রতিশাস্ত্র – দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

চারি জাতির পুরুষের উপযুক্ত নারী বর্ণনা

চারি জাতির পুরুষ আর চার জাতির নারীর বিষয়ে মহাদেব পার্বতীকে বললেন।

গিরিরাজ-নন্দিনী মন দিয়ে তাঁর কথা শ্রবণ করলেন। কিন্তু এখানেই সব কথার শেষ হলো না। বিধাতা এই বিশ্ব-সংসার যখন সৃষ্টি করেছেন, তখন তিনি নিশ্চয়ই প্রত্যেক জাতির পুরুষের উপযুক্ত নারীরও বিধান করেছেন।

শমক পুরুষেরা যেমন ধার্মিক ও উচ্চমনা, পদ্মিনী নারীও ঠিক তেমনি এইভাবে উপযুক্ত পুরুষের সঙ্গে উপযুক্ত নারীর মিলন হলে তবেই দাম্পত্য জীবন সুখের হয়—তা না হলে দু’জনের মধ্যে বিষম গরমিল হয় এবং দাম্পত্য জীবন অশান্তিতে ভরে ওঠে।

পার্বতী তাই মহাদেবকে সম্বোধন করে বললেন- হে দেব, চার জাতির নারী- পুরুষর বর্ণনা শুনে পরম তৃপ্তি পেলাম। এবারে কোন্ জাতির নারী কোন পুরুষের পক্ষে উপযুক্ত এ বিষয়ে বর্ণনা করুন, তা শোনবার জন্যে আমার একান্ত বাসনা হয়েছে।

শ্রুতং ত্বয়েরিতং ব্রহ্মন্ নারী-পুরুষলক্ষণং।
ইদানীং ব্রুহি মে দেব কস্য কা রমণী শুভা ॥

মহাদেব এ কথা শুনে বললেন- তুমি যা জানতে চেয়েছ তা অত্যন্ত আনন্দপূর্ণ বিষয় সন্দেহ নেই। তুমি মন দিয়ে শ্রবণ কর, আমি এ বিষয়ে বিশদ বর্ণনা করছি।

চার জাতির নারী চার জাতি পুরুষের উপযুক্ত পত্নী হয়ে থাকে। শশক জাতীয় পুরুষ যেমন ধীর শান্ত, নম্র ধার্মিক, পদ্মিনী নারীরাও তেমনি লক্ষীর পাশে নারায়ণ যেমন শোভা পান, শশক পুরুষের সঙ্গে পদ্মিনী নারীর মিলন হলে ঠিক তেমনি দেখায়।

মৃগ জাতীয় পুরুষ যেমন ধার্মিক ও পরার্থপর, তেমনি চিত্রিণী জাতীয়া নারী তুমি যেমন আমার গৃহিনী, সেইরূপ চিত্রিণীর সঙ্গে মৃগ জাতীয় পুরুষের উপযুক্ত মিলন ঘটে। শঙ্খিনী জাতীয়া নারী বৃষ জাতীয় পুরুষের পক্ষে উপযুক্ত। তাদর মিলন হলে তা মদনের ভার্য্যা রতির মত পরম সুখাবহ হয়।

মন্দোদরীর সঙ্গে যেমন রাবণের মিলন হয়েছিল সার্থক তেমনি হস্তিনী জাতীয়া নারীর সঙ্গে অশ্ব জাতীয় পুরুষের মিলন হলে তারা পরম সুখী হয়।

মহাদেবের কথার মধ্যে আর একটি তাৎপর্য নিহিত আছে।

তিনি চারটি বিখ্যাত পৌরণিক চরিত্রের উদাহরণ দিয়ে চার জাতীয় নারী এবং পুরুষের বিষয়ে বেশ ভালভাবে বুঝিয়ে দিলেন। অর্থাৎ নারায়ণ, মহাদেব মদন আর রাবণ যথাক্রমে শশক, মৃগ, বৃষ আর অশ্ব জাতীয় পুরুষের প্রতীক।

অপরপক্ষে লক্ষ্মী, পার্বতী, রতি আর মন্দোদরী যথাক্রমে পদ্মিনী, চিত্রিণী, শঙ্খিনী আর হস্তিনী জাতীয়া নারীর প্রতীক।

মহাদেবের বর্ণনার মধ্যে যেটুকু জানা গেল তা নারীপুরুষের বর্ণনার মধ্যে দিয়ে প্রথমেই সুস্পষ্ট জানা গেছে।

যদ্‌ষৎ পৃষ্টং ত্বয়া দেবি তদ্ববক্ষ্যামি সমাসতঃ।
নারী-পুরুষয়োম্মধ্যে যোগ্যাযোগং বিচার্য্যতে ॥
পদ্মিনী রমণী যা চ সৈব শশক-ভামিনি।
শোভতে দ্বৌ মহাদেবি লক্ষ্মীনারায়ণাবিব ॥
মৃগস্য চিত্রিণী ভাৰ্য্যা ভবানীব শিবস্য চ।
বৃষস্য পদ্মিনী চৈব মদনস্য যথা রতিঃ ॥
মন্দোদরী রাবণস্য শোভতে গৃহিণী যথা।
হস্তিনী তুরগস্যৈব তদা জানীহি পাৰ্ব্বতী।
এষাং পুত্রাঃ যথা স্যুশ্চ তৎ শৃণুম্ব নগাত্মজে ॥

মহাদেবের বর্ণনা ছাড়াও আমরা নারী-পুরুষর মিলনের বিষয়ে যা জানতে পারলাম তা থেকে উত্তম মিলন, মধ্যম মিলন ও অধম মিলন মোটামুটি বিচার করতে পারি। তা হচ্ছে :

অধম মিলনউত্তম মিলনমধ্যম মিলন
(১) শশক—পদ্মিনীশশক—চিত্রিণীশশক— হস্তিনী বা শঙ্খিনী
(২) মৃগ-চিত্রিণীমৃগ-পদ্মিনীমৃগ হস্তিনী বা শঙ্খিনী
(৩) বৃষ-শঙ্খিনীবৃষ-হস্তিনীবৃষ-পদ্মিনী বা চিত্রিণী
(৪) অশ্ব-হস্তিনীঅশ্ব-শঙ্খিনীঅশ্ব-পদ্মিনী বা চিত্রিণী

উপযুক্ত পুরুষের ঔরসে উপযুক্ত নারীর সন্তান ও তার স্বরূপ

মহাদেব তারপর কোন্ জাতীয় পুরুষ ও নারীর উপযুক্ত উত্তম মিলনে কি জাতীয় পুত্রকন্যা হয় তার বর্ণনায় ব্রতী হলেন।

শশক-ঔরসে পদ্মিনী নারীর গর্ভে যদি পুত্রকন্যা জন্মে তবে তারা উত্তম হয়। পুত্র হলে সে হয় মহা ধর্মপরায়ণ, কন্যা হলে হয় সে শুদ্ধমতি।

মৃগ জাতীয় পুরুষের সঙ্গে চিত্রিণী জাতীয়া নারীর মিলনে যে পুত্রকন্যা হয় তারাও হয় খুব উচ্চস্তরের। কন্যা হলে সে বিদ্যাধরীর মত যশ, খ্যাতি ও লক্ষ্মীলাভ করে। পুত্র হলে সে গন্ধর্বের মত রূপে গুণে, সৌভাগ্যে পরিপূর্ণ হয়।

বৃষের ঔরসে শঙ্খিনীর উদরে পুত্রকন্যা হলে সেই পুত্র যুদ্ধক্ষেত্রে যোদ্ধার মত বীর হয়, কিন্তু কন্যা হলে সে রাক্ষসীর মত হয়।

অশ্বজাতীয় পুরুষের যদি হস্তিনীর গর্ভে পুত্রকন্যা হয়, তবে পুত্র হলে সে মহাবলশালী হয়, কিন্তু কন্যা হলে সে অতি কামাতুরা হয়।

এখানে একটা কথা অবশ্যই মনে রাখতে হবে। প্রকৃত উপযুক্ত জাতীয় নারী পুরুষ আজকাল দুর্লভ। প্রায়ই দুই জাতির মাঝামাঝি স্তরের নারীপুরুষ দেখা যায়। তাই মোটামুটি যোটক বিচারের সময় চেহারা আকৃতি মিলিয়ে যেন বিরাট বৈষম্য না ঘটে, সে বিষয়ে দৃষ্টি দেয়া উচিত।

শশকাৎ পদ্মিনীজাতঃ সুতো ধন্তপরায়ণঃ।
কন্যা শুদ্ধমদিশ্চৈব জানীহি নগনন্দিনী ॥
মৃগতশ্চিত্রিণীগর্ভে জায়তে যদি পূত্রকঃ।
গন্ধৰ্ব্বতুল্যরূপোহসৌ কন্যা বিদ্যাধরী যথা ॥
বৃষতঃ শঙ্খিনীজাতঃ পুত্রো যোদ্ধৃবরঃ মতং ॥
অশ্বতোহস্তিনীজাতঃ পুত্রো মহাবলঃ স্মৃতঃ।
কন্যা তু মদনোন্মত্তা কথ্যতে পূর্ব্বসূরিভিঃ ॥

সময় ও কারণভেদে পৃথক সন্তান

পার্বতী তারপর মহাদেবকে সম্বোধন করে জিজ্ঞাসা করলেন-হে দেব, বিভিন্ন সময়ভেদে নারীসংসর্গ করলে কিরূপ পুত্র বা কন্যা জন্মে তা আমাকে বলুন।

কীদৃশো জায়তে পুত্রঃ সম্ভোগাৎ কালভেদতঃ।
অথবা কদৃশী কন্যা কথয়স্ব মহামতে ॥

মহাদেব বললেন—হে দেবী, জগজননী তুমি যা জানতে চাইলে তা বর্ণনা করছি শোন।

হস্তিনী নারী যদি মাহেন্দ্রক্ষণে গর্ভধারণ করে তাহলে সেই গর্ভে দেবতুল্য সন্তান হয়, আমি স্বয়ং এই নির্দেশ করেছি।

সুন্দরী শঙ্খিনী জাতীয়া নারী যদি বারুণ সময়ে গর্ভধারণ করে তবে সেই গর্ভজাত পুত্র মহাভাগ্যবান আর কন্যা মহাভাগ্যবতী হয়ে থাকে।

মৃগের ঔরসে ও চিত্রিণীর গর্ভের সন্তান যদি অলগ্নে হয় তবে সেই সন্তান মহাদুঃখী হয়।

একথা সর্বদা স্বীকাৰ্য্য যে, নারী জাতির চেয়েও সময়ের হিসাব কম প্রয়োজনীয় নয়। শুভক্ষণে জন্মিলে সন্তান সুখী ও অশুভক্ষণে জন্মিলে অসুখী হয় তাছাড়া নারীজাতি ঋতুস্নান করে যার মুখদর্শন করে তার সন্তান ঠিক তারই মত আকৃতিবিশিষ্ট হয়ে থাকে।

এখন শুভ ও অশুভ সময় নির্ণয় করতে হবে।

কন্যা, তুলা, মিথুন ও ধনুর শেষার্ধ বিবাহের লগ্নমাত্র এই কয়টি শুভ। অপর লগ্নগুলিকে নয় ভাগ করে নিয়ে কন্যা, তুলা, মিথুনের যে যে অংশ হবে তার মধ্যে মেষের তৃতীয়, ষষ্ঠ অথবা সপ্তম, বৃষের ষষ্ঠ বা নবম অংশ, কর্কটের তৃতীয় বা চতুর্থ, ধনুর সপ্তম আর ষষ্ঠ মকরের ষষ্ঠ, নবম, কুম্ভের নবম অথবা প্রথম, মীনের চতুর্থ অথবা তৃতীয় এগুলিই জ্যোতিষমতে প্রমাণসিদ্ধ।

এসব লগ্নের সপ্তম, অষ্টম বা দ্বাদশে কখনও যদি কোন শুক্রগ্রহ না বসে, যদি একাদশ, তৃতীয়, ষষ্ট অথবা অষ্টমে কোন পাপগ্রহ অবস্থান অবস্থান করে বা ষষ্ঠে শুক্র হয় তবে তা অশুভ। এছাড়া অন্যগুলি শুভ—যা আগে বর্ণিত হয়েছে। শুভ বাদে বাকী সবগুলিই অশুভক্ষণ ধরতে হবে।

শুভক্ষণ জ্যোতিষের পক্ষে মঙ্গলকারক — অশুভক্ষণ পরম ক্ষতিকারক সন্দেহ নাই।

শৃণু দেবি মহাভাগে যদূষৎ পৃষ্ট ত্বয়ানঘে।
মাহেন্দ্রে হস্তিনী ধত্তে গর্ভং চেৎ রাজনন্দিনী ।।
দেবকল্পং শিশুং সূতে মহাদেবেন ভাষিতং।
বারুণে শঙ্খিনী গর্ভে ধত্তে যদ্যপি সুন্দরী ॥
মহাভাগ্যবতী কন্যাং অথবা সূয়তে শিশুং।
অলগ্নে যদি জাতঃ স্যাচ্চিত্রিণী মৃগতঃ শিশুঃ।
মহাদুঃখী ভবেৎ সোহপি নাত্র কার্য্যা বিচারণা।
শুভক্ষণে সুখী চৈব অশুভে চাসুখ ভবেৎ ॥
যস্যাননং ঋতুস্নাতা শুদ্ধা নারী প্রপশ্যতি।
তদনুরূপিনং পুত্রং লভতে নাত্র সংশয় ॥

পরস্পর ভিন্নজাতীয় সম্পভেদে সন্তানভেদ

এবারে উপযুক্ত জাতীয় পুরুষ-নারী ছাড়া পরস্পর ভিন্ন জাতীয় মিলনে পুত্রকন্যা কিরূপ হয় সে বিষয়ে মহাদেব বর্ণনা করতে ব্রতী হলেন।

উত্তম মিলন ছাড়া মধ্যম ও অধম মিলনের পুত্রকন্যার স্বরূপ তিনি বিশ্লেষণ করে বোঝালেন।

শশকের ঔরসে চিত্রিণী নারীর গর্ভে পুত্র হলে সে পরম পন্ডিত হয়। কন্যা হলে সে হয় সদাচারপরায়ণা।

অশ্বের ঔরসে পদ্মিণী নারীর পুত্র হলে সে মহাদুঃখী হয়, কিন্তু কন্যা হলে সে মায়ের গুণ পেয়ে শুদ্ধমতি হয়।

শশকের ঔরসে পদ্মিণীর পুত্র হলে সে পিতৃণ পেয়ে ধার্মিক ও সদাচারী হয়, কিন্তু কন্যা হলে সে অত্যন্ত ক্রোধযুক্ত অর্থাৎ বদরাগী হয়ে থাকে।

বৃষের ঔরসে পদ্মিণীর পুত্রকন্যা হলে তারা দুরাচারী ও দৃষ্কৃতিকারণী হবে। তারা কিছুতেই ভাল হতে পারে না।

শমকাৎ চিত্রিণীজাতঃ পুত্রো ভবতি পন্ডিতঃ।
অথবা তনয়া জাতা সদাচারপরায়ণা ॥
অশ্বতঃ পদ্মিণী নারী লভতে যদি পুত্রকং।
মহাদুঃখী ভবেৎ সোহপি কন্যা শুদ্ধমতিৰ্ভবেৎ।
শমকাৎ শঙ্খিনীজাতঃ পুরো ভবতি ধাৰ্ম্মিকঃ।
তনয়া ক্রোধমাপন্না ইতি শাস্ত্রবিদাং মতং ।।
পুত্রো বা যদি কন্যা পদ্মিনাং বৃষতঃ ভবেৎ।
তুরাচারো দুরাচারা ভবেন্নৈমাত্র শংশয়ঃ ॥

অশ্ব জাতীয় পুরুষের ঔরসে পদ্মিনী নারীর পুত্রকন্যা জন্মিলে তারা অল্পদিনের মধ্যেই মারা যায়। যদি কিছু বাঁচে তারাও খুব দুর্বল হয়ে থাকে।

শশকের সঙ্গে শঙ্খিনীর পুত্র হলে তারা সকলেই অত্যন্ত দুর্বল হয়ে থাকে। বৃষের ঔরসে শঙ্খিনীতে পুত্র জন্মিলে সে পুত্র মুর্খ ও কন্যা জন্মিলে সে কলঙ্কিনী হয়ে থাকে।

অশ্বের ঔরসে শঙ্খিনীর পুত্র হলে সে সর্বদা কলহে নিরত থাকতে ভালবাসে-কন্যা হলে সে কটুভাষিণী হয়।

অশ্বতঃ জায়তে পুত্র পদ্মিন্যাং তনয়া তথা।
অচিরাৎ ম্রিয়তে দেবি নাত্র কার্য্যা বিচারণা ॥
শঙ্খিন্যাং শশকাজ্জাতঃ পুত্রো ভবতি দুৰ্ব্বলঃ।
বিমূঢ়ো বৃষতঃ পুত্রঃ কন্যা চৈব কলঙ্কিনী ॥
প্ৰসূতে চাশ্বতঃ পুত্রঃ শঙ্খিনী কন্যাকামপি।
কলহে নিরতঃ পুত্রঃ পুত্রী চ কটুভাষিণী ॥

মৃগের সঙ্গে পদ্মিনীর পুত্র জন্মিলে সেই পুত্র খুব রূপবান হয়ে থাকে। কিন্তু কন্যা হলে সেই কন্যা যদিও রূপবতী হয়, কিন্তু একটু কেকরা (ট্যারা) হয়ে থাকে।

মৃগের সঙ্গে হস্তিনীর জাত কন্যা কৃষ্ণবর্ণ বা কদাকার হয়ে থাকে। পুত্র হলে সে এক অঙ্গহীন হয়।

অশ্বের সঙ্গে চিত্রিণীর জাত পুত্র অত্যন্ত কুটিল ও শয়তান প্রকৃতির ও পরহিং- সা দ্বেষপূর্ণ হয়ে থাকে। কন্যা হলে সে অত্যন্ত মদনগর্বিত হয় ও দুরাচারিণী হতে পারে।

অশ্বের সঙ্গে শঙ্খিনীর পুত্রকন্যা যাই হোক না কেন, তারা অত্যন্ত কামাতুরা হবে ও চরিত্রদোষ ঘটবে।

মৃগতঃ পদ্মিনী জাতঃ পুত্রঃ ভবতি সুন্দরঃ।
কন্যা রূপবতী জ্ঞেয়া কেকরা শিশু ভামিনি।।
হস্তিন্যাং মৃগতো জাতা কৃষ্ণা তু কন্যকা ভবেৎ।
একাঙ্গবিহীনঃ পুত্র সত্যং সত্যং মহেশ্বরি ॥
অশ্বতশ্চিত্রিণীজাতমপত্যং কুটিলং ববেৎ।
মদনে গৰ্ব্বিতং চৈব শঙ্খিন্যাং জায়তে যদি ॥

এইভাবে মহাদেব পৃথক পৃথকভাবে ভিন্ন ভিন্ন জাতীয় নারী-পুরুষের সংসর্গে

উৎপন্ন পুত্রকন্যার বিষয়ে বর্ণনা করে বুঝিয়ে বললেন।

তাই পুরুষ ও নারীর বিবাহের সময় বা বিবাহের পূর্বে ভালভাবে বিচার না করলে তাদের পুত্রকন্যা পর্যন্ত তার ফল ভোগ করে। মহাদেব এই কথা বেশ স্পষ্ট করে বুঝিয়ে দিলেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *