• Skip to main content
  • Skip to header right navigation
  • Skip to site footer

Bangla Library

Read Bengali Books Online (বাংলা বই পড়ুন)

  • Login/Register
  • Account

শত মনীষীর কথা ১ – ভবেশ রায়

লাইব্রেরি » ভবেশ রায় » শত মনীষীর কথা ১ – ভবেশ রায়
লেখক: ভবেশ রায়বইয়ের ধরন: আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা

শত মনীষীর কথা ১ – ভবেশ রায়

শত মনীষীর কথা (প্ৰথম খণ্ড) – ভবেশ রায় / প্ৰথম প্ৰকাশ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৯

উৎসর্গ – বাংলাদেশের সৃজনশীল প্রকাশনার প্রতীক পুরুষ শ্রী চিত্তরঞ্জন সাহা-কে সশ্রদ্ধ নিবেদন

[সাহিত্য মানেই যে শুধু ছড়া কবিতা কিংবা গল্পউপন্যাসের বিনােদন নয় তার বিস্তর প্রমাণ রয়েছে। নতুন প্রজন্মের জন্য যিনি সাহিত্যে জ্ঞানের বৃহত্তর দোয়ার খুলে দেয়ার প্রয়াস পেয়েছিলেন তিনি এক নিঃসঙ্গ অভিযাত্রী ভবেশ রায়। তাঁর হাতে সাহিত্যের একটি শাখার বিস্তৃতি ঘটেছে। বিশ্বের বৃহত্তর জগৎ থেকে সংগৃহীত তথ্য নিয়ে তিনি সৃষ্টি করেছেন এক নতুন ধারার সাহিত্যের । ভবেশ রায়ের ‘শত মনীষীর কথা’ ও ‘জ্ঞানকোষ’ গ্রন্থ সিরিজ দুটো তারই প্রকৃষ্ট প্রমাণ। এ ধারাতে তিনি এতদিনে একটি নিজস্ব বলয় সৃষ্টি করে নিতেও সক্ষম হয়েছেন। তাঁর এ নিজস্ব বলয়ের পরিধি যেমন বাড়ছে, তেমনি বাড়ছে তার পাঠকপ্রিয়তাও। ভবেশ রায়ের ‘শত মনীষীর কথা’ জীবনী সাহিত্যের একটি বৃহত্তম সংযােজন।

যুগ যুগ ধরে মনীষীদের জীবন জিজ্ঞাসার উত্তরইতাে আমাদের সভ্যতার বিকাশের ইতিহাস। এঁরাইতাে সভ্যতার চাকাকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন কালের গতিধারার পথে। হাজার হাজার বছর ধরে সভ্যতার উষালগ্ন থেকে বর্তমান শতাব্দী পর্যন্ত যে-সব প্রাতঃস্মরণীয় মনীষীদের অবদানে পৃথিবী হয়েছে ঋদ্ধ, তাঁদের মহিমান্বিত জীবনাদর্শকে আগামী প্রজন্মের সামনে তুলে ধরার লক্ষে জীবনীগ্রন্থ রচনার যে দুরূহ কাজ ভবেশ রায় করেছন তা অভূতপূর্ব।]

আমার কথা

বিশ্বের সেইসব প্রাতঃস্মরণীয় মহাপুরুষ যাদের জীবনকথা আজও লাখাে কোটি মানুষের আদর্শ হয়ে আছে, হাজার বছর ধরে হয়ে আছে কিংবদন্তির ইতিহাস, তাঁদেরই মহৎ জীবনের কথা নিয়ে একটি সিরিজ গ্রন্থ প্রকাশের পরিকল্পনা ছিল দীর্ঘদিনের। বর্তমান গ্রন্থ সেই পরিকল্পনারই বাস্তবায়ন।

যদিও ইচ্ছে ছিল প্রতিজন মনীষীর জীবনকথা দিয়ে একটি করে পৃথক বই হবে, কিন্তু সেই পরিকল্পনা পরিবর্তন করে একটি গ্রন্থে অধিকসংখ্যক অর্থাৎ একশত জন মনীষীর জীবনকথা সংক্ষেপে আলােচনা করা হয়েছে।

এমন অনেক ব্যক্তিত্ব আছেন যাদের শুধুমাত্র নামের সাথে আমরা সাধারণভাবে পরিচিত। তেমনি কিছু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের অজানা কথাকে সংক্ষেপে এখানে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।

গ্রন্থটি বিষয়বস্তু অনুসারে চারটি পর্বে ভাগ করা হয়েছে। প্রথম পর্বে ধর্ম-দর্শন ও জনসেবা, দ্বিতীয় পর্বে আছে শিল্প-সাহিত্য ও সংগীতের ক্ষেত্রে যারা কালজয়ী প্রতিভার অধিকারী তাদের কথা, তৃতীয় পর্বে আবিষ্কারের নেশায় যারা ছিলেন আজীবন বিভাের তাঁদের এবং চতুর্থ পর্বে রয়েছে বিশ্বের রাজনৈতিক ইতিহাসের সংগ্রামী ব্যক্তিত্বের কথা। প্রতিটি পর্ব ব্যক্তিগণের আবির্ভাবকাল অনুসারে সাজানাে (দু-একটি ব্যতিক্রম ছাড়া) হয়েছে।

গ্রন্থটির মূল পরিকল্পনা থেকে প্রকাশের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত যিনি অক্লান্ত নিষ্ঠা ও শ্রম দিয়ে এসেছেন তিনি এই গ্রন্থের প্রকাশক শ্রী মিলন নাথ। মূলত তাঁর আন্তরিকতা ও উৎসাহেই এই বিশাল গ্রন্থটি এমন সুদৃশ্য কলেবরে প্রকাশ করা সম্ভব হল। তাঁকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও ধন্যবাদ। শিল্পী সুখেন দাস আন্তরিক নিষ্ঠার সঙ্গে গ্রন্থটির প্রচ্ছদ এঁকে দিয়েছেন, তাঁকেও জানাই ধন্যবাদ। গ্রন্থনা ও প্রকাশনার ক্ষেত্রে ভুলত্রুটি সম্পর্কে সহৃদয় পরামর্শ পেলে আমরা কৃতার্থ হব। যাদের জন্য এই বইটি তাদের ভাল লাগলেই আমার শ্রম সফল ও সার্থক হয়েছে বলে মনে করব।

ভবেশ রায়
ঢাকা
১ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৯

Book Content

ধর্ম ও দর্শন
হযরত মুহাম্মদ (দঃ) (৫৭০-৬৩২) – সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ নবী
জরথুশত্র (৬২৮-৫৫১ খ্রি. পূ.) – পারশি ধর্মের প্রবর্তক
বর্ধমান মহাবীর (৫৯৯–৫২৭ খ্রি. পূ.) – জৈন দর্শন ও ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা
গৌতম বুদ্ধ (৫৬৩–৪৮৩ খ্রি. পূ.) – বৌদ্ধধর্মের প্রবর্তক
কনফুসিয়াস (৫৫১–৪৭৯ খ্রি. পূ.) – চীনের প্রাচীনতম ধর্মমতবাদের প্রবর্তক
সক্রেটিস (আনু. ৪৬৯–৩৯৯ খ্রি. পূ.) – দর্শনশাস্ত্রের আদিজনক
প্লেটো (৪২৮–৩৪৭ খ্রি. পূ.) – দর্শনশাস্ত্র যাঁর হাতে পেয়েছিল পূর্নাঙ্গরূপ
ডায়োজিনিস (৪১২–৩২২ খ্রি. পূ.) – একনিষ্ঠ জ্ঞান সাধক
অ্যারিস্টটল (৩৮৪-৩২২ খ্রি. পূ.) – যুক্তিশাস্ত্রের জনক
যিশু খ্রিস্ট (আনু. ৬ খ্রি. পূ.–আনু. ২৯ খ্রি.) – খ্রিস্টানধর্মের প্রবর্তক
অতীশ দীপঙ্কর (৯৮২–১০৫৩) – জ্ঞানসাধক বৌদ্ধ ধর্মের প্রচারক
গুরু নানক (১৪৬৯–১৫৩৮) – শিখ ধর্মমতের প্রবর্তক
মার্টিন লুথার (১৪৮৩-১৫৪৬) – ধর্মের সংস্কারক এবং ‘প্রটেস্টানিজম’ মতবাদের স্রষ্টা
মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্য (১৪৮৬-১৫৩৩) – বৈষ্ণবধর্মের প্রবর্তক
রামমোহন রায় (১৭৭২–১৮৩৩) – ভারতবর্ষে নবযুগের প্রবর্তক
রামকৃষ্ণ পরমহংস (১৮৩৬–১৮৮৬) – ‘হ্যাঁ, নিশ্চয়ই আমি ঈশ্বরকে দর্শন করেছি’
বারট্রান্ড রাসেল (১৮৭২–১৯৭০ ) – যুদ্ধ-বিরোধী ও মানবতাবাদী দার্শনিক
বিজ্ঞান
থ্যালিস (আনু. ৬২৪–৫৬৫ খ্রি. পূ.) – বিজ্ঞানশাস্ত্রের আদিপুরুষ
পিথাগোরাস (আনু. ৫৮২–৫০৭ খ্রি. পূ.) – তিনি বলেছিলেন—পৃথিবী গোলাকার
হিপোক্র্যাটিস (আনু: ৪৬০–৩৭০ খ্রি. পূ.) – চিকিৎসাশাস্ত্রের আদিজনক
আর্কিমিডিস (২৮৭–২১২ খ্রি. পূ.) – ঊর্ধ্বমুখী বল সূত্রের আবিষ্কারক
ক্লডিয়াস টলেমি (১০০–১৮০ খ্রি.) – জ্যোতির্বিজ্ঞানের প্রথম কোষগ্রন্থ প্রণেতা
ক্লডিয়াস গ্যালেন (১৩১–২০১ খ্রি.) – চিকিৎসাশাস্ত্রের আধুনিক পদ্ধতির আদি জনক
ইবনে সিনা (৯৮০–১০৩৭) – জ্ঞানসাধনায় কাটিয়েছিলেন সমগ্র জীবন
কোপারনিকাস (১৪৭৩–১৫৪৩) – আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানে প্ৰবক্তা
জিওর্দানো ব্রুনো (আনু. ১৫৪৮–১৬০০ ) – সত্যপ্রচারের অপরাধে যাঁকে জীবন্ত পুড়িয়ে মেরেছিল
গ্যালিলিও গ্যালিলি (১৫৬৪-১৬৪২) – যাঁর গাণিতিক পদ্ধতি আধুনিক বিজ্ঞানের ভিত্তি
লিওয়েন হুক (১৬৩২–১৭৩৩) – মুদি দোকানদার থেকে বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী
আইজাক নিউটন (১৬৪২–১৭২৭) – মাধ্যাকর্ষন শক্তির আবিষ্কারক
রিচার্ড আর্করাইট (১৭৩২–১৭৯২) – আধুনিক বস্ত্রশিল্পে বৈপ্লবিক ধারা প্রবর্তক
উইলিয়াম হার্শেল (১৭৩৮–১৮২২) – ইউরেনাস গ্রহের আবিষ্কারক
লরেঁ লাভোয়সিয়ের (১৭৪৩–১৭৯৪) – রসায়নশাস্ত্রের জনক
মাইকেল ফ্যারাডে (১৭৯১-১৮৬৭) – তাড়িত-চুম্বক বিজ্ঞানের প্রতিষ্ঠাতা
চার্লস ডারউইন (১৮০৯-১৮৮২) – প্রাণিজগতের বিবর্তনবাদের ব্যাখ্যাদাতা
লুই পাস্তুর (১৮২২–১৮৯৫) – জীবাণু আর জলাতঙ্ক রোগ প্রতিষেধকের আবিষ্কারক
আলফ্রেড নোবেল (১৮৩৩–১৮৯৬) – যাঁর নামে দেয়া হয় নোবেল পুরস্কার
আলভা এডিসন (১৮৪৭–১৯৩১) – সর্বাধিক আবিষ্কারের জনক
জগদীশচন্দ্র বসু (১৮৫৯–১৯৩৭) – যিনি বলেছিলেন গাছেরও প্রাণ আছে
মাদাম কুরি (১৮৬৭–১৯৩৪) – সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহিলা বিজ্ঞানী
মার্কোনি (১৮৭৪–১৯৩৭) – বেতারযন্ত্রের আবিষ্কারক
আলবার্ট আইনস্টাইন (১৮৭৯–১৯৫৫) – আপেক্ষিক তত্ত্বের জনক
আলেকজান্ডার ফ্লেমিং (১৮৮১–১৯৫৫) – পেনিসিলিনের আবিষ্কারক
সাহিত্য
হোমার (আনু. ৭০০-? খ্রি. পূ.) – বিশ্বের শ্রেষ্ঠ দুটি মহাকাব্যের রচয়িতা
ঈশপ (আ. কা. ৬২০–৫৬০ খ্রি. পূ.) – কালজয়ী নীতিগল্পকার
সোফোক্লেস (আনু. ৪৯৫-৪০৬ খ্রি. পূ.) – গ্রিক ট্র্যাজেডি নাট্যধারার রূপকার
হেরোডোটাস (আনু. ৪৮৫–৪২৫ খ্রি. পূ.) – ইতিহাসশাস্ত্রের জনক
অ্যারিস্টোফানিস (আনু. ৪৪৪–৩৮৫ খ্রি. পূ.) – যাঁর সাহিত্যকর্মে আর্তমানবতার কথা প্রতিফলিত
মহাকবি কালিদাস (আনু. ৫৭০-৬৫০ খ্রি.) – সংস্কৃতি সাহিত্যের অমর কবি
লেওনার্দো দা ভিঞ্চি (১৪৫২–১৫১৯) – সর্বকালের শ্রেষ্ঠ চিত্রশিল্পী
মিকেলাঞ্জেলো (১৪৭৫–১৫৬৪) – পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভাস্কর শিল্পী
1 of 2
বাণী চিরন্তন – সম্পাদনা : ভবেশ রায় / মিলন নাথ

বাণী চিরন্তন – সম্পাদনা : ভবেশ রায় / মিলন নাথ

Reader Interactions

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লেখক

সিরিজ

বইয়ের ধরণ

বাংলা ডিকশনারি

বাংলা জোক্স

বাংলা লিরিক্স

বাংলা রেসিপি

বিবিধ রচনা

বাংলা হেলথ টিপস

Download PDF


My Account

Facebook

top↑

Login
Accessing this book requires a login. Please enter your credentials below!

Continue with Google
Lost Your Password?
এভারগ্রিন বাংলা লোগো
Register
Don't have an account? Register one!
Register an Account

Continue with Google

Registration confirmation will be emailed to you.