৫. অধিকারের দাবিতে লড়াই
মানুষের যৌনজীবন নিয়ে তেমন একটা গবেষণা হয়নি। যদিও ফ্রয়েড, হ্যাভলক এলিস, কিনসে, হার্শফেল্ড প্রমুখ যৌন-বিশেষজ্ঞের কিছু প্রামাণ্য গ্রন্থ আছে। তবুও যৌনতার বিভিন্ন রূপের অনেক কিছু আজও অনালোকিত। বিজ্ঞানসম্মত প্রয়োজনীয় তথ্যের অভাবে অনেক বিষয়ই আমাদের কাছে অস্বচ্ছ। কিছু বিশেষ ধরণের যৌন-অভ্যাস ও আচরণের ব্যাপারে আমরা উন্নাসিক। কিন্তু আশ্চর্যের কথা, এই জাতীয় সুপ্ত অভ্যাসের বাসনা হয়তো খুব সযত্নে লালিত হচ্ছে আমাদের মনের একেবারে গভীরে। আসলে পূর্ব-নির্ধারিত পরিকল্পনা মাফিক কোন নির্দিষ্ট পথ ধরে যৌনতা এগিয়ে চলে না। অবস্থা, পরিবেশ, লালন-পালনের পদ্ধতি, মনস্তত্ত্ব ও শারীরবৃত্তীয় নানা কারণের ওপর এর গতিপ্রকৃতি নির্ভর করে। তাই নৈতিকতা ও অনৈতিকতার ধ্বজা তুলে যৌন-মনস্তত্ত্বের বিশ্লেষণ হবে নিতান্তই ছেলেমানুষি। মোদ্দা কথা, বিভিন্ন মানবগোষ্ঠীর মধ্যে প্রচলিত যৌন আচার-আচরণ সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ ও তার বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা একান্ত দরকার। ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিজ্ঞানীরা অবশ্য এই কাজ করে চলেছেন, কিন্তু তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। তবে আশার কথা, এই ব্যাপারে এগিয়ে এসেছে কিছু স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। ‘বিকল্প যৌনতা’ তথা মানুষের সার্বিক যৌনজীবনের বিভিন্ন অবস্থা নিয়ে এরা সমীক্ষাভিত্তিক গবেষণামূলক কাজ করে চলেছে। শুধু তাই নয়, বিকল্প যৌনতায় বিশ্বাসী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে এরা সোচ্চার হয়ে উঠেছে। রূপান্তরকামী ও সমকামীরা আজ ‘প্রান্তিক মানুষ’। হ্যাঁ, এ ভাবে মূল স্রোতের মানুষরা এদের ঠেলে দিয়েছে সমাজের একেবারে প্রান্তে। বাঁচার লড়াই-এ এরা আজ শামিল হয়েছে। গড়ে উঠেছে নানা ছোট-বড় সংগঠন, যা সম্পূর্ণ এদেরই। এখানে কে রূপান্তরকামী, আর কেই-বা সমকামী সে বিষয়ে প্রশ্ন তোলা মুখ্য নয়। এমনকি কে যৌনকর্মী, আর কে নয়, সে ব্যাপারে বিভেদের প্রাচীর তুলে ঝগড়া বাধানো ঠিক নয়। কথা একটাই, এরা সকলে বিকল্প যৌনতায় বিশ্বাসী। তাই বিকল্প যৌনতার প্রেক্ষিতেই পুরুষ যৌনকর্মীদের দেখতে হবে। ছড়িয়ে থাকা সুবৃহৎ ক্যানভাসের ওপর একটি ছোট্ট ‘ডট’ হল এই যৌনকর্মীরা। ক্যানভাস থেকে ওই ‘ডট’টিকে বিচ্ছিন্ন করে দেখলে তার অর্থ দাঁড়াবে ভিন্ন। তাই পুরুষ যৌনকর্মীদের সামগ্রিক সমকামিতা ও রূপান্তরকামিতার মধ্যে রেখেই মূল্যায়ন করতে হবে। এবং তাহলেই আমরা দেখতে পাবো বিকল্প যৌনতার আইনি স্বীকৃতির জন্যে যারা লড়ছে তাদের মধ্যে রয়েছে বহু পুরুষ যৌনকর্মী।
এই বছর জেনিভায় অনুষ্ঠিত হল ‘দ্বাদশ বিশ্ব এইডস কনফারেন্স’। কলকাতার ৬ জন নারী যৌনকর্মীর সঙ্গে কৌস্তভ কুণ্ডু ও দীপঙ্কর পাল নামে দুই পুরুষ যৌনকর্মীও এই সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন। ৮ জনের এই দলে ‘স্কলারশিপ’১ পেয়েছিলেন মাত্র ৩ জন। বাকিরা নানাভাবে অর্থসংগ্রহ করেছিলেন। এরা সবাই যৌনকর্মীদের সাংস্কৃতিক সংস্থা ‘কোমল গান্ধার’-এর সদস্য। ‘দুর্বার মহিলা সমন্বয় কমিটি’ এদের জেনিভায় যাওয়ার ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল। সম্মেলনে উদ্বোধনের দিন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে এরা অসাধারণ নৃত্য-গীত পরিবেশন করে শ্রেষ্ঠত্বের শিরোপা আদায় করে নেয়। উদ্যোক্তারা মুগ্ধ হয়ে ‘স্কলারশিপ’ না-পাওয়া এই যৌনকর্মীদের জন্যে বিশেষ ‘স্কলারশিপ’-এর ব্যবস্থা করেন। এর থেকে আজ এই বিষয়টি সুস্পষ্ট হয়ে উঠছে যে, পুরুষ যৌনকর্মীদের জীবনের সমস্যাকে খুলে বলার ক্ষেত্র সম্প্রসারিত হচ্ছে। কোন আন্তর্জাতিক সম্মেলনে দাঁড়িয়ে এরা যখন নিজের জীবন ও অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ করবে, তখনই উঠে আসবে সমকামিতা সম্পর্কিত নানা সমস্যার বিভিন্ন রূপ। সমকামী অথচ যৌনকর্মী নয় এমন ব্যক্তিদের সঙ্গে পুরুষ যৌনকর্মীদের সম্পর্ক বাড়ছে। তাই শুধু ‘সমকামিতা’ বিষয়ক কোন আলোচনা সভা বা সম্মেলনে ‘পুরুষ যৌনব্যবসা’ আলোচ্য বিষয় হিসাবে বিবেচিত হচ্ছে। অন্যদিকে, দেহব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে নারী যৌনকর্মীদের সঙ্গে এদের হার্দিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। পেশাগত নানা সমস্যা নিয়ে পারস্পরিক মত বিনিময় হচ্ছে। একদিকে পেশাগত কারণে নারী যৌনকর্মীদের সঙ্গে নানা ব্যাপারে মিল, অন্যদিকে সমমানসিকতার কারণে সমকামী ও রূপান্তরকামীদের সঙ্গে সম্পর্ক এদের কর্মকাণ্ড ও পরিচিতির পরিমণ্ডলকে বাড়িয়ে তুলেছে। তাই ‘প্রান্তিক গোষ্ঠী’ হিসাবে বিচ্ছিন্নভাবে ছড়িয়ে থাকা বিভিন্ন মানুষের মধ্যে যোগাযোগের সূত্রপাত ঘটছে। পারস্পরিক সহযোগিতা ও সুসম্পর্কের মধ্যে দিয়ে জীবনের উত্তরণ ঘটবে বলে এদের বিশ্বাস।
১৯৯৪-এর ডিসেম্বরে মুম্বই-এ এশিয়ার সমকামীদের এক সম্মেলন বসেছিল। লণ্ডনের ‘নাজ ফাউণ্ডেশান’ (Naz Foundation) ও মুম্বই-এর ‘হামসাফার ট্রাস্ট’ (Humsafor Trust) এই সম্মেলনের আয়োজন করে। মহারাষ্ট্রের স্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান আধিকারিক ডাঃ সুবাস সালুনকি (Subash Salunkhe) এই সম্মেলনের উদ্বোধন করেন। তিনি ‘এইডস’ প্রতিরোধে সমস্ত সমকামী মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।১ দেশের সমস্ত শ্রেণির পুরুষ যৌনকর্মীর কাছে এটি নিঃসন্দেহে একটি আনন্দ সংবাদ। কারণ তাদের জীবনের সমস্যা নিয়েই প্রকাশ্যে আলোচনা হল। সাধারণ মানুষের দৃষ্টিভঙ্গী পরিবর্তনের ক্ষেত্রে এটি একটি বড় সোপান। ‘হামসাফার ট্রাস্ট’-এর কর্ণধার অশোক রাও কবির বক্তব্যের মধ্য দিয়ে ফুটে ওঠে যে, সমকামি-তার সঙ্গে অপরাধপ্রবণতার কোন সম্পর্ক নেই।২ এর আগে ১৯৯৩-এর ফেব্রুয়ারিতে মুম্বই দূরদর্শনের এক সাক্ষাৎকারে অশোক ‘সমকামিতা’ বিষয়ে অনেক তথ্য জানিয়েছিলেন। এছাড়া বিভিন্ন বিজ্ঞানধর্মী নিবন্ধ ও গল্পে তিনি বিকল্প যৌনতার নানা সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন।

‘বিকল্প যৌনতা’ বিষয়ক একটি সেমিনারে বিশিষ্ট গবেষকেরা।
সম্মেলন থেমে নেই। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ‘সমকামিতা নিয়ে নানা ধরণের সম্মেলন, কর্মশালা ও আলোচনাচক্র অনুষ্ঠিত হচ্ছে, প্রকাশিত হচ্ছে এই বিষয়ে নানা পত্র-পত্রিকা। আশির দশকে ‘Gay scene’ নামে সমকামিতা বিষয়ক একটি পত্রিকা কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়। আজ সেই পত্রিকা বন্ধ হলেও, এসেছে নতুন পত্রিকা— ‘নয়া প্রবর্তক’। ১৯৯১ সালে এই পত্রিকার প্রকাশ ঘটে। এরপর এই পত্রিকাকে কেন্দ্র করে ১৯৯৩-এর ১৫ অগাস্ট-এ কাউনসেল ক্লাব (Counsel Club) প্রতিষ্ঠিত হয়। নিদারুণ সমস্যা ও অর্থ কষ্টের মধ্যে এই সংগঠন অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। বিকল্প-যৌন রুচির মানুষদের জন্যে কাউনসিলিং (counselling)-এর ব্যবস্থা করেছে এই সংগঠন। এছাড়াও এদের স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতন করে তোলা হচ্ছে। নিম্নশ্রেণির পুরুষ যৌনকর্মীদের ওপর অনুসন্ধান চালানোর কথাও সংগঠনের কোন কোন সদস্য ভাবছেন।

১৯৯০ সালের জুন মাসে মুম্বই-এ সমকামী ও রূপান্তরকামীদের নিজস্ব পত্রিকা ‘বম্বে দোস্ত’ (Bombay Dost) প্রকাশিত হয়। এখানেও পত্রিকা-ভিত্তিক সংগঠন গড়ে ওঠে যা ‘সাপোর্ট গ্রুপ’১ (support group) হিসাবে কাজ করে যাচ্ছে।
১৯৯১-এ লণ্ডনে ‘দি নাজ প্রোজেক্ট’ (The Naz Project)-এর জন্ম। প্রধানত এইডসকে প্রতিহত করা উদ্দেশ্য হলেও, যে-সব পুরুষ পুরুষের সঙ্গে সঙ্গমে লিপ্ত হয় তাদের ওপরেই এই সংস্থা কাজ করে চলেছে। দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশ, তুরস্ক, ইরান ও আরবীয়দের ওপর এই সংস্থার কাজ সীমাবদ্ধ। সংস্থার কর্ণধার শিবানন্দ খানের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ক্ষেত্রসমীক্ষার মধ্যে দিয়ে সংশ্লিষ্ট দেশের সাধারণ নিম্নশ্রেণির পুরুষ যৌনকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়েছে। এবং সংস্থা এদের স্বাস্থ্য ও ‘সেফ-সেক্স’ বিষয়ে সচেতন করে তোলার জন্যে বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করেছে। এই সংস্থার শাখা হিসাবে ‘দি নাজ ক্যালকাটা’ (The Naz calcutta project) চালু হয়, কলকাতাতে। বিভিন্ন ‘ক্রুসিং স্পট’ ঘুরে সংস্থার সদস্যরা পুরুষ যৌনকর্মীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলেন। তারপর এদের ওপর প্রস্তুত হয় একটি মূল্যবান সমীক্ষা-রিপোর্ট। এই রিপোর্ট থেকে কলকাতার পুংসঙ্গম বিষয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের সন্ধান পাওয়া যায়। বর্তমানে এই সংস্থা ‘প্রাজক’ (Praajak) নামে পরিচিত। লক্ষ্নৌ ও দিল্লিতে নাজ প্রোজেক্টের কাজ এখনো চলেছে। যদিও ওই দুই শহরে অন্যান্য সংস্থাও বিকল্প যৌনতা ও পুরুষ যৌনকর্মীদের ওপর নানারকম উন্নয়নমূলক কাজ অব্যাহত রেখেছে। এই প্রসঙ্গে ‘গুড অ্যাজ ইউ’, ‘ফ্রেণ্ডস ইণ্ডিয়া’, ‘আরম্ভ সাপোর্ট গ্রুপ’ ইত্যাদি সংস্থার নাম উল্লেখযোগ্য।

কলকাতার দুই পুরুষ যৌনকর্মীর সঙ্গে ইংলন্ডের গবেষিকা ‘সেরিল ওভাস’
বিভিন্ন সময় নারী যৌনকর্মীদের বিভিন্ন সমস্যা-সম্পর্কিত আলোচনায় পুরুষ যৌনকর্মী প্রসঙ্গ এসে যাচ্ছে। বস্তুত পুরুষ যৌনকর্মীদের নিয়ে ব্যস্ত সংগঠনগুলির প্রতিনিধিরা অত্যন্ত প্রাসঙ্গিকভাবেই বিষয়গুলোকে উপস্থাপন করছেন। ১৯৯৫-এর ৮ অগাস্ট ‘সংলাপ’ আয়োজিত একটি আলোচনাসভায় ‘কাউনসেল ক্লাব’ ও ‘নাজ’-এর প্রতিনিধিরা খুব স্পষ্ট ভাষায় বলেন, পুরুষ যৌনকর্মীদের অবস্থা নারী যৌনকর্মীদের তুলনায় ভাল নয়। দুই গোষ্ঠীকে প্রতিনিয়ত একইরকম সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।১ এর থেকে বোঝা যাচ্ছে, সম্মিলিত প্রয়াসের মধ্যে দিয়ে এই সমস্যার কথা জানানোর চেষ্টা চলেছে।
বিভিন্ন সংস্থা সম্বন্ধে যে তথ্য পরিবেশিত হল তা খুবই আংশিক। খণ্ডচিত্র মাত্র। বর্তমানে হাজারো প্রতিবন্ধকতার মধ্যে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ‘বিকল্প যৌনতা’র আইনি স্বীকৃতির দাবি উঠেছে। আন্দোলন হচ্ছে। আর এই সবটাই হচ্ছে ঐক্যবদ্ধ প্রয়াসের মধ্যে দিয়ে। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও ‘সাপোর্ট গ্রুপ’-এর আন্তরিকতায়। আন্দোলনের সাল-তামামি, হালফিলের খবর, সরকারি মহল ও আম-জনতার ওপর এর প্রতিক্রিয়া প্রভৃতির বিশদ বিবরণ এই স্বল্প পরিসরে তুলে ধরা সম্ভব নয়। তাই কিছু ‘সাপোর্ট-গ্রুপ’ ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সংক্ষিপ্ত পরিচয় এখানে উল্লেখ করা হয়।
অফার (Organisation for friends
Energies and Resources)
১৫২, বি.টি. রোড, রঙ্গোলি বিল্ডিং, প্রথম তল
ডানলপ ব্রিজ, কলকাতা—৭০০ ১০৮
দূরভাষ (০৩৩)২৫৭৮০৮১০
কাউনসেল ক্লাব (councel club)
পোষ্ট ব্যাগ নং ৭৯৪
কলকাতা— ৭০০০১৭
প্রাজক (Praajak)
পোষ্ট বক্স নং ১৩০০৩
কলকাতা— ৭০০০৫৩
বম্বে দোস্ত (Bombay Dost)
১০৫ ভীনা বীণা সপিং সেণ্টার,
(বান্দ্রা স্টেশনের বিপরীতে)
বান্দ্রা (পশ্চিম), মুম্বই— ৪০০০৫০
অপারেশন শান্তি ইন্ডিয়া
(Akhanda Seva for International Shanti)
৩৬৭ ২য় মেন, গোকুলাম ৩য় স্টেজ
মহীশূর—৫৭০০২৬, কর্ণাটক
দূরভাষ : (৮২১) ২৫৯৮১৬০
এ বি ভি এ (ABVA/AIDS Bhedbhav Virodhi Andolan)
পোষ্ট বক্স নং ৫৩০৮
নিউ দিল্লি— ১১০০৫৩
হামরাহি (Humrahi)
পোষ্ট বক্স নং ৩৯১০
অ্যানড্রিউজ গঞ্জ, নিউ দিল্লি— ১১০০৪৯
হামসাফার ট্রাস্ট (Humsafar Trust)
পোষ্ট বক্স নং ৬৯১৩
সান্তাক্রুজ (পশ্চিম), মুম্বই— ৪০০০৫৪
প্রোজেক্ট ম্যানেজমেণ্ট ইউনিট (Project Management Unit)
৯ এ লিটল রাসেল স্ট্রিট
কলকাতা— ৭০০০৭১
ফ্রেণ্ডস ইণ্ডিয়া (Friends India)
পোষ্ট বক্স ৩৬৬, জিপিও
লক্ষ্নৌ— ২২৬০০১
গুড অ্যাজ ইউ (Good As you)
২০১ রয়াল কর্নার (দ্বিতল)
১ ও ২ লালবাগ রোড
ব্যাঙ্গালোর— ৫৬০০২৭
নেপচুন ফাউন্ডেশন (Neptune Foundation)
এল. বি. এস রোড, ভাণ্ডুপ (পশ্চিম)
মুম্বাই-৪০০ ০৮৩, মহারাষ্ট্র
দূরভাষ—(০২২) ৬৭৭৭০৬০০
গ্রেস পিটার চ্যারিটেবল ট্রাস্ট (Grace Peter Chritable Trust)
২৫ নরমথা নধি ৪ স্ট্রিট
মহাত্মা গান্ধি নগর
মাদুরাই— ৬২৫০১৪ তামিলনাড়ু
দূরভাষ: (০৪৫)২৪৩৬৯৮৮৫
সংঘ-মিত্র (Sangha-Mitra)
পোষ্ট বক্স ৭৬২৫
ব্যাঙ্গালোর— ৫৬০০৭৬
থটসপ ফাউণ্ডেশান (Thoughtshop foundation)
২ জি মৌর্য সেণ্টার
৪৮ গড়িয়াহাট রোড
কলকাতা— ৭০০০১৯
আরাম্ভ সাপোর্ট গ্রুপ (Arambh Support Group)
পোষ্ট বক্স ৯৫২২
দিল্লি— ১১০০৯৫
এক্সপ্রেশান (Expression)
পোষ্ট বক্স ৫
পোষ্ট— বলরাম
সেকেন্দ্রাবাদ— ৫০০০১০
স্ত্রী সঙ্গম (stree Sangama)
পোষ্ট বক্স ১৬৬১৩
মাতুঙ্গ, মুম্বই— ৪০০০১৯
স্নেহ সঙ্গম (Sheha Sangama)
পোষ্ট বক্স ৩২৫০
আর.টি. নগর
ব্যাঙ্গালোর— ৫৬০০৩২
স্নেহালয় (Snehalaya)
এফ ব্লক ২৩৯
এম. আই. ডি. সি নিম্বালক
আহমেদ নগর—৪১৪১১১ মহারাষ্ট্র
দূরভাষ : (০৯৯) ৭০৯৮২৫০৫
দুর্বার মহিলা সমন্বয় কমিটি (Durbar Mahila Samanwaya Committee)
৮/২ ভবানী দত্ত লেন
কলকাতা— ৭০০০৭৩
ডিজায়ার সোসাইটি (Desire Society)
হাইদ্রাবাদ
ডেয়ার (DARE/ Documentation, Archive, Research, Education)
পোষ্ট বক্স ৭১৮০
ইন্দ্রপস্থ
নিউ দিল্লি— ১১০০২
মহেশ ফাউন্ডেশন (Mahesh Foundation)
৭২৯/১ সিদ্ধেশ্বর নগর, কনাবাগী, বেলাগাভি
কর্ণাটক—৫৯০০১৬
দূরভাষ : (০৯১) ৬৪৫৭৫৩২৭
সঙ্গিনী (Sangini)
নিউ দিল্লি
দূরভাষ : ০১১-৬৮৫১৯৭০;৭১
সরণী (Sarani)
৮এ ঝাউতলা রোড, স্যুট নং ২
কলকাতা— ৭০০০১৭
সাথী (SAATHI)
পোষ্ট বক্স ৫৭১, পুতলী বওলী
হায়দ্রাবাদ
সাথী (SAATHI)
পোষ্ট বক্স ৫১২, চাঁদনী চক
কটক— ৭৫৩০০২
সেন্টার ফর পিপলস এডুকেশন (Centre for Peoples Education)
১০/২১৬ বি সুরন্দাই রোড, পাভুর ছত্রম, তিরুনেলভেলি
তামিলনাড়ু—৬২৭৮০৮
দূরভাষ : (০৪৬)৩৩২৫০৬৬১
আসরা (AASRA)
পোষ্ট বক্স ৬৮, জিপিও
পাটনা— ৮০০০০১
সখী (Sakhi)
পোষ্ট বক্স ৩৫২৬, লাজপত নগর
নিউ দিল্লি— ১১০০২৪
দেশের বাইরে :
দি নাজ ফাউণ্ডেশান (The Naz Foundation)
প্যালিংসুইক হাউস
২৪১ কিং স্ট্রিট
লণ্ডন— ডব্লু ৬ ৯এলপি
ইউ. কে.
মানাভি (Manavi)
পোষ্ট বক্স ২১৩১, ইউনিয়ন
নিউ জার্সি— ০৭০৮৩
ইউ. এস. এ.
ইণ্টারন্যাশানাল গে অ্যাণ্ড লেসবিয়ান হিউম্যান রাইটস কমিশন
(International Gay & Lesbian Human Rights Commission)
১৩৬০ মিশন স্ট্রীট, স্যুট ২০০
স্যানফ্রানসিসকো, সি এ ৯৪১০৩
ইউ. এস. এ.
ইণ্টারন্যাশানাল লেসবিয়ান অ্যাণ্ড গে অ্যাসোসিয়েশান
(International Lesbian & Gay Association)
৮১ কোলেনমার্কট, বি ১০০০ ব্রাসেলস
বেলজিয়াম
কোম্পানিয়নস অন এ জার্নি (companious on A Journey)
পোষ্ট বক্স ৪৮, ওয়াটালা
শ্রীলঙ্কা
ফ্রেণ্ডশিপ শ্রীলঙ্কা (Friendship Sri Lanka)
১০৪৯ পান্নিপিটিয়া, বাট্টারামুল্লা ১০১২০
শ্রীলঙ্কা
গয়া নুসনতারা (Gaya Nusantara)
জালান মুলিওসারি তাইমুর ৪৬,
সুরবায়া ৬০১১২, পূর্ব জাভা,
ইন্দোনেশিয়া
গে অ্যাণ্ড লেসবিয়ান পেরেণ্টস কোয়ালিশান ইণ্টারন্যাশনাল
(Gay & Lesbian Parents Coalition International)
পোষ্ট বক্স ৩৪৩৩৭
স্যান ডিগো, সিএ ৯২১৬৩
ইউ. এস. এ.
খুশ (Khush)
পোষ্ট বক্স ৬১৭২, স্টেশন এ,
টোরণ্ট, ওণ্টারিও এম৫ ডব্লু ১পিড
কানাডা
ত্রিকোণ
পোষ্ট বক্স ২১৩৫৪, স্যান জোস
সি এ ৯৫১৫১— ১৩৫৪
ইউ. এস, এ.
এশিয়ানস অ্যাণ্ড ফ্রেণ্ডস— সিডনি (Asian & Friends–– Sydney)
পোষ্ট বক্স ২৩৮, ডার্লিহারস্ট
এন এস ডব্লু ২০১০
অস্ট্রেলিয়া
বন্ধু সমাজ কল্যাণ সোসাইটি (Bandhu Social Welfare Society)
১০৬/২ কাকরাইল, ঢাকা— ১০০০
বাংলাদেশ
১. সম্মেলনে যোগদানকারী সদস্যদের আসা—যাওয়া থাকা—খাওয়া খরচটাকেই ‘স্কলারশিপ’ বলা হয়ে থাকে।
১. Pravartak : Jan. Ap. 1995
…he urged gay men to organise themselves to tackle the HIV/AIDS problem. His presence provided a glimmer of hope that the government will, one day, look at homosexuality in a different light.
২. IBid,
we want decriminalisation of homosexual behaviour, not legalisation. Does anyone ever speak about legalisation of heterosexuaity? What is natural should be left alone and not criminalised.
১. ‘সাপোর্ট গ্রুপ’–– ‘বিশেষ টীকা’ দ্রষ্টব্য।
১. Pravartak : May––Dec. 1995.
The CC Members, along with their friends from Naz Project, were quick to point out the issues which men who have sex with men (including male sex workers and gay indentified men) have in common with women sex-workers.
For instance, male sex-workers after face ill treatment by clients just as their women counterparts do. Again, police harassment faced by sex-workers is nothing alien to gay men.
