কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে
KALIGUNIN O CHATURANGER FNAD
Written by SOUMIK DE
প্রথম প্রকাশ : জুন ২০২৫, জৈষ্ঠ ১৪৩২
প্রচ্ছদ: নিরুপম মজুমদার
অলংকরণ: সৌম্যদীপ গুইন, অভিব্রত সরকার, কৃষ্ণেন্দু মণ্ডল
সম্পাদক: সুমঙ্গল পণ্ডিত
প্রকাশক: বিভা পাবলিকেশন
.
আমার এই বইটি আমি উৎসর্গ করলাম বইমেলার আড়ালে থাকা সেইসব বন্ধুদের, যাদের অক্লান্ত সহযোগিতা ছাড়া বইমেলার মতো এতবড়ো ধর্মনিরপেক্ষ মহোৎসব সম্ভবই নয়। সব জায়গার বইমেলার সকল কর্মীদের, সাফাই-কর্মী বন্ধুদের, আলো-জল-বিদ্যুৎ যোগানকারী-কর্মী বন্ধুদের, দমকল, পুলিশ তথা বইমেলার সঙ্গে জড়িত সেই সমস্ত অক্লান্ত পরিশ্রমী যোদ্ধাদের আমার কুর্ণিশ।
.
“ও দাদু, রাহু নামের রাক্ষসই নাকি চাঁদ আর সূর্যকে গিলে ফেলে বলে গ্রহণ হয়! সত্যি দাদু?”
“না দাদুভাই। সূর্য আর পৃথিবীর মাঝে চাঁদ চলে এলে সূর্য্যগ্রহণ হয়, আর সূর্য্যের আলো চাঁদের গায়ে পড়ার মাঝে পৃথিবীতে বাধা পেলে হয় চন্দ্রগ্রহণ। পুরোটাই বিজ্ঞান দাদুভাই। প্রকৃতিই হলেন সবচাইতে বড়ো তান্ত্রিক। তার উপরে আর কোনো তন্ত্র নাই।”
.
ভূমিকা
এই যন্ত্রনির্ভর যুগেও তন্ত্রনির্ভর রহস্যের প্রতি মানুষের আকর্ষণ দুর্নিবার, কিন্তু যদি তন্ত্রনির্ভর গল্পগুলো একটু আলাদা ধাঁচের হয়? যদি তন্ত্রের কচকচির সঙ্গে বিজ্ঞান মিশে যায় ওতপ্রোতভাবে? যদি অলৌকিক গল্প পড়ার সময়ে খাঁটি রহস্য-রোমাঞ্চ গল্প পড়ার অনুভূতি হয়? কিংবা যদি অযৌক্তিক ভূতুড়ে গল্পের অ-সম্ভাব্য ঘটনাপ্রবাহ ছেড়ে খাঁটি যুক্তিনির্ভর এবং তদন্তমূলক গল্পের স্বাদ দেওয়া যায়?
এই সবক-টি স্বাদকে একটা খসড়ায় গেঁথে পাঠক বন্ধুদের রসনার স্বাদ বদল করার জন্যই কালীগুণীন চরিত্রটির আবির্ভাব। একাধারে একজন ডাকসাইটে জমিদার, আবার একজন মহা শক্তিধর তান্ত্রিক, অথচ যাঁর মন্ত্রশক্তি একেবারে অমোঘ, একঘাতী হওয়া সত্ত্বেও সে কুটিল প্রেতের সঙ্গে রীতিমতো বুদ্ধির দাবা খেলে, চালের পর চালে তাকে পরাস্ত করে মানুষের বিপত্তারণ করেন।
খল এবং ধূর্ত পিশাচের ধূর্ততার প্রতিটি পদক্ষেপ নিরীক্ষণ করে, তার ক্ষমতা এবং সুক্ষ্ম দুর্বলতাকে বুঝে নিয়ে অবশেষে এক মোক্ষম নির্ভুল চালে সব জারিজুরি ধূলিসাৎ করে দেওয়া ধূর্ত প্রেতাত্মার থেকেও ধুরন্ধর সেই গুণীনের বিভিন্ন অতি রহস্যময় ঘটনা নিয়েই এই বই।
ইতিমধ্যেই কালীগুণীন চরিত্রটি ভারত, বাংলাদেশ এবং বিভিন্ন দেশের পাঠকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং একেবারে ঘরের মানুষটি হয়ে উঠেছেন। একদিকে কৌতুকপ্রিয়, কোমল হৃদয়, বন্ধুবৎসল একজন জমিদার, আবার কুটিল প্রেতাত্মার সঙ্গে বুদ্ধির টক্কর নেওয়ার সময়ে সেই মানুষটিই হয়ে ওঠেন সাক্ষাৎ কালভৈরবের দোসর।
তন্ত্র ঘরানার এই সেয়ানে সেয়ানে কোলাকুলির মতো প্রেতে-গুণীনে কূটবুদ্ধির চতুরঙ্গের চালে শেষমেশ কিন্তু কিস্তিমাৎ করেন সেই লৌহকঠিন মানুষটাই, আর বজ্রগম্ভীর স্বরে নিজের আত্মপরিচয়ে বলে ওঠেন-
ব্রাহ্মণ … নাম কালীপদ মুখুজ্জে… নিবাস রায়দীড়া।
ধন্যবাদ ও নমস্কারসহ,
সৌমিক দে
সল্টলেক, কলকাতা
৩০-মে-২০২৫
.
ফ্ল্যাপের লেখা
কালীগুণীন বনাম একচক্ষুর শাপ: এক প্রাচীন গ্রাম…. এক রাতের মধ্যে সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল কোনো এক রহস্যময় হানাদারের হাতে। বর্তমানে এক প্রত্নতাত্ত্বিক খননকার্যে নিজের দাঁত নখ নিয়ে উঠে এলো সেই মহা-সর্বনাশা দানব! একটি রহস্যময় তোরঙ্গ… জোড়া শিবমন্দির… তারা নাকি পরস্পরের মহাশত্ৰু! কী রহস্য লুকিয়ে রয়েছে এর পিছনে?
গুপ্তঘাতকের কবলে কালীগুণীন: যদি কেউ এমন সঙ্কেত আবিষ্কার করে বসে যা থেকে আলো নয় বরং নরকের নিকষ অন্ধকার ছড়িয়ে পড়ে? যদি একের পর এক বাড়িঘর রাতারাতি মুছে যেতে আরম্ভ করে পৃথিবীর থেকে? যদি সেই যন্ত্র এমন কোনো রূপে লুকানো থাকে, যা চোখের সামনে খোলাখুলি থাকলেও তাকে চেনা যায় না?
কালীগুণীন ও রাক্ষসের চাবিকাঠি: এক প্রাচীন পুঁথি… নরকের গোপন দ্বারের চাবিকাঠি … কী হবে যদি রাক্ষসরাজ রাবণের অমোঘ সঙ্কেত এই চাবিকাঠির মূলমন্ত্ৰ হয়?
কালীগুণীন বনাম রাক্ষুসে চোয়াল: জঙ্গলের ভিতর এক ভয়ঙ্কর মূর্তি… গাঁয়ের একজন মানুষ ষোড়শ মহাজনপদের অন্যতম পদ গান্ধারের রাজধানী তক্ষশিলার থেকে এক অতি আশ্চর্য রহস্য এনে উপস্থিত করল গ্রামে। সাহেবের ঘরের কাগজ চাপা দেওয়া পাথরটাই বা আকার বদল করে কেন? কেন একটা বিশেষ শব্দ শুনলেই তাকে আক্রমণ করে দানবটা?






Please upload ত্রাহিমাম, সর্বংস by সৌমিক দে
All stories I like to much
ত্রাহিমাম, সর্বংস by সৌমিক দে আপলোড করুন
আচ্ছা এগুলো কি সম্পূর্ণ বই ?
Please upload কালীগুনীন ও বজ্রসিন্দুক রহস্য
upload kaligunin trahimam