।। ঊনত্রিশ।।
দু’দিন জমিদারবাড়িতে গোপীচরণের খাতিরদারিতে তুষ্ট রবিন সাহেব এবার ফিরিঙ্গি কুঠিতে পদার্পণ করল। জমিদারবাড়ির আদর আপ্যায়নের পর কুঠির আটপৌরে ইট-কাঠের কঙ্কালসার কক্ষ তাকে বেশ দমিয়ে দিল। কোথায় জমিদারবাড়ির শয়নকক্ষে চিনাংশুক আবৃত আবলুশ কাঠের লৌহসদৃশ পালঙ্ক, আর কোথায় এই সৈন্যদের ব্যারাকের মতো পাশাপাশি রাখা আটপৌরে লৌহ- খট্টা। বহির্বাটীতে দেওয়ালে ঠেস দিয়ে দাঁড় করানো দুটো বড় বড় কাঠের আলমারি। একটাতে সৈনিকদের পোশাক ঠাসা, নীচের তাকে নানা সাইজের জুতো, অন্য আলমারিতে বড় বড় ম্যাপ, কম্পাস ও অন্যান্য কাগজপত্রে ঠাসা। কক্ষের মাঝে একটি ডিনার টেবিল আর আটটি চেয়ার। অন্তঃপুরে দুটো ঘর। প্রতিটিতে একটি করে পালঙ্ক, ইজিচেয়ার, আর একদিকে একটি রাইটিং ডেস্ক। রবিন সাহেবের আর্দালি, পাইকেরা বাইরের তাঁবুতে থাকছে। এত বিরক্তি সত্ত্বেও সেটা এই নেটিভদের সামনে প্রকাশ করা যাবে না।
সকালে জমিদারবাড়ি থেকে আনা স্বাদু প্রাতরাশ পরিতোষ সহকারে ভোজনের পর সাহেব বারান্দাতে শিক ঢুকিয়ে বন্দুকের নল পরিষ্কার করছে আর মাঝে মাঝে কাল্পনিক লক্ষ্যে এক চোখে তাকিয়ে বন্দুকের নিশানা করছে। রবিন সাহেবের চিবুকের নিম্নভাগের চর্বির আধিক্যে তার গলা অন্তর্ধান করেছে মনে হচ্ছে। রবিন সাহেব বন্দুক সেই অবস্থাতেই রেখে বলল, ‘মালিক, ওই দূরের জঙ্গলে হরিণ থাকে?’
গোপীচরণ মল্লিক নিজে সকাল সকাল সাহেবের কাছে চলে এসেছে যাতে ডিঙাডুবিতে সাহেবের সেবার এতটুকু ত্রুটি না হয়। কিন্তু জঙ্গলে শিকার শুনে সে একটু দমে গিয়ে সাহেবকে এড়াতে বলল, ‘জিভকাটির জঙ্গলে কখনো যাই না হুজুর। কেউই যায় না।’
‘কেন?’
‘সাপ আর ডাকাতের ভয়ে। আর জঙ্গল-বাদাড়ে কাদাজমি, চোরাবালি আছে, জোঁক, কুমির-’ যা যা বিপজ্জনক সরীসৃপের নাম গোপীচরণের মাথায় এল সে বলে যেতে লাগল।
‘কাওয়ার্ড,’ সাহেব বলল বটে, কিন্তু গোপীচরণ মল্লিক বেশ বুঝতে পারল যে সাহেবের সাহস হঠাৎ কমে গেল। সাহেবকে উৎসাহ দিতে গোপীচরণ মল্লিক বলল, ‘জিভকাটির জঙ্গলে ঢুকেই একটা ঢিপি আছে সাহেব, লোকে বলে ওর নীচে একটা টেম্পল আছে। ওটা তো সাপের আড্ডা। জঙ্গলে ঢোকার আগে এদিক ওদিকের জলায় অনেক পাখি থাকে সাহেব। আপনি চাইলে ওখানে প্রচুর পাখি শিকার করতে পারেন।’
‘ইজ ইট?’ সাহেবের চোখ উজ্জ্বল হয়ে উঠল। ‘কী পাখি পাওয়া যায়?’
‘ফাউল, জংলি হাঁস, তিতির, সারস, গোপীচরণ মল্লিক বলতে লাগল। ‘রাতে বালিহাঁসের রোস্ট তার সঙ্গে হুইস্কি সোডা—’
সাহেবের রসনা সাহেবকে বসতে দিল না—‘লেটস গো দেন—’
‘দেওয়ান দুর্লভচাঁদ আগে থেকেই জঙ্গলের কাছে জলার ধারে একটা টেন্ট খাটিয়ে রেখেছিল। লোকলস্কর তৈরি। দুপুরের খাবারের সরঞ্জাম সব বেহারাদের কাঁধে নিয়ে সকলে রওনা দিল শিকারের উদ্দেশ্যে।
কাপাসডাঙার মাঠ পেরিয়ে জঙ্গলে যাবার রাস্তা পাখমারা গণকের বাড়ির পাশ দিয়ে যায়। বেহুলা আঁচঘরের বাইরের দেওয়ালে শুকিয়ে থাকা ঘুঁটেগুলো একটা পাচনবাড়ি দিয়ে দেওয়াল থেকে খসিয়ে খসিয়ে মাটিতে ফেলছিল। সাহেবের সঙ্গে জমিদারবাবু আর দেওয়ানজীকে দেখে বেহুলা দাঁড়িয়ে ঘোমটা টেনে হাতজোড় করে প্রণাম জানাল। বেহুলাকে দেখে রবিন সাহেব এক মুহূর্ত থমকে দাঁড়াল। তারপর বেহুলার দিকে অগ্রসর হয়ে বলল, ‘তোমরা এখানে থাকো?’
‘হ্যাঁ সাহেব।’
‘আশেপাশে এই বাড়িগুলো এরকম ভাঙা কেন?’
এবার পাখমারা গণক বেরিয়ে এসে সামনে দাঁড়িয়েছে। সে হাত জোড় করে বলল–‘সাহেব, আগে এখানে তাঁতিরা থাকত, এখন গোটা পাড়া ভয়ে খালি হয়ে গেছে। আমাদের পরিবারই শুধু রয়ে গেছে।
‘ভয়ে? কাদের ভয়ে?’
‘সাহেব, ওলাওঠার মরণভয় আর তারপর দাদনবণিক গোমস্তাদের ভয়ে।’
‘গোমস্তাদের ভয়ে! কী করেছে গোমস্তারা?’
‘ওদের দাদন নিয়ে তাঁতিরা ঋণ শোধ করতে পারেনি, তাই ওদের ওপর অত্যাচার করেছে খুব গোমস্তারা। কোতোয়ালিতে নিয়ে গিয়ে চাবুক মেরেছে।’
ঋণ নিয়ে ঋণ শোধ না করা অন্যায়। কেন শোধ করতে পারেনি?’
‘ওলাওঠার মহামারীর সঙ্গে লড়াই করতে গিয়ে ওদের ফুটো কড়িটিও শেষ হয়ে গেছিল সাহেব।’
রবিন সাহেব বোধহয় ভাবেনি যে শিকার করতে এসে এত নালিশের সম্মুখীন হতে হবে। তাই রুষ্ট হয়ে বলল, ‘তোমরা নবাবের সরকারের কাছে নালিশ জানাও। কিন্তু দাদনের টাকা তো শোধ করতেই হবে।’ শিকারীর দল নিয়ে সামনে জলার দিকে অগ্রসর হল।
‘মাল্লিক, এরা তোমার রায়ত?’ সাহেব পিছন ফিরে আবার তাকাল। ‘তুমি বুনোহাঁস বললে, এখানে যে ময়ূর পাওয়া যায় সেকথা তো কখনো বলনি!’ সাহেবের মুখে বিশ্রী হাসি।
‘ময়ূর!’ গোপীচরণ মল্লিক এবার সাহেবের চোখের ভাষা পড়তে পারল। রবিন সাহেবের নারীলোলুপতার সঙ্গে সে সম্যকভাবে পরিচিত। সাহেবের এই চারিত্রিক দুর্বলতাই গোপীচরণের ভাগ্যাকাশ উজ্জ্বল করে রেখেছে। গোপীচরণ হেসে ফেলল—‘সাহেবের জহুরীর চোখ।’
‘রাত বুনোহাঁসের রোস্টের পরিবর্তে ময়ূরের রোস্টও ভালো জমবে। তুমি সেই ব্যবস্থাই কর।’
‘এই পরিবার দৈবজ্ঞ পরিবার। এদের ডিঙাডুবির সকলে মান্য করে সাহেব, ‘ দেওয়ান দুর্লভচাঁদ বলল।
বেহুলা ঘরে ফিরে দেখল বচনপিসি কাটারি দিয়ে বাঁশের মাথা সূঁচালো করছে। বেহুলাকে দেখে বলল, ‘ওই বাঁদরমুখো সাহেবের চোখের দৃষ্টিটা কিন্ত ভালো লাগল না বেহুলা।’
‘তুমি কীভাবে দেখলে?’
‘দরজার ফাঁকে চোখ রেখেছিলাম। তোর দিকে যেভাবে বারবার তাকাচ্ছিল আমার মনে হচ্ছিল গুবরে পোকার পদ্মমধু খেতে সাধ জাগছে মনে। ওই গোকুলের ষাঁড়ের থেকে দূরে দূরে থাকবি বেহুলা, এরা গামছা মোড়ার দলের থেকে কম বদমাশ না। আমি সাবধান করে দিলুম।’
ফোর্ট উইলিয়ামে চাঁদমারিতে রোজ হাত মকশো করে রবিন সাহেবের নিশানা খুবই ভালো। শুধু শিকারের আনন্দেই একরাশ পাখির প্রাণ গেল। অপরাহ্নে বিশ্রামের জন্য তাঁবুতে এসে মধ্যাহ্নভোজন সারার সময় সাহেব কথাটা পাড়ল। সাহেব বলল, ‘মালিক, তোমার গ্রামে রটিয়ে দাও এবার থেকে ইংরেজরা রায়তদের দাদন দেবার জন্য বহু সহস্র রৌপ্যমুদ্রা নিয়ে ডাকগাড়িতে ঢাকা বিক্রমপুর যাওয়ার পথে রাতে তোমার কোষাগারে সিন্দুক রেখে বিশ্রাম নেবে। ডাকাতরা আসুক। আমরা ওদের আপ্যায়ন করব। তারপর—রবিন সাহেব বন্দুকের নিশানা করল পাখমারা গণকের বাড়ির দিকে। ‘তারপর’টা কী সেটা সাহেব ভেঙে বলল না বটে, কিন্তু গোপীচরণ মল্লিক বেশ বুঝতে পারল সেটা ময়ূর শিকারের সঙ্গে সংযুক্ত।
গোপীচরণ মল্লিক মনে মনে ভাবল সাহেব কথাটা মন্দ বলেনি। এত অপরূপ সুন্দরী মেয়ে তার জমিদারিতে আছে অথচ সে কিনা কমলাবাঈয়ের কবে সময় হবে সেজন্য হাপিত্যেশ করে পড়ে থাকে! এ মেয়েকে এখানে মানায়! রবিন সাহেব হয়তো মনে মনে স্বপ্ন দেখছে এই মেয়েকে নিজের বিছানায় নিয়ে যাওয়ার। কিন্তু না, এই মেয়ে সম্রাজ্ঞী নুরজাহানের বাংলার মৃত্তিকা থেকে উঠে আসা কচি তরুলতা। এত সুন্দরী অথচ কী ব্যক্তিত্ব! এর স্থান হবে নবাব কাদের আলির হারেমে। নবাবত্ব ঘুচে গেলেও হারেম এখনো বজায় আছে কাদের আলির। নবাবের খুব উঁচু নজর। তাঁর হারেমে যাকে-তাকে রাখেন না। যাদের রাখেন তাদের ভুলিয়ে ভালিয়ে আনার জন্য প্রচুর পারিশ্রমিক দেন তিনি। আর গোপীচরণ মল্লিকের বর্তমান পেশার উপার্জন তার জমিদারির উপার্জনের থেকে অনেক বেশি। গোপীচরণ ভাবতে লাগল যে শহরের ঠাঁটঠমকওয়ালা পেশাদারী বেশ্যায় অরুচি হয়ে গেছে। অনেক দিন গ্রামের মুক্ত বাতাস সেবন করা হয়নি। এবার ক’দিন গ্রামে থাকতে হবে।
দেওয়ান কাপাসডাঙার হাটে অতি সন্তর্পণে খবরটা ছড়িয়ে দিল। প্রায় প্রত্যেক গ্রামবাসী ফিসফিস করে অত্যন্ত গোপন একটা খবর জেনে গেল যে গোরা সাহেব জমিদারবাবুর সঙ্গে ডিঙাডুবিতে শুধু শিকার খেলতে আসেনি, সাহেবের আসল উদ্দেশ্য হল জমিদারের খালি কোষাখানা পর্যবেক্ষণ। সাহেব কোষাখানা পরিদর্শন করে প্রসন্ন হয়েছেন এবং এবার থেকে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির উপার্জন করা অর্থ ফোর্ট উইলিয়াম কেল্লায় নিয়ে যাওয়ার পথে এই কোষাখানায় রাখা হবে।
পরদিন প্রত্যুষে দেওয়ানের সঙ্গে জমিদার গোপীচরণ নিজে গেল সত্যাচার্যের কুটিরে। সত্যাচার্য ব্যস্ত হয়ে উঠল। জমিদারবাবু তার কুটিরে নিজে এসেছেন! ভাবা যায়! জমিদার সত্যাচার্যের কুটিরে ঢুকল।
‘ইংরেজ সরকার আমাদের গ্রাম থেকে কলকাতা পর্যন্ত পাকা রাস্তা বানিয়ে দেবে বলেছে। এই পথের করের উপার্জন আমার জমিদারির অন্তর্গত হবে বলেছে।’ জমিদার প্রসন্নমুখে বলল। ‘একটা গুরুত্বপূর্ণ কাজে আপনার সহায়তা চাই, ঠাকুরমশাই।’
‘নিশ্চয়ই। বলুন কী সাহায্য চান আপনি?’
‘এ পথের ডাকাতি পুরোপুরি বন্ধ করাতে হবে।’
‘কিন্তু আমি কীভাবে—’
‘চন্দ্র ডাকাতকে ধরিয়ে দিতে সাহায্য চাই আপনার।’
‘চন্দ্ৰ ডাকাত! কিন্তু আমি কীভাবে এ ব্যাপারে আপনাকে সাহায্য করব?’
‘দেখুন ঠাকুরমশাই, জমিদারি চালাতে গেলে চোখ কান খোলা না রাখলে চলে না। আপনার বাড়িতে অনেক রাতে ডাকাতের দল আসে এ খবর আমার কানে এসেছে। আপনি বলুন খবর সঠিক কিনা?’
সত্যাচার্য ধীরে ধীরে মাথা নাড়ল—‘এখানে টিঁকে থাকতে গেলে এটুকু না করে উপায় থাকে না। হ্যাঁ। ওরা ডাকাতি করার শুভ দিনক্ষণ জানতে আমার কাছে আসে।’
‘বাহ্!’ গোপীচরণ মল্লিক খুশির গলায় বলল। ‘আমার কোষাখানায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অর্থ এবার থেকে রক্ষিত থাকবে। ডাকাতরা অবশ্যই সেই অর্থ লুট করার চেষ্টা করবে। এবার ওরা যখন আপনার কাছে দিনক্ষণ জানতে আসবে, তখন আপনি ওদের ডাকাতির জন্য শুভ দিনক্ষণ বলে সেই খবর আমাদের জানাবেন। আমাদের ফৌজ ওদের অভ্যর্থনা করবে।’
‘বুঝেছি,’ সত্যাচার্য গম্ভীর গলায় বলল। ‘কিন্তু ডাকাতরা এটা জানতে পারলে আমাকে কেটে রেখে যাবে।’
‘সে জন্যই তো আমি নিজে আপনার সঙ্গে এবিষয়ে আলোচনা করতে আপনার গৃহে এলাম। কেউ ঘুণাক্ষরেও জানবে না। আমি কথা দিলাম।’
‘বেশ, আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করব।’
গোপীচরণ মল্লিক প্রসন্ন হয়ে গাত্রোত্থান করল। বাইরে এসে পালকিতে ওঠার মুহূর্তে জমিদার দেখল রবিন সাহেবের একজন পাইক ঊর্ধ্বশ্বাসে ছুটতে ছুটতে আসছে আর দূর থেকে হাত তুলে চিৎকার করে কিছু বলছে। কৌতূহলে জমিদার গোপীচরণ দাঁড়িয়ে পড়ল। রবিন সাহেবের পাইক কাছে এসে মাথার পাগড়ি যথাস্থানে স্থাপন করে হাঁফাতে হাঁফাতে বলল, ‘জমিদারবাবু, রবিন সাহেব বলেছেন আপনাকে শীঘ্র তৈরি হতে, এক্ষুনি ফিরে যেতে হবে।
‘ফিরে যেতে হবে? কেন?’ জমিদারের চোখের দৃষ্টিতে বিস্ময়।
‘রবিন সাহেব গতকাল অনেক রাত পর্যন্ত পানীয় পান করেছেন। তারপর বললেন মাথায় যন্ত্রণা হচ্ছে। রাতে যন্ত্রণা খুব বেড়ে গেল, সঙ্গে পেট ব্যথা।’
‘ওষুধ খায়নি সাহেব?’
‘ওষুধপত্র যা ছিল তা সাহেবকে দেওয়া হল, কিন্তু সাহেবের এবার প্রবল জ্বর এল, আর সারারাত ধরে বমি। ওনার সঙ্গে আনা ওষুধের বাক্সের ওষুধে কোনো কাজ হচ্ছে না। গ্রামের ভিষককে ডাকা হয়েছিল। ভিষক এসে অজীর্ণ ও গ্রহণীরোগের ওষুধ দিল, কিন্তু রোগের বিন্দুমাত্র উপশম হল না। ভিষক বলেছে রবিন সাহেবকে এক্ষুনি ফোর্ট উইলিয়ামে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে। অতি শীঘ্র সাহেবী চিকিৎসক দেখানো দরকার।’
জমিদার উদ্বিগ্ন হয়ে সত্বর দেওয়ান দুর্লভচাঁদকে কাছে ডেকে মৃদুস্বরে কিছু প্রয়োজনীয় আলোচনা করল। দুর্লভচাঁদ আশ্বাস দিয়ে বলল, ‘আপনি চিন্তা করবেন না জমিদারবাবু। সব দায়িত্ব আমার।’
পালকি আর জমিদারবাড়ির দিকে না নিয়ে জমিদার হুকুম দিলেন পালকি নিয়ে ফিরিঙ্গি কুঠিতে যাওয়ার।
