শর শাস্ত্র – অভিজ্ঞান গাঙ্গুলী
শর শাস্ত্র – অভিজ্ঞান গাঙ্গুলী
চাণক্য সিরিজ ২
.
আরও একবার স্বাগত আপনাকে প্রাচীন ভারতবর্ষে। যেখানে আপনার জন্যে অপেক্ষা করে আছে রহস্য, হত্যা, রাজনীতি, ষড়যন্ত্র এবং… আচার্য বিষ্ণুগুপ্ত চাণক্য।
চাণক্য কি পারবেন নিজের ক্ষুরধার বুদ্ধি ও যুক্তিনির্ভর তদন্তপদ্ধতিতে, আপাতদৃষ্টিতে প্রায় অসম্ভব রহস্যের সমাধান করতে?
এক কূটনৈতিক উদ্দেশ্যে মগধের সম্রাটের সঙ্গে বিবাহ স্থির হয়েছে তাঁর শত্রুপক্ষের কন্যার। কিন্তু বিবাহের দিনে ভাবী মহারানিকে হত্যার চেষ্টা করল কে? গুপ্তহত্যা নাকি চক্রান্ত? মগধের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের জাল বুনছে এক অদৃশ্য শত্রু। তার অবধি পৌঁছোনোর একমাত্র সূত্র হল একটি বিষাক্ত বাণ। কিন্তু কোন উপায়ে জনসমাগমের মাঝেই নিহত হলেন। কুলূতের রাজা, অথচ হত্যাকারীকে কেউ দেখতে পেল না? কীভাবে প্রহরীদের দৃষ্টি এড়িয়ে উধাও হয়ে গেল গৃহবন্দি?
সকল প্রশ্নের উত্তর লুকিয়ে আছে বইয়ের দুটি উপন্যাসের পাতায়। যে রহস্যের, রাজনীতির ও বুদ্ধির চতুরঙ্গ খেলার শুরু হয়েছিল ‘হত্যা-শাস্ত্র’-তে, সেই খেলার দ্বিতীয় দানের সময় এবার আগত।
.
সব চরিত্র এবং ঘটনা সম্পূর্ণভাবে কাল্পনিক।
বাস্তবের কোনো ঘটনার সাথে কোনোভাবে জড়িত নয়।
.
প্রথম প্রকাশ : জানুয়ারি ২০২৪
প্রচ্ছদ : সপ্তদীপ দে সরকার
অলংকরণ: গৌতম কর্মকার
.
উৎসর্গ
সেইসব মানুষদের জন্যে, যারা নিজেদের অজান্তেই কবে যেন বড়ো হয়ে গিয়েছে। যাদের বৃষ্টির মনকেমন করা সকালেও কর্মস্থলে যেতে হয়, কিন্তু মন পড়ে থাকে বাড়িতে রাখা অর্ধেক পড়া গল্পের বইটার পাতার ভাঁজে।
.
ভূমিকা
প্রিয় পাঠক,
নতুন করে কিছু বলার নেই। এই বইটি চাণক্য সিরিজের দ্বিতীয় বই। গল্পের প্রেক্ষাপট ঐতিহাসিক ও লোককথাভিত্তিক হলেও কাহিনি সম্পূর্ণ কাল্পনিক। তবে এবার মূল কাহিনির সঙ্গে রাজনীতি জড়িয়ে আছে অনেক বেশিমাত্রায়। আশা রাখি, পাঠকরা চাণক্যর ‘কৌটিল্য’-চিত চরিত্রের পরিচয় এই বইয়ের দুটি কাহিনিতেই পাবেন। তবে, বইয়ের রসাস্বাদন করতে হলে ‘হত্যা-শাস্ত্র’ আগে পড়া আবশ্যক। এবার বইতে একটি উপন্যাসিকা এবং একটি সম্পূর্ণ উপন্যাস আছে। পাঠকদের অনুরোধ তাঁরা বইয়ের ক্রম অনুযায়ীই দুটি কাহিনি পাঠ করবেন। ২০২১ সালের শুরুর দিকে আমি ‘সোম-শাস্ত্র’ লেখা শেষ করেছিলাম। এরপর এক বছরেরও বেশি সময় পর ২০২২ সালের শেষের দিকে শুরু করি ‘শর-শাস্ত্র’ এবং পরবর্তী ন-মাস আমি শুধুই এই উপন্যাস লিখেছি। চাণক্যকে ফিরিয়ে আনতে দেরি হওয়ার কারণ আশা রাখি পাঠক এই বই পাঠের সময়েই উপলব্ধি করতে পারবেন এবং এতদিন অপেক্ষা করানোর জন্যে লেখককে ক্ষমা করবেন। আসলে আমি দেখেছি চাণক্যর কাহিনি নিজে থেকেই আমাকে দিয়ে লিখিয়ে নেয় সঠিক সময় এলে। তার আগে বহু ভেবেও উপযুক্ত ‘প্লট’ মাথায় আসে না। তাই লেখার চেয়েও অনেক বেশি সময় ব্যয় হয় ভাবনায়।
পাঠকদের জানাই, এখানে চরিত্রদের মাঝের সম্পর্ক বোঝাতে ‘আপনি’ ও ‘তুমি’ দু-ভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ, যখন জীবসিদ্ধি বা চাণক্য চন্দ্রগুপ্তর সঙ্গে একান্তে কথা বলছে তখন তারা তাকে ‘তুমি’ বলে সম্বোধন করেছে। আবার তারাই লোকসম্মুখে সম্রাটকে তার যোগ্যসম্মান প্রদর্শন করে ‘আপনি’ সম্বোধন করেছে। এই আনুষ্ঠানিক-অনানুষ্ঠানিক সম্বোধনের ব্যবহারে আশা করি পাঠক দ্বিধায় পড়বেন না। চরিত্রদের মাঝের সম্পর্ক ও মনের ভাব প্রকাশের উদ্দেশ্যে সম্বোধন পরিস্থিতি অনুযায়ী বদলেছে।
আগের বইয়ের মতোই, এই বইতেও সকল রহস্যের সমাধানসূত্র আছে পাঠকের চোখের সামনেই। শুধু এই বইয়ের নয়, মূল রহস্যেরও অনেক ইঙ্গিত কাহিনির আনাচকানাচে ছড়িয়ে রাখলাম দুটি বই জুড়ে। তা উন্মোচন করার ভার পাঠকদের ওপর ছাড়লাম।
সবশেষে বলি, যদি এই বই পড়ার সময়ে কোথাও গিয়ে, কোনখানে ইতিহাস শেষ হয়েছে এবং কল্পনার শুরু হয়েছে এই নিয়ে আপনার দ্বন্দ্ব জাগে; তবে জানব আমার পরিশ্রম সার্থক হয়েছে।
ইতি,
আপনাদেরই প্রশ্রয়ে স্পর্ধিত
এক গল্পকার—
অভিজ্ঞান গাঙ্গুলী।





Please boi ta complete kre upload korun
বইটি দেবার অনুরোধ করেছিলাম। অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনাদের কাজের সত্যিই তুলনা নেই! এনার ‘অপার্থিব’ বইটিও পারলে দেবেন, অনুরোধ রইল। অপেক্ষায় থাকব। পুনরায় ধন্যবাদ জানাই..
Writer এর অপার্থিব বইটা দিলে ভালো হয়
অপার্থিব by অভিজ্ঞান গাঙ্গুলী বইটি upolad করুন please