জন্তু – হারিয়ে যাওয়া খুনিরা সিরিজ ৪ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়
জন্তু – হারিয়ে যাওয়া খুনিরা সিরিজ ৪ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়
দেশের সর্বকনিষ্ঠ সিরিয়াল কিলার
ও আরো দুই আলোড়ন তোলা সত্য কাহিনী
প্রথম প্রকাশ – জানুয়ারি ২০২৩
প্রচ্ছদ – স্বর্ণাভ বেরা
অলংকরণ – পারমিতা চৌধুরী
প্রকাশক – শংকর মণ্ডল
.
বিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ
দুর্বল হৃদয়ের মানুষরা ‘হারিয়ে যাওয়া খুনিরা’ সিরিজের এই খণ্ডটি পড়বেন না। এই খণ্ডের কাহিনীগুলো সম্পর্কে রসদ সংগ্রহ করতে গিয়ে আমি নিজেই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলাম।
.
‘হারিয়ে যাওয়া খুনিরা’ আমার ”ট্রু ক্রাইম’ গোত্রের একটি নন ফিকশন সিরিজ যা পাঠকমনে বিপুলভাবে স্থানাধিকার করে রয়েছে। বিদেশে বহুলজনপ্রিয় হলেও বাংলায় এই genre কিছুটা হলেও ব্রাত্য। ”জন্তু” এই ট্রু ক্রাইম সিরিজেরই চতুর্থ খণ্ড।
এই খণ্ডে রয়েছে তিনটি সত্য ঘটনা, যেগুলো নানা সময়ে দেশের নানা প্রান্তে আলোড়ন তুলেছিল। সিরিজের নিয়ম মেনে প্রতিটি ঘটনারই কেন্দ্রে রয়েছে এক বা একাধিক মৃত্যু, যে মৃত্যু সেইসময় জনমানসে সৃষ্টি করেছিল তীব্র প্রতিক্রিয়া।
গ্রন্থের প্রথম কাহিনী আবর্তিত হয়েছে প্রাক্তন সেনা দরবার সিংকে কেন্দ্র করে, যে ত্রিশেরও বেশি শিশুকে ধর্ষণ ও খুন করেছিল। শিহরণ তোলা দরবার সিং কে বলা হত baby killer।
গ্রন্থের দ্বিতীয় কাহিনী আরো সাংঘাতিক। আট বছরের অমরজিৎ সাদা হত্যা করেছিল তিন তিনটি শিশুকে, শুধুমাত্র তার মারতে ভাল লাগে’ বলে। এই হাড় কাঁপানো সাইকোপ্যাথদের সত্যঘটনা লিখতে আমার ভাল লাগেনি একেবারেই, তবু লিখেছি কারণ ইতিহাসের গর্ভে হারিয়ে যাওয়া এই কুশীলবদের সমাজের মনে রাখা প্রয়োজন, সতর্কতার জন্য।
প্রতিটি ঘটনার ফ্যাক্ট নেওয়া হয়েছে সংবাদপত্র, নির্ভরযোগ্য রেফারেন্স ও নানাবিধ প্রবন্ধ থেকে। পূর্ববর্তী তিন খন্ডের মতই সত্য ঘটনার আলেখ্যে লেখকের কল্পনায় রচনা করা হয়েছে কাহিনীগুলো। সাহিত্যরসের স্বার্থে এই স্বাধীনতাটুকু লেখকের অধিকার বলেই মনে করি।
আশা করি, হারিয়ে যাওয়া খুনিরা ১, বাবু ও বারবনিতা, মৃত্যুমেডেলের মত এই চতুর্থ খণ্ডটিও একইভাবে পাঠক হৃদয়কে তৃপ্তি দেবে।
ধন্যবাদ
দেবারতি মুখোপাধ্যায়






ট্রু ক্রাইম জনরার আরও বই চাই। যেমন- অন্বয় আকিবের ‘দ্য মোস্ট ডেঞ্জারাস গেম’ বা ‘টকিং উইথ সাইকোপ্যাথস অ্যান্ড স্যাভেজেস’- মোহাম্মদ আবদুল লতিফ (অনুবাদক)।