০৫. ব্যবসায় অর্ধেক দুশ্চিন্তা এড়ানোর উপায়

ব্যবসায় অর্ধেক দুশ্চিন্তা এড়ানোর উপায়

আপনি যদি ব্যবসায়ী হন তাহলে হয়তো বলবেন, এই পরিচ্ছেদের নামটা খুবই হাস্যকর। আমি উনিশ বছর ব্যবসা চালাচ্ছি, আর এর উত্তর আমি ভালোই জানি। কেউ আমায় অর্ধেক দুশ্চিন্তা দূর করার পথ বাতলে দেবে ভাবাই অসম্ভব!

কথাটায় যুক্তি আছে–কবছর আগে এই রকম একটা অধ্যায় দেখলে আমিও তাই ভাবতাম। এতে প্রচুর বড় বড় কথা আছে বড় বড় কথা মানেই সস্তা ব্যাপার, কাজের কিছুই হয় না।

খোলাখুলিই বলি তাহলে : হয়তো আমি আপনার ব্যবসার পঞ্চাশভাগ দুশ্চিন্তা দূর করে সাহায্য করতে পারব না। শেষ পর্যন্ত নিজে ছাড়া আর কেউ তা পারে না। কিন্তু আমি যা করতে পারি তা হলো অন্য মানুষেরা যা করেছে তা আপনাদের দেখাতে পারি–বাকিটা আপনার করণীয়।

আপনার নিশ্চয়ই মনে আছে আগে পৃথিবী বিখ্যাত ডাক্তার অ্যালেক্সি ক্যারেলের একটা কথা বলেছি যা হলো : যে ব্যবসায়ীরা দুশ্চিন্তা কিভাবে জয় করতে হয় জানেন না, তারা অল্পবয়সে মারা যান।

দুশ্চিন্তা যেহেতু এতটাই মরাত্মক, তাই অন্তত শতকরা দশভাগ যদি তা দূর করার পথ বাতলাতে পারি তাহলে কি খুশি হবেন না?…হ্যাঁ, হবেন?…চমৎকার! বেশ, এবার এক ব্যবসার কর্তাব্যক্তির কথা বলছি যিনি তার দুশ্চিন্তা পঞ্চাশভাগ কমান নি। বরং দুশ্চিন্তা দূর করতে যে শতকরা পঁচাত্তর ভাগ সময় সভায় কাটাতেন তা কমিয়ে ছিলেন।

আমি ‘অমুক’ বা অমুকের কথা বলতে চাইনা, যাদের নাম যাচাই করা যায় না। আমি সত্যিকার একজনের বিষয় বলছি–তার নাম লিও সিমকিন। বহুদিন যাবৎ তিনি ছিলেন সাইমন অ্যাণ্ড সুষ্টার কোম্পানী নামে প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক আর এখন হলেন নিউ ইয়র্কে পকেট বুকের প্রেসিডেন্ট।

তার অভিজ্ঞতার বিষয় তারই কথায় শুনুন :

পনেরো বছর ধরে আমি প্রতিদিনের অর্ধেক সময় কাটাতাম ব্যবসা সংক্রান্ত সভায়, আলোচনা হত সমস্যা নিয়ে। কোনটা করা উচিত নয় কোনটা উচিত ইত্যাদি দিয়ে; না কি কিছুই করব না? আমরা উত্তেজিত হতাম, চেয়ারে ছটফট করতাম, মেঝেতে পাক খেতাম। রাত নেমে এলে সাংঘাতিক ক্লান্ত হয়ে পড়তাম। ভেবেছিলাম এধরনের কিছুই হয়তো সারাজীবনই এমন করে কাটবে। পনেরো বছর ধরে এটা করে চলেছিঝলাম, আমার ধারনাই ছিলোনা এর চেয়ে কোন ভালো পথ আছে। কেউ যদি আমায় বলতো আমি আমার উদ্বেগের চার ভাগের তিন ভাগ দূর করতে পারি, তার পথও আছে, তাহলে মনে করতাম অতি আশাবাদী কথাবার্তাই সে বলছে। তা সত্ত্বেও এমন উপায় বের করলাম তাতে ওই কাজই হলো। কৌশলটা আট বছর কাজে লাগাচ্ছি আর তা আমার দক্ষতা, স্বাস্থ্য এবং সুখের ব্যাপারে অলৌকিক কাণ্ড ঘটিয়েছে।

এটাকে যাদুবিদ্যা বলে মনে হচ্ছে–সব যাদুর খেলার মতই কৌশলটা জানলে দেখবেন কেমন সহজ।

গোপন কথাটা হলো এই : প্রথমেই গত পনেরো বছর যে সব সভা ইত্যাদির মধ্য দিয়ে কাজ করছিলাম তা বাতিল করলাম–সভায় গিয়ে ব্ৰিত সহকর্মীদের জিজ্ঞেস করা কি ভুল হয়েছে। এবার কি কর্তব্য? দ্বিতীয়, একটা নতুন নিয়ম করলাম–যে কেউ আমার কাছে কোন সমস্যা হাজির করতে চাইবে তাকে প্রথমেই নিচের চারটি প্রশ্নের জবাব তৈরি করে দিতে হবে :

প্রথম প্রশ্ন : সমস্যাটি কি?

(আগে আসল সমস্যাটি কি জানার চেষ্টাতেই কয়েক ঘন্টা সময় কেটে যেত। আমরা আমাদের সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতাম কিন্তু আসল সমস্যা কি দেখার কোন চেষ্টাই করতাম না)।

দ্বিতীয় প্রশ্ন : সমস্যার কারণ কি?

(পুরনো দিনের কথা ভাবলে আমার আতঙ্ক হয়, কিভাবে কত সময় নষ্ট করেছি সমস্যার গোড়ার কারণ খুঁজে পেতে না চেয়ে।)

তৃতীয় প্রশ্ন : সমস্যাটি সমাধানের সম্ভাব্য পথ কি?

(আগে সভায় একজন হয়তো কোন সূত্র দিয়েছে, অন্যজন তাতে আপত্তি করলে সভা উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। কেউই কিন্তু তাদের সম্ভাব্য সমাধান লিখে ফেলার চেষ্টা করেনি)।

চতুর্থ প্রশ্ন : আপনি কিভাবে সমাধান করতে চান?

(আমি সভায় যেতাম তারই সঙ্গে, যিনি কোন সমস্যার সমাধান সম্পর্কে প্রচুর ভেবেছেন। কিন্তু একবারের জন্যও সেই সমাধান লিখে ফেলেন নি)।

আমার সহযোগীরা ক্বচিৎ সমস্যা নিয়ে আসেন। কেন? কারণ তারা জানেন ওই চারটি প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে তাদের অবস্থা সম্পর্কে ভাবতে হয়েছে। এটা করার পর তারা দেখেছেন চারভাগের তিনভাগ ব্যাপারেই তাদের আর আমার কাছে আসার দরকার নেই। বৈদ্যুতিক টেস্টার থেকে যেমন টেস্ট বেরিয়ে আসে তাদের সমাধান তেমনি সহজ হয়। সমাধানে পৌঁছতে আগের চেয়ে এক তৃতীয়াংশই সময় লাগে কারণ চিন্তাধারা একটা সুশৃঙ্খল, যুক্তিগ্রাহ্য পথ ধরে চলে।

পকেট বুক প্রকাশভবনে এখন দুশ্চিন্তা আর বিতর্ক অনেকটাই কম। এখন ভুলগুলো সংশোধন করতে অনেক সময় পাওয়া যাচ্ছে।

.

আমার বন্ধু ফ্রাঙ্ক বেটগার, যিনি আমেরিকার বীমার ব্যবসায়ে উচ্চ স্থানাধিকারী আমায় বলেছেন একই পদ্ধতিতে তিনি দুশ্চিন্তা অনেকটাই কমিয়ে আনেন আর আয়ত্ত করেন দ্বিগুণ।

তাঁর বক্তব্য ছিল, বহুবছর আগে যখন প্রথম বীমা করানোর কাজ নিই, তখন কাজে প্রচুর উৎসাহ আর আনন্দ পেতাম। তারপরেই কী যেন ঘটল। আমার এমনই হতাশা এল যে কাজকে ঘৃণা করতে শুরু করে ছেড়ে দেব ভাবলাম। হয়তো ছেড়েই দিতাম যদি না এক শনিবার সকালে আমার দুশ্চিন্তার মূলে পৌঁছতে চাইতাম।

১। প্রথমেই নিজেকে প্রশ্ন করলাম : ‘সমস্যাটা ঠিক কি?’ সমস্যা ছিলো, আমি প্রচুর ঘুরেও আশানুযায়ী আয় হচ্ছিলো না। কোন লোককে বীমা করানোর আগে পর্যন্ত ভালোই চলতো, কিন্তু কাজ শেষ হতো না। মক্কেল হয়তো বলতো, এ নিয়ে ভেবে দেখবো মিঃ বেটগার। পরে দেখা করবেন। আমার হতাশার কারণ হলো এই পরের ঘোরাঘুরির কাজ।

২। নিজেকে প্রশ্ন করলাম : ‘এর সম্ভাব্য সমাধান কী?’ তবে এর উত্তরের জন্য আমায় তথ্যগুলো দেখতে হবে, তাই গত বারো মাসের হিসেব দেখলাম।

আমি এক আশ্চর্য আবিষ্কার করলাম। দেখলাম পরিষ্কার কালি দিয়ে লেখা শতকরা সত্তর ভাগ বিক্রির কাজ প্রথম সাক্ষাতেই হয়ে গেছে! তেইশভাগ হয়েছে দ্বিতীয় সাক্ষাতে। আর মাত্র সাতভাগ তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম ইত্যাদি সাক্ষাতে হয়েছে। এতেই আমার প্রচুর সময় নষ্ট হচ্ছিল, আমি মাত্র শতকরা সাতভাগের জন্য আমার অর্ধেক সময় নষ্ট করছিলাম!

৩। এর জন্য কি করা দরকার? উত্তর একটাই। আমি দ্বিতীয় বারের পর সাক্ষাতকার বন্ধ করে দিলাম, বাকি সময় নতুন কাজে লাগালাম। এর ফল হলো অবিশ্বাস্য। অল্প সময়েই আমি প্রতি সাক্ষাতের মূল্য প্রায় দ্বিগুণ করে ফেলোম!

আগেই বলেছি দ্রলোক বীমা ব্যবসার নামী ব্যক্তি, তিনি বছরে প্রায় দশ লক্ষ ডলারের মত কাজ করেন। তিনি প্রায় কাজ ছাড়তে বসেছিলেন কিন্তু নিজেকে বিশ্লেষণ করে সাফল্যের পথেই এগোলেন।

আপনিও কি আপনার ব্যবসার সমস্যা সমাধানে এই প্রশ্নগুলো কাজে লাগাতে পারেন? সেই বাজি রাখার কথাই বলছি আবার–এগুলো আপনার দুশ্চিন্তা পঞ্চাশ ভাগ কমিয়ে দিতে পারে। প্রশ্নগুলো আর

একবার শুনুন :

১। সমস্যাটা কী?
        ২। সমস্যার কারণ কী?
        ৩। সমস্যাটি সমাধানের সম্ভাব্য উপায় কী কী?
        ৪। কোন সমাধান আপনার পছন্দ?

.

এ বই থেকে সেরা উপকার পেতে হলে, ন’টি পরামর্শ মেনে চলুন :

১। এ বই থেকে বেশি উপকার পেতে হলে একটা প্রয়োজনীয় জিনিসই আছে–এটা যদি আপনার না থাকে তাহলে হাজার হাজার নিয়ম পড়েও কিছুই লাভ হবে না। সেই জিনিসটা কি? ঠিক এই জিনিসটাই : কিছুই না–শুধু শেখার অদম্য বাসনা এবং দুশ্চিন্তা এড়ানোর আর বেঁচে থাকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞা।

এধরণের আকাঙক্ষার জন্ম কেমন করে দেওয়া যাবে? বারবার নিজেকে জানানো এর প্রয়োজন কতখানি। নিজের কাছে সর্বদা একটা চিত্র হাজির করতে হবে, কেমন করে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হওয়ার ফলে আরও সুন্দর ও সুখী জীবন কাটানো যায়। নিজেকে বারবার বলতে হবে : আমার মানসিক শান্তি, আমার সুখ, স্বাস্থ্য এবং সম্ভবত আমার আয়, এই বইয়ের পুরনো আর সহজ চিরসত্যের শিক্ষার উপর নির্ভরশীল।

২। প্রথমেই প্রতিটি পরিচ্ছেদে একবার চোখ বুলিয়ে নিন। পরের পরিচ্ছেদ তাড়াতাড়ি পড়ার ইচ্ছে জাগতেও পারে। একমাত্র আনন্দ পাওয়ার জন্য না পড়লে সেটা করবেন না। কিন্তু যদি দুশ্চিন্তা দূর করে সুখী জীবন যাপনে অভিলাষী হন তাহলে গোড়া থেকে প্রতিটি পরিচ্ছেদ মন দিয়ে পড়ুন। শেষ পর্যন্ত তাতে সময়ের সাশ্রয় আর ভালো ফল লাভ হবে।

৩। পড়ার ফাঁকে ফাঁকে পড়ার বিষয় নিয়ে ভাবতে থাকুন নিজেকে প্রশ্ন করে জেনে নিন প্রতিটি পরামর্শ কিভাবে কাজে লাগাতে পারেন। খরগোশের পিছনে কুকুরের দ্রুতধাবনের মতো পড়া উচিত নয়, এতে ভাল ফল পাওয়ার সম্ভাবনা খুব কম।

৪। হাতে লালকালির কলম বা পেন্সিল রাখবেন, যখনই দেখবেন কোন পদ্ধতিকে আপনি কাজে লাগাতে পারেন, তার নিচে দাগ দিন। কেন উপদেশ খুব ভালো লাগলে চারটে তারকা চিহ্ন দিন। দাগ দিয়ে পড়লে পড়ার আগ্রহ ঢের বেড়ে যায়।

৫। একজনকে জানতাম যিনি পনেরো বছর বিরাট এক বীমা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার ছিলেন। তিনি তার অফিসে যত বীমা করা হয় তার শর্তগুলো বারবার পড়তে চাইতেন। কেন? কেননা এতে সব শর্ত মনে রাখা সহজ হয়।

আমি সভায় বক্তৃতা করার বিষয়ে একটা বই লেখার সময় দু বছর খেটেছিলাম, তাতে দেখেছিলাম, বারবার আমায় আগের পাতাগুলো পড়তে হয়েছে যাতে নিজের বইতে কি লিখেছি মনে থাকে। আমরা যে কত দ্রুত ভুলে যাই ভাবলেও আশ্চর্য হতে হয়।

এতএব, এবই থেকে যদি চিরস্থায়ী কোন উপকার পেতে চান তাহলে ভাববেন না একবার পড়লেই যথেষ্ট। ভালো করে পড়ে ফেলার পর আপনাকে প্রতিমাসে কয়েক ঘন্টা ঝালিয়ে নেওয়া দরকার, তাই এটা ডেস্কের সামনে রেখে দেবেন। সব সময় ভাবুন আপনি ভালো করতে পারবেন। মনে রাখবেন ক্রমাগত পড়ে এটা কাজে লাগানোর মধ্য দিয়েই উন্নতি সম্ভব। আর কোন উপায় নেই।

৬। বার্নার্ড শ একবার মন্তব্য করেন : কোন লোককে কিছু শেখাতে চাইলে সে কখনই শিখবে না। শ ঠিকই বলেছিলেন। শিক্ষা হলো একটা সজীব পদ্ধতি। আমরা কাজ করার মধ্য দিয়েই শিখি। অতএব এ বই পড়ে নীতিগুলো যদি আয়ত্ব করতে চান তাহলে কিছু করতে হবে। সুযোগ পেলেই নীতিগুলো কাজে লাগান। তা না করলে অচিরেই ভুলে যাবেন। যে জ্ঞান কাজে লাগানো যায় তাই মনে গেঁথে যায়।

আপনি হয়তো এই সব নীতি একেবারে কাজে লাগাতে অসুবিধা বোধ করতে পারেন। ব্যাপারটা আমি ভালোই জানি যেহেতু বইটা আমারই লেখা। আমি নিজেও তাই অসুবিধা বোধ করি। তাই বইটা যখনই পড়বেন তখনই মনে রাখবেন শুধু খবর সংগ্রহ করার জন্যই বইটা পড়ছেন না। আপনি নতুন অভ্যাস পড়ে তুলতে চাইছেন। হ্যাঁ, আপনি নতুন জীবন যাপনের উপায় খুঁজছেন। এজন্য দরকার ধৈয্য আর প্রাত্যহিক কাজে ব্যবহার।

সুতরাং পাতাগুলোয় মাঝে মাঝেই চোখ বোলান। বইটিকে দুশ্চিন্তা জয় করার কাজে লাগানোর বই ভাবুন–আর কোন উদ্বেগজনক পরিস্থিতির মুখোমুখি হলে চঞ্চল হবেন না। তার বদলে বইটার পাতা উল্টে অধ্যায়গুলো পড়ুন। এটা করলে দেখবেন ইন্দ্রজালেন মতই কাজ হবে।

৭। আপনার স্ত্রীকে কিছু টাকা দিন যাতে তিনি বইটির নিয়মের বাইরে কোন কাজ করলে আপনাকে যেন ধরে ফেলেন। দেখবেন তিনি এটা করলে আপনার উচিত শাস্তি হবে।

৮। এ বইয়ে যেখানে ওয়ালস্ট্রীটের ব্যাঙ্কার এইচ, পি. হাওয়েল আর বুড়ো ফ্রাঙ্কলিনের কথা আছে সে জায়গাটা পড়ে দেখুন তারা কিভাবে ভ্রম সংশোধন করেছিলেন। আপনিও তাদের মত ব্যাপারটা কাজে লাগান না কেন? এটা করলে দুটো ব্যাপার দেখতে পাবেন :

প্রথমতঃ দেখবেন এইভাবে শেখার সময় খুব চিন্তায় কাটবে আর অমূল্য বলেই তা মনে হবে।
        দ্বিতীয়তঃ আপনি দেখবেন দুশ্চিন্তা কাটিয়ে জীবন যাপনের ক্ষমতা আপনার অদ্ভুত গতিতেই বেড়ে উঠেছে।

৯। একটা ডায়েরী রাখুন–সেই ডায়েরীতে আপনার সমস্ত সাফল্যের বিবরণ লিখে রাখবেন। পরিষ্কারভাবে লিখবেন। নাম, তারিখ আর ফলাফল লিপিবদ্ধ করবেন। এভাবে লিখে রাখলে আপনি আরও বেশি সফল হওয়ার প্রেরণা পাবেন। বহু বছর পরে যখন ডায়েরীটা দেখবেন কি ভালোই না তখন লাগবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *