তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল
ফ্ল্যাপের লেখা
সেন্টিনেল মেডিক্যাল রিসার্চ সেন্টারে অসুস্থ হয়ে ভর্তির পর অল্প সময়ের মধ্যে মারা যান অভিনেত্রী নন্দিনী সরকার। রহস্যজনক মৃত্যুর তদন্তে নামে সাংবাদিক ঐশানী। সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় তরুণ চিকিৎসক সীমান্ত। একটির পর একটি অভাবনীয় ঘটনা ও তার রহস্যভেদে টানটান এই মেডিক্যাল থ্রিলার।
.
নিষ্কৃতি মৃত্যু কয়েক দশক ধরে বিতর্কের কেনো জীবন দেওয়ার ক্ষমতা যখন চিকিৎসকের নেই, তখন জীবন নেওয়ার অধিকার কেন থাকবে; আর মানুষের মর্যাদায় বাঁচিয়ে রাখতে না পারলে রোগীকে টিকিয়ে রাখা অর্থহীন— এই দুই যুক্তির টানাপোড়েনে চিন্তাবিদদের দুই ভিন্ন মেরুতে অবস্থান। মতের তুমুল অনৈকাকে কেন্দ্রে রেখে ফাঁদা হয়েছে এই শ্বাসরোধী উপন্যাস। ডাক্তার কৃতাত চট্টোপাধ্যায় এবং সেন্টিনেল মেডিক্যাল রিসার্চ সেন্টারের আইসিইউ এই কাহিনির কেন্দ্রবিন্দু। অসুস্থ হয়ে এখানে ভর্তির পর অল্প সময়ের মধ্যে মারা যান অভিনেত্রী নন্দিনী সরকার। রহস্যজনক মৃত্যুর তদন্তে নামে সাংবাদিক ঐশানী। সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় তরুণ চিকিৎসক সীমান্ত। একটির পর একটি অভাবনীয় ঘটনা ও তার রহস্যভেদে টানটান এই মেডিক্যাল থ্রিলার।
.
অভিজিত চট্টোপাধ্যায়। নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজে আমার সহপাঠী। চক্ষু চিকিৎসক এবং সুগায়ক এই মানুষটি অ্যাকিউট ইন্টারস্টিশিয়াল নিউমোনাইটিস নামের জটিল ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে বেশ কিছুদিন ভেন্টিলেটারের সাহায্যে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে। ২০১৫ সালের ১৩ নভেম্বর অভিজিত মারা গেছে। এই বই তার স্মৃতির উদ্দেশে…
.
ইন্দ্রনীল সান্যালের জন্ম হাওড়ার বালিতে, ১৯৬৬ সালে। নীলরতন সরকার মেডিকেল কলেজ থেকে এম বি বি এস। প্যাথলজিতে এম ডি পিজি হাসপাতাল থেকে। সরকারি চাকরির সূত্রে কাজ করেছেন সুন্দরবনের প্রত্যন্ত প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে মহাকরণের ডিসপেনসারিতে, লালবাজার সেন্ট্রাল লকআপ থেকে গঙ্গাসাগর মেলার হেল্থ ক্যাম্পে। বর্তমানে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত। প্রথম প্রকাশিত গল্প ২০০৪ সালে ‘উনিশ কুড়ি’ পত্রিকায়। লেখকের প্রথম উপন্যাস ‘রক্তবীজ’। শখ: বই পড়া।






Cannot read the book.
এই উপন্যাস এর “সব যে হয়ে গেল কালো” পর্বে ৬৫ পৃষ্ঠার সঙ্গে ৬৪ পৃষ্ঠার কোনো মিল নেই। “ডল পুতুলের মতো চেহারা। সোনালী” তারপর শুরু হয়ে গেছে “সন্দেশ, কালাকাদ”। দেখুন দুটো লাইন এর মধ্যে অসংলগ্নতা আছে। যে পিডিএফ থেকে ocr করেছেন ওটা তে ওই অংশ টা মনে হয় অন্য গল্প থেকে জুড়ে দেওয়া হয়েছে। এটা একটু দেখবেন যদি মাঝের পেজ গুলো পাওয়া যায়।
আমরাও কনফিউজড। যদি অন্য কোনো ভার্সন পাই, তবে মিলিয়ে দেখব। ধন্যবাদ।
Eta amio thik bujhte parini kotha theke elo
ইন্দ্রনীল সান্যালের ‘তিনটে মেডিকেল থ্রিলার’ বইটি আপলোড করুন না pls
ভীষণই ভালো একটি মেডিক্যাল থ্রিলার উপন্যাস। অনেক কিছু জানতে পারলাম, শিখতে পেলাম। কিন্তু উপসংহারে পৌঁছে উপন্যাসের মূল প্লট এবং প্রধান চরিত্র বা নায়িকা দুটোই বেশ গোলেমালে লাগলো আমার। কারণ ঐশানী কৃতান্তকে যে অপরাধের জন্য এতো জ্ঞান দিচ্ছিল প্রথমে কিন্তু যখন নিজে সেইরকম একটা পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে ছিলো তখন সে নিজের এক্সিডেন্ট হয়ে শুধুমাত্র চার ঘন্টায় কোমায় চলে যাওয়া প্রেমিক মেরে দিতে বললো জাস্ট! তখন কৃতান্তের অপরাধ টা তার কাছে জাস্টিফাই হয়ে গেলো কিন্তু যখন তার প্রেমিক কোমা থেকে ফিরে এলো তখন আবার ঐশানীর কৃতান্তের অপরাধ টা অপরাধই মনে হলো! ওয়াও… এখানে তো আসল অপরাধী রোগীদের পরিবার জন। তাই নয় কী? সব থেকে খারাপ লাগছে ঝিমলি এবং অবশ্যই কৃতান্তের জন্য, আর কারোর জন্য নয়। ঐশানী কে আমার খুব স্বার্থপর মনে হলো শেষ দিকটায়।