মৃতেরা কথা বলে না – ৬

০৬.

হোটেল কন্টিনেন্টাল নতুন পাঁচতারা হোটেল। কর্নেল লাউঞ্জে ঢুকে দেখলেন ইতস্তত সাজিয়ে রাখা সুদৃশ্য আসনে নানা বয়সের পুরুষ এবং মহিলা বসে আছেন। তাঁদের মধ্যে সাদা পোশাকে পুলিশও থাকার কথা। পাশে কাচের দেওয়ালের ওধারে বার। রিসেপশন কাউন্টারে সায়েব-মেমসায়েবদের দঙ্গলও ছিল। কর্নেল গিয়ে এক মহিলা রিসেপশনিস্টকে মৃদুস্বরে বললেন, সুইট নাম্বার ওয়ান টু সেভেনে মিঃ রঙ্গনাথনের সঙ্গে আমার অ্যাপয়েন্টমেন্ট আছে।

জাস্ট আ মিনিট স্যার! বলে মহিলা পেছনে বোর্ড দেখে নিলেন। তারপর ফোন তুলে ডায়াল করলেন। একটু পরে বললেন, রিং হয়ে যাচ্ছে।

উনি বেরিয়ে যাননি তো?

না স্যার! বেরিয়ে গেলে কি বোর্ডে চাবি দেখতে পেতাম।

 কর্নেল ঘড়ি দেখে বললেন, উনি ডাইনিংয়ে থাকতে পারেন কি?

সম্ভবত না। এক মিনিট প্লিজ! ফোনে কান রেখে তরুণী রিসেপশনিস্ট পাশের এক যুবককে বলল, সুজিত! মিঃ রঙ্গনাথনের ঘরে কি লাঞ্চ পাঠানো হয়, নাকি উনি ডাইনিংয়ে খেতে আসেন? আমি তো জানি উনি ডাইনিংয়ে খেতে আসেন না। তা ছাড়া এখন সরি! সাড়ে তিনটে বাজে।

যুবকটি কর্নেলের দিতে তাকিয়ে বলল, মিঃ রঙ্গনাথন জানিয়েছিলেন লাঞ্চ পাঠাতে হবে না শরীর ভাল না।

কখন জানিয়েছিলেন?

অনেকক্ষণ আগে। আপনি কি ওঁর পরিচিত?

হ্যাঁ। বলে কর্নেল নিজের নেমকার্ড দিলেন।

 রিসেপশনিস্ট ফোন নামিয়ে রেখে অন্য কাজে মন দিল। যুবকটি বলল, মিঃ রঙ্গনাথন মর্নিংয়ে বেরিয়েছিলেন। এগারোটা নাগাদ ফিরে আমাকে বলে যান শরীর খারাপ। কেউ এলে যেন ওঁর ঘরে পাঠিয়ে দিই। আপনি যেতে পারেন। সিক্সথ ফ্লোর। ওয়ান টু সেভেন।

কর্নেল লিফটের দিকে এগিয়ে গেলেন। লিফটের সামনে ছোট্ট লাইন ছিল। লিট ছিল এইটথ ফ্লোরে। এবার নামতে শুরু করেছে। কর্নেলের পেছনে একজন এসে দাঁড়াল। কর্নেল ঘুরে দেখেই হাসলেন। ডিটেকটিভ ডিপার্টমেন্টের ইন্সপেক্টর বিমল হাজরা। হাজরা খুব আস্তে বললেন, সামথিং রং স্যার। বলছিখন।

সিক্সথ ফ্লোরে লিফট থেকে বেরিয়ে হাজরা বললেন, এক ঘণ্টা আগে আমি মিট করতে চেয়েছিলাম। রিসেপশনিস্ট বলল, রিং হচ্ছে। ফোন ধরছেও না কেউ। আপনি না এলেও এবার আমি চেক করতাম।

১২৭ নম্বর সুইটের দরজায় ল্যাচকি সিস্টেম। হাজরা দরজায় নক করলেন। কোনও সাড়া এল না। আবার কিছুক্ষণ নক করলেন। সাড়া এল না। পশ্চিমি রীতি মেনে চলা হয়েছে সুইটে। কোনও ডোরবেল নেই। এই হোটেলে বিদেশিরাই এসে থাকেন। বেশির ভাগ লোক ব্যবসায়ী।

কর্নেল বাধা দেওয়ার আগেই উত্তেজিত হাজরা ল্যাচকিয়ের হাতল ঘোরালেন। দরজা খুলে গেল। তাহলে খোলাই ছিল দরজা!

প্রথমে বসার ঘর। পেছনে কাশ্মীরি নকশাদার কাঠের পার্টিশান। তার ওধারে চওড়া বিশাল বেডরুম। জানালার দিকে ভারি পর্দা। মেঝেয় পা দেব্যোওয়া কার্পেট। ইজিচেয়ার। কোনায় একটা বড় টি ভি।

বিছানার ওধারে মেঝেয় রক্তিম কার্পেটের ওপর কাত হয়ে পড়ে আছে মধ্যবয়সী বেঁটে একটা লোক। পরনে টাইট, পায়ে জুতো। শ্যামবর্ণ লোকটার মুখে পুরু গোঁফ আছে। তার কঁকড়া চুল রক্তে লাল। কর্নেল, ঝুঁকে দেখে নিয়ে বললেন, মনে হচ্ছে মাথার ডানদিকে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জে গুলি করা হয়েছে মিঃ হাজরা! মাথা ঠাণ্ডা রাখুন। রিসেপশনের নাম্বার ফোনের চার্টে পেয়ে যাবেন। নিজের পরিচয় দিয়ে ম্যানেজারকে আসতে বলুন। না অন্য কোনও কথা নয়। শুধু বলুন, এটা আর্জেন্ট।

হাজরা বিছানার পাশে নিচু টেবিলে রাখা ফোনের কাছে বসলেন। ডায়াল করলেন।

কর্নেল ঘরের ভেতরটা দেখছিলেন। মেঝের কার্পেট জায়গায় জায়গায় এলোমেলো হয়ে আছে। রক্তের ছোপ লক্ষ্য করতে করতে বসার ঘরে গেলেন। সোফায় রক্তের ছিটে আছে। কথা বলতে বলতে লোকটাকে খুনী গুলি করেছে। তারপর টানতে টানতে বেডরুমের ওপাশে নিয়ে গেছে।

হাজরা তার পাশ কাটিয়ে দরজা খুলে করিডরে দাঁড়ালেন। কর্নেল মেঝে থেকে একটা নেমকার্ড কুড়িয়ে নিলেন। রঞ্জন রায়। ভিডিওজোন। ২৮/সি সাউদার্ন রো, কলকাতা-১৭ ওপরে ডানকোণে একটা টেলিফোন নম্বর। টেবিলে একটা হইস্কির বোতল। বিদেশি হুইস্কি। দুটো গ্লাস কাত হয়ে মেঝেয় পড়ে আছে। কর্নেল নেমকার্ডটা পকেটে ভরে বাথরুমের দিকে এগিয়ে গেলেন। বাথরুমে কেউ নেই।

প্রায় মিনিট পাঁচেক পরে ম্যানেজার এলেন। লম্বা সুদর্শ মধ্যবয়সী ভদ্রলোক। মুখে প্রচণ্ড উদ্বেগ থমথম করছে। এনিথিং রং স্যার?

হাজরা তাঁকে ইশারায় ঘরে আসতে বললেন। তারপর ম্যানেজার প্রায় আর্তনাদ করলেন, ও মাই গড!

কর্নেল দ্রুত বললেন, প্লিজ হইচই করবেন না। যা করার পুলিশ করবে। আপনি ততক্ষণ আমরা কিছু প্রশ্নের উত্তর দিন। আপনি হোটেল কন্টিনেন্টালের ম্যানেজার? আপনার নাম বলুন প্লিজ!

 ব্রিজেশ কুমার। বাট–

আপনি চিনতে পারছেন বডিটা কার?

মিঃ রঙ্গনাথনের। বড় ব্যবসায়ী। হংকংয়ে ওঁর কারবার। কলকাতা এলে আমাদের এখানেই ওঠেন।

হাজরা স্থানীয় থানায় ফোন করার পর লালবাজারে ফোন করতে ব্যস্ত হলেন।

কর্নেল বললেন, মিঃ কুমার! আপনাদের কোন বোর্ডারের সঙ্গে কে দেখা করতে আসছে, তার রেকর্ড থাকে কি?

না– মানে, রিসেপশনে কেউ এসে কোনও বোর্ডারের সঙ্গে দেখা করতে চাইলে তার ঘরে রিং করে জেনে নেওয়া হয়। বোর্ডার হা করলে পাঠানো হয়। তবে ওই দেখুন নোটিশ। রাত নটার পর কোনও একা মহিলা বা পুরুষ বোর্ডারের ঘরে কোনও পুরুষ বা কোনও মহিলা ভিজিটারের প্রবেশ নিষেধ।

মিঃ রঙ্গনাথন কি এমন কোনও নির্দেশ কখনও দিয়েছিলেন কিছু ঘটলে কোথায় যোগাযোগ করতে হবে?

হ্যাঁ স্যার। ওটা সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। মিঃ রঙ্গনাথনের রেফারেন্স আমি রেকর্ড দেখে জানাতে পারি।

আজ শেষবার কখন আপনার সঙ্গে ওঁর দেখা হয়েছিল?

সকাল নটায়। উনি বেরুনোর সময় আমাকে বলে গিয়েছিলে, ১০ টার পর ফিরবেন। কেউ এলে যেন জানিয়ে দিই। অবশ্য তারপর কখন ফিরেছিলেন আমি জানি না। রিসেপশনে জানা যাবে।

উনি কবে হংকং ফিরবেন বলেছিলেন আপনাকে?

 ৩১ মার্চ সকালের ফ্লাইটে।

উনি এখানে ওঠেন কোন তারিখে এবং কখন?

 ২৭ মার্চ ইভনিংয়ে। হংকং থেকে আগেই জানিয়ে রেখেছিলেন। বরাবর তা-ই করেন।

আপনার হোটেলে সিকিউরিটি সিস্টেম কী রকম?

ভেরি স্ট্রং স্যার। প্রত্যেক ফ্লোরে দুজন সিকিউরিটি গার্ড আছে। তাদের ওয়াকিটকি আছে। তবে ম্যানেজার কষ্ট করে একটু হাসবার চেষ্টা করলেন। তবে ইউ নো স্যার, দিস ইজ আফটার অল ইন্ডিয়া। আমি ওয়েস্টের হোটেলের সিস্টেম দেখেছি। আমাদের দেশের জাতীয় চরিত্র মানে, কর্তব্যবোধে শৈথিল্য আছে, তা দেখতেই পাচ্ছেন। আমি এই ফ্লোরের গার্ডদের কাছে কৈফিয়ত চাইব। কারণ এতে হোটেলের সুনাম হানি শুধু ঘটল না, নিরাপত্তার প্রশ্নও

ম্যানেজার নার্ভাস হয়ে থেমে গেলেন। এয়ারকন্ডিশনড ঘরেও তার কপালে ঘামের ফোঁটা। আড়ষ্ট হাতে রুমালে মুখ মুছলেন।

কর্নেল বললেন, মিঃ হাজরা। আমি মিঃ কুমারের সঙ্গে রিসেপশনে যাচ্ছি।

 আচ্ছা স্যার…

ব্রিজেশ কুমারকে লিটে ঢুকেই কর্নেল বলেছিলেন, রিসেপশনে এখনই কাকেও কিছু জানাবেন না যেন। অ্যান্ড ফর ইওর ইনফরমেশন, লাউঞ্জে এবং বাইরে রাস্তায় পুলিশ মোতায়েন আছে। পুলিশ যা করার করবে। তার আগেই আমাকে ইনফরমেশনগুলো দিয়ে দেবেন। ডোন্ট ওয়ারি প্লিজ!

কিন্তু রিসেপশন কাউন্টারে ম্যানেজারের চেহারা দেখে কর্মীরা একটা কিছু আঁচ করেছিলেন। কর্নেল স্বাভাবিক ভঙ্গিতে লাউঞ্জের এক কোণে নিরিবিলি জায়গায় বসলেন। লক্ষ্য করলেন, কর্মীরা কেমন চোখে তার দিকে তাকিয়ে আছেন।

একটু পরে মিঃ কুমার কর্নেলের কাছে এলেন। হাতে একশিট কাগজ। বসে চাপাস্বরে বললেন, মিঃ রঙ্গনাথনের রেফারেন্স কম্পিউটারাইজড় করা ছিল। এই নিন। সুজিত চৌধুরি নামে রিসেপশন কাউন্টারে একটি ছেলে আছে। সে বলল, এগারোটায় রঙ্গনাথন ফিরেছিলেন। শরীর খারাপ। লাঞ্চ খাবেন না।

জানি। রঙ্গনাথনের সঙ্গে কেউ দেখা করতে এসেছিল কি না?

ওঁর সঙ্গে এক ভদ্রলোক ছিলেন। তাঁকে সঙ্গে নিয়ে লিফটে উঠতে দেখেছিল সুজিত।

আপনি সুজিতবাবুকে ডাকুন।

সুজিত তাকিয়েছিল এদিকে। ম্যানেজারের ইশারায় চলে এল। কর্নেল বললেন, রঙ্গনাথনের সঙ্গে যে ভদ্রলোক ছিলেন, তার চেহারা মনে আছে আপনার?

সুজিতকে নার্ভাস দেখাচ্ছিল। বলল, দাড়ি ছিল। চোখে সানগ্লাস। মোটামুটি ফর্সা।

পোশাক?

জিনস, লাল শার্ট

কী বয়সী?

সুজিত একটু ভেবে বলল, অত লক্ষ্য করিনি। তবে আমার বয়সী।

 আপনার বয়স কত?

 ২৮ বছর স্যার!

রঙ্গনাথনের সঙ্গীর হাতে কিছু ছিল?

 হাতে? নাহ্। দেখিনি?

আপনি সিওর?

হ্যাঁ স্যার।

ঠিক আছে। আপনি আসুন।

সুজিত চলে যাওয়ার পর মিঃ কুমার বললেন, কন্টিনেন্টালে এই প্রথম মিসহ্যাপ। আমার কেরিয়ারের ক্ষতি হবে। আমার আগেই সতর্ক হওয়া উচিত ছিল।

কর্নেল চুরুট ধরাচ্ছিলেন। বললেন, কেন?

ব্রিজেশ কুমার বিব্রতভাবে বললেন, রঙ্গনাথন হংকংয়ের ব্যবসায়ী। রেভিনিউ ইনটেলিজেন্স থেকে আমাদের নির্দেশ দেওয়া আছে, বিশেষ করে হংকং থেকে আসা লোকেদের সম্পর্কে যেন ওঁদের খবর দিয়ে রাখি। আগে যতবার রঙ্গনাথন এসেছেন, খবর দিয়েছি। এবারই দিইনি। কারণ ভদ্রলোককে আমার অনেস্ট বলে মনে হয়েছিল। খুব মিশুকে মানুষ ছিলেন। খুব আমুদে।

কর্নেল কাগজটাতে চোখ বুলিয়ে দেখেছিলেন চন্দ্রনাথ দেববর্মনের নাম ঠিকানা লেখা আছে। কজেই সানশাইনের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে এই হত্যাকাণ্ডের যোগ আছেই। লাউঞ্জে এখনও স্বাভাবিক অবস্থা। শুধু রিসেপশনের কর্মীদের মধ্যে কেমন চাপা চাঞ্চল্য। ওরা এদিকে বরাবর তাকাচ্ছে।

কর্নেল বললেন, মিঃ কুমার! আপনি নিজের জায়গায় যান।

 ম্যানেজার আড়ষ্টভাবে বললেন, আপনার পরিচয় পেলে খুশি হতাম স্যার! 

কর্নেল পকেট থেকে তার নেমকার্ড দিলেন। ব্রিজেশ কুমার চলে গেলেন। এতক্ষণে পুলিশ এল। বেশ বড় একটা দল। অমনই লাউঞ্জে চমক খেলে গেল। যে যেখানে ছিল চুপ করল। পুলিশের দলটি লিফটে উঠে যাওয়ার পর কর্নেল বেরিয়ে পড়লেন।….।

ইলিয়ট রোডে নিজের অ্যাপার্টমেন্টে ফিরে কর্নেল ষষ্ঠীকে কফি করতে বললেন। জোরে ফ্যান চালিয়ে দিয়ে টেলিফোন তুললেন।

একটু পরে ডি সি ডি ডি অরিজিৎ লাহিড়ির সাড়া এল। হাই ওল্ড বস!। আপনি আমাকে ডোবাবেন দেখছি! আচ্ছা, সত্যি কথাটা বলুন তো? আপনি কি রক্তের গন্ধ পান ইলিয়ট রোডের তিনতলা থেকে?

তুমি আমাকে অবশ্য ব্লাডহাউন্ড বলে সম্মান দিলে ডার্লিং! জয়ন্ত চৌধুরী আমাকে শকুন বলে!

হাঃ হাঃ হাঃ! আপনার প্রোতেজে ভদ্রলোক কোথায়?

মাস তিনেকের জন্য ইওরোপে ঘুরতে গেছে। ওর কাগজের খরচে।

পিটি! দৈনিক সত্যসেবক একটা বড় রহস্য মিস করল।

অরিজিৎ! চন্দ্রনাথ দেববর্মন কি লকআপে?

নাহ্। ওঁকে ছাড়া হয়েছে। অন কনডিশন, অব কোর্স!

 কোর্ট সঙ্গে সঙ্গে জামিন দিল?

কোর্ট? হাসালেন বস! সঙ্গে সঙ্গে আসামি কোর্টে তোলে পুলিশ? ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কোর্টে অবশ্য তুলতে হয়। কিন্তু সেটা কাগজকলমের ব্যাপার। পুলিশ এ ধরনের সিরিয়াস জটিল কেসে ঝটপট কোর্টে তলে না আসামিকে। জেরা, দরকার হলে থার্ড ডিগ্রি না! মিঃ দেববর্মনেকে মর্গের রিপোর্ট পেয়েই সসম্মানে ছাড়া হয়েছে। প্রসিকিউশন উইটনেস তিনি। ব্যাপারটা বুঝলেন কি? ইউ আর নট সিটিং আই।

রাখছি অরিজিৎ! পরে কথা হবে।…

কর্নেল এবার টেলিফোন করলেন চন্দ্রনাথ দেববর্মনকে। রিং হলো অনেকক্ষণ। সাড়া পেলেন না। তখন ফোন করলেন রণধীর সিংহকে। রণধীরকে চন্দ্রনাথ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে জানা গেল, লকআপ থেকে ছাড়া পেয়ে ভদ্রলোক ফিরে এসেছিলেন। কলকাতার বাইরে যাবেন বলে বেরিয়েছেন। ওঁর অ্যাপার্টমেন্টের দিকে লক্ষ্য রাখতে বলে গেছেন। তবে রণধীরের ধারণা, বেশি দূরে যাননি চন্দ্রনাথ। কারণ গাড়ি নিয়ে বেরিয়েছেন। কালই ফিরবেন।

.