রাত্রি বড় দীর্ঘস্থায়ী

রাত্রি বড় দীর্ঘস্থায়ী

কালকে রাতে বড় বৃষ্টি নেমেছিল। এখনও চলছে। ঝমঝমে উত্তাল বৃষ্টি। এমন বৃষ্টি আমার পছন্দ নয়। এই বৃষ্টিতে সামনের দৃশ্য ঝাপসা হয়ে যায়, আর ঝাপসা কোনো কিছুই আমার ভালো লাগে না, না প্রকৃতি না সম্পর্ক!

আজ ছুটি নেব ভেবেছিলাম। এক কাপ কফি আর নিজের সঙ্গে বেশ কিছুটা সময় কাটাতে চেয়েছিলাম জানালার ধারে। কিন্তু অঙ্ক যাঁরা ভালোবাসেন তাঁরা জানবেন, শেষটুকু না মেলা অবধি মস্তিষ্কে অদ্ভুত অস্বস্তি চলে। পাঁচদিন হয়েছে কলকাতা থেকে ফিরে, কেসটায় একচুলও অগ্রগতি হয়নি। মৌপিয়ার শ্রাদ্ধকার্য মিটেছে। সামন্ত গিয়েছিলেন, কী কী খাইয়েছে তার একটা ফিরিস্তি দিতে চাইছিলেন। আমার জ্বলন্ত দৃষ্টি দেখে গুটিয়ে গিয়েছিলেন।

ক্রাইমসিনের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। কদিন ধরেই বৃষ্টিতে চতুর্দিক ধুয়ে যাচ্ছে। কেন যেন মনে হল যদি কিছু মিস করে থাকি। হয়ত ঝোপে ঝাড়ে কিছু পড়ে থাকলেও থাকতে পারে। এতদিনেও যখন কিছু করতে পারলাম না, হয় আমি অযোগ্য ডিটেকটিভ, নাহয় পৃথিবীর সব গোয়েন্দাকাহিনীই ভাঁওতাবাজি… সুমন্ত যেমন বলে। ভালো খবর একটাই, মহেন ভানকে ধরতে ঝাড়খণ্ড রওনা দিয়েছে পুলিশ। অবশ্য মহেন ভানের জবানবন্দীতে আমার কেসের কী সুরাহা হবে সেটা এখনও আমি জানি না।

জানালাটা উচ্চতায় মাটি থেকে ফুট পাঁচেক। এখন অকাল বর্ষার জল পড়ে জঙ্গুলে লতাপাতা প্রায় জানালার রড ছুঁয়ে ফেলেছে। ঘরের ভেতরটা অন্ধকার। নতুন পাম্প বাইরেই বসানো হয়েছে। এটা এখন পরিত্যক্ত। জানালার নিচে ঝোপটার মধ্যে হাত বাড়ালাম, তন্নতন্ন করে খুঁজবার চেষ্টা করলাম। খুনির পায়ের চাপে পিষে যাওয়া গাছগুলো আবার গা-চাড়া দিয়ে ওঠেছে। কিন্তু! অন্য কিছু নেই এখানে।

পাম্পঘরটার সামনে গেলাম। মৌপিয়া সেদিন গভীর রাতে ডান দিকের রাস্তাটা ধরে হাঁটতে হাঁটতে এসেছিল। তারপর অতর্কিতে হামলা… নাকি পরিচিতের সঙ্গে দু-একটা বাক্য বিনিময় হয়েছিল! হঠাৎ বিদ্যুতচমকের মতো একটা সম্ভাবনা আমার মাথায় এল, হতে পারে একমাত্র এই কারণেই… একমাত্ৰ এই কারণেই…তবে কী….

আমাকে চমকে দিয়ে ফোনটা বেজে উঠল। মণি হালদারকে তলব করা হয়েছিল, এসে পৌঁছেছেন।

******

“আচ্ছা, মিস্টার হালদার, যে ডুপ্লিকেট চাবিটা দিয়ে আপনি গেটটা খুলেছিলেন, সেটার তালা তো ভেতর থেকেও আটকানো যায়?”

“মানে!”

“মানে আপনার গেটের গ্রিলটার ডিজাইন অনেক কিছু সাজেস্ট করে। যেমন ধরুন, খুনের রাতে আপনি মৌপিয়ার পিছন পিছন গেলেন, মেয়েকে খুন করলেন, তারপর ডুপ্লিকেট চাবি ব্যবহার করে ভেতর থেকে আটকে দিলেন। সকালবেলা সবাই যখন খবর দিতে এল, দেখল আপনি ভেতর থেকে বন্ধ। হতে পারে না?”

ঘরে পিনপতন নৈঃশব্দ। মণিরঞ্জন রক্তচক্ষুতে আমার দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলেন।

“চল্লিশ মিনিট ধরে আপনি যে ফিরিস্তিগুলো দিলেন,” মণিরঞ্জন চিবিয়ে চিবিয়ে বললেন, “তাতে আমি একটা জিনিস পরিষ্কার বুঝেছি, আপনি কালপ্রিটের বিরুদ্ধে এক পয়সারও এভিডেন্স জোগাড় করতে পারেননি। অবশ্য মেয়েছেলের আর কদ্দূর খ্যামতা!”

“আহা! পার্সোনাল অ্যাটাকে কেন যাচ্ছেন? নবগোপাল হুঁইকে কে মারল তা কি এখনও অবধি একবারও আপনাকে জিজ্ঞাসা করেছি? মহেন ভানকে কিন্তু খোঁজা হচ্ছে মণিবাবু।”

“কে মহেন ভান? আমি কোনো মহেন ভানকে চিনি না।”

“হয়ত সে আপনাকে চেনে।”

“অসম্ভব!” মণি হালদার হাতের মুঠো শক্ত করলেন। “আপনি ফালতু কথা ছেড়ে আসল কথায় আসুন। আমাকে ওভাবে ফাঁসাতে পারবেন না।”

“ডোমেস্টিক ভায়োলেন্সের কেসে তো ফাঁসাতে পারব? আই অ্যাম শিওর, বেশ কিছু এভিডেন্স পাওয়া যাবে। হয়ত কিছু সাক্ষীও!”

জোঁকের মুখে নুন পড়ল।

“শতদল মিত্র মারা যায় ২০০২-এর ৮ই জানুয়ারি, মৌপিয়ার জন্ম ২০০২-এর ২রা অক্টোবরে। প্রি ম্যাচিওরড বার্থ। মিসেস হালদার সেই সময় সেক্সুয়াল গ্রাটিফিকেশনের মুডে ছিলেন তো মণিবাবু!”

“বিবাহিতা স্ত্রীর সঙ্গে কী করব সেটা আমার ব্যক্তিগত ব্যাপার।”

“মানসিকভাবে অসুস্থ স্ত্রীয়ের সঙ্গে যা খুশি করাটা ডোমেস্টিক ভায়োলেন্সের পর্যায়ে পড়ে। আপনার চোদ্দ গুষ্টির ভাগ্য কমলবাবু আপনার নামে কেস ঠোকেননি।”

“কমল একটা বাঞ্চোত!”

“কেবিন থেকে আপনি ইচ্ছা করে দুই বলেছিলেন, এক বলেননি!”

“একদম ফালতু কথা বলবেন না!”

“এক শব্দটাকে খুব চেষ্টা করেও দুই শোনা যায় না, মণিবাবু! কমল মিত্ৰ নিজের ডিসেবিলিটি লুকিয়ে যতটা অপরাধী, আপনি কিন্তু কম নন। আপনি খুনি।”

“একদম বাজে কথা বলবেন না। শতদল ওই সময় স্টেশনে থাকবে আমার জানার কথা নয়।”

“শতদল না হলে অন্য কেউ… আপনি আক্রোশ মেটানোর জন্য নিরপরাধ যাত্রীদের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছেন। তারপর নিজের স্ত্রীর অসুস্থতায় বিরক্ত হয়ে জোরজবরদস্তি তাকে রেপ করেছেন!”

“বেশ করেছি! তার ভতুর্কি দিয়ে চলেছি আঠারো বছর ধরে। মৌপিয়া যখন যা চেয়েছে পেয়েছে। একটা ঠিকঠাক মেডিকেলের কোচিংয়ে কত টাকা লাগে জানেন? পড়াতে কত খরচ হয়?” মণি হালদার হাঁপাতে হাঁপাতে বললেন।

“আর যখনই সে আপনার হাত থেকে বেরিয়ে বিধানের সঙ্গে সম্পর্কটাকে কন্টিনিউ করার কথা ভাবল, তখনই তাকে মেরে দিলেন। আসলে আপনি একটা আপাদমস্তক ক্ষমতালোভী মানুষ। ইউ আর এ ব্লাডি পাওয়ারমঙ্গার! বিধান একটা এক্সকিউজ, আপনার মতো মানুষেরা বশ্যতাকেই স্বাভাবিকত্বের মাপকাঠি মেপে নেন।”

মণিরঞ্জন হালদার আমার দিকে জ্বলন্ত দৃষ্টিতে চেয়ে রইলেন। যেন মনে মনে যুদ্ধ করছেন। খুব অস্পষ্টভাবে লোকটার বডিল্যাংগুয়েজে বদল হচ্ছিল। এটা এমন একটা গাট ফিলিং যেটা গোয়েন্দামাত্রই জানবেন। আমার মনে হল লোকটার শক্তপোক্ত পেশিগুলো একটু যেন ঢিলে হয়েছে, চোখের ভাষায় একটা অনুতাপের হালকা ছায়া পড়েছে। অনেকক্ষণ একইভাবে থাকার পর মণি হালদার একটা গভীর শ্বাস নিয়ে বললেন, “আপনার কোনো কথার উত্তর দিতে আমি বাধ্য নই। আপনি চার্জশিট দিন, বাকিটা আমি দেখে নেব।”

দরজা খুলে মণিরঞ্জন বেরিয়ে গেলেন। সামন্ত দরজা দিয়ে উঁকি মারছিলেন, দরজাটা সোজা মুখে গিয়ে ধাক্কা মারল।

সামলে নিয়ে সামন্ত বললেন, “ম্যাডাম, আপনার ফোন।”

স্টেট ফরেনসিকের শ্রীবাস্তব ফোন করেছিলেন বেশ কয়েকবার। রিং ব্যাক করতেই একবারে তুললেন ফোনটা।

“কিছু বাতচিৎ ছিল ম্যাডাম। আপ অভি ফ্রি হো?”

আমার গা-টা হঠাৎ ম্যাজম্যাজ করছিল। কথা বলতে খুব একটা ইচ্ছাও করছিল না। কেস রিলেটেড কিছু কিনা জিজ্ঞাসা করাতে শ্রীবাস্তব বলল, ও একটা লিঙ্ক শেয়ার করেছে মেলে, সময় নিয়ে সেটা পড়ে দেখতে।

কবিতা খামারুকে ডিটেন করা হয়েছে। কিন্ত মন বলছে সেরকম কিছু পাওয়া যাবে না।

***

জগত্তারিণী দেশলাই কারখানা থেকে একটু এগোলে রাস্তাটা একটা টার্ন নেয় স্টেশনের দিকে। ঠিক সেখানেই গাড়িটা খারাপ হয়ে গেল। ড্রাইভার দেখেটেখে বলল বেশি সময় লাগবে না। দশ মিনিট। কিন্তু আমাদের গাড়িতে বসিয়ে সে আধঘন্টা ধরে কোথায় যে হাওয়া হয়ে গেল, তা খোদাই মালুম! সামন্ত জিপের পেছনে বসে ঘাম মুছছিলেন। আমি ঠিক ঘামছিলাম না। শরীরে একটা জ্বরজ্বর ভাব, নাক সুরসুর, সামান্য গলা ব্যথা আর হাত-পা চুলকাচ্ছিল। মনে হয় অ্যালার্জি। নবগ্রামের ডাক্তার বদ্যির চেম্বার সব স্টেশনের দিকেই। সামন্ত বললেন, কে এক চেনাশোনা হোমিওপ্যাথি ধন্বন্তরী আছে, খুনখুনে বুড়ো কিন্তু সে নাকি চামড়ার রোগের দারুণ চিকিৎসা করে। ছোটবেলায় আমার বেগুন আর চিংড়িমাছ খোলে অ্যালার্জি হতো, কিন্তু জেদ করে খেয়ে ফেললে মা হোমিওপ্যাথি দিত মনে আছে। সামন্ত বাড়ি যাচ্ছিলেন, বললেন পথে দেখিয়ে দেবেন চেম্বার।

জগত্তারিণীর গেটটা গাড়ি থেকে দেখা যাচ্ছিল। গেটটা খুলে যে ছেলেটা বেরিয়ে এল তাকে কদিন আগেই দেখেছি। আনন্দ নাম বোধহয়। ছেলেটা রাস্তার দিকে তাকিয়ে পথ চলে বলে আমাদের খেয়াল করেনি। সামন্ত পিছন থেকে “কী হে আনন্দ!” বলে বাজখাঁই গলাতে ডাকায় একেবারে থতমত খেয়ে গেল। সামান্য তুতলিয়ে বলল, “আ…আ…আপনারা?” সামন্ত গাড়ি খারাপ হয়েছে বলায় ছেলেটার চোখেমুখে যে স্বস্তির ছাপটা ফুটে উঠল সেটা আমার চোখ এড়াল না।

জগত্তারিণীতে আগের কাজে টাকা পেত, মালিক খুব ভালো মানুষ এসব বলে আনন্দ পাশ দিয়ে চলে গেল। সামন্ত প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন, আনন্দ রক্ষিতের মতো নাকি ছেলে হয় না। এই মন্দার বাজারে যখন ছেলেছোকরারা চাকরির আশায় পাগল হয়ে যাচ্ছে, বা বখে ব্যাটারি (সামন্তর ভাষা) হয়ে যাচ্ছে, আনন্দ একার চেষ্টায় একটার পর আরেকটা কোর্স করে নিজেকে স্বনির্ভর করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। শুধু লোকাল পি.এস নয়, বর্ধমানের অনেকগুলো অফিসে ও কম্পিউটার সারায়। রাতে নাকি পেশেন্টের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফিজিওথেরাপি করে।

“ফিজিওথেরাপিও করে?”

“আমার ফ্রোজেন শোল্ডার সারিয়ে দিয়েছিল আনন্দ। হেব্বি হাত ছেলেটার।” সামন্ত বললেন।

পয়সা দিয়ে না ফ্রিতে জিজ্ঞাসা করাতে সেই যে চুপ হয়ে গেলেন আর মুখ খুললেন না। খিস্তিটা উনি নিঃশব্দেও ভালোই দেন, সেটা বুঝি।

গাড়ি সারিয়ে স্টেশন রোড যখন পৌঁছালাম তখন বাজে সন্ধে সাড়ে ছটা। টিনের শেড দেওয়া ছোট্ট দোকান অথচ বেজায় ভিড়; পাক্কা দেড় ঘন্টা অপেক্ষার পর চেম্বারে ঢুকে ডাক্তারকে দেখে একটু দমেই গেলাম। রোগাপ্যাঁকাটিসার

চেহারা, চোখে মিনিমাম মাইনাস দশ পাওয়ারের চশমা; ডাক্তার আমার দিকে তাকিয়ে হাসলেন। টেনিদার গল্পের সেই রামধনিয়ার ফোকলা মুখের কথা মনে পড়ে গেল।

আমার হাতটা ততক্ষণে বেশ ফুলে ওঠেছে। প্রচুর র্যাশ বেরিয়েছে। আতস কাচ দিয়ে ডাক্তার দেখে বললেন, “কী ব্যাপার বলো তো, কদিন আগেই এরকম র‍্যাশ নিয়ে আরেকজনও এসেছিল। এ তো ভারি অদ্ভুত ব্যাপার! তোমরা কি সবাই জলা জংলায় যাচ্ছ?”

“মানে?”

লোকটা হাড়জিরজিরে হাত বাড়িয়ে একটা কোৎকা মতো বই নামাল। তাতে বিশেষ পাতাখানি খুঁজে আমাকে দিয়ে বলল, “পড়ো।”

দেখলাম, লেখা আছে জংলা গাছের থেকে কারুর কারুর ক্ষেত্রে অ্যালার্জি হয়। যে ছবিগুলো দেওয়া সেগুলো আমার হাতের বিশ্রী ফোলা ফোলা র‍্যাশগুলোর সঙ্গে মিলে যাচ্ছে। অ্যালার্জির গোত্রের শ্রেণীবিভাগ করে বলা আছে উইড অ্যালার্জি। কিন্তু আমি তো… হঠাৎ মনে পড়ল পাম্পঘরের পিছনের জঙ্গলের কথা।

“গাছগুলো ছুঁলে এরকম হয়?”

“বিলক্ষণ।” ডাক্তার ওষুধ বানাতে বানাতে বলল।

“সবার হয়?”

“নাহ, কোটিকে গুটিক।”

আমার ক্লান্ত মস্তিষ্কে হঠাৎ সেরাটোনিনের বান ডাকল। পাম্পঘরে যে ছ’জোড়া ফুট প্রিন্ট পাওয়া গেছে তার সবকটাই স্যান্ডেলের। বুট নেই। যদি খুনি জানালা দিয়ে লাফায় তার পায়ের অনাবৃত অংশে জংলা গাছ ছুঁয়ে যাবেই। তার মানে ডাক্তারের কাছে যে এসেছিল…

“আরেকজন কে ছিল?”

ডাক্তার ওষুধ বানাতে বানাতে অন্যমনস্কভাবে বলল, “হুঁ?”

“আরেকজন…একই রকম অ্যালার্জি নিয়ে…” আমি প্রায় চিৎকার করে বললাম।

ডাক্তার অবাক হয়ে আমার দিকে তাকিয়ে বলল, “তা তো খেয়াল নেই।”

“একেবারেই মনে নেই!”

“অ্যালার্জিটা তো হাতে-পায়ে হয়েছিল, মন দিয়ে হাত-পা দেখিছি। মুখে হলে মুখটা খেয়াল করতাম।” লোকটা নির্বিকারে বলল।

“নাম লেখেন না পেশেন্টের?”

“নাহ, সে এককালে কম্পাউন্ডার ছিল যখন লিখত, এখন সে ব্যাটাচ্ছেলে আর আসে না। ওই ওষুধের খামেই নাম লিখি আর ডোজ।”

“সেই পেশেন্ট প্রথম কবে এসেছিল? বয়স কত?”

ডাক্তার ঘোলাটে চোখ মেলে বলল, “তা হবে দিন সাতেক। আর হাত পায়ের চামড়া দেখে বয়স ত্রিশের আশে পাশে মনে হয়েছিল। সে নিজেও বোধকরি ওরকমই বলেছিল।”

“আবার সেকেন্ড চেকাপে আসবে?”

ডাক্তার নেতিবাচক ঘাড় নাড়ালেন। “খুব বাড়াবাড়ি হয়েছিল, প্রথম দিকে গা করেনি আসলে… কিন্তু এক বারেই সেরে যাওয়ার কথা। দেখি, হাঁ করো তো? প্রথম ডোজটা দেব।”

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *