ডিটেকটিভ মালতী ও মধুচ্ছন্দা – হিমাংশু বিকাশ দাস
প্রথম প্রকাশ: ডিসেম্বর২০১৫
প্রচ্ছদপট: শুভম মুখার্জি
.
উৎসর্গ
আমার মা
স্বর্গীয়া মনোমোহিনী দাসকে
.
.
যাদের সহযোগিতা এ লেখাকে সমৃদ্ধ করেছে
স্ত্রী – অমিতা দাস
পুত্র – হিমাদ্রি বিকাশ দাস
পুত্রবধূ – শরণ্যা কুমারন দাস
এবং
সর্বোপরি – অফুরন্ত প্রেরণার উৎস নবাগত নাতি হৃদান।
.
কৃতজ্ঞতা স্বীকার
নিঃসন্দেহে আমি শ্রদ্ধেয় সাহিত্যিক অনিরুদ্ধ বসু মহাশয়ের কাছে চিরকৃতজ্ঞ। এই বইটি প্রকাশ করার জন্য উনি আমাকে যেভাবে প্রেরণা ও উৎসাহ দিয়েছেন তা এককথায় অভিনব। অতি যত্নে এই বইটি প্রকাশ করার জন্য আমি স্মৃতি পাবলিশার্স এর প্রকাশক ও সবাইকে জানাচ্ছি আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা, প্রীতি ও শুভেচ্ছা।
.
ভূমিকা
দীর্ঘ দিন ধরে লিখার যে বাসনা মনের মাঝে পোষে রেখেছিলাম, আজ তা পূর্ণ হতে চলেছে দেখে খুব আনন্দ পেলাম। ছোটবেলা থেকে আমি রহস্য কাহিনী পড়ে খুব মজা পেতাম, আর ভাবতাম কখন আমার জীবনেও সুযোগ আসবে লিখার। আজ জীবনের অপরাহ্ণে লিখার সে সুযোগ পেয়েছি বলে আমার মনে কোন ক্ষোভ নেই। পাঠক-পাঠিকারা এই বইটি পড়ে যদি সামান্য আনন্দ পান, তাহলেই আমি বুঝব যে আমার প্রয়াস সার্থক হয়েছে।
হিমাংশু বিকাশ দাস
.
লেখক পরিচিতি
জন্ম ২৩ শে ফেব্রুয়ারী, ১৯৪৭
পিতা স্বর্গীয় গিরিশ চন্দ্র দাস ও মাতা স্বর্গীয়া মনোমোহিনী দাস অধুনা বাংলা দেশের কুমিল্লার অধিবাসী ছিলেন। স্বাধীনতার প্রায় এক বৎসর পূর্বে তাঁরা বাংলা দেশ চিরদিনের জন্য পরিত্যাগ করে অসমের শোনিতপুর জিলার অন্তর্গত ঢেকিয়াজুলী শহরের নিকটবর্তী এক গ্রামে চলে আসেন ও স্থায়ীভাবে সেখানে বসবাস শুরু করেন। জন্মের পর থেকেই চা বাগান অধ্যুষিত এই মনোমুগ্ধকর অঞ্চলটির প্রতি লেখকের এক নিবিড় সম্পর্ক গড়ে উঠে। লেখকের বৈচিত্র্যপূর্ণ শৈশব অতিবাহিত হয় এই গ্রামেই।
১৯৬৪ সালে লেখক ঢেকিয়াজুলী শহরে অবস্থিত নেতাজী বিদ্যা মন্দির থেকে মেট্রিক পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। ১৯৬৮ সালে লেখক দরং কলেজ, তেজপুর, অসম থেকে রসায়নে অনার্স নিয়ে স্নাতক হন ও ১৯৭২ সালে ইন্সটিটিউশন অফ কেমিস্টস, কলকাতা থেকে এ,আই,সি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।
লেখক তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন প্রতিরক্ষা বিভাগের অধীনস্থ ডি আর ডি ও তে যোগদান করে। গবেষণামূলক কাজে লেখককে উত্তর পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলে ভ্রমণ করতে হয়। কর্মজীবনে লেখকের অনেক গবেষণামূলক কাজ বিভিন্ন রিসার্স জার্নালে প্রকাশিত হয় এবং একটি প্রযুক্তিতে লেখক যুগ্মভাবে ডি আর ডি ও কর্তৃক পুরস্কৃত হন। লেখক বিভিন্ন বিজ্ঞান সংস্থার সদস্য। ২০০৭ সালে লেখক চাকরী জীবন থেকে সায়েন্টিস্ট ‘ই’ পদে অবসর নেন।




Leave a Reply