কৃষ্ণগহ্বর – সোমজা দাস
KRISHNAGOHOBAR by Somaja Das
প্রথম প্রকাশ – এপ্রিল ২০২৫
প্রচ্ছদ – একতা ক্রিয়েটিভ টেলস
প্রকাশক – শংকর মণ্ডল
.
অনির্বাণ,
তুমি জানো, তুমি পাশে না থাকলে আমি কিছুই নই।
এই বই তাই তোমাকেই দিলেন।
.
ভূমিকা
টাপুরদি, ওরফে সংঘমিত্রা ব্যানার্জি একজন প্রাইভেট ডিটেকটিভ। ক্ষুরধার বুদ্ধি, পর্যবেক্ষণ ক্ষমতার সাহায্যে সে সমাধান করে চলে একের পর এক রহস্য। সঙ্গে আছে সহকারী তথা বন্ধু মিতুল। লালবাজারে কর্মরত তরুণ আইপিএস অফিসার অর্জুনের সঙ্গে টাপুরদির বন্ধুত্বের রসায়নে কাহিনি অন্য মাত্রা পায়। এই অবধি গল্পটা অনেকেরই জানা। যারা ইতোমধ্যে ‘টাপুরদির গোয়েন্দাগিরি’ পড়ে ফেলেছেন, তাঁদের সঙ্গে নতুন করে টাপুরদির পরিচয় করানোর দরকার নেই।
টাপুরদিকে নিয়ে যখন লেখা শুরু করি, ভাবিনি এতটা ভালোবাসা পেতে পারে এই চরিত্র। ‘টাপুরদির গোয়েন্দাগিরি’-তে ছিল পাঁচটি উপন্যাসিকা। একটা উপন্যাসিকার সংকলন হবে ভেবেই সেটা লিখেছিলাম। কিন্তু লিখতে গিয়ে বার বার মনে হচ্ছিল, আরেকটু বেশি বিস্তৃত হলে রহস্য জমাট বাঁধত ভালো।
আমি টাপুরদিকে কোনো অতিমানবী বানাতে চাইনি। টাপুরদি আমাদের ঘরের মেয়ে। সাধারণ মানুষের সমস্ত দোষ-গুণ তার মধ্যে আছে। একদিকে যেমন সে বুদ্ধিমতী, আধুনিকা, স্নেহময়ী, মাটি ছুঁয়ে থাকা মানুষ, অপরদিকে তাকেও কখনো কখনো হতাশা গ্রাস করে, তার মনেও ঈর্ষার অন্ধকার ছায়া ফেলে যায়। এই কাহিনিতে পাঠক মিতুলকে অনেক বেশি করে পাবেন। ‘টাপুরদির গোয়েন্দাগিরি’ পড়ে কেউ কেউ আমাকে জিজ্ঞাসা করেছিল, মিতুলকে সেভাবে অ্যাকশন করতে বা ইনপুট দিতে দেখা যায় না কেন? মিতুলের ভূমিকাটা কী? শুধু কথক? না, মিতুল হল টাপুরদির মানসিক অবলম্বন। সে টাপুরদিকে বোঝে, তার মনে চলতে থাকা টানাপোড়েনগুলোকে উপলব্ধি করতে পারে অনায়াসে। দ্বিধাদ্বন্দ্ব-দোলাচলের মুহূর্তে টাপুরদির হাত ধরে বলতে পারে, ‘তুমি পারবে।’ মিতুলকে ছাড়া টাপুরদিও অসম্পূর্ণ। আর যারা মিতুলের অ্যাডভেঞ্চার দেখতে চেয়েছিলেন, এবার তারাও আশা করি হতাশ হবেন না।
‘টাপুরদির গোয়েন্দাগিরি’-র মতো অর্জুন এখানেও নীরবে পাশে থাকা বন্ধু। সে কখনো টাপুরদিকে ছাপিয়ে যেতে চেষ্টা করে না। সম্পর্কের পথ সহজ হয় না। গন্তব্যে পৌঁছোনোর আগে অনেক পরীক্ষা দিতে হয়। এই কাহিনিতে তাদের সম্পর্ক সেরকমই এক পরীক্ষার মুখোমুখি হয়েছে। সম্পর্কের যাত্রাপথে ভুল-ঠিকের বিচার কে-ই বা কবে করতে পেরেছে?
আরেকটা কথা না বললেই নয়, ‘কৃষ্ণগহ্বর’ রহস্য-রোমাঞ্চ-এর উপন্যাস হয়েও আমার মতে একটি রাজনৈতিক-সামাজিক আখ্যান। অন্তত আমি উপন্যাসটিকে সেভাবেই লিখতে চেয়েছি। বাকি সব বিচার পাঠক করবেন।
টাপুরদি যেমন আমার, তেমনই আমার পাঠকদেরও, যাঁরা নিজেদের মূল্যবান সময় ব্যয় করে বইটি পড়েছেন। ধন্যবাদ বইপোকা গ্রুপকে, এই প্ল্যাটফর্মটি না থাকলে হয়তো টাপুরদি এত পাঠকের কাছে পৌঁছোতে পারত না।
এবার আসি সেই মানুষটির কথায়, যিনি আমার প্রতিটি লেখা একাধিকবার পড়ে ভুলত্রুটিগুলো খুঁজে বার করার কাজ করেছেন অক্লান্তভাবে। ধন্যবাদ অনির্বাণ। লেখার জন্য চুরি করে নিতে হয়েছে যে সময়টুকু, তা আমার পুত্রদ্বয়ের প্রাপ্য ছিল। ওদের বঞ্চিত করেছি আমার কাজের জন্য। ওদের কাছে আমি ক্ষমাপ্রার্থী।
বাবা ও মা, প্রথম অক্ষরশিক্ষা তোমাদেরই হাত ধরে। আমায় প্রথম বাংলা সাহিত্যের সঙ্গে পরিচয় করিয়েছিলেন মা। আর বাবা সবরকম বই পড়তে উৎসাহ দিয়েছেন। তবে তোমাদের ধন্যবাদ জানাব না। আশীর্বাদ কোরো।
ধন্যবাদ আমার প্রকাশক শংকর মণ্ডল ও দীপ্তাংশু মণ্ডলকে। এ ছাড়া ধন্যবাদ তাঁদের সকলকে যারা আমার পাণ্ডুলিপিটিকে বই হিসেবে গড়ে তুলেছেন। বইটি যতটা আমার, ততটাই তাঁদের। তাঁদের সকলকে ধন্যবাদ। অলমিতি বিস্তারেণ।



Can you upload “Operation Blue wings” written by Abhik Dutta.
আমি আপনার এই ওয়েবসাইটটি কিনতে চাই আপনি যদি বেঁচে রাজি হন তবে আমরা আপনার বাড়ি গিয়ে দুই থেকে তিন লক্ষ টাকার মধ্যে এই দিনটি করে ফেলবো আমরা বিগত পাঁচ বছর ধরে এই ব্যবসার সাথে যুক্ত আছি অনেক ওয়েবসাইট ক্রয় বিক্রয় করেছি তবে আপনার ওয়েবসাইটটি গতকাল দেখে আমার ভালো লাগলো আপনি যদি ওয়েবসাইটটি তে কাজ না করছেন করে রয়েছে তবে আপনি সেটা আমাদের দিয়ে দিতে পারেন, আর তার বিনিময় আমরা আপনাকে ২ লক্ষ টাকা থেকে তিন লক্ষ টাকা ক্যাশ আপনার বাড়িতে গিয়ে দিয়ে ওয়েবসাইটটি ক্রয় করব।
ক্রয় করার পরে ওয়েবসাইট নিয়ে আপনাদের প্ল্যান কী?
Please upload “ ম্যাও ” written by Avishek Chattopadhyay
ভাদুড়ি সমগ্র থেকে আরো একটা বই আপলোড করুন প্লিজ। আর অর্জুন সিরিজের বেশ কিছু বই পড়া যাচ্ছে না। একটু দেখবেন…..
কিছু বই লেখক/প্রকাশকের আপত্তির কারণে পাবলিক করা নয়। এছাড়া অন্য কারণে পড়া না গেলে সে বইয়ের লিঙ্কে উল্লেখ করতে পারেন। ধন্যবাদ।
Biboswan Boi upload korben pls