো মনে হলো—‘আমি এখন ফ্রি আছি, যদি তুমি আসতে চাও তবে চলে এসো। একটা বিরাট সারপ্রাইজ আছে।’

‘এখন? ঠিক আছে আমি আসছি।’ ফোন নামিয়ে নমিতা মিস বসাককে বলল, ‘ভিসিকে একটু জানিয়ে রাখলে সুবিধা হবে। আমাকে ইউনিভার্সিটি যেতে হবে। আপনাকে কোথাও নামিয়ে দিই?’

‘আমি ট্যাক্সি নিয়ে নেব,’ মিস বসাক বললেন। ‘আপনি যান, ওটা খুব দরকারি।’

নমিতা গাড়ি নিয়ে ইউনিভার্সিটি পৌঁছাল। সন্ধ্যা হয়ে গেছে, সিঁড়িতে হলওয়েতে উজ্জ্বল আলো জ্বলছে। নমিতা তাড়াতাড়ি দৌড়াল ভিসির অফিসের দিকে। ভিসির ভার্বাল অ্যাপ্রুভালটা পেয়ে গেলে আজকালের মধ্যেই কমিটি ফর্ম করে ফেলবে।

বাইরের অফিসে ভিসির সেক্রেটারি শ্যামলী কম্পিউটারে কাজ করছিল। নমিতাকে দেখে মুখ উজ্জ্বল করে রহস্যময় হাসি দিয়ে বলল, ‘স্যার বলেছেন তুমি আসছো।’

ভিতরে ভাইস চ্যান্সেলর অফিসে খুব খুশিতে উচ্চকণ্ঠে কারোর সঙ্গে কথা বলছিলেন। নমিতা ঢুকতেই উনি বললেন, ‘আরে নমিতা এসো এসো। দেখ কে এসেছেন আমার অফিসে। হোয়াট আ প্লেজেন্ট সারপ্রাইজ! আমাদের ইউনিভার্সিটির গর্ব। আমার তো খুবই গর্ব হয় এটা বলতে যে আমি এঁর সিনিয়র ছিলাম।’

নমিতা মানুষটার হাস্যমুখের দিকে তাকিয়ে জীবনের সবচেয়ে বড় ঝটকাটা খেল।

ড. পৃথুযশ ভৌমিক!

.

2 Comments

unfinished???

very interesting….

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *