সময় টা তখন ২০২৪,তখন আমি ৭ম শ্রেণিতে পড়ি।হঠাৎ একদিন আমার এক বান্ধবীর হাতে মুহাম্মদ জাফর ইকবালের লেখা ‘আমার বন্ধু রাশেদ’ বইটি দেখি।বইটি পড়ার প্রচন্ড আগ্রহ জাগে,তাঁর থেকে বইটি নেয়। ক্লাস চলছিল, তখন বেঞ্চের নিচে স্যারের চোখ ফাঁকি দিয়ে বই পড়া শুরু করি। টানা ৫ ঘন্টা ধরে বইটা পড়ি ক্লাস চলাকালীন। বাসায় এসে আবার মনোযোগ দিয়ে বইটা পড়ি। বইটার শেষ পৃষ্ঠা গুলো পড়ার সময় আমি এত কান্না করেছি যা আগে আমি কখনো করিনি। আমার মনে হয়েছিল রাশেদ লেখকের বন্ধু নই, বরং আমার বন্ধু। রাশেদের এই দেশপ্রেম আমার মাঝে এক নতুন শক্তি সঞ্চার করেছে। আমাকে শিখিয়েছে দেশপ্রেম কাকে বলে। রাশেদ আমাকে আত্মবিশ্বাসী করেছে।মুহাম্মদ জাফর ইকবালের লেখা এই বইটি আমার সবচেয়ে প্রিয়।একাডেমিক বইয়ের বাইরে এটি আমার জীবনের প্রথম গল্পের বই। এইটি বইটি আমার মাঝে এক নতুন শক্তি জুগিয়েছে, প্রেরণা দিয়েছে আগামীর পথে এগিয়ে যেতে।আজ ২৬ সালে ২৫ জানুয়ারি আমি আবার বইটি পড়লাম। রাশেদকে মনে করার চেষ্টা করলাম। দোয়া করি শ্রদ্ধেয় লেখক জাফর ইকবালের জন্য,রহমানুর রাহীম যাতে লেখককে উত্তম বিনিময় দান করেন (ইয়া আরহামার রহিমিন)।
সময় টা তখন ২০২৪,তখন আমি ৭ম শ্রেণিতে পড়ি।হঠাৎ একদিন আমার এক বান্ধবীর হাতে মুহাম্মদ জাফর ইকবালের লেখা ‘আমার বন্ধু রাশেদ’ বইটি দেখি।বইটি পড়ার প্রচন্ড আগ্রহ জাগে,তাঁর থেকে বইটি নেয়। ক্লাস চলছিল, তখন বেঞ্চের নিচে স্যারের চোখ ফাঁকি দিয়ে বই পড়া শুরু করি। টানা ৫ ঘন্টা ধরে বইটা পড়ি ক্লাস চলাকালীন। বাসায় এসে আবার মনোযোগ দিয়ে বইটা পড়ি। বইটার শেষ পৃষ্ঠা গুলো পড়ার সময় আমি এত কান্না করেছি যা আগে আমি কখনো করিনি। আমার মনে হয়েছিল রাশেদ লেখকের বন্ধু নই, বরং আমার বন্ধু। রাশেদের এই দেশপ্রেম আমার মাঝে এক নতুন শক্তি সঞ্চার করেছে। আমাকে শিখিয়েছে দেশপ্রেম কাকে বলে। রাশেদ আমাকে আত্মবিশ্বাসী করেছে।মুহাম্মদ জাফর ইকবালের লেখা এই বইটি আমার সবচেয়ে প্রিয়।একাডেমিক বইয়ের বাইরে এটি আমার জীবনের প্রথম গল্পের বই। এইটি বইটি আমার মাঝে এক নতুন শক্তি জুগিয়েছে, প্রেরণা দিয়েছে আগামীর পথে এগিয়ে যেতে।আজ ২৬ সালে ২৫ জানুয়ারি আমি আবার বইটি পড়লাম। রাশেদকে মনে করার চেষ্টা করলাম। দোয়া করি শ্রদ্ধেয় লেখক জাফর ইকবালের জন্য,রহমানুর রাহীম যাতে লেখককে উত্তম বিনিময় দান করেন (ইয়া আরহামার রহিমিন)।