সাত
ঠিক দুদিন বাদে বৃহস্পতিবার বিকেলে হঠাৎ বুধোদার ফোন—বাড়িতে আছিস?
বললাম, হ্যাঁ। একটু আগেই স্কুল থেকে ফিরলাম। তুমি কোথায়?
আমিও বাড়িতে।
কেন? মহারাজা কালেকশনস বন্ধ নাকি আজ?
বুধোদা কেমন একটা ক্যাজুয়াল গলায় বলল, নাআআঃ। বন্ধ হবে কেন? এমনিই একটু ছুটি নিলাম। বাড়িতে বসে পড়াশোনা করছিলাম। এখন ভাবছি একটু বেরোব। তুই যাবি?
পরিষ্কার বুঝতে পারলাম, ও টেনশনে আছে আর সেটাকে চাপা দেওয়ার জন্যেই একটু বেশি স্বাভাবিক গলায় কথা বলছে। ফোনে এর বেশি আর কিছু বার করা যাবে না। চেয়ারের হাতল থেকে জিনস আর টি-শার্টটা তুলে নিয়ে বললাম, একটু ওয়েট করো। পাঁচ মিনিটের মধ্যে আসছি।
আমাদের বাড়ি থেকে বেরিয়ে জিটি রোড ক্রস করলেই বুধোদাদের একশো-সতেরো বছরের পুরোনো প্রাসাদের মতন বাড়ি, যার নাম হেমকুঞ্জ। ছোটবেলা থেকে ওই বাড়িতেই আমাদের খেলাধুলো, আমাদের রবীন্দ্রজয়ন্তী, নাটক, দুর্গাপুজো সব। বাড়িটাকে কোনোদিন নিজেদেরই আরেকটা বাড়ি ছাড়া অন্য কিছু ভাবিনি। আমি হেমকুঞ্জের সদর দরজা পেরিয়ে ভেতরে পা দিতেই জ্যাঠাইমার মুখোমুখি পড়ে গেলাম। একতলার রান্নাঘর থেকে বেরিয়ে ঘোরানো রোয়াক ধরে কোথায় যেন যাচ্ছিলেন। আমাকে দেখে দাঁড়িয়ে পড়লেন। বললেন, তোদের ব্যাপারটা কীরে রুবিক? আবার নতুন কোনো ঝামেলায় জড়িয়েছিস মনে হচ্ছে। বুধো আজ সারাদিন গোমড়ামুখে বাড়িতে বসে রইল কেন?
আমি বললাম, ধুৎ, কী যে বলো না। ঝামেলায় জড়াবার বয়স আছে নাকি আমাদের?
না, একেবারে বুড়ো হয়ে গেছিস। যাই হোক, গোকুলপিঠে ভাজছি। না খেয়ে কোত্থাও বেরোবি না। বুধোকেও বলে দিস।
দোতলায় বুধোদার ঘরে ঢুকে জ্যাঠাইমার নির্দেশটাই প্রথমে বুধোদার কানে তুললাম। বলা যায় না তাড়াহুড়ো করে বেরিয়েও পড়তে পারে আর তখন গরম গরম গোকুলপিঠেগুলো মিস করব। বুধোদা দেখলাম সত্যিই বেরোবার জন্যে রেডি হয়েই বসেছিল। আমার কথা শুনে বলল, মা যে কী করে না। এখনও সন্ধে হয়নি, জলখাবার খাওয়ার কী দরকার? তারপর আশিবছরের পুরোনো কুক অ্যান্ড কেলভির দেয়ালঘড়িটার দিকে তাকিয়ে বলল, একটু বসেই যাই তাহলে। সেরকম কোনো ব্যাপার নয় যে, সময়ের মধ্যেই পৌঁছতে হবে। এই বলে বিশাল পালঙ্কের একদিকে বালিশে হেলান দিয়ে ওর মার্কামারা দ-এর মতন ভঙ্গিতে বসে পড়ল।
আমিও পেল্লায় খাটটার অন্যদিকটায় লাফ মেরে উঠে বসে বললাম, কোথায় যাবে বুধোদা?
বুধোদা বলল, মনটা কেমন খুঁতখুঁত করছে বুঝলি। আজকেই তো প্রতাপবাবুর বাড়িতে সুবিনয় মুস্তাফির আসার কথা। খালি মনে হচ্ছে সব মিটে যাওয়ার আগে আরেকবার যদি ওনার বাড়ির চারদিকে চোখ বোলাতে পারতাম। হয়তো ধরতে পারতাম, কোন জিনিসটার জন্যে সুবিনয় মুস্তাফি এরকম পাগল হয়ে গেছে। তাই তাহের আলি লেনেই আরেকবার যাব ভাবছি।
এই বলে বুধোদা খাটের ওপর থেকে একটা ইংরিজি ম্যাগাজিনের বহু পুরোনো কপি তুলে নিয়ে তার মধ্যে ডুবে গেল। ম্যাগাজিনটার মলাট-টুকুই শুধু দেখতে পাচ্ছিলাম। নাম ‘ম্যাজিশিয়ান’। লন্ডনের গ্যামাজ কোম্পানি থেকে প্রকাশিত। প্রকাশের তারিখটাও মলাটের ওপর বেশ বড় করে লেখা ছিল জানুয়ারি ১৯৩২।
ম্যাজিশিয়ান পত্রিকার বেশ কয়েকটা কপি ছাড়াও আরও কয়েকটা পুরোনো ম্যাগাজিন আর ম্যাজিকের সাজসরঞ্জামের ক্যাটালগ খাটের ওপরে ছড়ানো ছিল। বুঝতে পারছিলাম, আলমারির তাক থেকে নামিয়ে এগুলোর মধ্যেই বুধোদা সারাদিন ডুবে ছিল। জিগ্যেস না করে পারলাম না, বইগুলোর মধ্যে কিছু খুঁজছিলে নাকি বুধোদা?
বুধোদার কথাবার্তার মধ্যে মাঝে-মাঝে বেশ কবিত্ব এসে যায়, বিশেষ করে যখন আলোচ্য বিষয়টা ওর পছন্দসই হয়। এখনই যেমন, আমার সাদামাটা প্রশ্নটার উত্তরে ও হাতের ম্যাগাজিনটা নামিয়ে রেখে মাথার পেছনে দুটো হাত দিয়ে উদাস গলায় বলল, খুঁজছিলাম একটা হারিয়ে যাওয়া সময়কে।
মানে!
এমন একটা সময়, যখন ইওরোপ আমেরিকার প্রায় সঙ্গে-সঙ্গেই এই পরাধীন ভারতবর্ষেও উঠে এসেছিলেন একঝাঁক তরুণ জাদুকর। তখন তো আর খেলার ভিডিয়ো তুলে রাখা সম্ভব ছিল না। তবু নানান পত্রপত্রিকায় তাঁদের আশ্চর্য সব খেলার কথা যখন পড়ি, তখন ভাবি কি অসাধারণ প্রতিভা ছিল তাঁদের।
ইন্ডিয়ান ম্যাজিক-ইন্ডাস্ট্রির ভগীরথ যদি কাউকে বলতেই হয় তাহলে বলতে হবে জাদুসম্রাট গণপতি চক্রবর্তীর কথা। উনিশশো তেরো সালে যেদিন প্রিয়নাথ বসুর ‘বোসেস সার্কাস’ ছেড়ে বেরিয়ে এসে নিজের ম্যাজিকের দল বানিয়ে উনি খেলা দেখাতে শুরু করলেন, সেই দিনই বদলে গেল ভারতীয় ম্যাজিকের ভবিষ্যৎ। তার আগে অবধি ম্যাজিক বলতে এদেশের লোক বুঝত রাস্তার ধারে কিম্বা মেলার গাছতলায় বেদে আর মাদারিদের খেলা। প্রফেসর গণপতিই প্রথম বিশাল স্টেজে প্রচুর সাজসরঞ্জাম, মিউজিক আর লাইটের সাহায্যে চোখধাঁধানো সব ইলিউশন-ট্রিক দেখাতে শুরু করলেন। তাঁর হাত ধরেই আমাদের ম্যাজিক জাতে উঠল।
গণপতির ঠিক পরের দুই দিকপাল জাদুকরের নাম রিপেন বোস অর্থাৎ রাজা বোস আর যতীন্দ্রনাথ রায় ওরফে ‘রয় দা মিস্টিক’। ওনাদের দুজনেরই জন্ম আঠেরোশো একানব্বই সালে। দুজনেই ছিলেন অসাধারণ শো-ম্যান। গণপতির কাজকে রাজা বোস আর ‘রয় দা মিস্টিক’ আরও অনেকটা এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন।
বুঝতেই পারছিস, প্রিন্স রাজন যখন কলকাতায় খেলা দেখাতে শুরু করেছিলেন তখন জমি অনেকটাই তৈরি হয়ে গিয়েছিল। এখানকার দর্শক ততদিনে টিকিট কেটে রঙ্গমঞ্চে বসে ম্যাজিক দেখতে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছে। দর্শদের মধ্যে অবশ্য সাদা চামড়ার লোকজনই থাকত বেশি। তাদের জন্যেই তখন বাঙালি জাদুকরদের কোটপ্যান্ট পরে ম্যাজিক দেখাতে হত। তাদের জন্যেই ‘স্টেজ-নেম’ নিতে হত—এমন একটা নাম যেটা সাহেব-মেমদের অ্যাট্রাক্ট করে। তাই যতীন্দ্রনাথ রায় হয়ে গিয়েছিলেন ‘রয় দা মিস্টিক’। অশোক রায় খেলা দেখাতেন ‘ওসাক রে’ নামে। ওনাদের দেখানো রাস্তাতেই প্রিয়রঞ্জন বদলে গিয়ে হয়েছিল ‘প্রিন্স রাজন’।
তবে প্রিন্স রাজন একটা ব্যাপারে ছিলেন পায়োনিয়র। এদেশের ম্যাজিশিয়ানদের মধ্যে উনিই প্রথম শো-এর মধ্যে থেকে ‘প্যাটারিং’ বাদ দিয়ে দিয়েছিলেন।
প্রশ্ন করতেই হল—প্যাটারিং কী বুধোদা?
বুধোদা বলল, দেখবি ম্যাজিশিয়ানরা খেলা দেখানোর সময় অনর্গল কথা বলে যান। এমনি-এমনি বলেন না। ওই কথার রসে যতক্ষণে দর্শকেরা মজে থাকে, তার মধ্যেই ম্যাজিশিয়ান তাঁর প্রয়োজনীয় হাতসাফাইগুলো সেরে ফেলেন। জামার আস্তিনের মধ্যে লুকিয়ে যায় তাস। চেয়ারের পেছন থেকে উঠে আসে পায়রা। কাজেই বুঝতেই পারছিস, প্যাটারিং বাদ দিয়ে খেলা দেখানো মানে নিজের কাজটাকে আরও কঠিন করে ফেলা। নিজের সামনে নিজেই একটা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেওয়া। প্রিন্স রাজন ম্যাজিক দেখাতেন নিঃশব্দে।
কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বুধোদা বোধহয় ম্যাজিকের সেই নবজাগরণের কথাই ভাবল। তারপর বলল, আরেকজনের সম্বন্ধেও কিছু তথ্য খুঁজছিলাম বুঝলি।
কার সম্বন্ধে?
মার্টিন জিগলার। প্রিন্স রাজনের সেই জার্মান ইম্প্রেসারিও। এই ইংরিজি ম্যাগাজিনগুলো আলমারি থেকে বার করেছিলাম ওইজন্যেই।
কিছু পেলে?
অনেকটাই পেলাম। একটা বেশ মজার জিনিস জানলাম, বুঝলি? একজন বড় মনের মানুষ হিসেবে ওনার পরিচিতিটা হয়েছিল জীবনের শেষদিকে, ওই সেকেন্ড ওয়ার্ল্ড-ওয়ারের পরে যখন লোকে জানতে পারল যে, কত ইহুদি-পরিবারকে নিজের ইনফ্লুয়েন্স কাজে লাগিয়ে উনি বাঁচিয়েছেন, তখন। কিন্তু উনি প্রথম খ্যাতি পেয়েছিলেন অন্য একটা কারণে। যুদ্ধ বাঁধতে তখনো প্রায় পঁয়ত্রিশবছর বাকি। উনিশশো-চার সালেই সারা পৃথিবীর ম্যাজিশিয়ান মহলে ওনার নাম ছড়িয়ে পড়েছিল হ্যারি হুডিনির ম্যানেজার হিসেবে। হ্যারি হুডিনির নাম শুনেছিস তো?
আমি রেগেমেগে বললাম, এতটা আন্ডার-এস্টিমেট কোরো না বুধোদা। The king of handcuffs—the man who walked through the wall। কোনো সিন্দুক, কোনো বাক্স, কোনো তালাচাবি দিয়ে যাকে আটকে রাখা যেত না সেই হুডিনির নাম জানব না?
বুধোদা আবার একটা গা-জ্বালানো হাসি হেসে বলল, আহা, চটছিস কেন? এতবছর ধরে আমার শাগরেদি করছিস—জানাটাই তো স্বাভাবিক। যাই হোক, সেই হুডিনির সঙ্গে যে জার্মানির স্বৈরাচারী কাইজার-সরকারের একটা মামলা হয়েছিল আর সেই মামলায় যে হুডিনিই জিতেছিলেন সেটা জানিস না নিশ্চয়।
না জানি না। ভাবো, এতবছর তোমার শাগরেদি করেও কত কিছু জানি না।
জ্যাঠাইমা একটা বড় থালায় এতগুলো গোকুলপিঠে নিয়ে ঘরে ঢুকে আমাদের মাঝখানে থালাটা নামিয়ে রেখে বললেন, সবক’টা খাবি, তবে বেরোবি। একটাও যেন পড়ে না থাকে। বুধোদা নিজে একটা পিঠে মুখে পুরে নিয়ে বলল, মেজাজ গরম করিস না। তার চেয়ে গরম পিঠে খা।
শোন, তার আগেই তো হুডিনি বেশ কয়েকবার আমেরিকার নানান জেলখানায় পুলিশের সঙ্গে চ্যালেঞ্জ নিয়ে হাতকড়া ছাড়িয়ে বেরিয়ে এসেছেন। এবার উনিশশো-দুই সালে তিনি গেলেন ইংল্যান্ডে। লন্ডনের আলহামরা-থিয়েটারে শো করা ছিল তখন যে-কোনো শিল্পীর স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন চোখে নিয়েই তরুণ হুডিনি দেখা করলেন আলহামরা থিয়েটারের মালিক ডান্ডাস স্লেটারের সঙ্গে।
তা, স্লেটার সাহেব হুডিনি নামের আমেরিকান ছেলেটিকে পরিষ্কার বলে দিলেন ওসব শিকাগো-পুলিশের হাতকড়া নিয়ে কী ম্যাজিক দেখিয়েছ তা আমার জানার দরকার নেই। আমাদের স্কটল্যান্ড-ইয়ার্ডের হাতকড়া থেকে যদি বেরিয়ে আসতে পারো, তাহলে তোমাকে আলহামরা থিয়েটারে ম্যাজিক দেখাতে দেব। হুডিনি তো তক্ষুনি রাজি। তিনি স্লেটারসাহেবের সঙ্গে গিয়ে হাজির হলেন স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডে আর ইয়ার্ডের তখনকার সুপারিন্টেন্ডেন্ট মেলভিল করলেন কি, কথা বলতেই বলতেই হঠাৎ হুডিনির হাতদুটো একটা রেগুলেশন-হ্যান্ডকাফ দিয়ে একটা থামের দুদিকে আটকে দিয়ে স্লেটারসাহেবকে বললেন, চলুন। আমরা চা-টা খেয়ে আসি। ঘণ্টাখানেক বাদে এসে ছোকরার হাতকড়া খুলে দেব।
স্কটল্যান্ড-ইয়ার্ডের করিডর ধরে দুজনে সবে কয়েক পা হেঁটেছেন, হঠাৎ শোনেন পেছন থেকে হুডিনি ডাকছেন—আরে, একটু দাঁড়ান। আমিও তো যাব আপনাদের সঙ্গে।
মেলভিল আর শ্লেটার অবাক হয়ে দেখেন, হুডিনি হাসতে হাসতে তাদের দিকে এগিয়ে আসছেন। হাতে মেলভিলকে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্যে খোলা হাতকড়াটাও আনতে ভোলেননি। বুঝতেই পারছিস, এরপরে আলহামরা থিয়েটারে ম্যাজিক দেখাতে হুডিনির আর কোনো অসুবিধে হয়নি। এসব ঘটনা খবরের কাগজে ছাপা হওয়ার পরে হুডিনির জনপ্রিয়তা আকাশ ছুঁল।
কিন্তু এর দু-বছর পরে হুডিনি যখন জার্মানির কোলন শহরের সেন্ট্রাল-থিয়েটারে শো করছেন তখন কাইজার জামানার মহা শক্তিশালী পুলিশ অফিসার ভের্নার গ্রাফ নিউজপেপারে একটা প্রবন্ধ লিখে প্রমাণ করতে চাইলেন, হুডিনি একজন ধাপ্পাবাজ। তার যা-কিছু জারিজুরি সবই স্টেজের ওপরে, নিজের জন্যে স্পেশালি তৈরি করানো হাতকড়া, তালা আর সিন্দুক নিয়ে। হুডিনি তার বিরুদ্ধে মামলা ঠুকলেন এবং কোর্টের মধ্যে দাঁড়িয়ে গ্রাফের লাগানো হ্যান্ডকাফ থেকে অনায়াসে হাত বার করে বেরিয়ে এলেন। মামলাটা হুডিনি জিতলেন তো বটেই, এই জিৎ তাঁকে গোটা জার্মানিতে বিখ্যাত করে দিল।
তবে এখন এই ম্যাগাজিনগুলো পড়ে বুঝছি, জার্মানির বুকে বসে পুলিশ অফিসার গ্রাফের এগেইনস্টে ওই মামলা করতেই পারতেন না হুডিনি, যদি-না তাঁর ম্যানেজার হিসেবে সেদিন পাশে থাকতেন আরেকজন অসীমসাহসী মানুষ—মার্টিন জিগলার। এরপরে যতদিন হুডিনি জীবিত ছিলেন, মানে উনিশশো ছাব্বিশ সাল অবধি, জিগলার আর হুডিনির বন্ধুত্ব অটুট ছিল।
আমি একটু চিন্তা করে বললাম, দ্যাখো বুধোদা। যে-মানুষ হুডিনিকে অত কাছ থেকে দেখেছেন, তিনি আবার প্রিন্স রাজনকেও আপন করে নিচ্ছেন। তার মানে প্রিন্স রাজনও তো নিশ্চয় প্রতিভাবান ছিলেন, তাই না?
এগজ্যাক্টলি, সেটাই ভাবছিলাম। অকালে প্রাণটা না হারালে ভারতীয় যাদুবিদ্যা নিশ্চয় আরেকজন গণপতি চক্রবর্তীকে পেত। এসকেপ-আর্টের আর এক ভগবানকে।
