• Skip to main content
  • Skip to header right navigation
  • Skip to site footer

Bangla Library

Read Bengali Books Online (বাংলা বই পড়ুন)

  • Login/Register
  • Account

নিষাদ – পিয়া সরকার

লাইব্রেরি » পিয়া সরকার » নিষাদ – পিয়া সরকার
নিষাদ - পিয়া সরকার
লেখক: পিয়া সরকারবইয়ের ধরন: থ্রিলার রহস্য রোমাঞ্চ অ্যাডভেঞ্চার

নিষাদ – পিয়া সরকার

(দর্শনা বোস সিরিজ)

অন্তরীপ পাবলিকেশন
প্রথম প্রকাশ – জুলাই ২০২৫

Nishad
[ Crime Detective Novel ]
by
Piya Sarkar

.

মা-কে

.

ফ্ল্যাপের লেখা

এস আই দর্শনা বোস সিরিজের তৃতীয় উপন্যাস নিষাদ। এবারের প্রেক্ষাপট পুরুলিয়া ও কলকাতা। চোখের সামনে জীবন্ত হয়ে ওঠা শহুরে অপরাধকাহিনীর আড়ালে নিষাদ এক মানবিক গল্প।

.

দু’টি পরপর খুন। আপাতভাবে সরল সমাধান। তদন্তে নেমে এস আই দর্শনা বোস আবিষ্কার করেন, যা সহজ, তা সত্য নয়।

সাধারণ জীবনযাপনের আড়ালে ওঁত পেতে আছে অবিশ্বাস, প্রতারণা ও অপরাধের ধূসর জগৎ। সামনে আসে তিরিশ বছরের পুরোনো এক অমীমাংসিত কেস, বীভৎসতায় যা কুঁকড়ে দেয় সমস্ত মানবিক মূল্যবোধকে। চরম ধূর্ত প্রতিপক্ষকে বুঝে নিতে নিতে দর্শনা মুখোমুখি হন এমন এক সত্যের, যার জন্য তিনি নিজেও প্রস্তুত ছিলেন না।

নিষাদ, শুধু গতিময় আর রুদ্ধশ্বাস অপরাধকাহিনী নয় – এটি আসলে একটি প্রশ্নচিহ্ন। অপরাধ না অপরাধী, কে বেশি ঘৃণ্য?

.

লেখকের পরিচিতি তাঁর লেখায় এবং সেই লেখা ছাপাখানার গন্ধ গায়ে মেখে পাঠকের দরবারে উপস্থিত। লেখক বিশ্বাস করেন, আশেপাশের পৃথিবীটুককে চেনার চেষ্টা করে যাওয়াটাই লেখার অন্যতম শর্ত নিষাদের পাঠকদের উৎসাহী এবং অনুসন্ধিৎসু মনকে কতটা সন্তুষ্টি দিল লেখকের কলম, তা জানতে তিনি প্রবল আগ্রহী।

লেখকের অন্যান্য প্রকাশিত বইগুলি হল বৃশ্চিকচক্র, নিহত হওয়ার আগে ও পরে, বিশাসন এবং মৃত্যু বিসর্পিল।

.

পাঠকের প্রতি

চার বছর পর দর্শনা বোস ফিরছেন। ‘বৃশ্চিকচক্র’ প্রকাশিত হয়েছিল ২০২১- এর বইমেলার ঠিক আগে। এই বিপুল অন্তরালের কারণ কিছুটা পারিবারিক ও কিছুটা লেখকের ইচ্ছাকৃত। এই দ্বিতীয়টি নিয়ে দু’-এক কথা বলা প্রয়োজন। রহস্যকাহিনি মূলত গল্পগাথা এবং যে-কোনও কাহিনির মতো এর সত্য হয়ে ওঠার বা সত্যের কাছাকাছি পৌঁছোনোর দায় নেই। অথচ একজন পুলিশ প্রসিডিওরাল রহস্যকাহিনির লেখক যে-সামাজিক স্রোত থেকে তাঁর লেখার উপাদান সংগ্রহ করেন, তা কঠোরভাবে বাস্তব। যেমনটি জে নেসবো বলেছেন, ‘মানুষের দ্বিধা, সংশয়, দ্বন্দ্ব ও প্যাশন ফুটিয়ে তোলার অন্যতম সেরা মাধ্যম হল ক্রাইম ফিকশন। রহস্যের আড়ালে আদতে মানবিক সমস্যার কথা বলে চলা এর লক্ষ্য।’ লেখক হিসেবে, আমাকে জে নেসবোর এই উক্তি অনুপ্রাণিত করে, লিখতে শেখায়, নিজের চারপাশকে বুঝতে শেখায়। দর্শনা বোসের কাহিনি লিখতে না বসলে, এই সামাজিক ডাইন্যামিক্সকে বোঝা, সাহস সঞ্চয় করে পাঁক ঘেঁটে লেখার উপাদান সংগ্রহ করা সম্ভব ছিল না। দর্শনার কাছে তাই আমি ঋণী। ঋণী পাঠকের কাছেও, যাঁরা ক্রমাগত নতুন কাহিনি পড়তে চেয়ে আমায় উৎসাহ জুগিয়েছেন। উপাদান জোগাড় করার জন্য লেখিকার দীর্ঘ শীতঘুমকে মেনে নিয়েছেন। দর্শনা বোসকে ভোলেননি।

‘নিষাদ’ দর্শনা বোস সিরিজের তৃতীয় উপন্যাস। উপন্যাসটি উপভোগ করতে গেলে আগের দু’টি পড়া বাধ্যতামূলক নয়। আজ থেকে বছর সাতেক আগে এনডিটিভির একটি রিপোর্ট দেখে, উপন্যাসটি লেখার কথা মাথায় আসে। রিপোর্টটি প্রকাশের আরও তিন বছর পর, এক সমাজকর্মী সোশ্যাল মিডিয়াতে ওই একই রিপোর্টের সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে বিস্ফোরক একটি ব্যক্তিগত গদ্য লেখেন। মনে আছে, লিখেছিলেন, ‘যা লিখেছি তা বরফশৈলের চূড়ামাত্র।’ পরে পোস্টটি ডিলিট করা হয়। ততদিনে আমি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছি যে, বিষয়টি নিয়ে ক্রাইম থ্রিলার লিখব। এর পরে দীর্ঘ সময় কাটে। দর্শনার প্রথম দু’টি উপন্যাস প্রকাশিত হয়। সেদিক থেকে দেখতে গেলে, নিষাদ দর্শনা সিরিজের তিন নম্বর উপন্যাস হলেও, এর জন্মলগ্ন প্রথম দুইয়ের থেকেও প্রাচীন। উপন্যাসটি তিন পর্বে বিভক্ত। দর্শনা রয়েছেন, রয়েছেন কলকাতা ও পুরুলিয়া পুলিশের কিছু কাল্পনিক চরিত্র। সব চরিত্র কাল্পনিক হলেও, বিজন বসু, তন্ময় সামন্ত এবং নিরঞ্জন দাশগুপ্তের চরিত্র তিনটিতে আমার তিন ঘনিষ্ঠ আত্মীয়বন্ধুর ছায়া আছে। তাঁদের সঙ্গে নৈকট্যের খাতিরে, আমি তাঁদের কথাবার্তা, আচার- আচরণ, যথেচ্ছ স্বাধীনতায় এই উপন্যাসে ব্যবহার করেছি। বিশ্বাস আছে, তাঁরা রাগ করবেন না। বরং উৎফুল্ল হবেন।

উপন্যাসে বর্ণিত স্থান-কাল-পাত্রের সঙ্গে বাস্তবের কোনও যোগাযোগ নেই। তা নিখাদ কল্পনা। তবে প্রেক্ষাপটকে বাস্তবানুগ রাখতে, ক্ষেত্রবিশেষে বাস্তব জায়গার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। কিছু শ্রেণিগত আচরণ বোঝানোর জন্য কয়েকটি সংলাপে, অসাংবিধানিক ভাষা ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। গড়পড়তা ডিগ্রিধারী ও চাকুরিরত বাঙালির সংলাপে ইংরেজি ভাষার অনুপ্রবেশ ঘটছে— সেই দিক মাথায় রেখে পদস্থ কর্মীদের সংলাপে কিছু ইংরেজি শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে। আশা করি, তা পাঠকের বিরক্তির কারণ হয়ে উঠবে না।

ধন্যবাদ জ্ঞাপনের রীতিটি, পৃথিবীর সমস্ত সংস্কৃতিতে সবশেষে আসে। কিন্তু আমি জানি, আমার লেখা প্রতিটি শব্দের ভার কীভাবে কয়েকজন হাসিমুখে তুলে নিয়েছেন। আমার কন্যা মোহরের নাম সর্বাগ্রে আসে। আগে যখন ছোটোটি ছিল, তখন তার ধৈর্য ছিল আমার সম্বল। লেখার সময় কখনও বিরক্ত না করে সে আমায় অমূল্য মায়াপাশে জড়িয়ে রেখেছে। একই কথা প্রযোজ্য তমোঘ্ন দাশগুপ্তের প্রতি। চাকরির কঠোর চাপ সামলে নিরন্তর প্রয়াসে, ‘নিষাদ’ সম্পাদনা করে সে আমায় ঋণী করেছে। এ ঋণ কোনওদিন শোধ না হোক, এটাই কামনা করি। ফেসবুক থেকে পরিচিত কিছু পাঠক, অর্ণব ব্যানার্জি, রাজীব মুখার্জি, রক্তিম সরকার, আয়ুষ্মান মিত্র, সৌম্য ব্যানার্জি, অরুণাভ চ্যাটার্জি, নন্দিতা দত্ত, ও কঙ্কনা ঘোষকে আমার আন্তরিক প্রণাম। নাম যাদের অনুল্লেখিত থাকল, সেই পাঠককুলকেও আমার ধন্যবাদ ও নমস্কার। অন্তরীপ কর্তৃপক্ষ পরম যত্নে দর্শনার কাহিনিগুলি গ্রন্থিত করছেন, তার জন্য তাঁদের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা জানাই। [email protected] এই ঠিকানায় ই-মেলের মারফত সুধী পাঠকদের প্রতিক্রিয়া পেতে আমি উদগ্রীব থাকব।

ধন্যবাদান্তে,
পিয়া সরকার
বৈশাখ, ১৪৩২

.

“The End is always in the beginning”
-Bruno Bettelheim

.

মিলল না সমাধান; দুর্ভাগ্য তাড়া করে বেড়াচ্ছে আগরওয়ালদের

নিজস্ব সংবাদদাতা, অক্টোবর, ১৯৯৭

দুর্ভাগ্য যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না আলিপুরের আগরওয়ালদের। সারা দেশে সাড়া ফেলে দেওয়া খুন এবং ধর্ষণের ঘটনার তদন্ত, প্রায় তিন মাস পর কলকাতা পুলিশ এবং সিআইডির কাছ থেকে সিবিআইয়ের হাতে চলে যাওয়ায়, আশার আলো দেখেছিল পরিবার। গতবছর সুদর্শিনী মাটু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায়, ডিএনএ অ্যানালিসিস প্রয়োগ করে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে সিবিআই। আগরওয়ালদের দশ বছরের কন্যার ধর্ষণ ও মৃত্যুর তদন্তে ডিএনএ অ্যানালিসিস ব্যবহার করার চাপ আসছিল উপরমহল থেকে। ফলাফল চলে এলে, অপরাধীকে ধরা মুহূর্তের খেলা, এমনটা মনে করছিলেন কেসটির তদন্তে জড়িত কলকাতা পুলিশ এবং সিআইডির অনেক অফিসার। অবশেষে গতকাল বিকেলে সিবিআইয়ের কাছে, বহু প্রতীক্ষিত রিপোর্টটি এসে পৌঁছেছে। কিন্তু সিবিআই সূত্রে খবর, রিপোর্টটিতে এমন কিছু তথ্য সামনে এসেছে, যা শুধু অসম্ভব নয়, অবাস্তবও। রিপোর্টটির সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে, আর-একবার ডিএনএ অ্যানালিসিস করা হবে বলে জানিয়েছেন আধিকারিকরা। কিন্তু রিপোর্টে কী আছে, সে সম্পর্কে মুখ খুলতে অস্বীকার করেছেন সিবিআই আধিকারিকরা। যা জানানোর তা কোর্টকে জানানো হবে, জানিয়েছেন তাঁরা।

Book Content

এক - ঘুর্ণি
ঘুর্ণি – ১
ঘুর্ণি – ৫
ঘুর্ণি – ১০
ঘুর্ণি – ১৫
দুই - ভ্রম
ভ্রম – ১
ভ্রম – ৫
ভ্রম – ১০
তিন - মৃগয়া
মৃগয়া – ১
মৃগয়া – ৫
বৃশ্চিকচক্র পিয়া সরকার

বৃশ্চিকচক্র – পিয়া সরকার

বিসাশন - পিয়া সরকার

বিসাশন – পিয়া সরকার

বৃশ্চিক - পিয়া সরকার

বৃশ্চিক – পিয়া সরকার

Reader Interactions

Comments

  1. JEET SARKAR

    February 2, 2026 at 10:08 am

    Please upload ডঃ ডেথ written by Sayantani Putatunda

    Reply
  2. Subhajit Basu

    February 10, 2026 at 1:31 am

    পিয়া সরকারের দর্শনা বোস সিরিজের প্রথম বইটি পড়তে চাই।

    Reply
  3. Sucheta Banerjee

    March 25, 2026 at 2:47 pm

    অসাধারণ লেখা। আপনারা প্রতিটি বইকে রেটিং করাবার একটা অপশন রাখলে ভালো হয়। ভালো বই খুঁজে নিয়ে পড়তে সুবিধে হবে।

    Reply
  4. Hriday Mandal

    March 28, 2026 at 5:21 am

    6/10

    Reply

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লেখক

সিরিজ

বইয়ের ধরণ

বাংলা ডিকশনারি

বাংলা জোক্স

বাংলা লিরিক্স

বাংলা রেসিপি

বিবিধ রচনা

বাংলা হেলথ টিপস

Download PDF


My Account

Facebook

top↑

Login
Accessing this book requires a login. Please enter your credentials below!

Continue with Google
Lost Your Password?
এভারগ্রিন বাংলা লোগো
Register
Don't have an account? Register one!
Register an Account

Continue with Google

Registration confirmation will be emailed to you.