দূরদর্শনে হেমন্ত

দূরদর্শনে হেমন্ত

১৯৮৮ সালে হেমন্ত রবীন্দ্র কাহিনী নির্ভর দূরদর্শন ধারাবাহিক ইচ্ছাপূরণের সঙ্গীত পরিচালনা করেন। এতে তিনটি রবীন্দ্রসঙ্গীত তাঁর কণ্ঠে ব্যবহৃত হয়, (১) নীল দিগন্তে ওই ফুলের আগুন (আংশিক) (২) না, না গো না কোরো না ভাবনা (৩) পাগল যে তুই কণ্ঠে ভরে।

এছাড়া ‘কথায় ও সুরে’, ‘হারানো দিনের গান’, ‘পুরোনো দিনের গান’ ইত্যাদি বড়ো অনুষ্ঠান ছাড়াও রবীন্দ্রসঙ্গীত—আধুনিক—হিন্দি ইত্যাদি গান নানা ছোটোখাটো অনুষ্ঠানে গেয়েছিলেন।

এছাড়া যে দূরদর্শন—ধারাবাহিকগুলিতে হেমন্তর গান ছিল:

১। আমার নাম বকুল

গান: এসো গো জ্বেলে দিয়ে যাও (১৯৮৯) (রবীন্দ্রসঙ্গীত)

২। তেরো সন্ধ্যার গল্প

গান: এ হৃদয় উদাস কেন (১৯৮৯)

৩। ১৯৮৯ সালে দিল্লি দূরদর্শন সম্প্রচারিত ‘তালাশ’ ধারাবাহিকটির প্রযোজনা ও সঙ্গীতপরিচালনা করেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। এর টাইটেল সঙটি তিনি নিজেই গেয়েছিলেন।

৪। ১৯৮৯ সালে রবীন্দ্র—কাহিনীনির্ভর বাংলা ধারাবাহিক ‘চতুরঙ্গ’তে তিনি সঙ্গীতপরিচালনার কাজ শুরু করেছিলেন কিন্তু শেষ করতে পারেন নি। তাঁর অসমাপ্ত কাজ শেষ করেছিলেন শ্রীসুভাষ চৌধুরী।

নাটকে হেমন্ত

১। মেস নম্বর ৪৯ (১৯৫০)

পঙ্কজকুমার মল্লিকের সঙ্গে এই নাটকে যুগ্ম সঙ্গীত পরিচালক ছিলেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়।

২। সওদাগব (১৯৭০)

‘প্রতিমা গড়িতে ওরা’

কথা: গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার। সুর: নচিকেতা ঘোষ।

৩। অনন্যা (১৯৭৮)

‘সাগরের গভীরতা’

কথা ও সুর: চণ্ডীদাস বসু —QS1021(SENOLA)

৪। আংটি চাটুজ্যের ভাহ (১৯৭৯)

‘যার ঘর নেই’

কথা ও সুর: পার্থপ্রতিম চৌধুরী। (এই গানটির একই রেকর্ডিং ‘বৌমণি’ ছবিতে ১৯৯৫ সালে ব্যবহৃত হয়েছে)

৫। বিলকিস বেগম (১৯৮৪)

‘সূর্য ওঠা ভোর’

কথা: গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার। সুর: হেমন্ত মুখোপাধ্যায়

৬। চন্দ্রনাথ (১৯৮৬)

‘জীবনের নাট্যশালায়’

কথা ও সুর: স্বপন চক্রবর্তী

৭। শুভরজনী

‘না না ভাবা যায় না এতো’

সুর: অসীমা ভট্টাচার্য

৮। শ্রীচৈতন্যলীলা

‘ওঠো জাগো’

কথা ও সুর: প্রচলিত

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *