১৭. কোরআনে যিকির (১৭তম খণ্ড)

১৭তম খণ্ড — কোরআনে যিকির

কোরআনে যিকিরের বিধান

আল্লাহ্ রব্বুল আলামীন কোরআনুল কারীমে এরশাদ করেন–

قاذگروني أذكركم واشكرولى ولا تكفرون

উচ্চারণ : ফাযকুরূনী আযকু্রকুম ওয়াশ কুরূ লী ওয়ালা–তাকফুরান।

অর্থ : সুতরাং তোমরা আমাকে স্মরণ কর, আমিও তোমাদেরকে স্মরণ রাখবো এবং আমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর, অকৃতজ্ঞ হয়ো না।–(সূরা আলবাক্বারা–আয়াত : ১৫২)

অন্যত্র এরশাদ হয়েছে

ايها الذين آمنوا اذكروا الله فيكرا كثيرا وسبحوه بكرة وأصيلا۔

উচ্চারণ : ইয়া–আইয়ুহাল্লাযীনা আ-মানূয কুরুল্লা-হা যিকরান কাসীরাওঁ ওয়া সাব্বিহূহু বুক্রাতাওঁ ওয়া আছীলা-।

অর্থ : হে মু’মিনগণ! তোমরা আল্লাহকে অধিক পরিমাণে স্মরণ কর এবং সকাল-বিকাল আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা কর।–(সূরা আলআহযাব : ৪১-৪২)

আল্লাহ্ তা’আলা আরো এরশাদ করেন।

الله لهم مغفرة واجرا عظيما.

كثيرا و النگان

والذكرين الله

উচ্চারণ : ওয়াযযা কিরীনাল্লা-হা কাসীরাওঁ ওয়াযযা-কিরা-তি আআদাল্লা-হু লাহুম মাগফিরাতাওঁ ওয়া আজুরান আযীমা-।

অর্থ : যারা আল্লাহর অধিক যিকিরকারী পুরুষ ও যিকিরকারী নারী, তাদের জন্য আল্লাহ্ প্রস্তুত রেখেছেন ক্ষমা ও মহাপুরস্কার। (সূরা আহযাব–আয়াত : ৩৫)

.

যিকিরের সংজ্ঞা

 সুফীদের পরিভাষায় যিকির বলা হয় আল্লাহর স্মরণে এমনভাবে নিমগ্ন থাকা, যেন আল্লাহ্ ছাড়া বাকী আর সকল কিছুই বিস্মৃত হয়ে যায় এবং হুযুরে কূলবের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য ও সংসর্গের ধ্যান যেন তার অর্জিত হয়।

আল্লাহ্ পাক এরশাদ করেন, আমার বান্দা যখন আমাকে স্মরণ করে এবং আমার নামের–যিকিরে তার ওষ্ঠ নড়তে থাকে, তখন আমি তার সঙ্গী হয়ে যাই। আর আমাকে যে স্মরণ করে

م م ۸ ت

ش م م ۸ و

به

، ۸ و هم

আমি তার সাথী হই।–১ ৪২০ (সাব্বিহু বুক্রাতান ওয়া আছীলা) সকাল বিকাল (সর্বক্ষণ) তোমরা আল্লাহর তসবীহ পাঠ কর।

কোরআন পাকের এ নির্দেশ অনুসারে বান্দা পুরোপুরি ধ্যানের সাথে এমনভাবে আল্লাহর যিকিরে মগ্ন হয়ে থাকবে, স্বীয় সত্তার উপলব্ধিও যেন তার নিকট বিলুপ্ত হয়ে যায়।

আল্লাহ বলেন–4: Acs/ ১৪ssuu all a৪১২ ৬u/

উচ্চারণ : আল্লাযীনা ইয়াযকুরূনা ল্লা-হা কিয়ামাওঁ ওয়া কুউ’দাওঁ ওয়া আলা–জুনূবিহিম।

অর্থ : যারা দাঁড়িয়ে, বসে, শুয়ে (সর্বাবস্থায়) আল্লাহর যিকিরে মগ্ন, সে সকল মু’মিনদের অন্তর্ভুক্ত যেন সে হয়।

জেনে রাখা কর্তব্য, যিকির বহু প্রকার। পরম জনকে লাভ করাই হচ্ছে যিকিরের মূল উদ্দেশ্য। সুতরাং নামায রোযা, দুরূদ শরীফ, দোয়া অর্থাৎ যে আমল দ্বারা পরম জনকে লাভ করার উদ্দেশে সফলকাম হওয়া যায় তাই মূলতঃ যিকির বলে গণ্য। কিন্তু আল্লাহর যিকিরকারী যতক্ষণ পর্যন্ত নিজেকে বিলুপ্ত করে না দিতে পারবে, যতক্ষণ পর্যন্ত এমনভাবে যিকিরে নিমগ্ন না। হতে পারবে যা দ্বারা আল্লাহ্ ব্যতীত আর সকল কিছু হতে সে বিস্মৃত হয়ে পড়বে, ততক্ষণ পর্যন্ত তার পরম জনকে লাভ করার লক্ষ্য অর্জনে সফলকাম হওয়া সম্ভব নয়। আল্লাহ অন্বেষী ব্যক্তি উক্তরূপ মরতবায় তখনই পৌঁছতে পারবে যখন যুহদ, তাকওয়াক্কুল, নির্জনপ্রিয়তা, কানাআত বা অল্পে তুষ্টি, ধৈর্য, তালীম ও রেযা বা আল্লাহর যে কোন ফয়সালা দ্বিধাহীন চিত্তে মেনে নেয়া এবং এর উপরই সন্তুষ্ট থাকা ইত্যাদি চারিত্রিক গুণ তার মধ্যে আপনা আপনি এসে যায়। তার উপর তখন আনওয়ারে ইলাহীর (আল্লাহর জ্যোতি) এত তাজাল্লী (প্রতিঃসরণ) হতে থাকবে যেন ক্রমে তার ইন্দ্রিয়সমূহ অবদমিত ও অবগুণ্ঠিত হয়ে যাবে এবং যিকির ও যিকিরকারীর সত্তা সব কিছুই তার ধ্যান হতে বিলুপ্ত হয়ে কেবল মাযকূর অর্থাৎ আল্লাহ্ তা’আলাই তার সব উপলব্ধিতে বিরাজ করতে থাকবে।

আল্লাহ বলেন—৭ ay all 44

উচ্চারণ : শাহিদাল্লা-হু আন্নাহু লা–ইলা-হা ইল্লা–হুওয়া

অর্থ : আল্লাহ্ সাক্ষ্য দিচ্ছেন, তিনি ছাড়া আর কোন ইলাহ বা মাবুদ নেই।

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ–এ কালেমার যিকির সর্বশ্রেষ্ঠ যিকির বলে হাদীসে উল্লেখ হয়েছে। ফলে অধিকাংশ শায়খ মুরীদদেরকে এ যিকিরেরই তা’লীম দিয়ে থাকেন। এখন আমরা যিকিরের কতিপয় স্তর সম্পর্কে উল্লেখ করতে চাই।–(যিয়াউল কুলূব)।

.

যিকিরের কতিপয় স্তর

যিকির চার প্রকার–(১) যিকিরে নাসূতী–যেমন লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ। (২) যিকিরে মালাকুতী–যেমন ইল্লাল্লাহ (৩) যিকিরে জাবারুতী–যেমন আল্লাহ (৪) যিকিরে লাহুতী–যেমন হুওয়া হুওয়া। জেনে রাখা দরকার, যবানের যিকিরকে নাসূতী, কলবের যিকিরকে মালাক্বতী, রূহের যিকিরকে জাবারুতী এবং সিররের যিকিরকে লাহুতী বলা হয়। আর যবানী যিকিরকে জিমী (শারীরিক), ধ্যানরূপ যিকিরকে নাফসী (মানসিক), মুরাকা’বাকে যিরে কাবী, মুশাহাদাকে রূহানী যিকির এবং মুআযানা করাকে (উপস্থিত দর্শন) সির বলা হয়।  

ফায়দা ও যিকিরকারী লা ইলাহা বলার সময় পৃথিবীর সবকিছুকে নিজ হতে বিলুপ্ত করে দিবে। আর ইল্লাল্লাহ বলার সময় পুনরায় স্বীয় অঙ্গ প্রত্যঙ্গসমূহ স্থিরাবস্থায় নিয়ে আসবে। –(যিয়াউল কুলূব)

.

ইসমে যাতের যিকিরের নিয়ম

 ৯ ১১ all U; বল আল্লাহ্ এক এবং বাকী সকল কিছু পরিত্যাগ কর।

এ বাক্যটির মর্মানুসারে এভাবে যিকির করবে যে, প্রথম আল্লাহ্ শব্দটির শেষ অক্ষর (হু)-কে পেশ (অর্থাৎ আল্লাহু) এবং দ্বিতীয় বারের আল্লাহ শব্দটির শেষ অক্ষরে জযম (অর্থাৎ আল্লাহ) করে যিকির করবে। দু’চক্ষু বন্ধ করে মাথা ডান কাঁধের দিকে নিয়ে আল্লাহর মূল গুণসমূহের বিশ্বাস দৃঢ় করে লতীফায়ে রূহে (ডান স্তনের নিম্নে অবস্থিত) প্রথম বার আল্লাহ্ বলার সময় জরব (ধাক্কা) লাগাবে। আর দ্বিতীয় দফায় দিলের উপর জরব লাগাবে। এমনভাবে ছয়শ’ বার এ যিকির করবে। সূফীগণের পরিভাষায় এ যিকির যিকিরে দু’জরবী নামে প্রসিদ্ধ। ছয়শ’ বারের মধ্যে প্রতি নবম বারে আল্লাহু আল্লাহু বলে দশম বারে ii ও i, al।–ali saj (আল্লা-হু হা-যিরী আল্লা-হু না-যিরী আল্লা-হু মায়ী) আল্লাহ আমার সামনে, আল্লাহ্ আমাকে নিরীক্ষণ করছেন, আল্লাহ্ আমার সঙ্গে–এ তিনটি কালেমার কোন একটি পাঠ করবে। এর পদ্ধতি হল, প্রথম দশে আল্লা-হু হা-যিরী, দ্বিতীয় দশে আল্লা-হু না-যিরী, তৃতীয় দশে আল্লা-হু মায়ী এবং পরে প্রতি দশম বারে আল্লা-হু হা-যিরী আল্লা-হু -যিরী আল্লা-হু মায়ী উরুজ ও নযুল (আরোহ ও অবরোহ) তরীকায় পাঠ করবে। এ সকল যিকিরের অর্থও লক্ষ্য করে যাবে। এতে যিকিরের আগ্রহ এবং স্বাদ অনুভূত হবে। ফলে অলসতা। অমনোযোগিতার সৃষ্টি হতে পারবে না। অতঃপর পূর্বোল্লিখিত তরীকায় কালেমা তাইয়্যেবা তিন বার, কালেমা শাহাদাত একবার পড়বে। পরে ডান কাঁধের দিকে মাথা ঝাঁকিয়ে আল্লাহু আল্লাহুর জরব একাধারে কয়েকবার লাগাবে। তিন বার কালেমা শাহাদাত–আশহাদু আল্-লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসূলুহু পড়ে এগার বার দুরূদ শরীফ এবং এগার বার এস্তেগফার পাঠ করবে। পরে ধ্যান ও হুযুরে কলবের সাথে নিজ সিলসিলার পীর মাশায়েখের রূহের উপর ঈসালে সওয়াব করবে। এরপর যতক্ষণ মন চায় মুরাকা’বা করবে এবং যে যিকির ভাল লাগলে সকাল পর্যন্ত অতে মশগুল থাকবে। সম্ভব হলে ফজরের নামাযের পর শায়খের খেদমতে উপস্থিত হবে। আর তা না হলে তখন যিকিরে এবং মুরাকা’বায় মশগুল থাকবে। অথবা পীর ভাইদের সাথে যিকিরে (জেহরী সেররী যিকির) বা মুরাকা’বার হালকায় শামিল হবে। ইল্লাল্লাহর যিকিরের সময় ইল্লাল্লাহ শব্দটি বেশি জোর দিয়ে বলবে। যিকিরের পরে রাসূলে পাক (ছঃ) ও মাশায়েখে তরীকতপন্থির পবিত্র রূহের উপর ঈসালে সওয়াব করবে। –(যিয়াউল কুলূব)

.

ইসমে যাতের মৌখিক যিকিরের নিয়ম

 পাস আনফাস হাসিল হওয়ার পরও এক লক্ষ পঁচিশ হাজার বার করে প্রত্যহ ইস্মে যাতের (আল্লাহ) যিকির করা প্রত্যেক সত্যান্বেষীর একান্ত কর্তব্য। এক লক্ষ পঁচি। হাজার বারের সংখ্যা হল চূড়ান্ত পর্যায়ের। এতটুকু না পারলে অন্ততঃ চব্বিশ হাজার বার উক্ত যিকির করে নিবে। এ সংখ্যার গূঢ় রহস্য হল, একজন মানুষ প্রত্যহ চব্বিশ হাজার বার শ্বাস প্রশ্বাস নেয়। সুতরাং চব্বিশ হাজার বার যিকির দ্বারা প্রতি মাসে একবার করে যিকির আদায় হয়ে যাবে এবং কোরআনে উল্লিখিত–3 < all s! আর যে সকল পুরুষ ও নারী অধিক সংখ্যায় আল্লাহর যিকির করে থাকে তাদের মধ্যে সেও অন্যতম হতে পারবে। এটুকুও সম্ভব না হলে অন্ততপক্ষে প্রত্যহ বার হাজার বার উক্ত যিকির করেই নেয়া উচিত। এ পদ্ধতিতে যবানী যিকির নিঃসন্দেহে কলবী যিকিরের উসিলা হিসাবে প্রমাণিত হবে। যবান ও কলব উভয় দ্বারাই যখন যিকির হতে থাকবে, তখন যিকির পূর্ণাঙ্গ রূপ ধারণ করবে। যিকিরকে পূর্ণতায় পৌঁছাতে উল্লিখিত ক্রমপদ্ধতির প্রতি সকল সিলসিলাতেই লক্ষ রাখা হয়। তবে নকশবন্দিয়া সিলসিলায় কেবল যিরে কবীর উপরই সীমাবদ্ধ রাখা হয় এবং প্রাথমিক পর্যায়ের মুরীদদেরকেও এ যিকির দ্বারাই সবক শুরু করানো হয়।

.

ইসমে যাতের যিকির জরবসহ

 ইসমে যাতের যিকিরের চারটি পদ্ধতি রয়েছে। এক জরবী যিকির, দু’জরবী যিকির, তিন জরবী যিকির এবং চার জরবী যিকির। এক জরবীর নিয়ম হল, চক্ষু বন্ধ করে ডান কাঁধের দিকে মাথা টেনে সজোরে আল্লাহ্ শব্দের জরব রূহের উপর আর দ্বিতীয় জরব দিলের উপর লাগাবে। তিন জরবী যিকিরে প্রথম জরব ডান হাঁটুতে, দ্বিতীয় জরব বাম হাঁটুতে এবং তৃতীয় জরব দিলে লাগাবে। চার জরবীতে প্রথম জরব ডান হাঁটুতে, দ্বিতীয় জরব বাম হাঁটুতে, তৃতীয় জরব রূহের উপর এবং চতুর্থ জরব দিলের উপর লাগাবে।

.

কোরআন হিফজ করার আমল

যে ব্যক্তি কোরআন শরীফ হিফজ করার ইচ্ছা করবে তার উচিত শুক্রবার রাতে যদি সম্ভব হয় তবে রাতের শেষ তৃতীয়াংশে উঠবে। এ সময় ফেরেশতারা দুনিয়ায় বর্তমান থাকেন এবং দোয়া কবুল হয়। যদি রাতের শেষ তৃতীয়াংশে উঠতে না পারে তবে মধ্যরাত্রে উঠবে। যদি তাও সম্ভব না হয় তাহলে প্রথম রাতেই চার রাক’আত নামায এভাবে পড়বে–প্রথম রাক’আতে সূরা ফাতেহা ও সূরা ইয়াসীন, দ্বিতীয় রাক’আতে সূরা ফাতেহা ও সূরা আদদোখান, তৃতীয় রাক’আতে সূরা ফাতেহা ও আলিফ লাম মীম সিজদা এবং চতুর্থ রাক’আতে সূরা ফাতেহা ও সূরা মুলক পড়বে। তাশাহহুদ হতে ফারেগ হবার পর খুব ভালভাবে আল্লাহ্ তা’আলার প্রশংসা করবে, হুযুর (ছঃ)-এর উপর উত্তমরূপে দুরূদ এবং সকল নবীর উপর সালাম পাঠাবে। সকল মু’মিন পুরুষ-মহিলা এবং নিজের জন্য ও নিজের ঐসব ভাইদের জন্য ইস্তেগফার করবে, যারা পূর্বে ঈমান এনেছে। পরিশেষে নিম্নোক্ত দোয়া করবে। আল্লাহর হুকুমে এ দোয়া নিশ্চয়ই কবুল হওয়ার সম্ভাবাবনা রয়েছে। তিন অথবা পাঁচ জুমুআ অথবা সাত জুমু’আ পর্যন্ত এ আমল করবে। দোয়াটি এই :

হুযু(ছঃ)হহুদ হতে ম মীম সিজদ সুরা ফাতেহা এভাবে পড়বোত্রে উঠবেন এবং

ابقيتني وارحمني ان اتكلف

اللهم ارحمني بترك المعا

اللهم بديع

مالا يعنيني وان شئ النظر فيما يرضيك

رام اشك

يا الله

الموت والأرض ذا الجلال والإكرام والعترة التى یارحمن بجي ونور وجهك أن تم قلبی حفظ كتابك كما علمتنى

م بديع السموت

و على النحو الذي يرض

والأرض ذا الجلال والاكرام والوژة التي ترام أشئلك يا الله يا رحم يجي وتر هد آن نور بكتاب بصري وان تطلق بولاني وإن يعني على التي يك و يؤتيه إلا أنت وحلوة

الا بالله العلى

উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা রহামনী বিতারকিল মা’আছী আবাদা মা–আবক্বাইতানী ওয়ারহামনী আন্ আতাকাল্লাফা মালা–ইয়া’নীনী ওয়ারযুক্বনী হুসনা নাযোয়ারি ফীমা–ইউরদ্বীকা আন্নী। আল্লা-হুম্মা বাদী’আস্ সামাওয়াতি ওয়াল আরদি যালজালা-লি ওয়াল ইক্রা-মি ওয়াল ইজ্জাতি ল লাতী লা–তুরামু আসআলুকা ইয়া আল্লা-হু ইয়া–রাহমানু বিজালালিকা ওয়া নূরি ওয়াজহিকা আন্ তুলজিমা কালবী হিফজা কিতা-বিকা কামা–আল্লামতানী ওয়ারযুক্নী আন্ আতলুয়াহু আলান্ নাহবিল্লাযী ইউরুদ্বীকা আন্নী। আল্লা-হুম্মা বাদী’আ সসামাওয়াতি ওয়াল আরদি যালজালালি ওয়াল ইকরা-মি ওয়াল ইজ্জাতি ল্লাতী লা–তুরা-মু আস্আলুকা ইয়া আল্লা-হু ইয়া-রাহমানু বিজালা-লিকা ওয়া নূরি ওয়াজহিকা আন্ তুনাওয়িরা বিকিতা-বিকা বাছোয়ারী ওয়া আন তুত্বলিকা বিহী লিসানী ওয়া ইন তুফাররিজু বিহী আন কালবী ওয়া ইন তুশরিহা বিহী ছদ্রী ওয়া ইন তাসিলু বিহী বাদানী ইন্না-হু লা–ইয়ানীনী আলা হা-কি গাইরুকা ওয়ালা ইউ’তীহী ইল্লা–আনতা ওয়ালা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লা-হিল আলিয়্যিল আযীম।

.

কোরআন খতম করার সুন্নত তরীকা

সূরা দোহা থেকে কোরআনের শেষ পর্যন্ত প্রত্যেক সূরা শেষে তাকবীর বলা সুন্নত। শায়খ সালেহ্ মিসরীর মতে এ তাকবীর হল :–১২I adf «

উচ্চারণ : লা–ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার।–(তাফসীরে মাযহারী)

আল্লামা ইবনে কাছীর প্রত্যেক সূরা শেষে এবং বাগাভী (রহঃ) প্রত্যেক সূরার শুরুতে তাকবীর বলা সুন্নত বলেছেন।–(তাফসীরে মাযহারী)

উভয়ের মধ্যে যেটিই করা হবে, তাতে সুন্নত আদায় হয়ে যাবে।

.

কোরআন খতম করার পর দোয়া

উচ্চারণ : ছদাকাল্লা-হুল আলিয়ুল আযীম। ওয়া ছদাক্বা রাসূলুহু নাবিয়ুল কারীম। ওয়া নাহনু আলা যা-লিকা মিনা শশা-হিদীন। রব্বানা–তাকাব্বাল মিন্না–ইন্নাকা আন্তা সসামীউলি আলীম। আল্লা-হুম্মা রযুনা–বিকুল্লি হাফিম্ মিনাল্ কোরআ-নি হালা-ওয়াওঁ ওয়া বিকুল্লি জুইম্ মিনাল্ কোরআনি জাযা-আন্। আল্লা-হুম্মা যুকনা–বিআলিফি উলফাতাওঁ ওয়া বিল্বা-ই বারুকাতাওঁ ওয়া বিত্তা-ই তাওবাওঁ ওয়া বিদ্ছা-ই ছওয়াবান ওয়া বিজমি জামা-লাওঁ ওয়া বিহা-ই হিতাওঁ ওয়া বিখা-ই খাইরাওঁ ওয়া বিদা-লি দালীলাওঁ ওয়া বিযু-লি যাকা-আওঁ ওয়া বিরুরা-ই রাহমাতাওঁ ওয়া বিয্য-য়ি যাকাতাওঁ ওয়া বিসসীনি সাআদাতাওঁ ওয়া বিশশীনি শিফা-আনওঁ ওয়া বিসছোঁয়া-দি ছিদ্কাওঁ ওয়া বিদ্‌দোয়া-দি দিয়া-আওঁ ওয়া বিত্তােয়া-য়ি তারাওয়াতাওঁ ওয়া বিয়োয়ায়ি যাফরাওঁ ওয়া বিআইনি ই’মাওঁ ওয়া বিগাইনি গিনাওঁ ওয়া বিফা-য়ি ফালা-হাওঁ ওয়া বকা-ফি কুরবাতান ওয়া বিলকা-ফি কারা-মাতান ওয়া বিল্লা-মি লুতফান ওয়া বিল্মীমি মাওয়াইযাতাওঁ অবিনুনি নূরাও অবিল ওয়া-ওয়ি উছলাতাও অবিলহা-য়ি হিদা-ইয়াতাও ওয়া বিলইয়ায়ি ইয়াকীনা-। আল্লা-হুম্মা ফা’না–বিল কোরআ-নিল আযীম। ওয়া রফানা–বিআইয়া-ইতি ওয়া ঘূযিরিল হাকীম। ওয়া তাকাব্বাল মিন্না–কিরা-আতানা–ওয়া তাজা-ওয়াহ্ আন্না–মা–কা-না ফী তিলা-ওয়াতিল কোরআ-নি মিন্ খাতোয়াইন আও নিস্ইয়ানিন আও তাহরীফি কালিমাতি আন মাওয়দ্বিহা আও তাদীমিন আও তা-খীরি আও যিয়া-দাতিন্ আও নুছোঁয়া-নিন্ আও তাওয়ীলিন আলা গাইরি মা–আনলতাহু আলাইহি আও রাইবিন আও শাকিন আও সাহওয়িন আও সূয়ি ইলহা-নিন্ আও তা’জীলিন ইন্দা তিলাওয়াতি কোরআনি আও কালিন আও সুরুআতিন আও যাইগি লিসা-নিন আও ওয়াফি বিগাইরি উক্বফিন আও ইদগা-মিম্ বিগাইরি মুদগামিন আও ইযহারিম বিগাইরি বাইয়া-নিন আও মাদ্দিন আও তাদীদিন আও হামাতিন আও জামিন আও ই’রা-বিম বিগাইরি মা–কুতিবাহু আও কিল্লাতি রাগাবাতিন ওয়া রাহাবাতিন ই’দা আ-ইয়া-তি বুরাহমাতি ওয়া আ-ইয়া-তি আযা-বি ফাগফির লানা–ওয়াতুবনা–মা’আ শশা-হিদীন। আল্লা-হুম্মা নাওয়ির কুলুবানা–বিকোরআ-নি ওয়া যাইয়্যিন আখলাকানা বিলুকোরআনি ওয়া নাজ্জিনা–মিনা না-রি বিকোরআনি ওয়া আদৃখিলনা–ফি লজান্নাতি বিলকোরআন। আল্লা-হুম্মা আলি কোরআ-না লানা–ফি দুন্‌ইয়া ক্বারীয়ানাওঁ ওয়া ফি লাবরি মূনিসাওঁ ওয়া আলা ছিরা-তি নুরাওঁ ওয়া ফিজান্নাতি রাফীকাওঁ ওয়া মিনা না-রি সিাওঁ ওয়া হিজা-বাওঁ ওয়া ইলা খাইরা-তি কুল্লিহা–দালীলান ফাতুবনা–আলা ত্তামা-মি ওয়ারযুনা–আদা-আম বিকৃাবি ওয়াল্লিসা-নি ওয়া হুব্বা খাইরি ওয়াসসা’আ-দাতি ওয়াল বিশারাতি মিনা ঈমা-নি। ওয়া ছল্লাল্লাহু তা’আলা আলা–খাইরি খালুকিহী মুহাম্মাদিওঁ ওয়া আ-লিহী ওয়া আছহাবিহী আজমাঈন। ওয়া ছল্লামা তালীমান কাছীরান কাছীরা।

.

বিভিন্ন খতম ও দোয়া

দোয়ায়ে ইউনুস (আঃ)

হাদীসঃ হযরত সা’দ ইবনে আবী ওয়াক্কাস (রাঃ) রেওয়ায়াত করেন, হযরত রাসূলে করীম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, হযরত ইউনুস (আঃ) মাছের পেটে এ দোয়া করেছিলেন?–TA

উচ্চারণ : লা–ইলা-হা ইল্লা-আনতা সুবহা-নাকা ইন্নী কুনতু মিনায যোয়া-লিমীন।

অর্থ : আপনি ছাড়া কোন মাবুদ নেই, আপনি পাক পবিত্র, নিশ্চয় আমি জালেমদের অন্তর্ভুক্ত।

এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! এ দোয়া কি হযরত ইউনুস (আঃ)-এর জন্যই খাস ছিল, না সাধারণ মু’মিনদের জন্যও এ দোয়া প্রয়োজ্য:হুযুর ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া। সাল্লাম বললেন, তুমি কি আল্লাহ তা’আলার এ আয়াত শুননি:

الا انت سبحنك

فنجينه من الغم وكذلك ننجي المؤمنين

উচ্চারণ : ফানাজ্জাইনা-হু মিনা গাম্মি, ওয়া ক্বাযা-লিকা নুনজিল মু’মিনীন।

অর্থ : আমি তাঁর এ দোয়া কবুল করেছি ও তাঁকে কঠিন অবস্থা থেকে মুক্তি দিয়েছি এবং আমি এভাবেই মু’মিনদেরকে মুক্তি দেই।

.

খতমে তাসমিয়া ও খতমে তাহলীল

যে কোন প্রকার বালা-মসিবত, রোগ-ব্যাধি, কঠিন সমস্যা ও নেক মকসুদের জন্য সোয়া লক্ষবার বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম পড়বে। একে খতমে তাসমিয়া বলা হয়। এভাবে সোয়া লক্ষ বার লা–ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ পড়া হলে তাকে খতমে তাহলীল বলা হয়।

.

বিপদাপদ থেকে হেফাজতের তদবীর

সূরা ফাতেহা, সূরা নাস, সূরা ফালাক্ক, সূরা এখলাস, সূরা কাফেরূন, আয়াতুল কুরসী, কালেমা তামজীদ, নিম্নোক্ত দুরূদ শরীফ ও দোয়াগুলো সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্তের পূর্বে সাত বার পাঠ করা অত্যন্ত উপকারী।–(কুওয়াতুল কুলুব)

দুরূদ শরীফঃ

علی

وعلى آل محمد وبارك وسلم۔

উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা ছল্লি আলা মুহাম্মাদিন আবদিকা ওয়া হাবীবিকা ওয়া নাবিয়্যিকা ওয়া রাসূলিকান নাবিয়্যিল উম্মিয়্যি ওয়া আলা আ-লি মুহাম্মাদিওঁ ওয়া বা-রিক ওয়া সাল্লিম। প্রথম দোয়া :

اللهم يارب افعل بي وبهم عاجواج في الدنيا والآخرة ما أنت أهله

و جواد كريم مي به عوف چیم۔

له أهل انك

و لا تفعل بنا ما

উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা ইয়া–রব্বি ফআল্ বী ওয়া বিহিম, আ-জিলাওঁ ওয়া আজিলান ফী দদুনইয়া–ওয়াল আ-খিরাতি মা–আন্তা আহলুহু ওয়ালা–তা-আল্ বিনা–মা–নাহ্নু লাহু আহলুন, ইন্নাকা গাফুরুন্ জাওয়া-দুন্ কারীমুম্ মালিকুম্ বাররুর রাউফুর রাহীম।

 দ্বিতীয় দোয়াঃ

اللهم اغفر لجميع المؤمنين والمؤمنين والمسلمين والمسلمين الأحياء منهم والأموات إنك مجيب الدعوات وافع الدرجات يا قاضى الحاجات برحمتك يا أرحم الراجمين.

উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা গফির লিজামীই’ল মু’মিনীনা ওয়াল মু’মিনাতি ওয়াল মুসলিমীনা ওয়া মুসলিমা-তি আলআহইয়া-ই মিনহুম ওয়া লআমওয়া-তি ইন্নাকা মুজীবু দদাওয়াতি ওয়া রাফিই’ দদারাজা-তি ইয়া-কাজিয়াল হা-জা-তি বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামার রা-হিমীন।

.

খতমে খাজেগান পড়ার এক বিশেষ পদ্ধতি

প্রথমে সাত বার সূরা ফাতেহা পাঠ করে ঊনাশি বার সূরা আলাম নাশরাহ এবং একশ’ বার দুরূদ শরীফ পাঠ করবে। অতঃপর এক হাজার বার সূরা কুল হুওয়াল্লাহ্, সাত বার আহামদু শরীফ, একশ’ বার দুরূদ শরীফ এবং একশ’ বার করে নিম্নের দোয়াসমূহ পাঠ করবে।

یا حل المشكلات (0) پارافع الدرجات (1) یاشافى الأمراض (۷) يامجيب الدعوات (۸) یا أرحم الراجين–

উচ্চারণ : (১) ইয়া–কাদ্বিয়াল্ হা-জা-ত (২) ইয়া–কা-ফিয়াল মুহিম্মাত (৩) ইয়া দাফি’আল্ বালিয়্যাত (৪) ইয়া–হাল্লালাল মুশকিলাত (৬) ইয়া–রাফি’আ দদারাজা-ত (৭) ইয়া—শাফিয়াল আমরা-দ্বি (৮) ইয়া–মুজিবা দদা’ওয়াত (৯) ইয়া–আরহামার রাহিমীন।

.

খতমে খাজেগানের উদ্দেশ্য

 আওলিয়ায়ে কেরামের কেউ কেউ মনের স্থিরতা ও প্রশান্তির উদ্দেশ্যে খতমে খাজেগান পাঠ করেন।

.

খতমে খাজেগান পড়ার ফায়দা

(১) বিপদাপদ ও মুশকিল আসান হয়, (২) মকসুদ পূরণ হয়, (৩) রোগমুক্তির জন্যও উপকারী, (৩) বড় কোন মকসুদ পূরণের জন্যও ফলদায়ক।

.

চিশতিয়া খতমে খাজেগানের নিয়ম

বিপদাপদ বা মুশকিল বিষয়ের সম্মুখীন হলে অযু করে ক্বেবলার দিকে মুখ করে বসবে। প্রথমে দশ বার দুরূদ শরীফ, পরে তিনশ’ ষাট বার এ দোয়া পড়বে

–::;L (লা–মাজা-আ ওয়ালা–মান জাআ ইল্লা–ইলাইহি)

এবং তিনশ ষাট বার সূরা আলাম নাশরাহ্ পাঠ করবে। অতঃপর পুনরায় উক্ত দোআটি তিনশ ষাট বার পড়ে দুরূদ শরীফ পাঠ করবে এবং আল্লাহর কাছে মকসুদ পূরণের দোয়া করবে।

.

কাদেরিয়া খতমে খাজেগানের নিয়ম

বড় কোন মকসুদ বা উদ্দেশ্য পূরণের জন্য প্রথমে দু’রাক’আত নফল নামায আদায় করবে, অতঃপর একশ’ এগার বার সূরা আলাম নাহ, একশ’ এগার বার কালেমা তামজীদ, একবার সূরা ইয়াসীন পাঠ করবে। আরো বেশি পড়তে চাইলে আলাম নাশরাহ্ এক হাজার বার সংক্ষেপ করতে চাইলে একশ’ চল্লিশ বার পাঠ করবে। তবে সর্বাবস্থায়ই একশ’ এগার বার দূরূদ শরীফ পাঠ করবে এবং আল্লাহর কাছে উদ্দেশ্য পূরণের জন্য দোয়া করবে।

.

কঠিন বস্তু লাভ করার আমল

তাহাজ্জুদ নামাযের পর এক হাজার বার করে ডান দিকে ২t(ইয়া–হাইয়ু), বাম দিকে if (ইয়া–কাইয়ুম), আকাশের দিকে এ ৫ (ইয়া–ওয়াহ্হা-বু) এবং দিলের উপর ৫ iii (ইয়া–আল্লা-হু)-এর জরব লাগাবে।–(যিয়াউল কুলূব)

.

কোরআনের ৫টি আয়াতের আমল

 পবিত্র কোরআনে এমন পাঁচটি আয়াত রয়েছে যার প্রত্যেকটি আয়াতে দশটি করে কাফ’ অক্ষর আছে। এগুলোর রহস্য ও উপকারিতা অসংখ্য।

হযরত আয়েশা সিদ্দীকা (রাঃ) হতে বর্ণিত : হুযুর আকরাম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমু’আর দিন এ পাঁচটি আয়াত লিখবে এবং ধুয়ে পানি পান করবে, তার হাজার শেফা, হাজার স্বাস্থ্য ও হাজার রহমত হাসিল হবে। হাজার প্রকার নম্রতা, হাজার একীন ও হাজার নূর তার ভেতরে প্রবেশ করবে। রোগব্যাধির যাবতীয় দুঃখ-কষ্ট ও চিন্তা পেরেশানী তার থেকে দূর হয়ে যাবে।–(তাফসীরে কাওয়াসী)

হযরত সালমান ফারেসী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলে করীম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এক প্রশ্নের জবাবে বলেছেন, যে ব্যক্তি এ আয়াতগুলো পাঠ করবে, তার হায়াত দীর্ঘ হবে, তার গুনাহ মাফ এবং উদ্দেশ্য সফল হবে।–(তাফসীরুল আরায়েশ)

প্রথম আয়াতঃ

بتوان >

, سبيل الله

بشم الله الرحمن الرجیم۔ (1) ألم تر إلى الم من بني إسرائيل من بعد موسى إثقالوا لبي

لهم ابعث لنا ملكا قاتل في سبيل الله قال هل عسيتم إن كت

تقاتل في سبيل الله وقد

عليكم القتال الا تقاتلوا قالوا وما لا أخرجنا من ديارنا وأباءنا فلما كتب عليهم القتال تولوا الأقلية

نهم الله عليه بالظالمين

দ্বিতীয় আয়াতঃ

(۲) لقد سمع الله قول الذين قالوا ان الله فقير ونحن أغنياه تكتب ما قالوا وقتلهم الأشياء بغير حق ونقول ذوقوا عذاب الحريق

তৃতীয় আয়াত

بر إلى الذين قبا

به او ام

م و

م م،

., با ایدیکم واقيموا الصلوة واتوا

ه ،

. و به مو ۸

. . را فريق منهم يخشون الناس

لما کتب عل

الزکوة

كشية اللو او اش خشيد وقالوا ربنا لم كتبت علينا القتال و ان أخرتنا إلى أجي قريب اقل متاع الدنيا قيل والأخرۃ خیر من اتقى مد

ولا تظلمون قتيلا.

চতুর্থ আয়াতঃ

واتل عليهم نبأ ابني أدم بالحق د ا قبا قبائا فتقبل من أحدهما ولم يتقبل من الأخر ط قال قلت قال إثما يتقبل الله من

পঞ্চম আয়াতঃ

قل من رب السموات والأرض ط ق الله قل أفانتم من دونه او

لاء لايمگون لانفسهم نقها و ضوا۔

قل هل يشتوى الأعمى والبير أم هل تشتوى الظمت والورد ام جعلوا لو شركاء خلقوا كلقه تشابه الخلق عليهم ما قل الله خالق كل شي وهو الواحد القهار (قوم يرزق من يشاء القوة)

বিঃ দ্রঃ উপরোক্ত আয়াতগুলো এ বইয়ের অন্য স্থানে উচ্চারণ ও অনুবাদ করা হয়েছে। তাই এখানে উচ্চারণ ও অনুবাদ দেয়া হয়নি।

.

দোয়ায়ে সাইয়্যেদুল ইস্তেগফার

 সাইয়্যেদুল ইস্তেগফার বা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমা প্রার্থনার দোআ, খুব বেশি বেশি পড়া উত্তম।

ك ووعدك

ت خلقتني أنا عبدك و

الهم انت ر

ما اشتطت أو بك من شرما صنعت أبوء لك بنعمتك على وأبوء لك بذنبي فاغفرلى قواته يغفر الثوب إلا أنت.

উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা আন্তা রব্বী লা–ইলা-হা ইল্লা–আনতা খালাকতানী ওয়া আনা আবুদকা ওয়া আনা আলা–আ’হদিকা ওয়া ওয়াদিকা মাসতাত্বোয়াতু আউযু বিকা মিন শাররি মা–ছানা’তা আবুউ লাকা বিনি’মাতিকা আলাইয়্যা ওয়া আবুউ লাকা বিযাম্বী ফাগফির লী ফাইন্নাহু লা–ইয়াগফিরু যযুনূবা ইল্লা–আনতা।

অর্থঃ হে আল্লাহ্। আপনিই আমার প্রতিপালক। আপনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং আমি আপনারই বান্দা। আমি আপনার সাথে কালেমার স্বীকারোক্তির মাধ্যমে ক্বত (দাসত্ব ও আনুগত্যের) অঙ্গীকারের উপর আমার সাধ্যানুসারে অটল আছি। আমার স্বক্বত (পাপের) অনিষ্ট হতে আমি আপনার দরবারে আশ্রয় চাচ্ছি। আমাকে প্রদত্ত আপনার নেয়ামতের কথা এবং স্বক্বত পাপের কথা আমি অকপটে অকুণ্ঠচিত্তে স্বীকার করছি। সুতরাং আমাকে মার্জনা করুন। কারণ আপনি ছাড়া গুনাহ মার্জনা করার আর কেউ নেই।–(বোখারী শরীফ)

ফযীলতঃ হাদীসে আছে, যে ব্যক্তি এ সাইয়্যেদুল ইস্তেগফার দিনে বা রাতে একবার পূর্ণ বিশ্বাসের সাথে পড়ে, যদি সে ঐ দিনে বা রাতে মারা যায় তবে নিশ্চয়ই বেহেশতী হবে।

.

কোরআনে দোয়া করার বিধান

পবিত্র কোরআন করীমে আল্লাহ্ রব্বুল আলামীন এরশাদ করেন–

ادعونی استجب لكم

উচ্চারণ : উদঊনী আছতাজিব লাকুম।

 অর্থ : তোমরা আমাকে ডাক, আমি সাড়া দেব।–(সূরা মু’মিন–আয়াত : ৬০)

.

দোয়ার স্বরূপ

দোয়ার শাব্দিক অর্থ ডাকা। অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিশেষ কোন প্রয়োজনে ডাকার অর্থে ব্যবহৃত হয়। কখনও যিকিরকেও দোয়া বলা হয়। উম্মতে মুহাম্মদীর বিশেষ সম্মানের কারণে এ আয়াতে তাদেরকে দোয়া করার আদেশ করা হয়েছে এবং তা কবুল করার ওয়াদা দেয়া হয়েছে। যারা দোয়া করে না তাদের জন্য শাস্তির বাণী উচ্চারণ করা হয়েছে।

কাবে আহবার থেকে বর্ণিত আছে, পূর্বযুগে কেবল পয়গম্বরদেরকে বলা হত, দোয়া করুন; আমি ককূল করব। এখন এ আদেশ সকলের জন্যে ব্যাপক করে দেয়া হয়েছে এবং এটা উম্মতে মুহাম্মদীরই বৈশিষ্ট্য।

এ আয়াতের তাফসীর সম্পর্কিত নুমান ইবনে বশীর বর্ণিত রেওয়ায়েতে রাসূলুল্লাহ (ছঃ) বলেন, stafi 2। অর্থাৎ দোয়াই এবাদত, অতঃপর তিনি আলোচ্য আয়াত তেলাওয়াত করেন।-(ইবনে কাসীর)

.

দোয়ার ফযীলত

হাদীসঃ নবী করীম (ছঃ) বলেন, দোয়া ছাড়া আর কিছু তাকদীর ফিরাতে পারে না এবং বয়স বাড়াতে পারে না নেকী ছাড়া অপর কিছু।–(তিরমিযী প্রমুখ)

হাদীস : নবী করীম (ছঃ) এরশাদ করেন, তাকদীর থেকে বাঁচার কোন প্রচেষ্টা ফায়দা দেয়। (হ) আল্লাহ্ তা’আলার নিকট দোয়া প্রার্থনায় উপকার পৌঁছে যে বিপদে পতিত হয়েছে তাতে, আবার সে (মসিবতে)-ও যা এখনও আপতিত হয়নি। নিশ্চয় বালা-মসিবত অবতরণকালে দোয়া তার সাথে গিয়ে মিলিত হয়। অতঃপর কেয়ামত পর্যন্ত উভয়ের মাঝে টানাটানি হতে থাকে আর মানুষ দোয়ার কারণে বালা-মসিবত থেকে বেঁচে যায়। –(মুসতাদরাকে হাকেম প্রমুখ)

হাদীসঃ হযরত নবী করীম (ছঃ) এরশাদ করেন, (যিকির বা এবাদতসমূহের মধ্যে) আল্লাহর নিকট দোয়া অপেক্ষা কোন জিনিসই অধিক সম্মানিত নয়।–(তিরমিযী)

হাদীসঃ হযরত নবী করীম (ছঃ) এরশাদ করেন, যে আল্লাহ্ তা’আলার নিকট কিছু চায়, আল্লাহ্ তার উপর রাগ করেন।–(তিরমিযী)

এ হাদীসের অন্য এক বর্ণনায় আছে, যে আল্লাহ তা’আলার নিকট দোয়া করে না আল্লাহ তা’আলা তার উপর অসন্তুষ্ট হন।–(মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বা)।

হাদীস : হযরত নবী করীম (ছঃ) সাহাবারা (রাঃ)-কে সম্বোধন করে বলেন, তোমরা (আল্লাহ্ তা’আলার নিকট) দোয়া করতে অক্ষম-অসতর্ক হয়োনা। কারণ দোয়া করতে থাকা অবস্থায় কখনও কেউ কোন আকস্মিক বিপদে ধ্বংস হবে না।–(ইবনে হাব্বান)

হাদীসঃ হযরত নবী করীম (ছঃ) এরশাদ করেন, যে ব্যক্তি ভালবাসে যে দুঃখের সময় আল্লাহ্ তার দোয়া শুনবেন, সে যেন সুখের সময়ও দোয়া করে।–(তিরমিযী)

হাদীসঃ হযরত নবী করীম (ছঃ) এরশাদ করেন, দোয়া মু’মিনের হাতিয়ার, দ্বীনের স্তম্ভ এবং আসমান যমীনের নূর।–(মুসতাদরাকে হাকিম)

হাদীস শরীফে আছে, নবী করীম (ছঃ) একবার এমন এক সম্প্রদায়ের নিকট দিয়ে পথ অতিক্রম করলেন, যারা কোন বিপদে ছিল। তাদের অবস্থা প্রত্যক্ষ করে তিনি বললেন, এরা কি (আল্লাহ তা’আলার কাছে) নিরাপত্তার জন্য দোয়া করে না:(বাযযার)

হাদীস : হযরত নবী-করীম (ছঃ) এরশাদ করেন, যে কোন মুসলমান (কোন জিনিস) প্রার্থনা করার জন্য আল্লাহ্ তা’আলার দিকে চেহারা উঠায় ( দোয়া প্রার্থনা করে), আল্লাহ্ তা’আলা তাকে ঐ জিনিস নিশ্চয়ই দান করেন। হয়ত যা চেয়েছে তা সাথে সাথে দিয়ে দেন বা তার জন্য (দুনিয়া-আখেরাতে) ঐ জিনিস সঞ্চয় করে রাখেন।–(মুসনাদে আহমদ)।

হাদীসঃ হযরত নবী করীম (ছঃ) বলেন :

الدعاء هو العبادة ثم تلا وقال ربكم ادعوني أستجب لكم الاية

অর্থাৎ দোয়া হল আসলে এবাদত। অতঃপর নবী করীম (ছঃ) প্রমাণস্বরূপ কোরআন করীমের উপরে বর্ণিত আয়াত তেলাওয়াত করেন। পূর্ণ আয়াত এই

وقال ربكم ادعوني أستجب لكم إن البنين يستكبرون عن عبادتي

سيدخلون جهنم داخر

অর্থাৎ তোমাদের পালনকর্তা বলেন, তোমরা আমাকে ডাক, আমি সাড়া দেব। যারা আমার এবাদতে অহংকার করে, তারা সত্বরই জাহান্নামে প্রবেশ করবে লাঞ্ছিত হয়ে।–(সূরা আল মু’মিন আয়াত-৬০, (মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বা তিরমিযী)

হাদীস : হযরত নবী করীম (ছঃ) বলেন :

من فتح له في اللقاء منكم فتحت له ابواب الاجابة .

অর্থাৎ যার জন্য দোয়ার দরজা খোলা (দোয়া করার তওফীক) হয়েছে, তার জন্য দোআ কবুল হওয়ার দরজা খুলে দেয়া হয়েছে (অর্থাৎ তার দোয়া কবুল হয়)–(মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বা)।

অন্য রেওয়ায়েতে আছে। ১, অর্থাৎ তার জন্য বেহেশতের দরজা খুলে দেয়া হয়।–(মুসতাদরাকে হাকেম)

কোন কোন বর্ণনায় আছেঃ

فتحت له أبواب الرحمة واسئل الله شيئا أحب إليه من أن يشكل

العافية

অর্থ : তার জন্য রহমতের দরজাই খোলা হয়েছে এবং আল্লাহর নিকট নিরাপত্তা অপেক্ষা প্রিয়তম কোন জিনিসই চাওয়া হয় না।–(তিরমিযী শরীফ)

.

কোরআনের দোয়া-মুনাজাত

إهدنا الصراط المستقیم صراط البيين أنعمت عليهم غير

المنضوب عليهم ولا الضالين

উচ্চারণ : ইহুদিনা ছছিরা-ত্বোয়াল মুসতাকীম, ছিরা-ত্বোয়াল্লাযীনা আনআমতা আলাইহিম, গাইরিল মাগদ্বু বি আলাইহিম ওয়ালাদোয়াল্লীন।

অর্থ : আমাকে সরল পথ দেখাও। সে সমস্ত লোকের পথ, যাদেরকে তুমি অনুগ্রহ দান করেছ। তাদের পথ নয় যাদের প্রতি তোমার গযব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে। –(সূরা ফাতেহা)

رب اجعل هذا بدا أمنا وارزق أهله من المرت من أمن وثهم بالله

واليوم الآخر.

উচ্চারণ : রব্বিজআল্ হা-যা–বালাদান আ-মিনাওঁ ওয়ারযুক্ আহলাহু মিনা ছছামারা-তি মান আ-মানা মিনহুম্ বিল্লা-হি ওয়াল ইয়াওমিল আ-খির।

অর্থ : পরওয়ারদেগার! এ শহরকে তুমি নিরাপদ কর এবং এর অধিবাসীদের মধ্যে যারা আল্লাহ ও কেয়ামতে বিশ্বাস করে তাদেরকে ফলের রিযিক দান কর।–(সূরা আলবাকারা)

ربنا تقبل منا إنك أنت السميع العليم–رنا واجثتا مشلمين لك

لمة ثك ط وارتا ممتاسا

وتب علينا انك انت الاب

ومن ذريتنا أمة

উচ্চারণ : রব্বানা–তাকাব্বাল মিন্না–ইন্নাকা আনতাস সামীউ’ল আলীম। রব্বানা ওয়াজআলনা মুসলিমাইনি লাকা ওয়া মিন্ যুররিইয়্যাতিনা–উম্মাতা মুসলিমাতাল্লাক ওয়া আরিনা–মানা–সিকানা–ওয়া তুব আলাইনা–ইন্নাকা আন্তাত্তাওয়া-বুর রাহীম।

অর্থ : পরওয়ারদেগার! আমাদের পক্ষ হতে কবুল কর, নিশ্চয় তুমি শ্রবণকারী সর্বজ্ঞ। পরওয়ারদেগার, আমাদের উভয়কে তোমার আজ্ঞাবহ কর এবং আমাদের বংশধর থেকেও একটি অনুগত দল সৃষ্টি কর : আমাদের হজ্জের রীতিনীতি বলে দাও এবং আমাদের ক্ষমা কর, নিশ্চয়ই তুমি তওবা কবুলকারী।

ربنا اتنا في الدنيا حسنة وفي الآخرة حسنة وقنا عذاب النار۔

উচ্চারণ : রব্বানা আতিনা ফিদ্দুনইয়া হাসানাতাওঁ ওয়া ফি লআ-খিরাতি হাসানাতাওঁ ওয়া কিনা–আযা-বান্না-র।

অর্থ : হে পরওয়ারদেগার! আমাদেরকে দুনিয়াতেও কল্যাণ দান কর এবং আখেরাতেও কল্যাণ দান কর আর আমাদেরকে দোযখের আযাব থেকে রক্ষা কর।

غفرانك ربنا وإليك المصير.

উচ্চারণ : গুফরা-নাকা রব্বানা–ওয়া ইলাইকাল মাছীর।

অর্থ : আমরা তোমার কাছে ক্ষমা চাই হে আমাদের পালনকর্তা। তোমারই দিকে প্রত্যাবর্তন করতে

شطأنا طربنا ولا تحمل علينا اے

ربنا لا تؤاخذنا إن نسينا او ا

كما حملته على الذين من قبلنا ربنا ولا تحثنا مالا طاقة لنا به ط واعف عنان واغفرلنا وارحمنا–انت مولنا فانصرنا على القوم

উচ্চারণ : রব্বানা–লা–তুয়া-খিযনা ইন্ নাসীনা–আও আখত্ব না-; রব্বানা–ওয়ালা তাহমিল আলাইনা–ইছরান কামা–হামালতাহু আলাল্লাযীনা মিন্ কাবলিনা-; রব্বানা–ওয়ালা তুহাম্মিলনা–মা-লা–ত্বোয়াক্কা লানা–বিহী ওয়া’ফু আন্না-; ওয়াগফির লানা-। ওয়ারহামনা আন্তা মাওলা-না–ফানসুরনা–আলাল ক্বাওমিল কা-ফিরীন।

অর্থ : হে আমাদের পালনকর্তা! যদি আমরা ভুলে যাই কিংবা ভুল করি, তবে আমাদেরকে অপরাধী করো না। হে আমাদের পালনকর্তা! আর আমাদের উপর এমন দায়িত্ব অর্পণ করো না, যেমন আমাদের পূর্ববর্তীদের উপর অর্পণ করেছ। হে আমাদের প্রভু! আমাদের দ্বারা এমন বোঝা বহন করায়ও না, যা বহন করার শক্তি আমাদের নেই। আমাদের পাপ মোচন কর, আমাদেরকে ক্ষমা কর এবং আমাদের প্রতি দয়া কর, তুমিই আমাদের প্রভু। সুতরাং কাফের সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদেরকে সাহায্য কর।

ربنا لاتزغ قلوبنا بعد إث هديتنا وهب لنا من لدنك رحمة ط إنك

أنت الوهاب

উচ্চারণ : রব্বানা–লা–তুযিগ কুলুবানা–বাদা ইহাদাইতানা ওয়া হাব লানা–মিল্লাদুনকা রাহমাহ্; ইন্নাকা আন্তাল্ ওয়াহহাব।

অর্থ : হে আমাদের পালনকর্তা! সরল পথ প্রদর্শনের পর তুমি আমাদের অন্তরকে সত্য লংঘনে প্রবৃত্ত করো না এবং তোমার নিকট থেকে আমাদেরকে অনুগ্রহ দান কর; তুমিই মহা দাতা।

ربنا إننا أمنا فاغفرلنا ذنوبنا وقنا عذاب النار

উচ্চারণ : রব্বানা–ইন্নানা–আ-মান্না–ফাগফির লানা–যুনুবানা ওয়া কিনা–আযাবা ন্না-র।

অর্থ : হে আমাদের পালনকর্তা! আমরা ঈমান এনেছি, কাজেই আমাদের গুনাহ্ ক্ষমা করে দাও আর আমাদেরকে দোযখের আযাব থেকে রক্ষা কর।

او

مه ۸

 ۸ و ۸ مه

يومية,

م قل اللهم مالك الملك تؤتي الملك من تشاء وتنزع الملك ممن تشاء

و من تشاء ومميز من تشاء بيدك الخير . إنك على كل شئ قدي۔ تولج الليل في النهار وتولج النهار في الليلي د وخرج الى من الميت وتخرج الميت من الحيى–وترزق من تشاء بغير حساب–

উচ্চারণ : কুলি ল্লা-হুম্মা মা-লিকা লমুলকি তু’তি লমুলকা মান্ তাশা-উ ওয়া তানযিউ’ লমুলকা মিম্মান তাশা-উ ওয়া তুই’যযু মান তাশা-উ ওয়া তুযিলু মান তাশা-উ বিয়াদিকাল খাইর; ইন্নাকা আলা কুল্লি শাইইন কাদীর। তুলিজু ল্লাইলা ফি ন্নাহা-রি ওয়া তুলিজু ন্নাহা-রা ফিল্লাইল, ওয়া তুখরিজুল হাইয়্যা মিনাল্ মাইয়্যেতি ওয়া তুখরিজুল মাইয়্যেতা মিনাল হাইয়্যি; ওয়া তারযুকু মান তাশা-উ বিগাইরি হিসাব।

অর্থ : [হে রাসূল ] আপনি বলুন : ইয়া আল্লাহ! তুমিই সার্বভৌম শক্তির অধিকারী। তুমি যাকে ইচ্ছা রাজ্য দান কর এবং যার কাছ থেকে ইচ্ছা রাজ্য ছিনিয়ে নাও এবং যাকে ইচ্ছা সম্মান দান কর আর যাকে ইচ্ছা অপমানিত কর; তোমারই হাতে রয়েছে যাবতীয় কল্যাণ; নিশ্চয়ই তুমি সর্ববিষয়ে ক্ষমতাশীল। তুমি রাতকে দিনের ভিতর এবং দিনকে রাতের ভিতরে প্রবেশ করাও। আর তুমিই জীবিতকে মৃতের ভিতর থেকে এবং মৃত্যুকে জীবিতের ভিতর থেকে বের কর; এবং তুমি যাকে ইচ্ছা বেহিসাব রিযিক দান কর।

مع الشهدين

نزلت واتبعنا الرسول فاكتبنا .

رينا

উচ্চারণ : রাব্বানা–আ-মান্না–বিমা–আনযালতা ওয়াত্তাবা’না ররাসূলা ফাকতুবনা–মা’আ শশা-হিদীন।

অর্থ : হে আমাদের পালনকর্তা! আমরা সে বিষয়ের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেছি যা তুমি নাযিল করেছ এবং আমরা রাসূলের অনুগত হয়েছি; অতএব আমাদেরকে মান্যকারীদের তালিকাভুক্ত করে নাও।

ربنا افژلنا دينا وإشراقا في أمرنا وثبت أقدامنا وانصرنا على

القوم الكفرين۔

উচ্চারণ : রব্বানা গফির লানা–যুনুবানা–ওয়া ইস্রা-ফানা–ফী আমরিনা–ওয়া সাব্বিত আকদা-মানা–ওয়ানসুরনা আলা লক্বাওমি লকা-ফিরীন।

অর্থ : হে আমাদের পালনকর্তা! মোচন করে দাও আমাদের পাপ এবং যা কিছু বাড়াবাড়ি হয়ে গেছে আমাদের কাজে; আর আমাদেরকে দৃঢ় রাখ এবং কাফেরদের উপর আমাদেরকে সাহায্য কর।

ربنا ماخلقت هذا باطلا–سبت فقنا عذاب النار–ربنا ان من تدخل النار فقد أخزيته. وما الظلمينربنا إننا سمعنا مناديا نادي الإيمان أن أوتوا برگم قامتاع ربنا فاغفر لنا ذنوبنا

لك

اتنا وتوقنا مع الابرار-ربنا وانا ما وعدتنا على

وكقرنا

خلف الميعاد

ولاتخزنا يوم القيمة د ا

উচ্চারণ : রব্বানা–মা–খালাক্তা হা-যা বা-ত্বিলান্ সুবহা-নাকা ফাকিনা–আযা-বা ন্না-র। রব্বানা–ইন্নাকা মান্ তুদখিলি না-রা ফাক্বাদ আখযাইতাহু ওয়ামা–লিযযোয়া-লিমীনা মিন্ আনছোয়া-র রব্বানা–ইন্নানা–সামিনা–মুনাদিয়াই ইউনা-দী লিলঈমা-নি আন্ আমিনূ বিরব্বিকুম ফাআ-মান্না-; রব্বানা–ফাগফিরলানা–যুনুবানা–ওয়া কাফফির আন্না-, সাইয়্যিআতিনা–ওয়া তাকওয়াফফানা–মা’আল আবরা-রি। রববানা–ওয়া আ-তিনা–মা অআদতানা–আলা–রুসুলিকা ওয়ালা–তুখযিনা–ইয়াওমাল কিয়া-মাহ, ইন্নাকা লা–তুখলিফু লমীআদ।

অর্থ : পরওয়ারদেগার! এসব তুমি অনর্থক সৃষ্টি করনি; সকল পবিত্রতা তোমারই; আমাদেরকে তুমি দোযখের শাস্তি থেকে বাঁচাও। হে আমাদের পরওয়ারদেগার! নিশ্চয় তুমি যাকে দোযখে নিক্ষেপ করলে অবশ্যই তাকে অপমানিত করলে; আর জালেমদের জন্যে তো কোন সাহায্যকারী নেই। হে আমাদের পালনকর্তা! আমরা নিশ্চিতরূপে শুনেছি, একজন আহবানকারীকে ঈমানের প্রতি আহ্বান করতে তোমাদের পালনকর্তার প্রতি ঈমান আন, তাই আমরা ঈমান এনেছি; হে আমাদের পালনকর্তা! অতঃপর আমাদের সকল গুনাহ মাফ কর এবং আমাদের সকলের দোষ-ত্রুটি দূর করে দাও। আর আমাদের মৃত্যু দাও নেক লোকদের সাথে। হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদেরকে দাও, যা তুমি ওয়াদা করেছ তোমার রাসূলদের মাধ্যমে এবং কেয়ামতের দিন আমাদেরকে তুমি লজ্জিত করো না; নিশ্চয় তুমি ওয়াদা খেলাফ কর না।

ربنا افتح بيننا وبين قومنا بالحقد وانت خير الفيجين۔

উচ্চারণ : রব্বানা–ফতাহ্ বাইনানা–ওয়া বাইনা কওমিনা–বিলহাক্বকি ওয়া আনতা খাইরু লফা-তিহীন।

অর্থ : হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের ও আমাদের সম্প্রদায়ের মধ্যে যথার্থ ফয়সালা করে দিন; আর আপনিই শ্রেষ্ঠ ফয়সালাকারী।

ربنا افرغ علينا صبرا وتوفنا مسلمين۔

উচ্চারণ : রব্বান্না–আফরিগ আলাইনা–ছবরাওঁ ওয়া তাওয়াফফানা–মুসলিমীন।

অর্থ : হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদের জন্য ধৈর্যের দ্বার খুলে দাও এং আমাদেরকে মুসলমান হিসেবে মৃত্যু দান কর।

رب اغفرلي ولاخی وادخلنا في رحمتك وانت ارحم الراحمين–

উচ্চারণ : রব্বিগফির লী ওয়া লিআখী ওয়া আদখিলনা–ফী রাহমাতিকা ওয়া আন্তা আরহামু ররা-হিমীন।

অর্থ : হে আমার পরওয়ারদেগার! ক্ষমা কর আমাকে আর আমার ভাইকে এবং আমাদেরকে তোমার রহমতের অন্তর্ভুক্ত কর, তুমি সর্বাধিক করুণাময়।–(সূরা আলআ’রাফ : ১৫১)।

أنت ولينا فاغفرلنا وارحمنا وانت خير الغفرين–واكتب لنا في

هذه الدنيا حسنة وفي الآخرة إنا هنا إليك .

উচ্চারণ : আন্তা ওয়ালিয়ুনা–ফাগফির লানা–ওয়ারহামন্না–ওয়া আন্তা খাইরু লগা-ফিরীন। ওয়াকতুব লানা–ফী হা-যিহি দুন্‌ইয়া–হাসানাতাওঁ ওয়া ফিলা আ-খি-রতি ইন্না হুদন্না ইলাইকা।

অর্থ : হে আল্লাহ! তুমি আমাদের রক্ষক অভিভাবক, সুতরাং আমাদেরকে ক্ষমা করে দাও এবং আমাদের উপর করুণা কর, তুমিই তো সর্বোত্তম ক্ষমাকারী। (সূরা আলআরাফ ১৫৫-৫৬)।

حسبي الله لا إله إلا هو عليه توكلت وهو رب العرش العظيم

উচ্চারণ : হাসবিয়াল্লা-হু লা–ইলা-হা ইল্লা–হুওয়া আলাইহি তাকওয়াক্কালতু ওয়া হুওয়া রব্বুল আরশিল আযীম।

অর্থ : আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট; তিনি ছাড়া আর কোন মাবুদ নেই; আমি তাঁরই ভরসা করি এবং তিনিই মহান আরশের অধিপতি।–(সূরা আত্তাওবা ও ১২৯)।

ربنا لاتجعلنا فتنة للقوم الظمين . ونجنا برحمتك من القوم

الكفرين۔

উচ্চারণ : রব্বানা–লা তাজআলনা–ফিতনাতা ললিলক্বাওমি যযোয়ালিমীন, ওয়া নাজ্জিনা বিরাহমাতিকা মিনা–লকাওমিল কা-ফিরীন।

অর্থ : হে আমাদের পরওয়াদেগার! আমাদের উপর এ জালেম কওমের শক্তি পরীক্ষা করো; আর অনুগ্রহপূর্বক আমাদেরকে মুক্ত করে দাও এ কাফেরদের কবল থেকে। –(সূরা ইউনূস–৮৫-৮৬)

بسم الله مجرها ومرهاط إن ربى لغفور الرحیم۔

উচ্চারণ : বিসমিল্লা-হি মাজরে-হা ওয়া মুরসা-হা–ইন্না রব্বী লাগাফুরুর রাহীম।

অর্থ : আল্লাহর নামেই এর গতি ও স্থিতি; আমার পালনকর্তা অতি ক্ষমাপরায়ণ মেহেরবান। –(সূরা হুদ : ৪১)

رب انى اعود بك أث اشك ماليس لى به علم و اتفقولي وترحمني

ان من الخسرين–

উচ্চারণ : রব্বি ইন্নী আউযু বিকা আন্ আসআলুকা মা–লাইসা লী বিহী ই’লমুওঁ ওয়া ইল্লা তাগফিরলী ওয়া তারহামনী আকুম মিনাল খা-সিরীন।

অর্থ : হে আমার পালনকর্তা! আমার যা জানা নেই এমন কোন দরখাস্ত করা হতে আমি আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি, আপনি যদি আমাকে ক্ষমা ও দয়া না করেন, তাহলে আমি ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবো।–(সূরা হুদ–আয়াত : ৪৭)

فاطر السموت والأرض–أنت ولي في الدنيا والآخرة د توفنی مسلما

والحقني بالصلحين–

উচ্চারণ : ফা-ত্বিরা সসামাওয়াতি ওয়াল্আরদ্ধি, আনতা ওয়ালিয়্যি ফি দুন্‌ইয়া–ওয়াল আ-খিরাহ, তাওয়াফফানী মুসলিমাওঁ ওয়াল হিক্বনী বিচ্ছোয়া-লিহীন।

অর্থ : হে নভোমণ্ডল ও ভূমণ্ডলের স্রষ্টা! আপনি আমার কার্যনির্বাহী ইহকাল ও পরকালে; আমাকে ইসলামের উপর মৃত্যুদান করুন এবং আমাকে স্বজনদের সাথে মিলিত করুন। –(সূরা ইউসুফ-১০১)

رب اجعلني مقيم الصلوة ومن ذريتي ربنا وتقبل دعاء–ربنا

المؤمنين يوم يقوم الحس

اغفرلي ولوالدي و

উচ্চারণ : রব্বি জআলনী মুক্বীমা চ্ছলা-তি ওয়া মিন্ যুররিয়্যাতী রব্বানা–ওয়া তাকাব্বাল দুআ, রব্বানা গফির লী ওয়ালিওয়ালিদাইয়্যা ওয়া লিল মু’মিনীনা ইয়াওমা ইয়াকূমুল হিসাব।

অর্থ : হে আমার পালনকর্তা! আমাকে নামায কায়েমকারী করুন এবং আমার সন্তানদের মধ্য থেকেও। হে আমাদের পালনকর্তা! আর আমাদের দোয়া কবুল করুন। হে আমাদের পালনকর্তা! আমাকে, আমার পিতা-মাতাকে এবং সব মু’মিনদেরকে ক্ষমা করুন যেদিন হিসাব কায়েম হবে।’–(সূরা ইবরাহীম : ৪০-৪১)

رب ارحمهما كما ربيني صغيرا

উচ্চারণ : রব্বি রহামহুমা কামা–রব্বাইয়ানী ছগীরা।

অর্থঃ হে পালনকর্তা! তাদের উভয়ের পিতা-মাতার প্রতি রহম কর। যেমন তারা আমাকে শৈশবকালে লালন-পালন করেছেন।–(সূরা বনী ইসরাঈল : ৩৪)।

رب أدخلني مدخل صدق واخرجني مخرج صدق واجعل لي من لدنك

سلطانا صيژا ۔

উচ্চারণ : রব্বি আদখিলনী মুদখালা সিদক্বিওঁ ওয়া আখরিজ্বনী মুখরাজা সিদকিওঁ ওয়াজ আল লী মিল্লাদুনকা সুলত্বোয়া–নান্নাছীরা।

অর্থ : হে পালনকর্তা! আমাকে দাখিল করুন সত্যরূপে আর বের করুন সত্যরূপে এবং আমাকে এমন বিজয় দান করুন যাতে আপনার সাহায্য রয়েছে।–(সূরা বনী-ইসরাঈল-৮০)

ربنا اتنا من لدنك رحمة وهيئ لنا من أمرنا رشدا ۔

উচ্চারণ : রব্বানা আতিনা–মিল্লাদুনকা রাহমাতাওঁ ওয়া হাইয়্যি’ লানা–মিন্ আমরিনা–রাশাদা-।

অর্থ : হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদেরকে নিজের কাছ থেকে রহমত দান করুন এবং আমাদের জন্যে আমাদের কাজ সঠিকভাবে পূর্ণ করুন।–(সূরা আল-কাহফ : ১)

رب اشرح لي صدري ويسرلی امری۔

উচ্চারণ : রব্বি শরাহ্ লী ছদ্রী ওয়া ইয়াসসির লী আম্রী।

অর্থ : হে আমার পালনকর্তা! আমার বক্ষ প্রশস্ত করে দিন এবং আমার কাজ সহজ করে দিন।–(সূরা ত্বাহা : ২৫-৩৬)।

উচ্চারণ : রাব্বি যিদূনী ই’লমা-।-1 335, অর্থঃ হে আমার পালনকর্তা! আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করুন।–(সূরা ত্বাহা : ১১৪)।

حم الرحمين

رب اني مسني الضر و انت اره

উচ্চারণ : রব্বি আন্নী মাস্সানিয়াদ দুররু ওয়া আন্তা আরহামু ররা-হিমীন্।

অর্থ : হে আমার রব! আমি দুঃখ কষ্টে পতিত হয়েছি এবং আপনি দয়াবানদের চেয়ে সর্বশ্রেষ্ঠ দয়াবান।–(সূরা আল-আম্বিয়া : ৮৩)

لا اله الا انت سبحنك اني كنت من الظلمين۔

উচ্চারণ : লা–ইলা-হা ইল্লা–আতা সুবহা-নাকা ইন্নী কুনতু মিনা যুবোয়া-লিমীন।

 অর্থ : তুমি ছাড়া কোন উপাস্য নেই, তুমি নির্দোষ, নিশ্চয়ই আমি গুনাহগার। –(সূরা আল আম্বিয়া : ৮৭)

رب لاتذرني فردا وانت خير الوارثين.

উচ্চারণ : রব্বি লা–তাযারনী ফারদাওঁ ওয়া আনতা খাইরুল ওয়া-রিসীন।

অর্থ : হে আমার পালনকর্তা! আমাকে একা রেখো না, তুমি তো উত্তম ওয়ারিস। –(সূরা আল আম্বিয়া ৮৯)

رب أثزلني منزة بركا وانت خير المنزلين–

উচ্চারণ : রব্বি আনৃষিনী মুনলাম্ মুবারাকাওঁ ওয়া আন্তা খাইরুল মুযিলীন।

অর্থ : হে আমার পালনকর্তা! আমাকে কল্যাণকরভাবে অবতরণ করিয়ে দাও, তুমি শ্রেষ্ঠ অবতারণকারী।–(সূরা মু’মিনূন : ২৯)।

رب اما تريتى مايؤدون–ربي فتجعلني في القوم الظلمين۔

 উচ্চারণ : রব্বি ইম্মা–তুরিয়ানী মা–ইউআদূন। রব্বি ফালা–তা’আনী ফিল্ কাওমি যুবোয়া-লিমীন।

অর্থ : হে আমার পালনকর্তা! যে বিষয়ে তাদেরকে ওয়াদা দেয়া হয়েছে তা যদি আমাকে দেখান। হে আমার পালনকর্তা! আপনি আমাকে জালেম সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত করবেন না। –(সূরা মু’মিনূন : ৯৩-৯৪)

الشيطين–واعو بكر أن يحضرون–

رب أعود بك من هم

উচ্চারণ : রব্বি আউযু বিকা মিন হামাযাতি শশাইয়া-তীন, ওয়া আউযু বিকা রব্বি আই ইয়াহদুরূন।

অর্থ : হে আমার পালনকর্তা! আমি শয়তানের প্রবঞ্চনা থেকে আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করি এবং হে আমার পালনকর্তা! আমার নিকট তাদের উপস্থিতি থেকে আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করি।–(সূরা মু’মিনূন : ৯৭-৯৮)।

ربنا أمنا فاغفرلنا وارحمنا وانت خير الجمين۔

উচ্চারণ : রব্বানা–আ-মান্না–ফাগফির লানা–ওয়াহান্না–ওয়া আন্তা খাইরুর রা-হিমীন।

অর্থ : হে আমাদের পালনকর্তা! আমরা বিশ্বাস স্থাপন করেছি অতএব তুমি আমাদেরকে ক্ষমা কর এবং আমাদের প্রতি রহম কর, তুমি তো দয়ালুদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ দয়ালু। (সূরা মু’মিনূন : ১০৯)

رب اغفر وارحم وأنت خير الجمين

উচ্চারণ : রব্বি গৃফির ওয়ারহাম্ ওয়া আন্তা খাইরু রা-হিমীন।

অর্থ : হে আমার পালনকর্তা! ক্ষমা করুন ও রহম করুন। আপনি শ্রেষ্ঠ রহমকারী। -(সুরা মু’মিনূনঃ ১১৮)

ربنا اصرف عتادان که

উচ্চারণ : রব্বানা–ছরি আন্না আযা-বা জাহান্নাম।

অর্থ : হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদের থেকে জাহান্নামের শাস্তি হটিয়ে দাও। –(সূরা আলফুরক্বান : ৬৫),

ربنا هب لنا من أزواجنا ورينا قرة أعين واجعلنا للمتقين إماما–

উচ্চারণ : রব্বানা–হা লানা–মিন্ আওয়া-জিনা–ওয়া ঘুরিয়্যাতিনা–কুররাতা আ’ইউনিওঁ ওয়াআনা–লিলমুত্তাকীনা ইমা-মা-।

অর্থ : হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদের স্ত্রীদের পক্ষ থেকে এবং আমাদের সন্তানদের পক্ষ থেকে আমাদের জন্যে চোখের শীতলতা দান করুন এবং আমাদেরকে মুত্তাকীদের জন্যে আদর্শ করুন।–(সূরা আল-ফুরক্বান : ৭৪)।

رب هب لى حكما والقني بالصلحين–واجعل لى لسان صدق في الأخرين. واجعلني من ورثة جنة النعيم–واغفر لابی إنه كان من الشالين ولا تخزني يوم يبعثون۔

উচ্চারণ : রব্বি হা লী হুমাওঁ ওয়া লহিনী বিচ্ছো-লিহীন। ওয়াআল্লী লিসা-না ছিদকি ফিল আ-খিরীনা ওয়াজ্বলনী মিওয়ারাছাতি জান্নাতি নাঈম। ওয়াগফির লি আবী ইন্নাহু কা-না মিনাদ্দোলীন, ওয়ালা–তুজিনী ইয়াওমা ইউব আছুনা।

অর্থ : হে আমার পালনকর্তা! আমাকে প্রজ্ঞা দান করুন এবং আমাকে সকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত করুণ এবং আমাকে পরবর্তীদের মধ্যে সত্যভাষী করুণ এবং আমাকে নেয়ামত উদ্যানের অধিকারীদের অন্তর্ভুক্ত করুণ এবং আমার পিতাকে ক্ষমা করুণ। সে তো পথভ্রষ্টদের অন্যতম এবং পুনরুত্থান দিবসে আমাকে লাঞ্ছিত করবেন না।–(সূরা শোআ-রা : ৮৩-৮৭)

فافتح بيني وبينهم فتحا ونجنى ومن معي من المؤمنين

উচ্চারণ : ফাফতাহ্ বাইনী ওয়া বাইনাহুম ফাত্হাওঁ ওয়া নাজ্জিনী ওয়া মামমাইয়া মিনাল মু’মিনীন।

অর্থ : অতএব, আমার ও তাদের মধ্যে ফয়সালা করে দিন এবং আমাকে ও আমার সঙ্গী মু’মিনদেরকে রক্ষা করুন।–(সূরা শোআরা ঃ ১১৮)।

رب نجني وأهلي وما يعملون

উচ্চারণ : রব্বি নাজ্জিনী ওয়া আহলী মিম্মা–ইয়ামালূন।

অর্থঃ হে আমার পালনকর্তা! আমাকে এবং আমার পরিবারবর্গকে তারা যা করে তা থেকে রক্ষা কর।–(সূরা শোআরা : ১৬৯)

رب أوزعني أن أشكر نعمتك التي أنعمت علي وعلى والدي وأن أعمل

صالحا ترضه وادخلني برحمتك في عباك الصيچين۔

উচ্চারণ : রব্বি আউযি’নী আন আশকুরা নিমাতাকাল্লাতী আন’আমৃতা আলাইয়্যা ওয়াআলা–ওয়ালিদাইয়া ওয়াআন আ’মালা ছোঁয়া-লিহান তারদ্বোয়াহু ওয়াআদৃখিনী বিরাহমাতিকা ফী ই’বা-দিকা চ্ছোয়া-লিহীন।

অর্থ : হে আমার পালনকর্তা! তুমি আমাকে সামর্থ দাও! যাতে আমরা তোমার সেই নেয়ামতের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পারি, যা তুমি আমাকে ও আমার পিতা-মাতাকে দান করেছ এবং যাতে আমি তোমার পছন্দনীর সঙ্কর্ম করতে পারি এবং আমাকে নিজ অনুগ্রহে তোমার সৎকর্মপরায়ণ বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত কর।–(সূরা আননমল : ১৯)।

رب انى ظلمت نفسى واسلمت مع شليمن لله رب العلمين–

উচ্চারণ : রব্বি ইন্নী যোয়ালামৃতু নাত্সী ওয়া আলামতু মা’আ সুলাইমা-না লিল্লাহি রব্বিল আলামীন।

অর্থ : হে আমার পালনকর্তা! আমি তো নিজের প্রতি জুলুম করেছি। আমি সুলাইমানের সাথে বিশ্বজাহানের পালনকর্তা আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করলাম।–(সূরা আননমল : ৪৪)

الحمد لله وسلم على عباده الذين اصطفي

উচ্চারণ : আলহাম-দু লিল্লাহি ওয়া সালা-মুন আলা–ই’বা-দিহি ল্লাযীনা ঢুত্বফা-।

অর্থ : সকল প্রশংসাই আল্লাহর এবং শান্তি তাঁর মনোনীত বান্দাদের প্রতি। –(সূরা আন-নমল : ৫৯

رب اني ظلمت نفسى فاغقولي قفله . إنه هو الغفور الرجیم۔

উচ্চারণ : রব্বি ইন্নী যলামতু নাফী ফাগফিরলী ফাগফারা লাহূ ইন্নাহু হুওয়াল্ গাফুরুর রাহীম।

অর্থ : হে আমার পালনকর্তা! আমি তো নিজের উপর জুলুম করে ফেলেছি। অতএব আমাকে ক্ষমা করুন। অতএব আল্লাহ তাকে ক্ষমা করলেন, নিশ্চয় তিনি ক্ষমাশীল, দয়ালু। –(সূরা আল-কাসাস্ : ১৬-১৭)

رب نجني من القوم الظليين.

উচ্চারণ : রব্বি নাজ্জিনী মিনাল্ কাওমি ফ্যায়ালিমীন।

অর্থ : হে আমার পালনকর্তা! আমাকে জালেম সম্প্রদায়ের কবল থেকে রক্ষা করুন। –(সূরা কাসাস্ : ২১)

رب إني لما أنزلت الى من خير فقير.

উচ্চারণ : রব্বি ইন্নী লিমা–আনযাতা ইলাইয়্যা মিন্ খাইরি ফাকীর।

অর্থ : হে আমার পালনকর্তা! তুমি আমার প্রতি যে অনুগ্রহ নাযিল করবে আমি তার মুখাপেক্ষী।–(সূরা আল-কাসাস্ : ২৪)

رب انصرني على القوم المفسدين–

উচ্চারণ : রব্বি নৃছুরনী আলা ক্বাওমি লমুফসিদীন। অর্থ : হে আমার পালনকর্তা! দুষ্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে আমাকে সাহায্য করুন। –(সূরা আলআনকাবুত-৩০)

ربي هب لى من الشلحين

উচ্চারণ : রব্বি হাবু লী মিনা হুছোঁয়া-লিহীন। অর্থ : পরওয়ারদেগার! আমাকে এক সৎপুত্র দান করুন।–(সূরা সাফাত ১০০)

ربنا وسعت كل شئ رحمة وعثما قاشقر البنين تابوا واتبعوا بيتك وهم عذاب الجحيم–ربنا واثلهم جير عدي التي وعدتهم ومن صلع يرث أبائهم واژواجهم وذريتهم. إنك أنت العزيز الحكيم–وقوم الشيتات ومن تق الشيرات يوميفقد رجم–وأليك هو الفوژ

উচ্চারণ : রাব্বানা ওয়াসি’তা কুল্লা শাইইর রহমাতাওঁ ওয়া ই’মান্ ফাগৃফি লিল্লাযীনা তা-নূ ওয়াত্তাবাউ’ সাবীলাকা ওয়াক্বিহিম আযা-বা জাহীম। রব্বানা ওয়া আখিহুম জান্নাতি আনি ল্লাতী ওয়া’আত্তাহুম ওয়া মান্ ছলাহা মিন্ আ-বা-ইহি ওয়া আওয়া-জিহিম্ ওয়া যুরিয়্যাতিহিম্ ইন্নাকা আন্তা আযীযুল হাকীম। ওয়াক্বিহিমু চ্ছাইয়িআ-তি ওয়ামা তাকি ছাইয়্যিআতি ইয়াওমাইযি ফাক্বাদ রাহিমৃতাহু ওয়া যা-লিকা হুওয়াল্ ফাওযূল আযীম।

অর্থ : হে আমাদের পালনকর্তা! আপনার রহমত ও জ্ঞান সবকিছুতে পরিব্যাপ্ত। অতএব যারা তওবা করে এবং আপনার পথে চলে তাদেরকে ক্ষমা করুন এবং জাহান্নামের আযাব থেকে রক্ষা করুন। হে আমার পালনকর্তা! আর তাদেরকে দাখিল করুন চিরকাল বসবাসের জন্য জান্নাতে। যার ওয়াদা আপনি তাদেরকে দিয়েছেন এবং তাদের বাপ-দাদা, পতি-পত্নী ও সন্তানের মধ্যে যারা সৎকর্ম করে তাদেরকে; নিশ্চয় আপনি পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়। –(সূরা মু’মিন ও ৭৮৯)

رب أوزعني أن أشكر نعمتك التي أنعمت على وعلى والدي وأن أعمل

ليك واني من المسلمين

صالحا ترضه واصلح لى في ذريتي اني تبن

উচ্চারণ : রব্বি আওযি’নী আন আশকুরা নি’মাতাকাল্লাতী আআমৃতা আলাইয়্যা ওয়া আলা–ওয়ালিদাইয়্যা ওয়া আন্ আ’মালা ছোঁয়া-লিহা তারদোয়াহু ওয়া আলিহ লী ফী যুররিয়্যাতী, ইন্নী তুতু ইলাইকা ওয়া ইন্নী মিনাল মুসলিমীন।

অর্থ : হে আমার পালনকর্তা! আমাকে এরূপ ভাগ্য দান কর যাতে আমি তোমার নেয়ামতের শোকর আদায় করি যা তুমি দান করেছ আমাকে, আমার পিতা-মাতাকে এবং যাতে তোমার পছন্দনীয় সকাজ করি, আমার সন্তানদেরকে সঙ্কর্মপরায়ণ কর, আমি তোমার প্রতি মনোনিবেশ করলাম এবং আমি আজ্ঞাবহদের অন্যতম।–(সূরা আল-আহক্বাফ : ৯৫)।

ربنا اغفر لنا ولإخوانيا الزين سبقونا بالإيمان ولا تجعل في قلوبنا

به به به

غلا للذين آمنواربنا انك رءوف الرحيم

উচ্চারণ : রব্বানাফির লানা–ওয়া লিইখওয়া-নিনা ল্লাযীনা সাবানা বিঈমানি ওয়ালা তা’আল্ ফী কুলুবিনা–গিল্লা লিল্লাযীনা আ-মানূ রব্বানা–ইন্নাকা রাউফুর রাহীম।

অর্থ : হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদেরকে ও ঈমানে অগ্রণী আমাদের ভ্রাতাগণকে ক্ষমা করুন এবং ঈমানদারদের বিরুদ্ধে আমাদের অন্তরে কোন বিদ্বেষ রাখবেন না; হে আমাদের পালনকর্তা! আপনি দয়ালু, পরম করুণাময়।–(সূরা আল হাশর-১০)

رنا علي توكلنا واليك انبنا والبنك المير–رينا تجعلنا فتنة

الزين كفروا واغفر لنا ربنا إنك أنت العزيز الحكيم

উচ্চারণ : রব্বানা–আলাইকা তাকওয়াক্কান্না–ওয়া ইলাইকা আনাবৃনা–ওয়া ইলাইকা মাছীর। রব্বানা–লা–তা’আল্না–ফিতা লিল্লাযীনা কাফারূ ওয়াগৃফির লানা–রব্বানা–ইন্নাকা আন্তা আযীযুল হাকীম।

অর্থ : হে আমাদের পালনকর্তা! আমরা তোমারই উপর ভরসা করেছি; তোমারই দিকে মুখ করেছি এবং তোমারই দিকে আমাদের প্রত্যাবর্তন। হে আমাদের পালনকর্তা! তুমি আমাদেরকে কাফেরদের জন্য পরীক্ষার পাত্র করো না, হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদেরকে ক্ষমা কর। নিশ্চয়ই তুমি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।–(সূরা আল-মুমতাহিনাহ্ : ৪-৫)।

ربنا أتمم لنا نورنا واغفرلنا. إنك على كل شئ قدير.

উচ্চারণ : রাব্বানা–আমি লানা–নূরানা–ওয়াগৃফি লানা-; ইন্নাকা আলা কুল্লি শাইয়িন্ ক্বাদীর।

অর্থ : হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদের নূর পূর্ণ করে দিন এবং আমাদেরকে ক্ষমা করুন; নিশ্চয় আপনি সর্বশক্তিমান।–(সূরা আতরাহরীমঃ ৮)।

رب اغفرلي ولوالدي ولمن دخل بيتي مؤمنا و المؤمنين والمؤمنين

ولاتزد الظلمين إلا تبارا ۔

উচ্চারণ : রব্বিগফির লী ওয়ালিওয়ালিদাইয়্যা ওয়া লিমা দাখালা বাইতিয়া মু’মিনাওঁ ওয়াল মু’মিনীনা ওয়াল মু’মিনাতি ওয়ালা–তাজিদি যুবোয়া-লিমীনা ইল্লা–তাবারা।

অর্থ : হে আমার পালনকর্তা! আপনি আমাকে, আমার মাতা-পিতাকে, যারা মু’মিন হয়ে আমার গৃহে প্রবেশ করেছে তাদেরকে এবং মু’মিন পুরুষ ও মু’মিন নারীদেরকে ক্ষমা করুন এবং জালেমদের ধ্বংসই বৃদ্ধি করুন।–(সূরা নূর : ২৬-২৯)।

قل أعوذ برب الفلق–من شوما خلق–ومن شر غاسق إذا وقب–ومن

شير الفني في العقير–ومن شر حاسد إذا حسد۔

উচ্চারণ : কুল আউযু বিরব্বিল ফালাক্ক। মিন্ শারি মা–খালা। ওয়া মিন্ শারি গা-সিকিন ইযা–ওয়াক্কাব। ওয়া মিন্ শারি ন্নাফাছা-তি ফি উল্কাদ। ওয়া মিন্ শারি হা-সিদিন্ ইযা–হাসা।

অর্থ : বল, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি প্রভাতের পালনকর্তার। তিনি যা সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে, অন্ধকার রাত্রির অনিষ্ট থেকে যখন তা সমাগত হয়। গ্রন্থিতে ফুঙ্কার দিয়ে জাদুকারিণী থেকে এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে।–(সূরা ফালাক্ক)।

قل أعود برب الناس–مالي الا اله الناس من شر الوسواس

الذي يوشوش في صدور الناس–من الجنة والناس–

الناس

উচ্চারণ : কুল আউযু বির ব্বিন্না-স। মালিকি ব্লা-সি ইলা-হি ন্না-স। মিন্ শারিল ওয়া ওয়া-সি খান্না-স। আল্লাযী ইউওয়াওয়িসু ফী ছুদূরি ন্না-স। মিনাল জিন্নাতি ওয়ান্না-স।

অর্থ : বল, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি মানুষের পালনকর্তার। মানুষের অধিপতির। মানুষের মাবুদের। তার অনিষ্ট থেকে যে কুমন্ত্রণা দেয় ও আত্মগোপন করে, যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে; জ্বিনের মধ্য থেকে অথবা মানুষের মধ্য থেকে।–(সূরা নাস)

.

ঘরে প্রবেশ ও বের হওয়ার দোয়া

ঘরে প্রবেশ করতে বা ঘর থেকে বের হতে নিম্নের দোয়া পড়বে। অতঃপর ঘরবাসীদেরকে সালাম করবে।

اللهم اني اشك خير المولج وير المخرج بشم الله ولجئا وبسم الله

خرجنا وعلى الله ربنا تولنا۔

উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা খাইরা মাওলাজি ওয়া খাইরা মারাজি বিসমিল্লা-হি ওয়ালাজ্বনা–ওয়া বিসমিল্লা-হি খারানা–ওয়া আলাল্লা-হি রব্বিনা তাকওয়াক্কানা-।

অর্থ : হে আল্লাহ, নিশ্চয় আমি আপনার নিকট উত্তম প্রবেশ স্থান ও উত্তম বের হবার স্থান প্রার্থনা করছি। আল্লাহর নামে প্রবেশ করছি ও আল্লাহর নামে বের হচ্ছি এবং আমাদের প্রভু আল্লাহর উপর ভরসা রাখছি।–(আবূ দাউদ শরীফ)

ফযীলত : যখন মানুষ ঘরে প্রবেশ করে এবং আহার করার সময় আল্লাহ তা’আলার যিকির করে, তখন শয়তান তার দলবলকে বলে–এ ঘরে না তোমাদের জন্য রাতে থাকার স্থান আছে না খানাপিনা আছে (এখান থেকে চল)। আর যে ব্যক্তি ঘরে প্রবেশ করার সময় আল্লাহর যিকির করে না, শয়তান (দলবলকে) বলে, (এসো এসো) তোমাদের রাতের থাকার স্থানও মিলেছে এবং খানাপিনাও। (অতএব) এ ঘরেই তোমরা থাক।–(মুসলিম শরীফ)

.

দোয়া কবুল হলে শোকর আদায়ের নিয়ম

যখন কারো দোয়া কবুল হয় তখন সে নিম্নের বাক্যগুলো দ্বারা কৃতজ্ঞতা বা শোকর জ্ঞাপন করবে।

الحمد لله الذي بعزته وجلاله تتم الشلحات–

উচ্চারণ : আলহাম-দু লিল্লা-হিলিলায়ী বিই’জ্জাতিহী ওয়া জালা-লিহী তাতিম্মু ছোেয়া-লিহাত।

অর্থ : সমস্ত প্রশংসা ঐ আল্লাহ তা’আলার জন্য, যাঁর ইজ্জত মর্যাদার বদৌলতে সকাজসমূহ পূর্ণতা প্রাপ্ত হয়।

ফযীলতঃ নবী করীম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, তোমাদের মধ্যে কোন লোককে কোন বিষয় যেন একথা থেকে বিরত না রাখে যে, সে আপন দোয়া কবুল হওয়া প্রত্যক্ষ করে। যেমন কোন রোগ থেকে আরোগ্য লাভ করল বা সফর থেকে (সুস্থতার সাথে) নিরাপদে ফিরে আসল।

.

আকস্মিক মছিবত থেকে রক্ষা পাওয়ার দোয়া

প্রত্যহ ফজরের পরে এবং মাগরিবের পরে এ দোয়া তিনবার পাঠ করবে–

بسم الله الذي لايضر مع اسمه شئ في الأرض ولا في الماء وهو

الشويع العليم.

উচ্চারণ : বিসমিল্লা-হিল্লাযী লা-ইয়াদুরু মাআ ইসমিহী শাইউ ফিল আরদ্বি ওয়া লা-ফিস্সামা–য়ি ওয়া হুওয়াসসামীউল্ আলীম।

অর্থ : আল্লাহর নামে, যাঁর নামের সঙ্গে কোন কিছুই ক্ষতি করতে পারে না, যমীন ও আসমানের কোথায়ও না এবং তিনি সমস্তই শ্রবণ করেন ও জানেন।

উপকারিতা : যে ব্যক্তি ফজর ও মাগরিবের পরে এ দোয়া তিনবার পাঠ করবে, আল্লাহ তা’আলা তাকে আকস্মিক মুছীবত হতে রক্ষা করবেন।

.

শহীদি মৃত্যু লাভের দোয়া (সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াত)

هو الله اليري لا إله إلا هو علم الغيب والشهادة هو الرحمن الرحيم . هو الله الذي لا إله إلا هو الماك القدوس الشم المؤمن المهيمن العزي الجبار الممتر مد شبان الله عما يشركون–هو الله الخالق البارى المصور له الاسماء الحسنى–يسبح له ما في الموت والأرض به وهو العزيز الحكيم

উচ্চারণ : হুওয়াল্লা-হুল্লাযী লা-ইলা-হা ইল্লা-হ; আ-লিমুল গাইবি ওয়াশ শাহা-দাতি হুওয়া রহমানুর রাহীম। হুওয়াল্লা-হুল্লাযী লা-ইলা-হা ইল্লা-হ্; আল্ মালিকুল কুদ্সুস, সালা-মুল মু’মিনুল মুহাইমিনুল আযীযুল জাব্বারুল্ মুতাকাব্বির। সুবহা-নাল্লা-হি আম্মা ইয়ুশরিকূন। হুওয়াল্লা-হু খা-লিকুল বারিউল মুছাওয়্যিরু লাহুল আসমা–উঁহুসনা-; ইয়ুসাব্বিহু লাহু মা–

ফিসামাওয়াতি ওয়াল্ আরদ্বি; ওয়া হুওয়াল আযীযুল হাকীম। অর্থ :তিনিই আল্লাহ্; যিনি ব্যতীত কেউ মাবুদ নেই; তিনি গোপন ও প্রকাশ্য (সমস্তই) জানেন। তিনি দয়াময়, অতি দয়ালু। তিনিই আল্লাহ, যিনি ব্যতীত কেউ মাবুদ নেই, তিনি সমস্ত শাহানশাহ্, তিনি পবিত্র শান্তি দাতা, বিপদ দানকারী এবং তিনিই রক্ষণাবেক্ষণকারী, সর্বশক্তিমান, পরাক্রমশালী এবং সর্বপরি, মুশরিকদের অংশীদারী হতে পবিত্র। সেই আল্লাহই সকলের সৃজনকারী, (সকল বস্তুর) অস্তিত্ব প্রদানকারী, ও আক্বতি দানকারী। তাঁর জন্যই রয়েছে উত্তম নামসমূহ, সমস্ত আসমানে এবং যমীনে যা কিছু আছে সকলেই তার পবিত্রতা প্রকাশ করে এবং তিনি সকলের উপরে জয়ী ও হেকমতদার।

উপকারিতা ও হযরত রাসূলুল্লাহ্ (ছঃ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি উপরোক্ত দোয়া সকালে পাঠ করবে, আল্লাহ তা’আলা তার জন্য ৭০ হাজার ফেরেশতা নির্ধারিত করে দেন, যারা তার জন্য সন্ধ্যা পর্যন্ত রহমতের প্রার্থনা করতে থাকেন। আর যদি ঐ ব্যক্তি সে দিন মৃত্যুমুখে পতিত হয়, তবে সে শহীদি মৃত্যু লাভ করবে। এবং যে ব্যক্তি সন্ধ্যায় এ দোয়া পাঠ করবে, আল্লাহ তা’আলা তার জন্য ৭০ হাজার ফেরেশতা নির্ধারিত করে দেন, যারা তার জন্য ফজর পর্যন্ত রহমতের প্রার্থনা করতে থাকে, আর যদি সে ঐ রাতে মৃত্যুবরণ করে, তবে সে শহীদি মৃত্যু লাভ করবে।

.

আয়াতুল কুরসীর ফযীলত

 হাদীস শরীফে বর্ণিত আছে, হযরত রাসূলুল্লাহ (ছঃ) ফরায়েছেন, যে ব্যক্তি সকালবেলা আয়াতুল কুরসী পাঠ করবে, সে ব্যক্তি এর বরকতে সন্ধ্যা পর্যন্ত যাবতীয় বিপদাপদ ও অপ্রীতিকর অবস্থা হতে মাহফুজ থাকবে। এবং যে ব্যক্তি সন্ধ্যায় পাঠ করবে, সে ব্যক্তি সকাল পর্যন্ত নিরাপদে ও শান্তিতে থাকবে।

আয়াতুল কুরসী

سنة ولانوم ط له مافی

ت

الله لااله الا هو الحى القيوم ج الشموت ومافي الأرض ط من ذا الذي يشفع عنده إلا باثيه ط يعلم مابين ايديهم وما خلفهم ج ويحيطون بشئ من يعلمه الا بما شاء وسع كرسيه الشموت والأرض ج ويؤده حفظهما وهو العلى

العظيم

উচ্চারণ : আল্লাহু লা-ইলা-হা ইল্লা–হুওয়াল হাইয়ুল কাইয়ুম, লা–তা-খুযুহু সিনাতুওঁ ওয়া লা–নাও। লাহু মা–ফিস্সামা-ওয়াতি ওয়ামা–

ফিআরদ্ব। মা যাল্লাযী ইয়াশফাউ’ ইন্দাহু ইল্লা বিইযনিহী, ইয়ালামু মা-বাইনা আইদীহি ওয়া মা–খাফাহুম; ওয়া লা–ইয়ুহীনা বিশাইয়িম্ মিন্ ইলমিহী ইল্লা–বিমা–শা–য়া; ওয়াসি’আ কুরসিয়াহুস্ সামাওয়াতি ওয়াল আরদ্ধ; ওয়া লা–ইয়াউদুহু হিফযুহুমা-, ওয়া হুওয়াল্ আলিয়ুল আযীম।

অর্থ :আল্লাহ, ঐ পবিত্র সত্তা যিনি ব্যতীত কেউ মা’বুদ নেই। তিনি চির জীবন্ত ও প্রতিষ্ঠিত। তাকে তন্দ্রা ও নিদ্রা স্পর্শ করতে পারে না। তারই জন্য একচ্ছত্র মালিকানা স্বত্ব ঐ সমস্ত বস্তুর যাকিছু সমস্ত আসমান ও যমীনের মধ্যে রয়েছে। এমন কে আছে যে, তাঁর নিকট বিনা অনুমতিতে সুপারিশ করতে সক্ষম:তিনি (মানুষের) অগ্র-পশ্চাতের সবকিছু জানেন। এবং তারা (মানুষেরা) তাঁর জ্ঞানের কিছুই নিজেদের জ্ঞানের মধ্যে আনিতে সক্ষম নয়, তবে তিনি যাকে ইচ্ছা করেন। এবং তাঁর কুরসী (সাম্রাজ্য) সমগ্র আসমান ও যমীন ব্যাপি পরিবেষ্টিত। এবং এদেরকে রক্ষণাবেক্ষণ করতে তার কোন বেগ পেতে হয় না। তিনি অতি মহান ও মহামহীম।

.

শয়তানের চক্রান্ত হতে বেঁচে থাকার দোয়া

নিচের দোয়া সম্পর্কে হাদীসে বর্ণিত আছে, হযরত রাসূলুল্লাহ (ছঃ) বলেছেন, এ দোয়া সকালবেলা পাঠ করলে সন্ধ্যা পর্যন্ত এবং সন্ধ্যায় পাঠ করলে সকাল পর্যন্ত শয়তানের চক্রান্ত হতে বেঁচে থাকবে।

رضينا بالله ربا وبالإسلام دينا ويمي صلى الله عليه وتم تييا ۔

উচ্চারণ : রাদ্বীনা বিল্লা-হি রব্বাওঁ ওয়া বি ইলা-মি দ্বীনাওঁ ওয়া বিমুহাম্মাদিন্ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা নাবিয়্যা।

অর্থ : আমরা আল্লাহ তা’আলাকে নিজেদের প্রভু এবং ইসলামকে নিজেদের দ্বীন এবং মুহাম্মদ (ছঃ)-কে নিজেদের নবীরূপে মেনে নিলাম। এবং এর উপর রাজী ও সন্তুষ্ট হইলাম।

.

বিপদ মুক্তির বিশেষ দোয়া

বর্ণিত আছে, বিপদ দেখা দিলে, তখন সিজদায় গিয়ে নিম্নের দোয়াটি পাঠ করলে বিশেষ উপকার হবে। হযরত রাসূলুল্লাহ (ছঃ) বদরের যুদ্ধের সময় এ দোয়া সিজদার মধ্যে পাঠ করছিলেন। এবং এ দোয়ার বরকতে তাকে বদর যুদ্ধে আল্লাহ্ তা’আলা বিজয় দান করছিলেন।

ياحي يا قيوم برحمتك أستغيث أصلح لي شأني كله ولاتكثيري

إلى نفسي طرفط عيني

উচ্চারণ : ইয়া–হাইয়ু ইয়া–কাইয়ুমু বিরহমাতিকা আস্তাগীছ; আছলিহ্ লী-শানী কুল্লাহ ওয়ালা-তাকিনী ইলা-নাফসী ত্বোয়ারফাতা আইনি।

অর্থঃ হে চির জীবন্ত! হে চির প্রতিষ্ঠিত! তোমার রহমতের ভিক্ষা চেয়ে প্রার্থনা করছি, তুমি আমার সকল অবস্থাকে ঠিক করে দাও এবং সংশোধন করে দাও। এবং মুহূর্তের জন্যও আমাকে আমার নফসের নিকট সোপর্দ করিও না।

.

জান্নাত লাভের দোয়া

আবূ দাউদ ও তিরমিযী শরীফে বর্ণিত হয়েছে, যে ব্যক্তি ফজরে কিংবা মাগরিব নামাযের পরে এ দোয়াটি পাঠ করবে, অতঃপর যে ব্যক্তি ঐ দিবসে অথবা রাতে মৃত্যুবরণ করল, নিশ্চয়ই সে বেহেশত লাভ করবে।

اللهم أنت ربي لا إله إلا أنت خلقتني وأنا عبدك وأنا على عهدك و وعدك ما استطعت أعوذ بك من شر ما صنعت أبوء بنعمتك على و أبوء بذنبي فاغفيرلى فانه لايغفر النوب إلا أنت۔

উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা আতা রব্বী, লা-ইলা-হা ইল্লা-আতা খালাক্তানী ওয়া আনাআবদুকা ওয়া আনা আলা–আদিকা ওয়া ওয়া দিকা মাস্তাত্বোয়াতু; আউযুবিকা মিন্টু শাররি মা-ছুনা’তু আবুউ বিনি’মাতিকা আলাইয়্যা ওয়া আবুউ বিম্বী ফাগফির লী–ফাইন্নাহু লা-ইয়াগৃফিরু যুনুবা ইল্লা আন্তা।

অর্থ :হে আল্লাহ! তুমিই আমার প্রভু, তুমি ব্যতীত কেউ মাবুদ নেই, তুমি আমার সৃষ্টিকর্তা এবং আমি তোমার বান্দা এবং আমি তোমার সাথে ক্বত অঙ্গীকারের প্রতি যথাসম্ভব অটল রয়েছি। আমি আমার সকল ক্বত কু-কার্যের অনিষ্ট হতে তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করছি। তোমার দানক্বত সকল নেয়ামতের আমি স্বীকারোক্তি করছি এবং নিজ গুনাহের স্বীকারোক্তিও করছি। সুতরাং তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও। যেহেতু তুমি ব্যতীত অপরাধ ক্ষমা করার কেউ নেই।

.

পরকালে মুক্তি লাভের দোয়া

হযরত আবু দারদা (রাঃ) হযরত রাসূলুল্লাহ্ (ছঃ) হতে বর্ণনা করেছেন–যে ব্যক্তি এই দোয়া ফজরে ও মাগরিবে ৭ বার করে পাঠ করবে, আল্লাহ তা’আলা তাকে দুনিয়া ও আখেরাতের সমস্ত দুশ্চিন্তা হতে নাজাত দান করবেন।

حسبي الله إله إلاهو عليه توكلت وهو رب العرش العظيم.

উচ্চারণ : হাসবিয়াল্লাহু লা-ইলা-হা ইল্লা-হ্; আলাইহি তাকওয়াক্কালতু, ওয়া হুওয়া রব্দুল আরশি আযীম।

অর্থ :আমার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট, তিনি ব্যতীত কেউ মাবুদ নেই এবং তাঁর উপরই আমি ভরসা করছি; এবং তিনিই একমাত্র মহান আরশের মালিক।

.

 গুনাহ মাফের দোয়া

বর্ণিত আছে, যে ব্যক্তি নিম্নের দোয়া সকালে ও সন্ধ্যায় ১০ বার করে পাঠ করবে, আল্লাহ তা’আলা তার আমল নামায় ১০০ নেকী লিখি দেবেন, এবং ১০০ বদী মুছে দেবেন আর সে একটি গোলাম আজাদ করার পূণ্য লাভ করবে। আর উক্ত দিবসে ও রাতের সমস্ত বিপদাপদ হতে নিরাপদে থাকবে।

ه

لااله الا الله وحده لاشريك له له الملك وله الحمد وهو على كل

شئ قدير.

উচ্চারণ : লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা-শারীকা লাহু; লাহুল মুলকু ওয়া লাহু হামদু; ওয়া হুওয়া আলা-কুল্লি শায়ই কাদীর।

অর্থ :আল্লাহ ব্যতীত কেউ মাবুদ নেই, তিনি একক তাঁর কোন শরীক নেই; সমস্ত রাজত্ব তারই জন্য এবং তার জন্যই সমস্ত প্রশংসা এবং তিনি সর্বশক্তিমান।

দ্রষ্টব্যঃ কোন কোন বর্ণনায় পাওয়া যায়, এ দোয়া পাঠ করলে, ২০ লক্ষ নেকী পাওয়া যাবে।

.

ঋণ পরিশোধের দোয়া

বর্ণিত আছে, নিম্নের দোয়া রীতিমত পাঠ করলে, ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির ঋণ পরিশোধ হওয়ার ব্যবস্থা আল্লাহ তা’আলা করে দেবেন এবং সকল দুশ্চিন্তা দূর করে নিশ্চিন্ত করে দেবেন।

اللهم إنيي أوبك من الهم والژي–واعوذ بك من العجز والكل۔

و أعوذيك من غلبة الدين وقهر الرجال۔

উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা ইন্নী আঊযুবিকা মিনাল্ হাৰ্ম্মি ওয়াল হুনি; ওয়া আউযুবিকা মিনাল আজযি ওয়াল কাসালি, ওয়া আ’ঊযুবিকা মিন্ গালাবাতি দাইনি ওয়া কারির রিজাল।

অর্থ :হে আল্লাহ! আমি সর্ব প্রকার দুশ্চিন্তা ও পেরেশানী হতে তোমার আশ্রয় চাচ্ছি; এবং অক্ষমতা ও অলসতা হতে তোমার আশ্রয় চাচ্ছি; এবং কাপুরুষতা ও বখিলী হতে তোমার নিকট আশ্রয় চাচ্ছি এবং ঋণের বোঝা ও মানুষের অত্যাচার হতে তোমার নিকট আশ্রয় চাচ্ছি। (এ হতে আমাকে রক্ষা কর)

.

বিপদ মুক্তির দোয়া

প্রকাশ থাকে যে, নিম্নেল্লিখিত দোয়া যে ব্যক্তি সন্ধ্যাবেলা পাঠ করবে, তার পরে নিম্নের দোয়াটি পাঠ করবে। তা হলে আল্লাহ্ তা’আলা পাঠকারীর সমস্ত বিপদাপদ দূর করে দেবেন।

أمسينا وأمسى الملك لله والحمد لو–اعوذ بالله الي يمس

السماء أن تقع على الأرض إلا باذنه من شوماخلق وذرأ وبرأ–

উচ্চারণ : আসাইনা–ওয়া আসা মুলকু লিল্লা-হি, ওয়াল হামদু লিল্লা-হি; আউযু বিল্লা-হিল্লাযী ইয়ুসিকুস্ সামা–য়া আন্ তাকা’আ আলা আরদ্বি ইল্লা–বিইঘৃনিহী মিন্ শারি

মা-খালাক্কা ওয়া যারায়া ওয়া বারায়া।

অর্থ :আমরা ও আল্লাহর সমগ্র সৃষ্টি জগত (আল্লাহর এবাদত-বন্দেগীর জন্য) সন্ধ্যা করেছি এবং সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য। আমি আল্লাহর আশ্রয় গ্রহণ করছি–যিনি তাঁর অনুমতি ব্যতীত আসমানকে যমীনের উপর পতিত হওয়া হতে বিরত রেখেছেন; এমনি সমস্ত বস্তুর অনিষ্ট হতে (আশ্রয় গ্রহণ করছি) যা তিনি সৃষ্টি করেছেন এবং বিস্তৃত করেছেন এবং সঠিকভাবে তৈরি করেছেন।

.

বিপদাপদ হতে মুক্তির জন্য সকাল বেলার দোয়া

অন্যান্য দোয়াসমূহ পড়ার পরে সকালবেলা নিম্নের দোয়াটি পাঠ করবে। এতে বহুত ফায়দা নছীব হবে।

كبرياء والعظمة والخلق والامر

اصبحنا وأصبح الملا

والليل والنهار ومايضحي فيهمالله وحده . اللهم اجعل أول هذا النهار

فحاق أخره نجاحا. أشتك خير الكثيا والآخرة

ضحا أو يا ارحم الرحمين–

উচ্চারণ : আছবাহনা–ওয়া আহ্বাহা মুলকু লিল্লা-হি, ওয়া কিরিয়া–উ ওয়াল আজমাতু ওয়াল্ খালকু ওয়াল আম্রু ওয়াল্লাইলু ওয়ার্নাহা-রু ওয়া মা-ইয়াহা–ফীহিমা লিল্লা-হি ওয়াহ্দাহু। আল্লা-হুম্মা আল আওয়ালা হাযার্নাহারি ছলা-হাওঁ ওয়া আওসাতাহু ফালা-হাওঁ ওয়া আ-খিরাহ্ নাজা-হা-। আসয়ালুকা খাইরা দুন্‌ইয়া–ওয়াল্ আ-খিরাতি ইয়া আরহামার রাহিমীন।

অর্থ :আমরা এবং আল্লাহর সমগ্র সৃষ্টি জগত (আল্লাহর এবাদত বন্দেগীর জন্য) প্রভাত করেছি। এবং সকল বড়ত্ব ও মহত্ব একমাত্র তাঁরই জন্য, সৃষ্টি করা এবং তা পরিচালনা করা একমাত্র তাঁরই বিশেষ গুণ। দিন-রাত এবং যা কিছু এ উভয়ের মধ্যে আত্ম প্রকাশ করে এ সমস্ত একমাত্র আল্লাহর জন্য। হে আল্লাহ! অদ্যকার দিনের প্রথমাংশকে আমার জন্য কল্যাণকর এবং মধ্যমাংশকে লাভ জনক এবং শেষাংশকে সফলতার বিষয় বানিয়ে দাও। হে করুণাময় দয়ালু প্রভূ। আমি তোমার কাছে উভয় জাহানের মঙ্গল প্রার্থনা করছি।

.

পাপ মার্জনার দোয়া

 নিম্নলিখিত দোয়া দিন-রাতের মধ্যে ২৫ বার অথবা ২৭ বার পাঠ করবে। আল্লাহর রহমতে সে মাগফিরাত লাভ করবে। হাদীস শরীফে উল্লেখ আছে, যে ব্যক্তি প্রত্যহ এ দোয়া ২৫ বার অথবা ২৭ বার পাঠ করবে এবং মু’মিন নর, নারীর জন্য মাগফিরাত প্রার্থনা করবে, তাকে আল্লাহ তা’আলা দোয়া কবুলকারীদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করবেন, যাদের দোয়ার বরকতে দুনিয়াবাসীকে রুজী প্রদান করা হয়।

اللهم اغفرلي وللمؤمنين والمؤمنات والمسلمين والمسلمات

উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মাগফিরলী ওয়ালিল মু’মিনীনা ওয়াল মুমিনাতি ওয়াল মুসলিমীনা ওয়াল মুলিমা-তি।

অর্থ :হে আল্লাহ! তুমি আমার ও সমস্ত মু’মিন নর-নারীদের এবং সমস্ত মুসলমান পুরুষ ও স্ত্রীলোকের সমস্ত পাপ মোচন করে দাও।

.

গৃহ হতে শয়তান দূর করার আমল

বর্ণিত আছে, যে গৃহে রাতে সূরা বাকারার শেষ তিন আয়াত তেলাওয়াত করা হবে, সে গৃহে ঐ রাতে শয়তান প্রবেশ করতে সক্ষম হবে না।

আয়াত তিনটি এইঃ

نت و ۸ و الرسول بما انزل

ن ربه والمؤمن

شيء قدير.

لو مافي الشمو وما في الأرض ، وإن تبدوا مافى انفسكم أو تخفوه يتناسبگم بو الثود فيغفر لمن يشا وعب من يشاء ، والله على كل بالله وملكته وكتبه وشه نفرق بين أيمن سلم ، وقالوا سمعنا

طنا منك ربنا وإليك المصير–ايكا الله نفسا الأوسعها دلها

ماكسبت وعليها ماكتسبت ربنا وانا إن بسينا أو أخطأنا ربنا ولاتحمل علينا إصرا كما حملته على الذين من قبلنا ربنا ولا

تحملنا مالا طاقة لنا به ج وعف عنا واغفر لنا. ورحمنا أنت

مولانا فانصرنا على القوم الفرين۔

উচ্চারণ : লিল্লা-হি মা-ফিস্সামাওয়াতি ওয়া মা-ফি আরদ্ব; ওয়া ই তুবদূ মা-ফীআফুসিকুম্ আওতুখফুহু ইয়ুহা-সিবকুম্ বিহিল্লা-হ্। ফাঁইয়াগফিরু লিমাহঁয়াশা–উ ওয়া ইয়ুআজ্জিবু মাইয়্যাশা–উ; ওয়াল্লাহু আলা-কুল্লি শায়ই কাদীর। আ-মানার রাসূলু বিমা–উযিলা ইলাইহি মিররব্বিহী ওয়াল মু’মিনূন। কুলুন আ-মানা বিল্লা-হি ওয়া মালা–য়িকাতিহী ওয়া কুতুবিহী ওয়া রুসুলিহ্। লা-নুফারিকু বাইনা আহাদি মির রুসুলিহ্। ওয়া কা-সামিনা ওয়া আত্বোয়ানা গুরা-নাকা–রব্বানা–ওয়া ইলাইকাল মাছীর। লা-ইয়ুকালিফুল্লা-হু নাসা ইল্লা–উসআহা, লাহা–মা-কাসাবাহ্ ওয়া আলাইহা-মাক্তাসাবা। রব্বানা–লা-তু আ-খিজ না-ই নাসীনা–আও আত্বোয়ানা-; রব্বানা ওয়া লা-তাহমিন্ আলাইনা–ইছরা কামা-হামাতাহু আলাল্লাযীনা মিন্ কাবলিনা-, রব্বানা ওয়া লা-তুহাম্মিলনা-মা-লা-তত্বায়া-কাতা লানা-বিহ্। ওয়া’ফু আন্না–ওয়াগফিরলানা ওয়ারহামনা-আতা মাওলানা ফাছুরনা আলা কাওমিল কা-ফিরীন।

.

 গুনাহ মাফের আশ্চর্য দোয়া

বর্ণিত আছে, নিম্নের দোয়াটি যে ব্যক্তি প্রত্যহ দিনে বা রাতে অথবা সপ্তাহে কিংবা মাসে একবার পাঠ করবে, যদি সে ব্যক্তি ঐ দিনে বা রাতে অথবা সপ্তাহে কিংবা ঐ মাসের ভেতরে মৃত্যুবরণ করে তবে নিশ্চয়ই তার গুনাহ আল্লাহ তা’আলা ক্ষমা করে দেবেন।

إله إلا الله والله أكبر. اله إلا الله وحده لا شريك له . لا إله إلا

الله له الملك وله الحمد–اله الا الله ولا حول ولاقوة الا بالله–

উচ্চারণ : লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার। লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহ লা-শারীকা লাহু; লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু; লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়া লা-হাওলা ওয়া লা-কুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লা-হ্।

.

প্রয়োজন মিটাবার দোয়া

 বর্ণিত আছে, একদা রাসূলুল্লাহ (ছঃ) হযরত সালমান (রাঃ)-কে লক্ষ্য করে বললেন, হে সালমান! দিন রাতে যখনই সুযোগ পাবে, তখন এ দোয়াটি অবশ্যই পাঠ করবে এবং নিজের প্রয়োজনের জন্য আল্লাহ্ তা’আলার দরবারে দোয়া প্রার্থনা করলে তিনি তা মিটিয়ে দেবেন।

انا في حسن خلق ونجاة

اللهم انی اسئلك صحة في إيما

يتبعها فلا ۔ ورحمة ثك وعافية ومغفرة–ومغفرة منك ورضوانا ۔

উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা ইন্নী–আসৃয়ালুকা ছিহহাতা ফী-ঈমানি। ওয়া ঈমা-না ফীহুনি খুলুক্বিওঁ ওয়া নাজাতাহঁ ইয়াবা উহা–ফালা-হু। ওয়া রহমাতাম্ মিকা ওয়া আ-ফিয়াতান্ ওয়া মাগফিরাতা ওয়া মাগফিরাতাম মিকা ওয়া রিদ্বওয়া-নান্।

.

শয়নকালের দোয়া

হাদীসে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ (ছঃ) বলেছেন–শয়নের পূর্বে ওযূ না থাকলে ওযূ করতঃ শয়ন করবে। শোয়ার পূর্বে যে কোন কাপড় দ্বারা বিছানা তিনবার ঝেড়ে নেবে। অতঃপর নিম্নের দোয়া পাঠ করে বিছানায় শয়ন করবে।

لااله الا الله وحده لاشريك له له الملك وله الحمد وهو على كل شئ قدير. لا

حول ولاقوة الا بالله–سبحان الله والحمد لله ولا اله الا الله والله أكبر

উচ্চারণ : লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্দাহু লা-শারীকা লাহু। লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুওয়া আলা কুল্লি শায়ই ক্বাদীর। লা-হাওলা ওয়ালা-কুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লা-হি। সুবহানাল্লা-হি ওয়াল হামদু লিল্লা-হি ওয়া লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার।

.

শয়নের পূর্বে ইস্তিগফার

 রাতেরবেলা শয়নের পূর্বে এ ইস্তিগফার তিনবার পড়ে শয়ন করবে।

استغفر الله الى اله الا هو الحي القيوم واتوب اليو۔

উচ্চারণ : আস্তাগফিরুল্লা-হাল্লাযী লা-ইলা-হা ইল্লা–হুওয়াল হাইয়ুল কাইয়ুমু ওয়া আতুবু ইলাইহি।

অর্থ :আমি আল্লাহু তা’আলার দরবারে ক্ষমা প্রার্থনা করছি যিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই; যিনি চিরঞ্জীব ও চিরস্থায়ী এবং আমি তার নিকট তওবা করতেছি।

.

ঈমানের সাথে মৃত্যু হওয়ার দোয়া।

بسم الله اللهم أسلمت نفسي إليك ووجهت وجهي اليك وفوضت أمري إليك . والجت ظهري إليك . رغبة ورهبة اليك–ملجاء ولامنجاء مث االيك–أمنت بكتابك الزي اثزلت ونبيك الذي ارسلت–

উচ্চারণ : বিসমিল্লা-হি, আল্লা-হুম্মা আসলামতু নাত্সী ইলাইকা ওয়া ওয়াজজাহতু ওয়াহী ইলাইকা ওয়া ফাওয়াদৃতু আমরী ইলাইকা। ওয়া আলাজা’তু জাহরী ইলাইকা রগাবাতা ওয়া রাহ্বাতী ইলাইকা। লা-মাজা–য়া ওয়া লা-মাজা–য়া মিনকা ইল্লা–ইলাইকা। আ-মান্তু বিকিতা–বিকাল্লাযী আলতা ওয়া নাবিয়্যিকাল্লাযী আরসা।

.

উত্তম স্বপ্ন দেখে আল্লাহর শোকর আদায় করবে

 হাদীস শরীফে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ্ (ছঃ) বলেছেন–যদি কোন ব্যক্তি নিদ্রার মধ্যে ভাল স্বপ্ন দেখে, তবে তার জন্য আল্লাহ তা’আলার শোকর গুজারী করবে এবং উক্ত স্বপ্ন হিতাকাংখী বন্ধুর নিকট বলবে। অন্য কারো নিকট বলবে না। (যেহেতু স্বপ্ন শুনে হয়তো সে খারাপ তাবীর করবে; কেন না প্রথম তাবীর অনুযায়ী স্বপ্ন বাস্তব রূপ লাভ করে থাকে।)

.

দুঃ স্বপ্ন দেখে পড়ার দোয়া

 বর্ণিত আছে, খারাপ স্বপ্ন দেখে বাম পার্শে তিনবার থু থু ফেলবে এবং যে পার্শে শোয়া ছিলে ঐ পার্শ পরিবর্তন করে শুবে আর এ দোয়া তিনবার পাঠ করবে এবং কারো নিকট বলবে না।

اعود بالله من الشيطان الرجيم وشوهذه الرؤيا ۔

উচ্চারণ : আঊযুবিল্লা-হি মিনাশশাইত্বোয়া-নির রাজীমি ওয়া শাররি হা-যিহির রুইয়া।

দুঃস্বপ্ন দেখে ভয় পেলে যে দোয়া পড়তে হয় হাদীসে বর্ণিত আছে, হযরত আবদুল্লাহ্ ইবনে আস (রাঃ) এর অভ্যাস ছিল তিনি নিম্নের দোয়াটি তার বয়স্ক সন্তানদেরকে শিখাতেন এবং নাবালেগ সন্তানদের জন্য এ দোয়া লিখে গলায় বেধে দিতেন।

اعوذ بكلمات الله التامة من غضبه وعقابه وشر عباده ومن همزات

الشيطين وان ي رون–

উচ্চারণ : আঊযু বিকালিমাতিল্লা-হিত্ তা-শ্মতি মিন্ গাদাবিহী ওয়া ইক্কা-বিহী ওয়া শারি ইবাদিহী–ওয়ামিন্ হামাযাতিশ শাইয়া-ত্বীনি ওয়া আইয়্যাহদুরূন।

.

নিদ্রা হতে জাগ্রত হয়ে পড়ার দোয়া

الحمد لله الذي أحيانا بعد ما أماتنا واليه النشور.

উচ্চারণ : আলহাম-দু লিল্লা-হিল্লাযী আহ্ইয়া-না–বা’দা মা–আমা-তানা–ওয়া ইলাইহি নুশূর।

.

ফরয নামাযের পর পড়ার দোয়া

হাদীস শরীফে বর্ণিত আছে, যে ব্যক্তি প্রত্যেক ওয়াক্তে ফরয নামাযের পরে adf, (সুবৃহা-নাল্লা-হ) ৩৩ বার এffs_(আলহাম-দুলিল্লা-হ) ৩৩ বার এবং এ

{i (আল্লা-হু আকবার) ৩৪ বার পাঠ করবে এবং নিম্নের দোয়া একবার পাঠ করবে, তার সমস্ত পাপ মাপ করে দেয়া হবে, যদিও তা সমূদ্রের ফেনার পরিমাণ হয়ে থাকে।

له الملك وله الحمد وهو على

لااله الا الله وحده

شي قدير

উচ্চারণ : লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্দাহু লা-শারীকা লাহ্। লাহুল মুলকু ওয়া লাহু হামদু ওয়া হুওয়া আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর। (এ দোয়াটি মাগরিব নামাযের পরেও পড়া যায়)।

অন্য এক হাদীসে বর্ণিত আছে, যে ব্যক্তি এlf saw (সুবহানাল্লা-হি) তাসবীহ ১০০ বার এবং ১২) all (আল্লাহু আকবার) তাকবরী ১০০ বার এবং all x « (লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু) তাহলীল ১০০ বার এবং adf ১৯। (আলহাম-দু লিল্লাহি) তাহমীদ ১০০ বার পাঠ করবে, তার সমস্ত গুনাহ্ মাফ করে দেয়া হবে যদিও তা সমূদ্রের ফেনার ন্যায় অসংখ্য হয়ে থাকে।

.

খাওয়ার পরের দোয়া

الحمد لله الذي أطعمنا وسقانا وجعلنا من المسلمين۔

উচ্চারণ : আলহাদু লিল্লা-হিল্লাযী আত্বোয়া-মানা ওয়া সাল্কা-না ওয়া জা’আলানা মিনাল মুসলিমীন।

.

দাওয়াত খাওয়ার পর পড়ার দোয়া

اللهم اطعم من أطعمنى واشق من ممقانی۔

উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা আত্ব’ইম্ মান্ আত্বআমানী, ওয়াকি মা সাল্কা-নী।

.

নতুন পোশাক পরিধানকালে পড়ার দোয়া

الحمدلله الذي كانی ما آواری به عورتی و اتجمل به في حياتي–

উচ্চারণ : আলহাম-দু লিল্লা-হিল্লাযীকাসানী মা–উওয়া-রিয়া বিহী আওরাতী ওয়া আতাজাৰ্মালু বিহী ফী হাইয়া-তী।

.

বর ও কনের জন্য দোয়া

بارك الله لك وبارك الله عليك وجمع بينكما في خير.

উচ্চারণ : বা-রাকাল্লা-হু লাকা ওয়া বারাকাল্লাহু আলাইকা ওয়া জামাআ বাইনাকুমা ফীখাইরি।

.

মেয়ে ও নতুন জামাতার জন্য দোয়া

اللهم إني أعيذها بك وذريتها من الشيطان الرجیم۔

উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা ইন্নী উঈযুহা–বিকা ওয়া ঘুরিয়্যাতা–মিনাশ শাইত্বায়া-নির রাযীম।

.

স্ত্রী সহবাসকালে দোয়া

بسم الله اللهم جبنا الشيطان وجنب الشيطان مارزقتنا۔

উচ্চারণ : বিসমিল্লা-হি আল্লা-হুম্মা জান্নিবনাশ শাইতত্বায়া-না ওয়া জান্নিবিশ শাইতত্বায়া-না মা-রাযাকতানা।

.

বীর্যপাতকালে দোয়া

اللهم لاتجعل للشيطان فيما رزقتني نصيبا–

উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা লা-তাজআল লিইত্বোয়া-নি ফীমা রাযাকতানী নাছীবা-।

.

যানবাহনে আরোহনকালে পড়ার দোয়া।

سبحان الذي سر لنا هذا وما كنا له مقرنين وإنا إلى ربنا

منقلبون،–

উচ্চারণ : সুবহা-নাল্লাযী সাখারা লানা–হা-যা ওয়া মা-কুন্না লাহু মুক্বরিনীনা ওয়া ইন্না ইলা–রব্বিনা–লামুক্বালিশূন।

.

সফর হতে প্রত্যাবর্তনের পর পড়ার দোয়া

ابون تايبون عابدون لربنا حامدون

উচ্চারণ : আ-ফিকূনা তা-য়িনূনা আ-বিদূনা লিরব্বিনা-হা-মিদূন।

.

ছফরে অবস্থায় পড়ার দোয়া

. اللهم اصبحنا في

م

ش

, بد من ۸, اللهم انت الصاحب في

سفرنا واخلفنا في أهلنا۔

উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা আন্তাম্ ছোঁয়া-হিবু ফিস্ সাফারি ওয়াল খালীফাতু ফি আলি; আল্লা-হুম্মছবাহ্না-ফী সাফারিনা–ওয়াখলুফা–ফী আহলিনা-।

.

নৌকা বা জাহাজে আরোহণকালের দোয়া

بسم الله مجرها ومرها إن ربى لغفوررحیم۔

উচ্চারণ : বিসমিল্লাহি মাজরে-হা–ওয়া মুসা-হা-ইন্না রব্বী লাগফুরুর রহীম।

সফরে যানবাহন হারিয়ে গেলে পরীক্ষিত আমল যদি সফর অবস্থায় যানবাহন হারিয়ে যায়, তবে এ দোয়া উচ্চ শব্দে পাঠ করতে থাকবে, ইনশাআল্লাহ হারানো যানবাহন ফিরে পাবে। এটা পরীক্ষিত আমল।

ايوا ياعباد الله رحمكم الله.

উচ্চারণ : আঈনূ ইয়া–ইবাদাল্লা-হি রাহমাকুমুল্লা-হু।

.

গৃহে প্রবেশকালে পড়ার দোয়া

توبا توبا–ربنا أوبا–يغار علينا حوا۔

উচ্চারণ : তাওবা, তাওবান, লিরব্বিনা–আওবান্, লা-ইয়ুগা-দিরু আলাইনা হাওবা।

.

দুশ্চিন্তা ও পেরেশানীর সময় এ দোয়া পড়বে

 বর্ণিত আছে, ইবনে আবী আসেম তার লিখিতকিতাবুদ্দোয়া নামক গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, এ দোয়া পড়লে পেরেশানী ও দুশ্চিন্তা দূর হয়ে যায়।

سبحان الله رب السموت السبع ورب

لااله الا الله الحليم الكريم–سبد

العرش العظيم–الحمدلله رب العلمين. اللهم إني أعوذ بك من شرعبادك–

উচ্চারণ : লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহুল হালীমুল কারীমু। সুবহা-নাল্লা-হি রব্বিসামা ওয়া-তিস্ সাবৃং ওয়া রব্বিল আরশিল আযীম। আলহাম-দু লিল্লা-হি রব্বিল আলামীন। আল্লা-হুম্মা ইন্নী আউযুবিকা মিন্ শাররি ইবাদি।

.

দুশ্চিন্তা ও বিপদাপদকালে পড়ার দোয়া

 হাদীস শরীফে বর্ণিত রয়েছে, যদি আল্লাহর কোন বান্দা বিপদে বা দুশ্চিন্তায় পতিত হয়ে নিম্নের দোয়া পাঠ করে, তবে আল্লাহ তা’আলা তার বিপদাপদ ও দুশ্চিন্তা দূর করে দেবেন এবং তার দুশ্চিন্তা আনন্দের দ্বারা বদল করে দেবেন।

اللهم إني عبدك وابن عبدك وابن أمتك ناصيتي بيدك ماض في حكمك عدل في قضائك. استئلك بكل اسم هوتك–شقيت به نفسك أو انزلته في عثك–أن تجعل القران العظيم ربيع قلبي ونور بصري وجلاء حزني وذهاب همي

م العيب

او استاثرت به في ع

علمته أحدا من خلقك

উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা ইন্নী আবৃদুকা ওয়াবৃনু আবৃদিকা ওয়াবনু আমাতিকা; না-ছিয়াতী বিইয়াদিকা মা-দ্বিন্ ফী হুমুকা, আদলুর্ন ফিয়্যা ফাদ্বোয়া-উকা; আসয়ালুকা বিকুল্লি ইসমি হুওয়া লাকা, সাৰ্মাইতা বিহী নাফসাকা আও আলতাহ্ ফী কিতা-বিকা আও আল্লামতাহু আহাদা মিন্ খক্কিা আ-ওয়িস্তা–ছারাতা বিহী ফী ইলমি গাইবি ইদাকা; আন তাজআলা কোরআ-নাল আযীমা রাবীআ কালবী ওয়া নূরা বাছোঁয়ারী ওয়া জিলা–য়া হুনী ওয়া যাহা-বা হাম্মী।

.

ভয় পাওয়ার সাথে সাথে পড়ার দোয়া

أو بكلمات الله التامة من غضبه وشر عباده ومن همزات

الشيطين و ان يحضرون

উচ্চারণ : আউযু বিকালিমাতিল্লা-হি তা-আঁতি মিন্ গাদোয়া-বিহী ওয়া শাররি ইবা-দিহী ওয়ামিন হামাযা-তিশ শাইয়া-ত্বীনি ওয়া আঁইয়্যাহছুরূন।

.

কোন কাজ দুঃসাধ্য হলে পড়ার দোয়া

اللهم لأهل إلا ماجعلته سهلا. وانت تجعل الحزن سه إذاشئت ۔

উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা লা-সাহ্লা ইল্লা–মা-জাআলতাহ্ সালা; ওয়া আতা তাজআলুল হুযূনা সাহলা ইযা–শিতা।

.

দূর্ভিক্ষের সময় পড়ার দোয়া

যদি দেশে দুর্ভিক্ষ শুরু হয়ে যায় তখন সকলে ক্বেবলামুখী বসে এ দোয়া পাঠ করবে। ইনশাআল্লাহ দুর্ভিক্ষ দূর হয়ে যাবে।

يارب يارب–اللهم اسقنا–اللهم اشقنا–اللهم اسقنا–اللهم أغثنا

উচ্চারণ : ইয়া–রব্বি, ইয়া–রব্বি, আল্লা-হুম্মসূৰ্কিনা-, আল্লা-হুম্মসূৰ্কিনা-, আল্লা-হুম্মসূকিনা-, আল্লা-হুম্মা আগিন্না, আল্লা-হুম্মা আগিন্না, আল্লা-হুম্মা আগিন্না।

অথবা এ দোয়া পড়বে

اللهم اسقنا غيثا مغيثا مريعا نافعا غير ضار عاجلا غير اجل راث–

উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মসূকিনা–গাইছাম্ মুগীছা মুরী’আন নাফিয়া গাইরা দোয়া-রি আ-জিলা গাইরা আজিলি রায়িছি।

অথবা এ দোয়া পড়বে

اللهم اشق عبادك وبهايم وانشر رحمت واحي بلد الميت.

اللهم أنزل على ارضنا زينتها وگنها.

উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মাসক্তি ইবাদাকা ওয়া বাহা-য়িমাকা ওয়া শুর রহমাতাকা ওয়া আয়ি বালাদাকাল মাইয়্যিতা। আল্লা-হুম্মা আনযালা আলা–আরদ্বিনা–যিনাতুহা–ওয়া সাকানাহা-।

.

অতি বৃষ্টির সময় পড়ার দোয়া

অতিরিক্ত বৃষ্টি হতে থাকলে এবং তাতে ক্ষতির আশংকা দেখা দিলে এ দোয়া পাঠ করবে। ইনশাআল্লাহ অতি বৃষ্টি কমে যাবে।

اللهم حوالينا وعلينا–اللهم على الكام والآجام والظراب والأوبرية

ومنابت الشجر.

উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা হাওয়া-লাইনা–ওয়া লা-’আলাইনা-; আল্লা-হুম্মা আলা আকা-মি ওয়াল আজা-মি ওয়াযিরা-বি ওয়াল্ আওদিয়াতি ওয়া মানা-বিতিশ শাজারি।

.

প্রবল ঝড়-তুফানের সময় পড়ার দোয়া

 যখন প্রবল ঝড় তুফান হতে থাকে, তখন তার দিকে মুখ করে নামাযের কায়দায় দু’জানু হয়ে বসে হাটুর উপর হাত রেখে নিম্নের দোয়া পাঠ করবে–

اللهم انی اسئلك خيرها وخير ما أرسلت بهواعوذ بك من شرها

ومافيها شرما ژل به.

উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসয়ালুকা খাইরাহা–ওয়া খাইরা মা-উরসিলাতৃবিহী-। ওয়া আউযুবিকা মিন্ শারিহা ওয়া শারি মা-ফী-হা ওয়া শাররি মা–উরসিলাত বিহী।

.

নতুন চাঁদ দেখে পড়ার দোয়া।

أعوذ بالله من شره الغاسق–

উচ্চারণ : আঊযুবিল্লা-হি মিন্ শাররি হা-যা গা-সিল্কি।

.

ক্বদরের রাতে পড়ার দোয়া

اللهم إنك عفو تحب العفو فاعف عتی۔

উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা ইন্নাকা আফুয়ুন তুহিববুল আওয়া ফা’ফু আন্নী।

.

আয়নায় মুখ দেখার সময় পড়ার দোয়া

اللهم انت حسنت خلقي فحسن خلقي

উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা আতা হাস্সান্তা খালী ফাহাসৃসিন্ খুলুব্ধী।

.

মুসলমান ভাইকে সালাম দেয়া

السلام عليكم ورحمة اللو وبركاته

উচ্চারণ : আস্সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লা-হি ওয়া বারাকাতুহু।

.

সালামের জওয়াব দেয়া

وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته

উচ্চারণ : ওয়া আলাইকুমুস্ সালা-মু ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।

.

হাঁচির দোয়া

হাঁচি দিলে বলবে all ii (আলহাম-দু লিল্লা-হি) হাঁচি শুনে বলবে। এL (ইয়ারহামুকাল্লা-হু)

.

ধন-সম্পদ বৃদ্ধি পাওয়ার দোয়া

اللهم صل على محمد عبدك ورسويك وعلى المؤمنين والمؤمنات

والمسلمين والمسلمات .

উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা ছল্লি আলা মুহাম্মাদিন আবদিকা ওয়া রাসূলিকা ওয়া আলাল মুমিনীনা ওয়াল মুমিনাতি ওয়াল মুসলিমীনা ওয়াল মুসলিমা-তি।

.

ঋণ পরিশোধের দোয়া

 কোন লোক ঋণগ্রস্ত হয়ে আদায়ের ব্যবস্থা না থাকলে নিম্নের দোয়া পড়তে থাকলে আল্লাহ

তা’আলা ঋণ পরিশোধের ব্যবস্থা করে দেবেন।

اللهم اكفني بحلالك عن حرامك واغنني بفضلك عمن سوالي–

উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মাফিনী বিহালা-লিকা আন্ হারা-মিকা ওয়ানিনী বিফাদৃলিকা আম্মা সিওয়াক।

.

রাগ দমনের দোয়া

হাদীস শরীফে বর্ণিত আছে, যদি কারো শরীরে অতিরিক্ত ক্রোধ এসে যায়, তখন নিম্নের তায়া’উজ পাঠ করলে, তার ক্রোধ দমন হয়ে যাবে।

أعوذ بالله من الشيطان الرجيم

উচ্চারণ : আউযুবিল্লা-হি মিনাশ শাই-ত্বোয়া-নির রাযীম।

.

বাজারে গমনকালে পড়ার দোয়া

لااله الا الله وحده لاشريك له له الملك وله الحمد يحيي ويميت.

وهو حي لايموت بيده الخير وهو على كل شئ قدير.

উচ্চারণ : লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্দাহু লা-শারীকা লাহু; লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ইয়ুহয়ী ওয়া ইয়ামীতু ওয়া হুওয়া হাইয়ুল্লা-ইয়ামূতু বিয়াদিহিল খাইরু ওয়া হুওয়া আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর।

.

নতুন ফসল দেখে পড়ার দোয়া।

اللهم بارك لنا في ميرنا–وبارك لنا في مدينتنا وبارك لنا في

ایرنا–وبارك لنا في ميرنا ۔

উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা বারিক লানা–ফী ছামারিনা-; ওয়া বা-রিক লানা–ফী মাদীনাতিনা, ওয়া–বা-রিক লানা–ফী ছোঁয়া-ইন-; ওয়া বারিক লানা–ফীমুদ্দিনা-।

.

বিপদগ্রস্ত বা রোগাক্রান্ত দেখে পড়ার দোয়া

الحمد لله الذي عافاني مما ابتلا به . وفضلني على كثير ممن خلق

 উচ্চারণ : আলহাম-দু লিল্লা-হিল্লাযী আফা-নী মিম্মা তালা-কা বিহী; ওয়া ফাদোয়ালানী আলা–কাছীরিম্ মিম্মন খালাক্কা তাদ্বীলা-।

.

মৃত্যুর পূর্বে পড়ার দোয়া

মৃত্যু পথযাত্রী ব্যক্তি পশ্চিম দিকে মুখ করে এ দোয়া পড়তে থাকবে।

اللهم اغفرلي وارحمني و الحقنی بالرفيق الأعلى

উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মাগফিরলী ওয়ার হাম্নী ওয়াহিনী বিবৃরফীর্কিল আ’লা-।

.

মৃত্যুপথ যাত্রীর জন্য দোয়া

 সম্ভব হলে মৃত্যুপথ যাত্রী নিজে কিংবা অন্যেরা এ দোয়া পড়তে থাকবে–

اللهم اعني على مرات الموت وكرات الموت–

উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা আইন্নী আলা–গামারা-তি মাওতি ওয়া সাক্রা-তি মাওতি।

প্রকাশ থাকে যে, এ কেতাবে উল্লেখিত দোয়াসমূহ বিখ্যাতহিসনে হাসীন কেতাব হতে উদ্ধৃত করা হয়েছে।

.

সন্তান বাধ্য রাখার আমল

 প্রত্যেক ফরজ নামাযের পর নিম্নোক্ত দোয়া তিন বার পড়বেঃ

واصيحيى في دريتی ای تبت إليك واني من المسلمين

উচ্চারণ : ওয়া আছলিহলী ফী যুররিয়্যাতী ইন্নী তুতু ইলাইকা ওয়া ইন্নী মিনাল মুসলিমীন।

.

জ্বিন পরী থেকে মুক্ত থাকার আমল

একবার আয়াতুল কুরসী একবার সূরা ফালাক্ক ও নাম এবং নিম্নোক্ত দোয়া একবার পড়ে প্রত্যেক ফরজ নামাযের পর দু’হাতে ফুঁক দিয়ে শরীরে বুলাবে।

هو مولنا على

قل لن يصيبا

উচ্চারণ : স্কুল লাই ইয়ুছী বানা ইল্লা-মা-কা’বাল্লা-হু লানা–হওয়া মাওলা-না-’আলাল্লা-হি ফাল ইয়াতাকওয়াক্কালিল মু’মিনীন্।

.

পরীক্ষা পাশের দোয়া

 নিম্নোক্ত দোয়াটি ১০০০ বার পড়বে এবং পরীক্ষা দিতে যাওয়ার সময় লিখে টুপির ভিতর রাখবে এবং পড়তে থাকবে ইন্শা আল্লাহ পরীক্ষা উত্তীর্ণ হবে।

يا إله العالمين يا خيرا التمارين تصرون الله وقت قريب ويشير المؤمنين فا الله خيرا الحافظين–حسبنا الله ونعم الوكيل نعم المولى ونعم الوير–ومن يتوكل على الله فهو كشته . والله المستعان على ما تصفون۔

উচ্চারণ : ইয়া–ইলা-হাল আলামীনা–ইয়া খাইরান্না-ছিরীনা নাছরু মিনাল্লা-হি ওয়া ফাতহুন কারীব। ওয়া বাশশিরিল মু’মিনীনা ফাল্লা-হু খাইরুল হা-ফিযীনা হাসবুনাল্লা-হু ওয়া নি’মাল ওয়াকীল, নিমাল মাওলা–ওয়া নি’মান্নাসীর। ওয়া মই হাতাকওয়াক্কাল আলাল্লা-হি ফাহুয়া হাসবুহ ওয়াল্লা-হুল মুস্তা’আনু আলা-মা–তাছি।

হে বিশ্ব জাহাহানের উপাস্য! হে উত্তম সাহায্যকারী, আল্লাহর নিকট সাহায্য, আল্লাহর নিকট জয়; এবং বিশ্বাবাসীদেরকে শুভ সংবাদ দাও যে, আল্লাহই উত্তম রক্ষক। আল্লাহই আমাদের জন্য অতি উত্তম কার্যনির্বাহক, শ্রেষ্ঠ মনিব সাহায্যকারী। যারা আল্লাহর উপর নির্ভর করে আল্লাহই তাদের জন্য যথেষ্ট। আল্লাহর প্রশংসাকারীদের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *