যদি প্রেম না দিলে প্রাণে – পল্লবী সেনগুপ্ত
যদি প্রেম না দিলে প্রাণে – পল্লবী সেনগুপ্ত
JODI PREM DILE NA PRANE
প্রথম প্রকাশ : মে, ২০২১
.
উৎসর্গ
এই বইটা ভালোবাসার বই। তাই দিলাম তাকে যে মানুষটির সাথে নিঃস্বার্থ ভালোবাসার
সম্পর্কে আবদ্ধ আমি এই পৃথিবীতে আসার আগে থেকেই।
এই বইটা দিলাম ‘মা’ কে।
.
কৃতজ্ঞতা স্বীকার
আমার সেই সকল পাঠক বন্ধুকে যাদের দেওয়া উৎসাহ বাঁচিয়ে রেখেছে
আমার কালি ও কলমকে,
আমার পরিবারের প্রতিটা মানুষ যাদের নিরন্তর প্রশ্রয় ও সহযোগিতা আমায় প্রতিদিন অনুপ্রেরণা যোগায় নতুন কিছু সৃষ্টি করার,
আমার বাবা, মা , বোন ও আমার ঘরের মানুষ এবং লিপিঘর প্রকাশনীর দুই কর্ণধার
শ্রী দেবাশীষ মিত্র এবং আমার প্রিয় বান্ধবী মৌমিতা ঘোষ,
যারা ব্যবসায়িক লাভ ক্ষতির বিচার না করে শুধুমাত্র আমার প্রেমের গল্প সংকলন প্রকাশের ইচ্ছেটাকে প্রাধান্য দিয়েই এই বইটি প্রকাশের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন আমায়।
.
ভূমিকা
ভালোবাসা ! এই শব্দটার আলাদা করে কোন ভূমিকা হয় না। চার অক্ষরের এই শব্দটি স্বয়ংসম্পূর্ণ। ভালোবাসা পেতে ভালোবাসে না, আর ভালোবাসতে ভালোবাসে না এমন মানুষ বোধ হয় পৃথিবীতে হয় না। তাই অনবদ্য, স্বর্গীয় এই অনুভূতিকে মূল উপজীব্য বিষয় করেই আমার এই বইয়ের দশটি গল্পের অবতারণা। নর নারীর চিরাচরিত ভালোবাসার অমোঘ অনুভুতিই উঠে এসেছে নানা ভাবে এই বইয়ের দশটি বড় গল্পে।
ভালোবাসা নিয়ে আমার নতুন করে কিছু বলার অপেক্ষা রাখে না, তবুও নিয়মমাফিক একটা তথাকথিত ‘ভূমিকা’ লিখতেই হবে বইয়ের জন্য এই বইয়ের লেখিকা হিসেবে।
তাই না হয় এই বইয়ে উঠে আসা বিভিন্ন চরিত্রদের নিয়েই তু চার কথা বলি।
ধীমান, বৃষ্টি, অস্মি, অনু, সুদীপা এবং আরও অনেক চরিত্ররা উপস্থাপিত হয়েছে বইয়ের নানা গল্পে। উঠে এসেছে তাদের জীবনের ওঠা পড়া, যে ওঠা পড়া আবর্তিত হয়েছে ভালোবাসা নামক অনুভূতি ও তাদের ভালোবাসার মানুষকে ঘিরেই।
আসলে এই অতি আধুনিক ডিজিটাল যুগে আমরা প্রতিযোগিতায় লিপ্ত থাকতে বড্ড বেশি ভালোবাসি একথা ঠিক, তেমনই এটাও ঠিক যে আজকাল নানা জটিল পারিপার্শিক হয়তো শিথিল করে দেয় আমাদের মনের সূক্ষ অনুভূতিগুলোকে, তবুও ভালোবাসার জাদু আবেগ এর মোহময় আকর্ষণ থেকে কখনোই কিন্তু নিজেদের সরিয়ে রাখতে পারি না আমরা। উপেক্ষা করতে পারিনা এই চিরাচরিত অনুভূতিকে, তাই জীবনের প্রতিটি বাঁকেই ভালোবাসার একটা শীতল স্পর্শ আমরা পেতে চাই সকলেহ। জীবনের নানা ক্ষেত্রেই তাই নানা অদলবদল, নানা চড়াই উৎরাই নিয়ন্ত্রিতহয় এই চার অক্ষরের অনুভূতিকত ঘিরেই আমাদের জীবনে কমবেশি সকলেরই ঠিক এই গল্পের চরিত্রদের মতোই।
আমি আশা করি আমার গল্পের চরিত্রদের কারোর না কারোর সাথে কোনো না কোনোভাবে ঠিক নিজেদের মিল খুঁজে পাবেনই আমার পাঠকবন্ধুরা, কারণ প্রতিটা চরিত্রই একেবারে মাটির গন্ধ মাখা অর্থাৎ ভীষণ ভাবে বাস্তব থেকে উঠে আসা।
হিংসা, দ্বেষ, হানাহানি আর প্রতিযোগিতার এই কঠোর পৃথিবীতে যারা আজও হারিয়ে যেতে ভালোবাসেন ভালোবাসার সোঁদা গন্ধে নিছক তাদের জন্যই কয়েকটা বড় গল্পকে একত্রে নিয়ে একটি প্রেমের গল্পের সংকলন তৈরী করার ইচ্ছা ছিল আমার বহুদিনই ছিল।
লিপিঘর প্রকাশনীকে অকুন্ঠ ধন্যবাদ আমার এই গল্পগুলিকে দুই মলাটে বন্দি করে পাঠকবন্ধুদের সামনে নিয়ে আসার জন্য। আমার পূর্ববর্তী বইগুলোর মতো এই বইটিকেও পাঠকরা ভালবাসবেন এই প্রত্যাশা রইলো।
ভালো না খারাপ, প্রশংসা না নিন্দা ঠিক কিসের যোগ্য হয়ে উঠেছে এই বইয়ের গল্পগুলো তা জানার জন্য থাকবে আমার অপেক্ষা।
– পল্লবী সেনগুপ্ত



Leave a Reply