মৃতকৈটভ – ২ (ব্রহ্মপদার্থ) – সৌরভ চক্রবর্তী
প্রথম প্রকাশ: জানুয়ারি ২০২৪, কলকাতা বইমেলা
প্রচ্ছদ: স্বর্ণাভ বেরা
অলংকরণ: অভীক দাস
ভূমিকা
‘মৃতকৈটভ’ লিখেছিলাম এক বছর আগে। মৃতকৈটভ একটা কনসেপ্ট বা ধারণা যাকে আমি বাংলা সাহিত্যে প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলাম। বিগত এক বছরে পাঠকদের ভালোবাসা আমার ইচ্ছেকে মর্যাদা দিয়েছে। তাই স্বাভাবিকভাবেই এসেছে ‘মৃতকৈটভ ২’।
বিভিন্ন ভাষার সাহিত্যে মাল্টিভার্সের ধারণা রয়েছে। কিন্তু আমাদের বাংলা ভাষায় সেই অর্থে সেটা নেই। তাই আমি চেয়েছিলাম আমাদের বাংলায় এরকম এক মাল্টিভার্সের ধারণার জন্ম দিতে যা আমাদের ভাষা, সংস্কৃতির একেবারে কাছাকাছি হবে। এই বাংলার মাটি থেকেই আমি তুলে নিতে চেয়েছিলাম এই কাহিনির কাঁচামাল। সায়েন্স ফিকশানের নামে অনেক সময়েই আমাদের পড়তে হয় বিদেশী গল্পের অনুবাদ বা অনুকরণ। তাই আমার চেষ্টা ছিল বিজ্ঞানকে যদি কোনোভাবে আমাদের পারিপার্শ্বিক উপাদানের সঙ্গে মিশিয়ে দিতে পারি। সঙ্গে বীভৎসরস আর মাইথোলজির উপাদান যেরকম থাকে, সেরকম রইলো।
আশা করি ‘মৃতকৈটভ ২, ব্রহ্মপদার্থ’ পাঠকদের ভালো লাগবে। পাঠ শুভ হোক।
সৌরভ চক্রবর্তী
১লা জানুয়ারি, ২০২৪
কলকাতা
.
লেখকের কথা
এই গ্রন্থ কঠোরভাবে প্রাপ্তবয়ষ্ক এবং প্রাপ্তমনস্কদের জন্য। কোনো পরিবার বা সম্প্রদায় অথবা কোনো সাধক মহারাজ কিংবা কোনো সাধারণ ব্যক্তি (জীবিত কিংবা মৃত) অথবা কোনো উপজাতি সম্প্রদায়-কে আঘাত করার উদ্দেশ্যে এই গ্রন্থ লেখা হয়নি। এই কাহিনি সম্পূর্ণভাবে কাল্পনিক বা ফিকশান। জগন্নাথ মন্দিরে ব্রহ্মপদার্থের উপর চলা নানা কল্প কাহিনিকে কেন্দ্র করেই এই কাহিনির বিন্যাস যা সম্পূর্ণরূপে কাল্পনিক। তবে এই কাহিনির সঙ্গে কোনো বাস্তব ঘটনা বা ব্যক্তির সরাসরি মিল শুধুমাত্র কাকতালীয় ঘটনা হবে। গ্রন্থের লেখক জগন্নাথদেবের উপর সম্পূর্ণভাবে শ্রদ্ধাশীল। যে ক্রিয়াদির উল্লেখ এই গ্রন্থে রয়েছে বাস্তবে সেরকম কোনো ঘটনা কোথাও ঘটে না এবং এরকম অরণ্যও ত্রিপুরায় নেই। শুধুমাত্র একটি রোমাঞ্চকর কাহিনি লেখার খাতিরেই লেখক এই সমস্ত উল্লেখ করেছেন।




Please upload Dr death Adhiraj series
অনেক ধন্যবাদ এত সুন্দর সুন্দর বই উপহার দেওয়ার জন্য।
মৃত কৈটভ -এর তৃতীয় পার্ট কবে আসবে? পারলে একটু তাড়াতাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করবেন।
Please upload the third book of this series