কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে
KALIGUNIN O BAJRASINDUK RAHASYA
Written by SOUMIK DE
প্রথম প্রকাশ মে ২০২৪, জৈষ্ঠ ১৪৩১
প্রচ্ছদ ও অলংকরণ: রোহিত কর
সম্পাদক: সুমঙ্গল পন্ডিত
প্রকাশক: বিভা পাবলিকেশন
.
আমার প্রিয় ভাই অর্পণকে উৎসর্গ করলাম আমার এই বইটি, যার উপর বই কেনাকাটার বিষয়ে আমি প্রায় অন্ধের মতোই নির্ভর করি।
.
ভূমিকা
পাতা উলটানোর আগে একটু দাঁড়িয়ে যান প্লিজ। দেখুন, পরের পাতাগুলো উলটালেই আপনারা কালীপদ মুখুজ্জে ওরফে ডাকসাইটে তন্ত্রবিদ কালীগুণীন, ডাক্তার আর কানাই সর্দারের সঙ্গে অসাধারণ আর অলৌকিক সব ঘটনার মধ্যে হারিয়ে যাবেন আমি জানি। তাঁদের সঙ্গে ঘুরবেন ফিরবেন, তাঁদের কথাবার্তা শুনবেন, বিস্মিত হবেন, ভয় পাবেন, সবই জানি, কিন্তু আপনাদের সঙ্গে আমার, অর্থাৎ লেখকের কথাবার্তা কওয়ার, কুশল বিনিময় করার তো এই একটিই পাতা। সারা বছরভর আমি অপেক্ষা করে থাকি এই একটা পাতাতে আপনাদের সঙ্গে এটুকু কথা বলার জন্য।
আমাকে বহু পাঠকবন্ধুই প্রশ্ন করেন যে, কালীগুণীন কি সত্যিই ছিলেন বা আছেন? আমি একটা শ্বাস ফেলে এই প্রশ্নটুকু এড়িয়ে যাই সযত্নে। কিছু কথা বলা চলে না খুলে। যদি মনে করেন তিনি আছেন, খুবই ভালো। কাল্পনিক ভাবলেও ভাবতে পারেন, মন্দ কী? আসলে কালীগুণীন আপনাদের একেবারে ঘরের পাশের মানুষটি, যাঁর সঙ্গে বর্ষার সাঁঝে হৈহৈ করে মুড়ি তেলেভাজা খেতে খেতে গপ্পো করা চলে, যাঁর সঙ্গে সুন্দরবনের গহীন বনে নিজেকে সমর্পণ করে দিয়ে নিশ্চিন্তে হাঁটা চলে, আবার অতি ভয়ঙ্কর প্রেতবাধায় যখন সব দুয়ার বন্ধ হয়ে গিয়েছে, তখন তাঁকেই অব্যর্থ, অমোঘ, একাঘ্নী বাণের মতো নির্ভুল পরিত্রাতা হিসেবে স্মরণ করা চলে। যে দীর্ঘদেহী মানুষটা প্রেতশক্তিতে বজ্রআঁটুনি এঁটে যাওয়া কপাটকে হেলায় হাট করে খুলে ফেলে ভরাট, জলদমন্দ্র স্বরে বলবে, ‘ব্রাহ্মণ… নাম কালীপদ মুখুজ্জে… নিবাস রায়দীঘড়া।
আমার বরাবরেরই ইচ্ছে ছিল এমন কিছু অলৌকিক গল্প লেখার, যে গল্পগুলি হবে চেনা অলৌকিক গল্পের ধারণার থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। যে গল্পে প্রেত হবে সুচতুর। সে যতখানি নৃশংস, তার চেয়েও বেশি কুটিল আর খলবুদ্ধির অধিকারী একটা অতি ধূর্ত সত্বা, যার বিছানো জালকে চিনে ওঠা বা মোকাবেলা করা আমরা তো দূর, বহু তন্ত্রবিদেরও অসাধ্য। কিন্তু সৃষ্টিতে কেউই অমর হয় না, তাই সেই প্রেতের উপর মহাকালের তরোবারির মতো নেমে আসে আরেক বজ্রকঠিন তান্ত্রিক, যে ধূর্ততায় প্রেতের থেকেও দুই কদম এগিয়ে, যে কূটনীতিতে সেই নরঘাতক প্রেতের থেকেও দক্ষ এবং যে চতুর প্রেতের পাতা জালকে সেই প্রেতেরই মরণফাঁদে পরিণত করে নিজের ক্ষুরধার মেধা দিয়ে। যদি আপনাদের ভালো লাগে, তবেই আমার লেখা সার্থক মনে করবো। অনেকক্ষণ সময় নিলাম, আর আটকাবো না। পাতা উলটে প্রবেশ করুন প্রেত আর তান্ত্রিকের সেয়ানে সেয়ানে কোলাকুলির দাবাখেলায়।
ধন্যবাদ ও নমস্কারসহ,
সৌমিক দে
সল্টলেক, কলকাতা
১১-মে-২০২৪
.
রাজবাড়ির আজব-সব হেঁয়ালি… এক অদ্ভুত যন্ত্ৰ-ফাঁদ… অনন্ত হিমনিদ্রায় শায়িত এক অতি ভয়ঙ্কর পিশাচ… আর কালীগুণীন…
.
প্রাচীন করদ রাজ্য দেবীগ্রামে বহু যুগ আগে এক অতি ভয়ঙ্কর পিশাচের আবির্ভাব হয়। সে যুগের দুই ধুরন্ধর রাজা মিলে সেই পিশাচকে শায়িত করেন অনন্ত হিমনিদ্রায় এবং এক অদ্ভুত যন্ত্র-ফাঁদে বন্দি করেন সুকৌশলে। সেই রাজপরিবারের বংশে যুগ যুগ ধরে সবার চোখের সামনেই লুকিয়ে থাকে সেই ফাঁদ। অবশেষে রাজা মল্লর আশঙ্কা সত্যি করে বর্তমান যুগে এসে সামান্য এক ভুলের জন্য মুক্ত হয়ে যায় সেই নরঘাতক পিশাচ লম্ববেগা! আরম্ভ হয় রাজপরিবারের বর্তমান বংশধরদের উপরে নরমেধের তাণ্ডব! মৃত্যুপথযাত্রী প্রায় প্রত্যেক হতভাগ্যই কিছু-না-কিছু জানিয়ে যেতে চায় সবাইকে দুর্বোধ্য ইঙ্গিতে। কালীগুণীন কি পারবে সেইসব সঙ্কেত ভেদ করে এবং প্রাচীন দেবীগ্রামের রাজবাড়ির আজব হেঁয়ালি উদ্ধার করে এই ভয়ানক পিশাচের সঙ্গে টেক্কা নিতে?






অভীক দত্তের “বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে” ও “অপারেশন ব্লু উইংস” এই দুটো বই দেওয়ার চেষ্টা করবেন।
Sayantani putatunda lekha Mithridates ta upload korun pls
Please upload অযান্ত্রিক by Sayantani Putatunda
darun dutho golpo, aro chai.
Please upload nakshatrer arale by sayantani putatunda
Really good this story.
Smaranjeet chakraborty , Sayantani putatundu er books around upload korun please.