1 of 2

হারান স্যারের ভূত

হারান স্যারের ভূত

ঠিক সক্কালবেলাতেই বিশ্বকাকু হইহই করে বাড়িতে ঢুকলেন। চিৎকার করে ডাকতে লাগলেন, বাবান-মউ! শিগগির আয়! কোথায় গেলি তোরা সব? বউদি! শুনে যাও শিগগির! জবর খবর আছে তোমাদের জন্যে।

আমি সবে বই নিয়ে পড়তে বসেছি। আর মউ হাত-মুখ ধুয়ে আয়নায় মুখ দেখছে। বিশ্বকাকুর চিৎকারে দুজনেই একছুটে দরজায় গিয়ে হাজির।

বিশ্বকাকু আমাদের দেখেই চোখ গোল-গোল করে বললেন, জানিস, আজ ইস্টিশানের রাস্তায় হারান মাস্টার সুইসাইড করেছেন?

শুনে তো আমরা দুজনেই অবাক।

কাকু দু-হাতে আমাদের কাঁধ খামচে ধরে বললে, চ, ঘরে চ। তোদের মা কই?

সুতরাং আমি আর মউ চিৎকারে গলা ফাটিয়ে মা-কে ডাকতে শুরু করলাম। বাবা বাজারে গেছেন। সেইজন্যেই আমরা এতটা গলা চড়াতে পারছি। নইলে বকুনি বাঁধা ছিল।

বিশ্বকাকু গায়ের চাদরটা জম্পেশ করে গায়ে জড়িয়ে বিছানার ওপর ধপাস করে বসে পড়লেন। চেঁচিয়ে হাঁক পাড়লেন, বউদি, জলদি এসো। সঙ্গে এক কাপ গরম চা। ভয়ে আমার গায়ে কাঁটা দিচ্ছে। তার ওপরে এই বাঘের সর্দিধরা ঠান্ডা।

হারান মাস্টারমশাইকে আমরা সবাই চিনি। অবশ্য এই আধা-শহুরে জায়গায় প্রায় সব্বাই সব্বাইকে চেনে। হারান মাস্টারমশাই আমাদের জেলা হাই স্কুলে পড়ান। মানে পড়াতেন। রোগা পাকাটির মতো চেহারা। গায়ে ধুতি-পাঞ্জাবির সঙ্গে তেলচিটে চাদর। নাকে চশমা মাথায় কাঁচাপাকা চুল। তিনকুলে তাঁর কেউ ছিল না। তবে তার পড়ানোর খুব শখ ছিল। পড়ুয়া ছেলেমেয়েদের খুব যত্ন নিয়ে পড়াতেন। এ-অঞ্চলে হারান মাস্টারের কোচিং ক্লাস যাকে বলে খুব বিখ্যাত। আর সবচেয়ে বড় কথা হল, আমি সেই কোচিংয়ে রোজ সন্ধেবেলা পড়তে যাই। ক্লাস ফাইভে উঠলে মউকেও ওখানে ভরতি করা হত। অন্তত মা-বাবা সেইরকমই ঠিক করে রেখেছিলেন।

বিশ্বকাকু আমার বাবার পিসতুতো ভাই। লোকে বলে ওঁর নাকি অনেক অভিজ্ঞতা। অন্তত পাঁচশো পঁয়তাল্লিশ রকম ব্যবসা করেছেন। দু-হাজার নশো তিয়াত্তরটা ইংরিজি বই পড়েছেন। আর হায়ার সেকেন্ডারিতে ছ-ছবার ফেল করেছেন। এককালে খুব ব্যায়াম করতেন, কিন্তু সে-অনুপাতে চেহারা ফেরেনি। বাবা একদিন জিগ্যেস করেছিলেন, হ্যাঁ রে বিশু, এত যে এক্সারসাইজ করলি, তা তোর চেহারা ফেরে না কেন?

উত্তরে বিশ্বকাকু হাতের গুলি ফোলানোর চেষ্টা করে বলেছিলেন, দাদা, শুধু মাংসপেশি ফোলালেই কি চেহারা ভালো হয়। আমার ব্যায়ামের এমনই কায়দা যে, শুধু হাড়গুলো মজবুত হবে। বাইরে থেকে দেখে কিচ্ছুটি বোঝা যাবে না। তবেই না হল গিয়ে রিয়েল এক্সাইজ!

বাবা গম্ভীরভাবে বলেছিলেন, এক্সাইজ নয় বিশু, এক্সারসাইজ।

বিশ্বকাকু গম্ভীর গলায় উত্তর দিয়েছেন, ওই একই হল। হনলুলুর লোকেরা সংক্ষেপে এক্সাইজ বলে। আমি যেবার হনলুলু গিয়েছিলুম…!

থাক। তুমি এখন কাজে যাও।

বিশ্বকাকু জানতেন, বাবা রেগে গেলে আর তুই বলেন না, বলেন, তুমি। সুতরাং চুপচাপ কেটে পড়েছিলেন সঙ্গে-সঙ্গেই।

হারান মাস্টারমশাই কীভাবে আত্মহত্যা করলেন, কাকু? আমি প্রথম সুযোগ পেয়েই প্রশ্ন করলাম।

একেবারে গলায় চাদর দিয়ে সটান ঝুলে পড়েছেন দেবদারু গাছের ডাল থেকে। চোখ উলটে জিভ বের করে মরে যাওয়ার অভিনয় করলেন বিশ্বকাকু।

মউ চেঁচিয়ে উঠল, মা, কাকু ভয় দেখাচ্ছে।

 মা ইতিমধ্যে গরম চায়ের কাপ নিয়ে হাজির।

কী ছোড়দা, যা বলছ সব সত্যি নাকি? মা বিশ্বকাকুকে ছোড়দা বলে ডাকেন।

বউদি, সত্যি আর কাকে বলে! কী যে দুঃখ ছিল হারান মাস্টারের মনে, তা কে জানে! চায়ের কাপ নিয়ে আরাম করে চুমুক দিলেন কাকু–জানো তো, ইস্টিশানের পথটা কীরকম অন্ধকার। দুপাশে সারি-সারি ঝাকড়া গাছ। তার ওপর এবড়োখেবড়ো মাটির পথ। এমনিতেই রাত্তিরে ও রাস্তা দিয়ে হাঁটা মুশকিল, তার ওপর এখন বোঝো! হারান মাস্টার নির্ঘাত ভূত হয়ে ও-পথে পায়চারি করবেন, আর কোচিং ক্লাসের জন্যে ছাত্র-ছাত্রী খুঁজে বেড়াবেন। বলবেন, আঁই, আঁমার কোচিংয়ে ভঁরতি হবি?

মউ আবার নাকি সুরে বলে উঠল, মা, আবার ভয় দেখাচ্ছে বলে সোজা মায়ের শাড়ির ভঁজে ঢুকে পড়তে চাইল।

বিশ্বকাকু দু-চার চুমুকে চায়ের কাপ খালি করে বললেন, বউদি, তোমার মেয়েটা রামভিতু। আমার নাম ডোবাবে। তবে এই বাবানটা আমার পিঠ চাপড়ে দিলেন বিশ্বকাকু?

এ দারুণ সাহসী। বড় হয়ে ঠিক আমারই মতো দুর্দম, দুর্জয়, অপরাজেয়, অপ্রতিরোধ্য, আর অসমসাহসী বীর হবে। তুমি দেখে নিয়ো।

বিশ্বকাকুর কথায় আমার বুকটা একটু যে ফুলে উঠল না তা নয়। কিন্তু আবার ভয়ও করতে লাগল। কারণ, আজ সন্ধেবেলাতেই কোচিংয়ে যাওয়ার কথা। বিশেষ করে হারানস্যার যখন মারা গেছেন তখন তো আরও যাওয়া উচিত। অন্তত খোঁজখবরটা তো নিতে হয়। কিন্তু যেতে হবে ওই বিপজ্জনক পথ দিয়েই। মনে-মনে ঠিক করলাম, কাকুর মতো বীর হয়ে আমার কাজ নেই। স্কুলে না গিয়ে বিকেল-বিকেল বরং কোচিংয়ে যাব। সুসান, বিলু আর মৃণালের সঙ্গে কিছুক্ষণ গল্প করে একসঙ্গে দল বেঁধে বাড়ি ফিরব। কিন্তু হারান স্যার তো ভালো লোক ছিলেন। তিনি কি মরে ভূত হবেন!

কথাটা বিশ্বকাকুকে জিগ্যেস করতেই তিনি হো-হো করে হসে উঠলেন। বললেন, আরে বোকা, মরে গেলেই কি তার এতদিনের একটা অভ্যেস চলে যাবে! ছাত্র ঠেঙানো ভুলে যাবেন একেবারে! যাক বউদি, আমি চলি। সকালেই খবরটা পেলুম, তাই ভাবলুম দিয়ে যাই। বাবানের সাহসটাও একবার পরীক্ষা হয়ে যাবে। আমি তো ইচ্ছে করেই ওই কাঁচা রাস্তা ধরে আজ থেকে দিনে সতেরোবার করে যাতায়াত করব। হারান মাস্টামশাই আমাকে অনেকবার কান মুলে দিয়েছিলেন, তার শোধ নেব।

এ কথা বলেই বিশ্বকাকু সঙ্গে-সঙ্গে পগারপার। যেমন হঠাৎ এসেছিলেন তেমনই হঠাৎ চলে গেলেন।

মা সেদিকে তাকিয়ে থেকে বললেন, বাবান, আজ সন্ধেবেলা তোর কোচিংয়ে গিয়ে কাজ নেই।

মউ শাড়ির আড়াল থেকে উঁকি মেরে বলল, যাক না, সঙ্গে-সঙ্গে ঘাড় ধরে মটা।

আমি কোনও প্রতিবাদ করার আগেই বাবা বাজার থেকে ফিরলেন। বাজারের থলে দুটো মায়ের হাতে তুলে দিয়ে গম্ভীর গলায় বললেন, শুনেছ, হাই ইস্কুলের হারানবাবু আত্মহত্যা করেছেন?

মা ঘাড় নেড়ে জানালেন, হ্যাঁ শুনেছেন।

.

সামনে ঘুটঘুটে অন্ধকার। শুধু আকাশের দিকে তাকালে মিটিমিটি তারা চোখে পড়ে। তা ও আবার মাঝে-মাঝে ঢেকে যাচ্ছে কঁকড়া-মাথা গাছের উশকোখুশকো চুলের আড়ালে। ঝিঁঝি পোকা কোথায় যেন একটানা ডেকে চলেছে। সব মিলিয়ে রোজকার চেনা রাস্তাটা যেন অচেনা লাগছে। মনে সাহস জোগানোর চেষ্টা করলাম। ভাবতে লাগলাম বিশ্বকাকুর দুর্জয় সাহসের কথা–অন্তত তার মুখে যেরকম শুনেছি। কিন্তু তাতেও ভরসা পাচ্ছি কই! তা ছাড়া এ তো সবে সেই ভয়ংকর কাঁচা রাস্তার শুরু।

ঢিপঢিপে বুকে ধীরে-ধীরে এগোলাম। দু-পাশে সারি-সারি বিশাল গাছ। বট-অশ্ব-দেবদারু জাম আরও কত কী। এ-রাস্তা দিয়ে কত যাওয়া-আসা করেছি, কিন্তু ভয় কখনও পাইনি। এখন শুধু হারান স্যারের কথা মনে পড়ছে। কীভাবে তিনি চলতেন, কীভাবে হাসতেন, কীভাবে কথা বলতেন–সব।

আজ কোচিংয়ে গিয়ে কোনও লাভ হয়নি, উলটে বিপদে পড়েছি। সুসান, মৃণাল ওরা কেউ আসেনি। ভূতের ভয়ে কি না কে জানে! ফলে আমি একেবারে একা পড়ে গেছি। মাস্টারমশায়ের ভাইয়ের সঙ্গে কথায় কথায় কখন যে শীতের বেলা পড়ে গেছে টেরই পাইনি। বাড়ি ফেরার সময় উনি একবার জিগ্যেস করেছিলেন, এগিয়ে দিতে হবে কি না। আমি লজ্জায় বারণ করেছি। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে, এগিয়ে দিলেই ছিল ভালো।

হঠাৎই হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলাম। বেশ ব্যথা লাগলেও চটপট উঠে হাত-পায়ের ধুলো ঝেড়ে নিলাম। কোন দিকে চলেছি সেটাই কেমন যেন গুলিয়ে যাচ্ছে। এমন সময় কোথাও একটা শেয়াল ডেকে উঠল, হুক্কা-হুঁয়া। ব্যস, আমার তো হাত-পায়ে কঁপুনি ধরে আর কি! শুনেছি অনেকে জোরে-জোরে গান গেয়ে ভূতের ভয় তাড়ায়। কেউ বা রাম-নাম করে। আমি তো গান বলতে শুধু জনগণমনঅধি– ছাড়া আর কিছুই জানি না। আর রাম-নাম?রাম-রাম বলতে বলতে যদি মরা-মরা হয়ে যায়! তা হলেই সর্বনাশ! হারান স্যার সঙ্গে-সঙ্গে তার ভূতুড়ে কোচিংয়ের প্রথম ছাত্রটি পেয়ে যাবেন। আচ্ছা, জোরে-জোরে চিৎকার করলে কেমন হয়? উঁহু, লোকে ভাববে আমি ভয় পেয়েছি। তার চেয়ে হো-হো করে অট্টহাসি হাসাই ভালো। তাতে ভয়টা কেটে যাবে। আর যে শুনবে সে ভাববে আমি একটুও ভয় পাইনি।

এইসব নানান কথা ভাবছি, হঠাৎই কোথা থেকে ভেসে এল ডানা ঝাপটানোর ঝটপট শব্দ। তারপরই হুতুম পাচার চিৎকার। আর সব শেষে একদল শেয়ালের কান্না।

আর দেরি করলাম না। আধো-আঁধারির মধ্যে দিয়ে টেনে ছুট মারলাম। আর হা-হা-হি হি-হো-হো করে গলা ফাটিয়ে হাসতে লাগলাম। ওঃ, মনে যেন কিছুটা ভরসা পাচ্ছি। বই-খাতা হাতে নিয়ে কোনওরকমে ছুটে চলেছি, আর যত কষ্টই হোক না কেন হাসি থামাচ্ছি না। দুপাশে ঘন কালো ছায়ার মতো গাছের গুঁড়িগুলো পেরিয়ে যাচ্ছে। কোনটা তার মধ্যে হারান স্যারের আস্তানা কে জানে। এখুনি হয়তো পেছন থেকে আমার হাফ-শার্টের কলার চেপে ধরে বলে উঠবেন, কী রে, পালাচ্ছিস কেন?

ছুটতে ছুটতে বুকে আমার হাঁফ ধরে গেল। চিত্তারের চোটে গলা ব্যথা করছে। এদিকে রাস্তাও প্রায় শেষ হয়ে আলোর ঝিলিক দেখা যাচ্ছে।

হঠাৎ দেখি দূরে মাটির ওপরে একটা সাদা মূর্তি টান-টান হয়ে পড়ে আছে।

বুকটা আমার ছাত করে উঠল। পারাবার পার হয়ে এসে শেষকালে– হারান স্যার নয় ত! পুলিশ কি মৃতদেহটা রাস্তার ওপরেই ফেলে রেখে গেছে! কই, যাওয়ার পথে এ-রকম তো কিছু দেখিনি!

ততক্ষণে হাসি আমার বন্ধ হয়ে গেছে। চলার গতিও আপনা থেকেই কমে এসেছে। সাদা মূর্তিটা যেন নড়ছে।

আরও কাছে এগিয়ে গিয়ে দেখি একটা লোক। চাদর মুড়ি দিয়ে পড়ে আছে। আর গো গোঁ করে বিচিত্র শব্দ করে চলেছে। না, এ তো তাহলে ভূত নয়। এ যে সত্যিকারের মানুষ।

কে আপনি? কী হয়েছে? ভয়ার্ত স্বরে প্রশ্নটা করতেই চাদর মুড়ি দেওয়া লোকটা উঠে বসল।

চাদর সরিয়ে উঁকি মারতেই চিনতে পারলাম বিশ্বকাকু! চোখ যেন ঠেলে বেরিয়ে আসবে। মুখটা হাঁ হয়ে রয়েছে। আমাকে দেখে একেবারে জড়িয়ে ধরলেন। হাঁফাতে-হাঁফাতে বললেন, বাবান রে, তুই আজ তোর এই কাকুটার লাইফ বাঁচালি! নইলে হারান মাস্টারের গোস্ট আমাকে দিয়েছিল অলমোস্ট শেষ করে!

আমি এবার অনেকটা সাহস পেয়েছি। বিশ্বকাকুর পাশে বসে পড়ে বললাম, কী হয়েছিল, কাকু? ভয় পেয়েছ কেন?

 আর বলিস কেন! সতেরোবার টহল মারব বলে বারবার এ-রাস্তার এ-মাথা ও-মাথা করছি, ঠিক তেরোবারের মাথায় একটা রক্ত হিম করা অট্টহাসি কানে এল। আমি ভাবলুম, কে? মানুষ, না প্রেত? তারপরই আর সন্দেহ রইল না, এ হারান মাস্টারের অট্টহাসি। তুই বিশ্বাস করবি না বাবান, আমার মতো দুর্দম, দুর্জয়, অপরাজেয়, অসমসাহসীও এমন ভয় পেয়ে গেল যে, আমি তোদের বাড়ির দিকে ছুটতে শুরু করলাম। কিন্তু তাতেও কি রেহাই আছে! শুনতে পেলাম, প্রেতটা সেই হাড় কাঁপানো অট্টহাসি হাসতে হাসতে আমাকে তাড়া করে আসছে, হা-হা-হি-হি-হো-হো! ওঃ, ভয়ে আমার তো গায়ে কাঁটা দিয়েছে। দরদর করে এই শীতেও ঘামছি। তারপর ছুটতে ছুটতে এখানটায় এসে মুখ থুবড়ে পড়লাম। চাদর মুড়ি দিয়ে আত্মরক্ষার চেষ্টা করছি, এমন সময় তুই এলি–

বিশ্বকাকু এখনও বড়-বড় শ্বাস নিয়ে হাঁফাচ্ছেন।

আমি বললাম, কাকু, বাড়ি চলো। এখানে বেশিক্ষণ থাকা ঠিক নয়।

চল চল, তাই চল। বিশ্বকাকু কোনওরকমে বললেন, তবে এ-ঘটনার কথা কাউকে বলিস রে। আমার প্রেস্টিজ আকুপাংচার হয়ে যাবে।

আমরা দুজনে বাড়ির পথে এগোলাম। আমার তো হাসি চাপতে গিয়ে পেট ফাটার জোগাড়।

কী করে বুঝব, অট্টহাসি হেসে নিজের ভয় তাড়াতে গিয়ে আমি একজন দুর্দম, দুর্জয়, অপরাজেয়, অপ্রতিরোধ্য, অসমসাহসী বীরপুরুষকে ভয় পাইয়ে দিয়ে বসে আছি!

Post a comment

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *