আলিয়া – ভাস্বর চট্টোপাধ্যায়
আলিয়া – ভাস্বর চট্টোপাধ্যায়
.
অসংখ্য ইহুদি আর কাশ্মীরি পণ্ডিতদের,
যাঁদের জীবন প্রদীপ অসময়ে নিভে গেছে।
.
কৈফিয়ত
ছোটবেলায় বহুবার বাড়িতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ এবং হিটলার নিয়ে প্রচুর আলোচনা হতে শুনেছি। তখন থেকে এই বয়স অবধি একটাই কথা মাথায় ঘুরেছে, একটা লোক এতটা নৃশংস কী করে হতে পারে? মায়া-দয়াহীন ভাবে বাচ্চা বুড়ো নির্বিশেষে কী করে লক্ষ লক্ষ ইহুদিদের মেরে ফেলল?
অন্যদিকে যতবার কাশ্মীর গেছি, হিন্দু পণ্ডিতদের পরিত্যক্ত বাড়িগুলো দেখে মনে হয়েছে এটাও কি একধরনের হিটলারি হত্যা নয়? কেন সেই সময় কেউ তাদের পাশে দাঁড়ায়নি?
এই দুই ঘটনা নিয়ে ভাবলাম লিখে ফেলি, যদিও দুটোর সময় আলাদা। তৈরি করলাম একটা ছোট্ট যোগসূত্র, গল্পের সময়কাল নিয়ে এলাম ১৯৮৯। সৃষ্টি হল আলিয়া ডেমিয়ানুক ও আলিয়া বেগের লড়াইয়ের গল্প, যা লিখতে গিয়ে আমার নিজেরই চোখ ভিজে গেছে। বারবার ভেবেছি, আমিও কি পরোক্ষভাবে দুটো ঘটনার সাক্ষী ছিলাম!
ভাস্বর চট্টোপাধ্যায়


লেখক আজ ইজরায়েলের আগ্ৰাসন দেখে কি বলবেন? নিরীহ প্যালেস্টাইনবাসীকে ক্রমাগত কোনঠাসা করেছে ইজরায়েল। প্যালেস্টাইন দেশেটির অনেকটা এমনকি রাজধানীও দখল করেছে সম্পদশালী, শক্তিশালী, আধুনিক সমরাস্ত্রে বলীয়ান ইজরায়েল। আর কিছু জঙ্গি মানসিকতার মানুষের জন্য স্বাভাবিক জীবনে বাঁচতে পারছেনা সাধারণ প্যালেস্টাইন বাসী। ইজরায়েল কি অন্যভাবে প্যালেস্টাইনীয় জঙ্গিদের মোকাবিলা করতে পারতো না? অতীত কি একেবারেই ভুলে গিয়েছে তারা? তারা তো জানে নিজভূমিতে আক্রান্ত হতে কেমন লাগে! প্রশ্ন রইল লেখকের কাছে।
অসাধারণ এক প্রতিভা গ্রহন করতে পারলাম