• Skip to main content
  • Skip to header right navigation
  • Skip to site footer

Bangla Library

Read Bengali Books Online (বাংলা বই পড়ুন)

  • Login/Register
  • Account

আঘাত – প্রফুল্ল রায়

লাইব্রেরি » প্রফুল্ল রায় » আঘাত – প্রফুল্ল রায়
আঘাত - প্রফুল্ল রায়
লেখক: প্রফুল্ল রায়বইয়ের ধরন: অসম্পূর্ণ বই, থ্রিলার রহস্য রোমাঞ্চ অ্যাডভেঞ্চার

আঘাত – প্রফুল্ল রায়

AGHAT
A Bengali Novel BY PRAFULLA ROY

[অসম্পূর্ণ বই। বইটি অনেক বড়। ৮০০ পৃষ্ঠার বেশি। আমরা যে সফট কপিটা পেয়েছি, জলছাপের জন্য সেটা নিয়ে কাজ করা অনেক সময় সাপেক্ষ। এই বইটা কতদিনে শেষ করতে পারব, বলতে পারছি না।]

প্রথম প্রকাশ : এপ্রিল ২০১৬, বৈশাখ ১৪২৩

প্রচ্ছদ : রঞ্জন দত্ত

.

প্রফুল্ল রায়ের প্রথম থ্রিলার ‘চরিত্র’ জনচিত্ত জয় করেছিল। তার দীর্ঘকাল পর লেখকের দ্বিতীয়, সম্ভবত শেষ থ্রিলার ‘আঘাত’। হত্যা, প্রতিহিংসা, গ্যাং-ওয়ার, অপহরণ, কোটি কোটি টাকা মুক্তিপণ আদায়, বে-আইনি অস্ত্রের চোরাচালান, বন্দুকের লড়াই—সব মিলিয়ে ‘আঘাত’ পাঠকের শ্বাসপ্রশ্বাস বন্ধ করে দেওয়ার মতো বিস্ময়কর থ্রিলার। এর পাতায় পাতায় শিহরন আর রোমাঞ্চ। ইংরেজিতে একটি শব্দবন্ধ আছে unputdownable. আটশো পৃষ্ঠার এই সুবিশাল উপন্যাসটি পড়তে শুরু করলে শেষ না করা অবধি হাত থেকে নামানো যাবে না।

.

প্রফুল্ল রায়ের জন্ম ১১ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৪। আদি নিবাস অখণ্ড বাংলার ঢাকা জেলায়, বিক্রমপুরের আটপাড়ায়। বাল্যকাল এবং কৈশোর কেটেছে পূর্ববঙ্গে। দেশভাগের পর স্থায়ীভাবে ভারতে চলে আসেন। শুরু হয় কঠোর জীবনসংগ্রাম।

একসময় বিশাল ভারতবর্ষের একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে ঘুরে বেড়িয়েছেন। দেশ দেখার ইচ্ছা তো ছিলই, দেশের পিছিয়ে-থাকা শোষিত মানুষকে নিবিড়ভাবে জানার আগ্রহ ছিল তার চেয়ে অনেক বেশি। এই বিপুল অভিজ্ঞতা তাঁর সৃজনীশক্তিকে সমৃদ্ধ করেছে। ছোটখাটো নানা কাজ করার পর ‘যুগান্তর’ পত্রিকার সাহিত্য বিভাগ ‘সাময়িকী’র সম্পাদক হন। কিছুকাল ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এর সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন।

প্রথম গল্প ‘মাঝি’ এবং প্রথম উপন্যাস ‘পূর্বপার্বতী’। ‘কেয়াপাতার নৌকো’, ‘আকাশের নীচে মানুষ’, ‘রামচরিত্র’, ‘ধর্মান্তর’, ‘শতধারায় বয়ে যায়’, ‘রথযাত্রা’, ‘সিন্ধুপারের পাখি’, ‘ভাতের গন্ধ’, ‘একটা দেশ চাই’, ‘শ্ৰেষ্ঠ গল্প’, ‘ঈশ্বরপুত্র’ তাঁর বিখ্যাত কয়েকটি গ্রন্থ।

সাহিত্যে অসামান্য অবদানের জন্য ‘সাহিত্য অকাদেমি, ‘বঙ্কিম’, ‘রামকুমার ভুয়ালকা’, ‘পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ড-এর লাইফ টাইম অ্যাচিভমেন্ট’, ‘শরৎ স্মৃতি’, ‘বি এফ জে এ’, ‘প্রাচীন কলাকেন্দ্র চণ্ডিগড়’, ‘সুরমা চৌধুরি আন্তর্জাতিক স্মারক পুরস্কার’

‘পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিশেষ চলচ্চিত্র পুরস্কার’ ছাড়াও পেয়েছেন অনেক সম্মান। নানা ভারতীয় ভাষায় এবং ইংরেজিতে তাঁর বহু রচনা অনূদিত হয়েছে।

এই লেখকের গল্প-উপন্যাস অবলম্বনে পঁয়তাল্লিশটির মতো ফিচার ফিল্ম, টেলিফিল্ম ও টেলিসিরিয়াল নির্মিত হয়েছে। এই সব ছবির বেশ কয়েকটি শ্রেষ্ঠ রাষ্ট্রীয় পুরস্কারে সম্মানিত।

.

বিপুল আকারের আইনের বইগুলো ঘাঁটতে ঘাঁটতে মস্তিষ্ক যখন ভারী হয়ে ওঠে তখন রহস্যকাহিনি, ভূতের গল্প আর থ্রিলারই হচ্ছে তোমাদের কাছে টেনশন কমানোর মুষ্টিযোগ। তাই এই বইটি তোমাদের দুই ভাইকে দিলাম।
আমার বড়দা ছন্দক ও ছোটদা রোহিত
কল্যাণীয়েষু

.

প্রসঙ্গত

প্রথমেই জানিয়ে রাখি ‘আঘাত’ উপন্যাসটির সমস্ত চরিত্র এবং আধ্যানের যাবতীয় ঘটনাবলি সম্পূর্ণ কাল্পনিক। বাস্তবের সঙ্গে এর যদি যৎসামান্য মিলও পাওয়া যায় তা একান্তভাবেই কাকতালীয়। এর জন্য লেখক দায়ী নন।

এর আগে আমি একটি মাত্র থ্রিলার লিখেছি—’চরিত্র’। ‘আঘাত’ আমার দ্বিতীয়, সম্ভবত শেষ থ্রিলার। ১৯৯৪ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত দু’বছরে এই উপন্যাসটি লিখেছি। ‘নবকল্লোল’ মাসিকে এটি ধারাবাহিক প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৯৭ সাল থেকে একুশ শতকের ২০০৮ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত প্রায় এগারো বছর ধরে। এ বছর কলকাতা বইমেলায় এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হল।

আমার প্রথম থ্রিলার ‘চরিত্র’ বেরুবার পার মানসিক চাপে আমার রক্তচাপ বেড়ে গিয়েছিল। থ্রিলার লেখায় আমার হাতে-খড়ি ‘চরিত্র’ দিয়ে। পাঠক সেটি গ্রহণ করবেন, না আমাকে খুঁজে বের করে গায়ে থুতু ছিটোবেন, এই চিন্তায় তটস্থ হয়ে থাকতাম। কিন্তু প্রতিক্রিয়া হয়েছিল অশাতীত। অজস্র পাঠক আমাকে ফোন করেছেন, চিঠি লিখেছেন। অতি উৎসাহী যাঁরা, বাড়িতে এসে তাতিয়েও গেছেন, যেন আমি মুহুর্মুহু থ্রিলার লিখে যাই। কিন্তু আমার পরম শুভার্থী কবি, বিস্ময়কর ছোটগল্প লেখক, কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, ঘনাদার চিরস্মরণীয় স্রষ্টা প্রেমেন্দ্র মিত্র অসন্তুষ্ট হয়েছিলেন। তীব্র বিরক্তির সুরে বলেছিলেন, এসব লিখে যেন সময় নষ্ট না করি। কেন তাঁর অসন্তোষ সেসব অন্য প্রসঙ্গ।

অভিভাবকতুল্য মানুষটির নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ‘আঘাত’ লিখলাম। যাই হোক, উপন্যাসটি অনেক আগেই গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হতে পারত কিন্তু সম্ভব হয় নি আমার অগোছালো স্বভাবের কারণে ‘নবকল্লোল’-এ দীর্ঘকাল ধরে প্রকাশের সময় প্রতি মাসে যে অংশটুকু বেরুত তা আমি কেটে পর পর সাজিয়ে রাখিনি। ফলে গ্রন্থাকারে প্রকাশের সময় কিছু অংশ Compose করার পর অথৈ জলে পড়লাম। পরের অংশের কিস্তিগুলি আর পাওয়া যাচ্ছে না। ‘Com – pose’ বন্ধ হয়ে গেল।

তারপর বেশ কয়েক বছর কেটে গেছে। শেষ পর্যন্ত কবি, গল্পকার এবং সম্পাদক রূপক চট্টরাজ দৈবাপ্রেরিতের মতো হঠাৎ একদিন আমার কাছে এসে হাজির। কথায় কথায় জানা গেল ‘নবকল্লোল’-এর যেসব সংখ্যায় উপন্যাসটি লিখেছি তার সমস্ত কপি তার কাছে আছে। রূপক আমার অনুজপ্রতিম প্রিয়জন। একশো কুড়িটি সংখ্যায় উপন্যাসটি বেরিয়ে ছিল ‘নবকল্লোল’-এ। সে পুরো একটি মাস নাওয়া-খাওয়া শিকেয় তুলে, গলদঘর্ম হয়ে, তুমুল পরিশ্রম করে পত্রিকায় প্রকাশকাল মিলিয়ে সযত্নে Photocopy করে আমাকে পৌঁছে দিল। রূপকের এতে কোনও স্বার্থ নেই। তার আন্তরিকতায় আমি অভিভূত।

Photocopy গুলো হাতে পাওয়ার পর পূর্ণোদ্যমে ‘আঘাত’ ছাপার তোড়জোড় শুরু হল। রূপক নিঃস্বার্থভাবে হাত বাড়িয়ে না দিলে এই উপন্যাস আমার ইহজীবনে প্রকাশিত হত না। তার সঙ্গে আমার যা সম্পর্ক তাতে সামান্য ধন্যবাদ বা কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এই ঋণ শোধ হয় না।

প্রফুল্ল রায়
বইমেলা ২০১৬

Book Content

আঘাত – ১

ভূমিকা – প্রফুল্ল রায়

নিজেই নায়ক – প্রফুল্ল রায়ভ

গহনগোপন – প্রফুল্ল রায়

লৌকিক এবং অলৌকিক গল্প

লৌকিক এবং অলৌকিক গল্প – প্রফুল্ল রায়

Reader Interactions

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লেখক

সিরিজ

বইয়ের ধরণ

বাংলা ডিকশনারি

বাংলা জোক্স

বাংলা লিরিক্স

বাংলা রেসিপি

বিবিধ রচনা

বাংলা হেলথ টিপস

Download PDF


My Account

Facebook

top↑

Login
Accessing this book requires a login. Please enter your credentials below!

Continue with Google
Lost Your Password?
এভারগ্রিন বাংলা লোগো
Register
Don't have an account? Register one!
Register an Account

Continue with Google

Registration confirmation will be emailed to you.